Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


November 21, 2018

Dropout rates in govt-sponsored schools significantly down

Dropout rates in govt-sponsored schools significantly down

The dropout rates of students in government-sponsored schools have plummeted in the last one year. This was stated by the State Education minister in the Assembly on November 19, in reply to a question.

The minister also said that the student-teacher ratio would be rationalised soon for the betterment of overall education at school level.

The minister presented comprehensive data on the school dropout rates, level by level, which is presented below (for academic year 2016-17 and 2017-18):

  • Primary: 3.85% to 2.12% (decrease by 44.94%)
  • Upper primary: 7.5% to 0.17% (decrease by 97.63%)
  • Secondary (Madhyamik): 26.32% to 14.64% (decrease by 44.38%)
  • Higher Secondary (Uccha Madhyamik): 21.52% to 11.04% (decrease by 48.61%)

 

Regarding teacher-student ratio, he categorically stated that the rationalisation process for making the teacher-student ratio to 1:20 has already been started, and would be completed within the next two to three months.


নভেম্বর ২১, ২০১৮

রাজ্যে কমছে স্কুলছুটের সংখ্যা, বিধানসভায় জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

রাজ্যে কমছে স্কুলছুটের সংখ্যা, বিধানসভায় জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

গত এক বছরে রাজ্যে ব্যাপক হারে কমছে স্কুলছুটের সংখ্যা। সোমবার বিধানসভায় পরিসংখ্যান তুলে একথা জানান শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

এক বিধায়কের প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে যেখানে প্রাথমিকে স্কুলছুটের সংখ্যা ছিল ৩.৮৫ শতাংশ, সেখানে ২০১৭-১৮-তে তা কমে হয়েছে ২.১২ শতাংশ। স্কুলছুটের সংখ্যা কমেছে উচ্চপ্রাথমিক স্তরেও। উচ্চপ্রাথমিক স্তরে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে স্কুলছুটের সংখ্যা ছিল ৭.৫%। বিগত শিক্ষাবর্ষে তা কমে হয়েছে মাত্র ০.১৭ শতাংশ। অর্থাৎ, উচ্চপ্রাথমিক স্তরে কার্যত তলানিতে ঠেকেছে স্কুলছুটের সংখ্যা। মাধ্যমিকস্তরে স্কুলছুটের সংখ্যা কমেছে প্রায় ১২ শতাংশ। ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে সংখ্যাটা ছিল ২৬.৩২ শতাংশ। ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে সংখ্যাটি দাঁড়িয়েছে ১৪.৬৪ শতাংশ।”

শিক্ষক বিন্যাসের পদ্ধতি প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “শিক্ষক বিন্যাস সঠিক করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগামী ২-৩ মাসের মধ্যেই তা সম্পূর্ণ হবে।”