Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


November 13, 2018

Comprehensive census of waterbodies of Bangla

Comprehensive census of waterbodies of Bangla

The Water Resources Investigation and Development (WRID) Department will soon undertake a minor irrigation census (MIC) to have a comprehensive figure of the waterbodies in the entire State.

This is for the first time when the census will include even surface waterbodies like very small pools of water. According to a senior official of the WRID Department, as many as 25 to 30 types of waterbodies including tube-wells will be covered under the MIC. The official further said that the aim behind the move is to have a concise data for sensible and logical planning when it comes to using water for irrigation.

The exercise will be conducted by the State Water Investigation Directorate (SWID), which comes under the aegis of the WRIDD and is responsible for carrying out investigation along with a quantitative and qualitative assessment of water resources.

The SWID will classify all the 341 blocks in the state into three categories – critical, semi-critical and safe, and accordingly prepare a roadmap for the scientific use of groundwater in the near future.

Apart from designating blocks based on the three parameters, the State Government will also come out with a direction for the agencies about how much water extraction will be allowed for agriculture or industry purposes.

Source: Millennium Post


নভেম্বর ১৩, ২০১৮

রাজ্যের জলাশয়ের সমীক্ষা করবে রাজ্য

রাজ্যের জলাশয়ের সমীক্ষা করবে রাজ্য

রাজ্য জলসম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন দপ্তর শীঘ্রই রাজ্যের সমস্ত জলাশয়ের একটি সম্মুখ করবে। ক্ষুদ্র সেচ বাড়াতেই এই উদ্যোগ দপ্তরের।

এই প্রথম সরকারের তরফে এই রকম একটা সমীক্ষা করা হবে; কোনও ক্ষুদ্র জলাশয়ও বাদ দেওয়া হবে না। এই সমীক্ষাটি মোট ২৫ থেকে ৩০ প্রকার জলাশয়কে নিয়ে করা হবে। এর ফলে ক্ষুদ্র সেচের জন্য জল ব্যবহারে সুবিধা হবে।

এই সমীক্ষা করবে রাজ্যের জলসম্পদ অনুসন্ধান অধিদপ্তর। তারা জলের গুণগত ও পরিমাণগত মূল্যায়নও করবে।

রাজ্যের ৩৪১টি ব্লককে তিন ভাগে -আশঙ্কাজনক, কম আশঙ্কাজনক এবং নিরাপদ – ভাগ করা হবে। ভবিষ্যতে ভূগর্ভস্থ জলের সর্বাপেক্ষা অনুকূল ব্যবহারের একটি রোডম্যাপও তৈরী করা যাবে। কোন জলাশয় থেকে কতটা জল সেচ বা শিল্পের জন্য ব্যবহার করা যাবে, তও নির্ধারিত করা যাবে এই সমীক্ষার ফলে।