Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


January 27, 2019

Reforms in PDS in Bangla in the last 7 years

Reforms in PDS in Bangla in the last 7 years

To ensure proper distribution and access of essential food, the State Government’s Food and Supplies (F&S) Department has brought about end-to end reforms in the management of the public distribution system (TPDS).

The public distribution system consists of the public distribution outlets (PDO), which are basically fair-price shops (FPS) and are commonly known as ration shops.

TPDS through use of ICT

Essentially, PDS has been changed to TPDS, that is, targeted public distribution system. A major reform in this regard has been the use of information and communication technology (ICT) in the management of the TPDS.

This includes:

·         Creation of electronic data bank of all the stakeholders of the PDS

·         Online allocation of foodgrains up to the FPS levels

·         Doorstep delivery by distributors to dealers

·         SMS-based information to the FPS-wise registered mobile users regarding allocation and availability of foodgrains

Other uses of ICT in the PDS

Other aspects of the use of ICT include:

·         Complete online supply chain management

·         Call centre-based public grievance redressal system including voice recording mechanism

·         Online renewal of license for more than 21,000 FPS dealers and distributors, 31,000 superior kerosene oil dealers and agents, and, 10,000 licensees of other petroleum products like LPG, lubricating oil, petrol pumps, etc.

·         Integrated online MIS generation from the level of sub-divisional controller of F&S Department and upwards

·         Publication of new PDS control orders and modified control orders for the distribution of foodgrains in tea gardens through government outlets

·         Completion of digitisation of 8.59 crore ration card data, as on January 31, 2015 and the completion of setting up of online supply chain management for the distribution of foodgrains

Awareness generation regarding PDS

·         The Food & Supplies Department has also undertaken a massive drive for public awareness generation for people’s entitlement through TPDS

·         Regular publicity through audio spots on All India Radio, display of banners, publicity through mikes and through skits by local artistes in gram panchayats and municipalities is creating improved awareness among the people

·         Advertisement through print as well as electronic media is being done at regular intervals

·         A monthly periodical named Sanbadnama is being published by the department.

·         Since 2016, January 27 is being observed as Khadya Sathi Dibas

Toll-free grievance redressal system

·         A 12×7 call centre (that is, 12 hours a day on all days of the week) equipped with call resource management and document management system

·         Two toll-free helpline numbers – 18003455505 and 1967 – for getting information or lodging complaints

·         Tracking status of grievance redressal online through the portal of the F&S Department

·         Additional district magistrate designated in every district as the district grievance redressal officer to address PDS-related complaints

Budgetary outlay apropos PDS increased

·         For achieving the above goals, the Trinamool Congress Government has increased the budgetary outlay manifold during its period in power.

·         Whereas in FY 2010-11, the total outlay for PDS was only Rs 2,199 crore, that in FY 2018-19 was Rs 8,037 crore, an increase by more than 3.6 times.

·         Hence, it can be said that Bangla’s public distribution system, the lifeline of the foodgrain supply scheme of the government, has improved hugely. Work is constantly going on to streamline the system of distribution as well as that of solving any issue that may arise.

 


জানুয়ারী ২৭, ২০১৯

সাত বছরে বাংলার গণবন্টন ব্যবস্থার আমূল সংস্কার

সাত বছরে বাংলার গণবন্টন ব্যবস্থার আমূল সংস্কার

রাজ্যের মানুষের খাদ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে গত সাত বছরে বাংলার গণবন্টন ব্যবস্থার আমূল সংস্কার করেছে রাজ্য খাদ্য দপ্তর। গণবন্টন বলতে সাধারণত বোঝানো হয় গণবণ্টন কেন্দ্র এবং ন্যায্য মূল্যের দোকান (রেশন দোকান নামেই যার পরিচিতি বেশী)।

গণবন্টন ব্যবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহার:

গত সাত বছরে রাজ্যের গণবন্টন ব্যবস্থার সংস্কার করতে অনেক পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলার সরকার। একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হল গণবন্টন ব্যবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহার।

সেরকমই কিছু পদক্ষেপ হল:

গণবন্টন ব্যবস্থার সমস্ত অংশীদারদের ইলেক্ট্রনিক ডাটাব্যাঙ্ক তৈরী করা
রেশন দোকান পর্যন্ত খাদ্যশস্যের অনলাইন বরাদ্দকরণ
ডিস্ত্রিবিউটার থেকে ডিলারদের প্রতিষ্ঠান খাদ্যশস্যের ‘ডোরস্টেপ ডেলিভারি’
রেশন দোকানে মজুত খাদ্যশস্যের তথ্য গ্রাহকদের এসএমএস মারফত জানানো

গণবন্টন ব্যবস্থায় প্রযুক্তির অন্যান্য ব্যবহার:

পুরোপুরি অনলাইন সাপ্লাই চেন ব্যবস্থাপনা
কল-সেন্টার নির্ভর অভিযোগ কেন্দ্র
২১,০০০ রেশন ডিলার ও ডিস্ট্রিবিউটর, ৩১,০০০ কেরোসিন তেল ডিলার ও এজেন্ট এবং অন্যান্য পেট্রোপণ্যের ১০,০০০ লাইসেন্সিদের অনলাইনে লাইসেন্স নবীকরণ
২০১৫ সালের ৩১শে জানুয়ারি অনুযায়ী ৮.৫৯ কোটি রেশন কার্ডের তথ্যের ডিজিটাইজেশনের কাজ এবং খাদ্যশস্য বণ্টনের জন্য অনলাইন সাপ্লাই চেন ব্যবস্থাপনার কাজ সম্পন্ন হয়েছে

গণবণ্টন ব্যবস্থার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি:

গণবণ্টন ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্তির জন্য জন সচেতনতা বাড়াতে উদ্যোগী হয়েছে দপ্তর। রেডিও, ডিসপ্লে ব্যানার, মাইকে প্রচার, স্থানীয় শিল্পীদের মাধ্যমে গ্রাম পঞ্চায়েত ও পুরসভার ওয়ার্ডে প্রচার করে জনমানসে এই বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।
প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় নিয়মিত প্রচার করা হয়। মাসিক ‘সংবাদনামা’ প্রকাশ করা হয় দপ্তর থেকে। ২০১৬ সাল থেকে ২৭শে জানুয়ারি পালিত হয় ‘খাদ্যসাথী দিবস’ হিসেবে।

টোল ফ্রি নম্বরের মাধ্যমে অভিযোগ:

মানুষের অভিযোগের নিষ্পত্তির জন্য খোলা হয়েছে কল সেন্টার। সপ্তাহে ৭ দিন ১২ ঘণ্টা খোলা থাকবে এই কলসেন্টার। সাধারণ মানুষ অভিযোগ জানাতে পারেন হেল্পলাইন নম্বরের মাধ্যমে। কোনও জিজ্ঞাস্য থাকলে সেটাও জানাতে পারবেন।

এই হেল্পলাইন নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৫০৫ এবং ১৯৬৭। অভিযোগের নিরসনের জন্য কি পদক্ষেপ নেওয়া হল, সেটাও অনলাইনে জানা যাবে। সব জেলায় অতিরিক্ত জেলাশাসককে ডিস্ট্রিক্ট গ্রিভান্স রিড্রেসাল অফিসার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।

বাজেট বরাদ্দ বেড়েছে ৩.৬ গুনের বেশী:

এইসমস্ত লক্ষ্য পূরণ করার জন্য খাদ্য দপ্তরের বাজেট বরাদ্দ বেড়েছে ৩.৬ গুনেরও বেশী। ২০১০-১১ সালে দপ্তরের বাজেট ছিল ২,১৯৯ কোটি টাকা যা ২০১৮-১৯ সালে বেড়ে হয়েছে ৮,০৩৭ কোটি টাকা।

তাই, বলা যেতেই পারে, রাজ্যের গণবন্টন ব্যবস্থার আমূল সংস্কার হয়েছে গত সাত বছরে। এই বন্টন ব্যবস্থার আরও উন্নতিকরণের জন্য কাজ করছে খাদ্য দপ্তর।