Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


July 11, 2018

Number of elephants in Bengal rises

Number of elephants in Bengal rises

The latest elephant census by the State Forest Department by the direct count method has resulted in a rise in their numbers from 590 (in 2014) to 682.

This time elephants in the forests of both north and south Bengal were counted unlike the last time, when only north Bengal was considered.

A simultaneous census is being done by the dung decay method, whose result is being awaited. According to the State chief wildlife warden, it will give a more accurate result and cause a probable rise in the number, as in direct sighting method it is possible that some elephants remain uncounted because of non-visibility in dense forests.

And anyway, said the chief wildlife warden, counts can differ from year to year and a little decrease is nothing to worry about as, being migratory animals, there is an average of more than a hundred elephants always on the move. From south Bengal they move to Odisha and Jharkhand and from north Bengal they move to Assam and countries like Nepal and Bhutan.

The State Forest Department now compiles a daily report on the elephant movement through WhatsApp and other messaging services with the help of the locals. This helps the Government to have an approximate idea of their range-wise presence and alert locals about probable encroachments on human settlements.

The dung decay method to count elephants, whose result is awaited, was first used in India in the Buxa forests in north Bengal. In this method, various factors are observed, including dung density, decay rate and defecation rate, to arrive at a final number.

Source: Millennium Post


জুলাই ১১, ২০১৮

বাংলায় বৃদ্ধি পেল হাতির সংখ্যা

বাংলায় বৃদ্ধি পেল হাতির সংখ্যা

রাজ্য বন দপ্তরের উদ্যোগে কিছুদিন আগে সম্পন্ন হল হাতি শুমারির কাজ। সরাসরি গণনা পদ্ধতিতে উঠে এসেছে একটি আনন্দজনক তথ্য। রাজ্যে হাতির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৮২। ২০১৪ সালের গণনায় এই সংখ্যাটি ছিল ৫৯০।

গতবারের গণনায় শুধু উত্তরবঙ্গের হাতিদের গোনা হয়েছিল। এবার, উত্তরের পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের হাতিও গোনা হয়।

পাশাপাশি আরেকটি গণনা চালানো হয় ‘ডাং ডিকে’ (হাতির বিষ্ঠা কতটা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়েছে) পদ্ধতিতে। এই পদ্ধতিতে হাতির সংখ্যা কত দাঁড়ায় তা জানা যাবে শীঘ্রই। সরাসরি গণনা পদ্ধতিতে শুধুমাত্র সেই হাতিদেরই গোনা হয়েছে, যাদের দেখা গেছে। অনেক সময়ে গভীর জঙ্গলে থাকা হাতিরা বাদ পড়ে যায়। তাই, আশা করা যায়, এই ফল প্রকাশিত হলে, রাজ্যে হাতির সংখ্যাটি বাড়বে।

রাজ্য বন দপ্তর স্থানীয় মানুষদের সাহায্যে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে হাতিদের দৈনিক গতিবিধির ওপর নজর রাখছে। এর ফলে হাতিরা কোন কোন এলাকায় বিচরণ করে বোঝা সহজ হচ্ছে। এর ফলে যদি কোনোরকম বিপত্তি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাহলে মানুষদের সচেতন করা সহজ হবে।

‘ডাং ডিকে’ পদ্ধতি দেশে প্রথম উত্তরবঙ্গের বক্সার জঙ্গলে ব্যবহৃত হয়। এই পদ্ধতিতে অনেক কিছু বিবেচনা করা হয় – যেমন, হাতির বিষ্ঠার ঘনত্ব, ক্ষয়ের হার, মলত্যাগের হার ইত্যাদি।