Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


November 23, 2018

Bangla’s first Honey Hub coming up in Deganga

Bangla’s first Honey Hub coming up in Deganga

On the demand of the few thousand honey bee-keepers of North 24 Parganas, the State Government has decided to set up its first Honey Hub, consisting of a honey processing centre and a sales counter, at Deganga in Barasat subdivision.

Bidhan Chandra Krishi Viswavidyalaya would be providing the technical expertise for setting up the hub. The hub would adopt the latest scientific techniques to purify the honey to the highest level of quality.

The centre would be run by the Horticulture Department. The government is also thinking about setting up a cooperative of the honeybee-keepers of the district.


নভেম্বর ২৩, ২০১৮

সরকারি উদ্যোগে মধু বিক্রয় কেন্দ্র দেগঙ্গায়

সরকারি উদ্যোগে মধু বিক্রয় কেন্দ্র দেগঙ্গায়

উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গায় রাজ্য সরকারের উদ্যোগে প্রথম মধু প্রক্রিয়াকরণ ও বিক্রয় কেন্দ্রটি গড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজ্যের উদ্যানপালন দপ্তর ও উত্তর ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এই প্রকল্পের রূপরেখা তৈরীর কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে। দেগঙ্গায় রাজ্যের প্রস্তাবিত কৃষক-বাজারের সঙ্গেই আলাদা করে এই ‘হানি হাব’ বা মধু পরীক্ষা এবং বিক্রয় কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হবে। প্রকল্পের পরিকাঠামো-সহ প্রক্রিয়াকরণের প্রযুক্তির ব্যাপারে বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরামর্শও নেওয়া হচ্ছে।

রাজ্যের উদ্যানপালন দপ্তরের মন্ত্রী বলেন, ‘‘অনেক দিন ধরেই মৌমাছি পালকরা স্থায়ী একটি মধু বিক্রয়কেন্দ্র গড়ার দাবি জানিয়ে আসছিল। যে কারণেই উত্তর ২৪ পরগনায় দপ্তরের উদ্যোগে ওই প্রকল্পটি গড়ে তোলার ভাবনা-চিন্তা শুরু হয়েছে।’’ উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক বলেন, ওই জেলায় কয়েক হাজার মৌমাছি পালক রয়েছে। যারা বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে-ঘুরে ফুল থেকে কাঁচা মধু সংগ্রহ করে। কিন্তু সেই মধু প্রক্রিয়াকরণ করে সংগঠিত উদ্যোগে বিপণনের কোনও পরিকাঠামো এতদিন ছিল না। যে কারণে তারা এক ছাদের তলায় একটি বিপণন কেন্দ্র গড়ে তোলার আর্জি জানিয়ে আসছিল বলেই দেগঙ্গায় প্রকল্পটির কথা ভাবা হয়েছে বলে তিনি জানান।

বিক্রয় কেন্দ্রটি এমন ভাবে গড়ে তোলার রূপরেখা তৈরী হচ্ছে যাতে সেখানে মৌমাছি পালকদের মধু বিজ্ঞানসম্মত ভাবে মজুত করা থেকে তার মান পরীক্ষা, প্রক্রিয়াকরণ-সহ দেশ-বিদেশের ক্রেতাদের কাছে বিক্রী এবং ব্র্যান্ডিংয়ের ব্যবস্থা করা যায়। পুরো প্রকল্পটি বাস্তবায়িত করতে যা খরচ হবে তা উদ্যানপালন দপ্তর করবে বলে ঠিক হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মৌমাছি পালকদের নিয়ে সরকার একটি সমবায় গড়ার পরিকল্পনা করেছে।