Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


November 29, 2018

Tantuja, Manjusha making profit under Trinamool Govt

Tantuja, Manjusha making profit under Trinamool Govt

State Finance, Commerce and Industry Minister Dr Amit Mitra on Tuesday said that both Tantuja and Manjusha have seen a remarkable turnaround in the last seven years since the Mamata Banerjee government took over in 2011.

Tantuja, that had suffered a loss of Rs 12.69 crore in the year 2010-11 has registered an operational profit of Rs 10.26 crore in the 2017-18 fiscal. Tantuja has made a business of Rs 167.70 crore in the last seven months and the operational profit has been Rs 3.39 crore.

“In 2011-12, the very first year we assumed office, we made a profit of Rs 69 lakh. In the 2017-18 fiscal, our turnover has gone up to Rs 204. 90 crore with a profit of Rs 10.26 crore,” the minister said.

According to Dr Mitra, the operational profit for Manjusha has been Rs 5.87 crore in the 2017-18 fiscal and it has also registered a turnover of Rs 91.04 crore. “Manjusha has made a business of Rs 167.70 crore from April to October this year and has made a profit of Rs 7.39 crore,” he said.

Elaborating on the reasons behind the turnaround, the minister said Tantuja has gone for massive product diversification in terms of bringing in the latest designs in sarees and has introduced jackets, scarves etc. “The state design centre is coming up with new designs and the weavers are being encouraged to incorporate new and latest designs in sarees,” Dr Mitra added.

According to him, the state government has eliminated the role of middlemen in the entire process by introducing the sale of products through e-commerce sites and also doing away with the manual calculation of sale proceeds.

“The products are now purchased directly from the Self-Help Groups and the weavers through camps in various parts of the state and payments are made directly to their bank accounts,” Dr Mitra reiterated.


নভেম্বর ২৯, ২০১৮

পরিবর্তনের জমানায় লাভের মুখ দেখেছে তন্তুজ, মঞ্জুষা

পরিবর্তনের জমানায় লাভের মুখ দেখেছে তন্তুজ, মঞ্জুষা

তন্তুজ ও মঞ্জুষা লাভ করেছে। রাজ্যের ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ এবং বস্ত্র বিভাগের মন্ত্রী বিধানসভায় একথা জানান। ২০১০-১১ আর্থিক বর্ষে তন্তুজের ব্যবসার পরিমাণ ছিল ৫৫.৯কোটি টাকা। লোকসানের পরিমাণ ছিল ১২.৬৯কোটি টাকা। ২০১২-১৩ সাল থেকে তন্তুজ ‘অপারেশানাল প্রফিট’ করছে। ২০১৭-১৮ আর্থিক বর্ষে তন্তুজের ব্যবসার পরিমাণ ছিল ২০৪.৯ কোটি টাকা।

‘অপারেশানাল প্রফিট’ দাঁড়িয়েছিল ১০.২৬ কোটি টাকা। তন্তুজের বিপুল বৃদ্ধির কারণ নতুন ডিজাইন। শাড়ির পাশাপাশি জ্যাকেট, স্কার্ফ ও স্টোল বিক্রী করা হচ্ছে। ডিজাইন সেন্টারে নিত্য নতুন ডিজাইন তৈরী হচ্ছে। সেইমতো তৈরী করছেন তাঁতিরা।

মঞ্জুষার ক্ষেত্রে লাভের কারণ, মধ্যস্বত্বভোগীদের বাদ দিয়ে কারুশিল্পী, স্বনির্ভর গোষ্ঠী এবং ক্ষুদ্র উৎপাদনকারীদের কাছ থেকে সরাসরি জিনিস কিনছে। এমনকি কারুশিল্পীদের যে শিবির করা হয়, সেখান থেকেও জিনিস কেনা হয়। প্রাপ্য অর্থ ব্যাঙ্কের মাধ্যমে দেওয়া হয়। হিসেব রাখা ও আদানপ্রদান কম্পিউটারাইজড করা হয়েছে। ফুলে শিল্পীদের টাকা পেটে সমস্যা হচ্ছে না। ই-কমার্সের মাধ্যমে সামগ্রী বিক্রীর ব্যবস্থা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, এ বছর ৩১অক্টোবর পর্যন্ত তন্তুজ এবং মঞ্জুষার ব্যবসার পরিমাণ ছিল ১৬৭.৭০কোটি টাকা। অপারেশানাল প্রফিট ছিল ৭.৩৯ কোটি টাকা। পয়লা এপ্রিল ২০১৮ থেকে ৩১ অক্টোবর ২০১৮ পর্যন্ত মঞ্জুষার মোট ব্যবসার পরিমাণ ছিল ৭২.৭ কোটি টাকা। লাভের পরিমাণ ছিল ৩.৩৯কোটি টাকা।