Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


November 24, 2018

In Bangla, girls get equal opportunities for education with respect to boys

In Bangla, girls get equal opportunities for education with respect to boys

Unlike many other States, the state of education of girls is very bright in Bangla. While in government schools, the number of girls enrolled is more than the number of boys, in the case of private schools, the ratio is a very encouraging 50:50.

This is as per data in the Union Human Resource Development Ministry report, ‘Educational Statistics at a Glance 2018’, for enrolment in schools from classes I to XII in the school year 2015-16 (the latest data available).

In achieving these results, schemes like Kanyashree and Sabuj Sathi, both of which were conceived by the visionary Chief Minister of Banglal, Mamata Banerjee, have played a big role. This is the view of not just the State Government but of many people, including experts linked to education.

While the Kanyashree Scheme provides financial compensation through direct benefit transfer (DBT) to girls for attending school till class XII (extended to postgraduates last year), the Sabuj Sathi Scheme provides every government school student from classes IX to XII a bicycle for commuting to and from school. Both the schemes have been feted at various international and national forums.

The effect of both Kanyashree and Sabuj Sathi has been empowerment through education. Education is making girls aware of their rights and is helping them become economically self-sufficient. The result is a significant decrease in child marriage and leaving school midway. There has also been a good rise in the enrolment of girls in schools. No longer do families, especially in rural areas, consider educating girls a chore, but rather a necessity.

Source: Ei Samay


নভেম্বর ২৪, ২০১৮

পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষায় ভেদ নেই ভাইবোনে

পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষায় ভেদ নেই ভাইবোনে

স্কুলশিক্ষায় লিঙ্গ বৈষম্য নেই বাংলায়। ছেলেদের লেখাপড়া শেখালে ‘লাভ’ আছে, আর মেয়েদের লেখাপড়া মানে’বাজে বিনিয়োগ’- এই রোগ বাংলায় নেই। কেন্দ্রীয় সরকারের সেই তথ্যই সে-কথা বলছে।

সম্প্রতি মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক প্রকাশ করেছে শিক্ষা সংক্রান্ত তথ্যবলী বা এডুকেশন স্ট্যাটিস্টিক অ্যাট
আ গ্লান্স। সেখানে অন্য রাজ্যকে ১০ গোল দিয়েছে বাংলা। রিপোর্টে বলা হয়েছে ,কন্যাসন্তানদের সরকারি স্কুলে পড়ানোর প্রবণতা বেশী। আবার বেসরকারি স্কুলগুলিতে ছাত্রদেরই বেশি ভিড়। মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক মেনে নিচ্ছে, এর মূলে আছে লিঙ্গ বৈষম্য। অনেকেরই ব্যাখ্যা ,কম খরচে অথবা বিনামূল্যে সরকারি ব্যবস্থায় পড়ানোহচ্ছে কন্যাসন্তানদের। কারণ এই বিনিয়োগে লাভ নেই। ঠিক উল্টো কারণে শিক্ষাখাতে ছেলেদের জন্য বেশী অর্থ বরাদ্দ করছে পরিবারগুলি।

দেশের বেশিরভাগ রাজ্যে যখন এই চিত্র, তখন উল্টোটাই ঘটছে বাংলায়। এখানে বেসরকারি স্কুলে পড়ানোর ক্ষেত্রে ছেলে আর মেয়ের মধ্যে কোনও রকম বৈষম্য কেন্দ্রের রিপোর্টে ধরা পড়েনি। বরং মেয়েরা অল্প হলেওছেলেদের থেকে এগিয়ে। বেসরকারি স্কুল বলতে কেন্দ্র অবশ্য সরকার পোষিত স্কুলগুলিকে যেমন ধরেছে, তেমনই ধরা হচ্ছে সম্পূর্ণ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিকেও। যেখানে পড়তে গেলে মাস গেলে মোটা অঙ্কের টাকাখরচ করতে হয়।

দীর্ঘদিন ধরে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির অবস্থা শোচনীয়। ছত্তিশগড়, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, এমনকি প্রধানমন্ত্রীর নিজের রাজ্য গুজরাটেও ভয়ঙ্কর লিঙ্গ বৈষম্য। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পশ্চিমবঙ্গ আরবামশাসিত কেরল এই নিরিখে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিকেও অনেক পিছনে ফেলে দিয়েছে। তবে শিক্ষিতেরহারের নিরিখে কেরল বহুদিন ধরেই এগিয়ে।

গোটা দেশের মধ্যে অবশ্য এ রাজ্যেও সরকারি স্কুলে হেলেদের তুলনায় মেয়েরা বেশি। বেসরকারি স্কুলগুলির নিরিখে চিত্রটা কার্যত ৫০:৫০। শিক্ষা মহলের অনেকেই বক্তব্য , এ রাজ্যে কন্যাসন্তানদের অন্তত পক্ষে মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত পড়ানো এবং বাল্যবিবাহ রুখতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কন্যাশ্রী ,সবুজসাথীর মতো প্রকল্প একদিকে যেমন ছাত্রদের স্কুলছুট কমানোর কাজে বড় ভূমিকা নিচ্ছে , ঠিক তেমনই মেয়েদের স্কুলে ভর্তি করানোর মাত্ৰা একধাক্কায় অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছে। কমেহে বাল্যবিবাহের প্রবণতাও।’

সৌজন্যঃ এই সময়