Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


November 21, 2018

Anti-fraud cell to protect cooperative banks

Anti-fraud cell to protect cooperative banks

The State Government is coming up with an anti-fraud cell headed by a judicial magistrate to check incidents of fraud at cooperative banks across the State.

This was stated by the Cooperation Minister in the State Assembly on Monday, November 19.

He said that during the Left Front regime many cooperative banks were involved in financial irregularities. The Trinamool Congress Government, under the leadership of Chief Minister Mamata Banerjee, has been taking various preventive measures in this regard.

Referring to the FRDI Bill, he said, “This Bill is destructive. The savings of common people are no longer secure in banks. People will face economic insecurity. We must strengthen the protests against FRDI Bill.”

Later in the day, the minister told the Assembly, “In the current fiscal the cooperative banks have disbursed short-term loans worth Rs 5713.27 crore and long-term loans worth Rs 230.34 crore. That apart, more than one lakh families have been given Rs 180 crore for animal rearing. More funds will be allocated for the same.”

Source: Millennium Post


নভেম্বর ২১, ২০১৮

সমবায় ব্যাঙ্কে জালিয়াতি রুখতে সেল গঠন করবে রাজ্য

সমবায় ব্যাঙ্কে জালিয়াতি রুখতে সেল গঠন করবে রাজ্য

রাজ্যজুড়ে সমবায় ব্যাঙ্কগুলিতে কোনওরকম জালিয়াতি রুখতে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একটি ‘অ্যান্টি ফ্রড সেল’ গড়বে রাজ্য সরকার।

সমবায় মন্ত্রী বলেন, বাম আমলে সমবায় ব্যাঙ্কগুলি অনেক আর্থিক দুর্নীতিতে জড়িত ছিল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার দুর্নীতি ঠেকাতে অনেক পদক্ষেপ নিয়েছে।

কেন্দ্রের জনবিরোধী এফআরডিআই বিলের বিরুদ্ধে জনমত আরও মজবুত করার আবেদন জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, “কেন্দ্রের এই নীতি খুব ধংসাত্বক। এতে সাধারন মানুষের ব্যাঙ্কে গচ্ছিত টাকার কোনও নিরাপত্তা থাকবে না। এর ফলে সাধারন মানুষ আর্থিক সঙ্কটে পড়বে। আমাদের সকলকে এফআরডিআই বিলের বিরুদ্ধে সরব হতে হবে।”

এদিনই বিধানসভায় সমবায় মন্ত্রী বলেন, বর্তমান অর্থবর্ষে সমবায় ব্যাঙ্কগুলিতে স্বল্পমেয়াদী ঋণের পরিমাণ ৫৭১৩.২৭ কোটি টাকা ও দীর্ঘমেয়াদী ঋণের পরিমাণ ২৩০.৩৪ কোটি টাকা। এছাড়া, গবাদি পশু পালনের জন্য ১ লক্ষ পরিবারকে মোট ১৮০ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে; এই খাতে আরও টাকা দেওয়ার পরিকল্পনা আছে।