Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


January 26, 2019

Bangla to observe Khadya Sathi Dibas today

Bangla to observe Khadya Sathi Dibas today

January 27 is celebrated as Khadya Sathi Dibas by the Bangla Government. On this day in 2016, Chief Minister Mamata Banerjee launched the Khadya Sathi Scheme, hence the commemoration.

Khadya Sathi Scheme is a flagship scheme and one of the most successful schemes of the Bangla Government.

Nearly 9 crore people of the State, or nearly 90 per cent of the population, get foodgrains at Rs 2 per kg under this scheme. As a component of this scheme, 100 per cent digitisation of ration cards has been completed.

Now, across the length and breadth of the State, lakhs and lakhs of people do not have to worry about sufficient nourishing food. There are even special packages for the Jangalmahal region, Cyclone Aila-affected families, unwilling land-giving farmers of Singur, workers and non-workers of closed tea gardens, Hill areas, Toto tribe (staying in Totopara), and other destitute and homeless people.

Also a part of this, from FY 2014-15, is free-of-cost nutritional support to approximately 5,200 severely acute malnourished (SAM) children and their mothers. The monthly package consists of 5 kg rice, 2.5 kg wheat, 1 kg masoor dal and 1 kg Bengal gram.

The scheme is implemented through a strong network of public distribution and food storage system.


জানুয়ারী ২৬, ২০১৯

আজ খাদ্যসাথী দিবস পালন করবে রাজ্য সরকার

আজ খাদ্যসাথী দিবস পালন করবে রাজ্য সরকার

প্রতি বছর আজকের দিনে খাদ্যসাথী দিবস পালন করে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর মস্তিষ্কপ্রসূত খাদ্য সাথী প্রকল্পও ২০১৬ সালের এই দিনে সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

খাদ্যসাথী প্রকল্প বাংলার এক অনন্য এবং অন্যতম সফল প্রকল্প। গত সাড়ে সাত বছরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার খাদ্য সুরক্ষার দিক থেকে অনেক উন্নতি করেছে।

রাজ্যের প্রায় ৯.৫ কোটি মানুষকে ২টাকা কিলো দরে চাল দেওয়া হয়। ১০০ শতাংশ রেশন কার্ডের ডিজিটাইজেশন সম্পন্ন হয়েছে।

এখন বাংলার কোটি কোটি মানুষকে পুষ্টিপূর্ণ খাবারের জন্য দুশ্চিন্তা করতে হয়না। জঙ্গলমহলের বাসিন্দাদের জন্য, সিঙ্গুরের অনিচ্ছুক চাষিদের, আয়লায় ক্ষতিগ্রস্থদের, বন্ধ চা বাগানের শ্রমিক ও অশ্রমিকদের, পাহাড়ের বাসিন্দাদের, টোটো জাতিদের ও অন্যান্য গৃহহীনদের জন্য বিশেষ খাদ্য প্যাকেজ দেওয়া হয়েছে।

২০১৪-১৫ অর্থবর্ষ থেকে ভয়াবহ ভাবে অপুষ্ট ৫২০০জনকে বিনামূল্যে পুষ্টিগত সহায়তা করা হচ্ছে। মাসিক প্যাকেজে থাকে ৫ কিলো চাল, ২.৫ কিলো গম এবং ১ কিলো ছোলার ডাল।