Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


January 14, 2019

Bangla Govt encouraging tea cultivation in Purulia

Bangla Govt encouraging tea cultivation in Purulia

The Bangla Government has taken up an initiative to tea cultivation in the Ayodhya Hills in Purulia district and produce crush-tear-curl (CTC) tea in the next five to six years. The project has been undertaken as part of the 100 Days’ Work Scheme.

The government is taking technical assistance from IIT Kharagpur in this venture. The laterite soil of the Ayodhya Hills has been found to be ideal for tea plantation.

The Ayodhya gram panchayat has planted 16,000 tea saplings on 20 acres on the slopes of the Ayodhya Hills, in the Mirmi and Kalhay mouzas in Baghmundi block. The saplings have been supplied by the Panchayats and Rural Development Department.

The tea gardens will be operated by self-help groups, who will be given all necessary help by the government. The government has set a target to plant around 30,000 tea saplings in total.

This venture of producing tea in non-traditional areas will create a new industry opportunity in the district. The suitability of other districts like Bankura, Jhargram and Paschim Medinipur is being studied too.

Besides generating income opportunities, the venture will attract tourists too, like they do in the Darjeeling Hills.


জানুয়ারী ১৪, ২০১৯

পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ে চা চাষে উদ্যোগী রাজ্য সরকারের

পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ে চা চাষে উদ্যোগী রাজ্য সরকারের

পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ে চা চাষের উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। আগামী পাঁচ ছয় বছরের মধ্যে এখানে সিটিসি চা উৎপাদন করার লক্ষ্য সরকারের। ১০০ দিনের কাজের আওতায় এই উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

এই প্রকল্পের জন্য আইআইটি খড়গপুরের থেকে কারিগরি সহায়তা নেওয়া হচ্ছে। অযোধ্যা পাহাড়ের ল্যাটেরাইট মাটি চা উৎপাদনের জন্য আদর্শ বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

অযোধ্যা গ্রাম পঞ্চায়েত ইতিমধ্যেই বাঘমুন্ডি ব্লকের মিরমি ও কালহায় মৌজায় ২০ একর জমিতে ১৬,০০০ চা গাছের চারা রোপণ করেছে। এই চারাগুলি সরবরাহ করেছে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর। সরকারের লক্ষ্য মোট ৩০,০০০ চারা রোপণ করার।

এই চা বাগানগুলি পরিচালনা করবে স্বনির্ভর গোষ্ঠীরা। রাজ্য সরকার তাদের সবরকম সাহায্য করবে। চা উৎপাদনের জন্য বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুরের জমিও পরীক্ষা করা হচ্ছে।

পুরুলিয়ার মত অঞ্চলে চা উৎপাদনের উদ্যোগের ফলে শিল্পের এক নতুন দিগন্ত খুলে যাবে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞ মহলের। অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার পাশাপাশি পর্যটনের প্রসারও ঘটবে এর ফলে।