Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


January 24, 2019

State Govt to arrange for training in latest tech for food processing, agriculture

State Govt to arrange for training in latest tech for food processing, agriculture

The Science & Technology and Biotechnology Department has tied up with the State technology university, MAKAUT (formerly known as WBUT) to train owners of small businesses (MSME sector) to use the latest technology for food processing and preservation, and for agriculture too.

In this connection, it has been decided by the government to build biotechnology parks in different corners of the Bangla, in places where farming happens on a large scale.

There are many food processing businesses in the State but not all possess the latest knowledge, for example, regarding preservation of fruits and vegetables, fish, etc. the lack of adequate knowledge is also preventing exports in some cases.

Thus, the decision of the government to set up training programmes will immense help the micro, small and medium enterprises (MSME) sector.

Source: Bartaman


জানুয়ারী ২৪, ২০১৯

খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, সংরক্ষণের পাঠ দিতে রাজ্যের সঙ্গে উদ্যোগী প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, সংরক্ষণের পাঠ দিতে রাজ্যের সঙ্গে উদ্যোগী প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, সংরক্ষণ সহ একাধিক বিষয়ের উপর ব্যবসা-বাণিজ্যে ছোট ছোট উদ্যোগপতিদের প্রশিক্ষণ দেবে প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়৷ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই কাজ করা হবে৷ এজন্য বিভিন্ন প্রান্তে বায়োটেকনোলজি পার্ক তৈরী করার কথা ঠিক হয়েছে৷ তবে এগুলি শুধু প্রশিক্ষণ কিংবা সচেতনতা তৈরীর উদ্দেশ্যেই হবে না, চাষবাস সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গবেষণামূলক কাজও সেখানে করা হবে৷

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, খাদ্য সংরক্ষণ এবং প্রক্রিয়াকরণ নিয়ে এখনও বহু ছোট-বড় উদ্যোগপতির সঠিক পাঠ নেই৷ এসব কায়দা না জানার কারণে, বহু ক্ষেত্রেই ফল-সবজি নষ্ট হয়ে যায়৷ যেহেতু এমন সামগ্রী বিদেশেও রপ্তানি করা হয়,তাই ঠিকমতো সংরক্ষণ না করা হলে, অনেক কিছু পচে যাওয়ার আশঙ্কাও বয়েছে৷ তাতে আর্থিক লোকসান পোহাতে হতে পারে ওই ব্যবসায়ীদের৷ তাই সংরক্ষণ নিয়ে যদি তাঁদের ঠিক মতো প্রশিক্ষণ দেওয়া যায়, তাহলে এই সমস্যা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে৷ প্রশিক্ষণের জন্য বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি দল তৈরী করা হবে৷ তাঁরাই মূলত এই প্রশিক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন৷

বিশ্ববিদ্যালয় অবশ্য আরও কয়েকটি বিষয়ের উপর জোর দিচ্ছে৷ তা হল, ফলমূল জীবাণুমুক্ত কী করে করা যায়, বা এগুলির সংরক্ষণ কতটা জরুরি, তার নিয়েও সচেতনতার পাঠ দেওয়া হবে! তাছাড়া বায়োটেকনোলজির ব্যবহার নিয়েও অবহিত করা হবে৷ বিভিন্ন জেলার যেখানে চাষ বেশী হয়, সেই এলাকাগুলিতেই এই বায়োটেক পার্ক করার পরিকল্পনা রয়েছে৷ তাছাড়া প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের হরিণঘাটা ক্যাম্পাসেও একটি কেন্দ্র করতে ইচ্ছুক কর্তৃপক্ষ৷

যত বেশী সম্ভব উদ্যোগপতিকে এই পাঠ দিয়ে ‘শিক্ষিত’ করে তুলতে চাইছে বিশ্ববিদ্যালয়৷

সৌজন্যেঃ বর্তমান