Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


July 10, 2018

Fisheries sector infrastructure improves under Trinamool

Fisheries sector infrastructure improves under Trinamool

The State Fisheries Department has endeavoured to give every manner of infrastructural help to fishermen, including fish research facilities to increase yield and to experiment on newer and more profitable species.

Storage infrastructure: As part of the ‘cold chain scheme’, the department has been sanctioned money for the construction of cold storages and, through the distribution of bicycles with insulated boxes, the development of transit and terminal markets, including retail outlets. Eight cold storages and six ice plants have been constructed.

Khuti societies: The State Government provides financial aid for the development of khuti societies, that is, fish drying centres. A total of 53 khuti societies in Contai and Diamond Harbour benefit from this aid. Considering essential aspects, the aid includes money for the operation and maintenance of the khutis or fish drying centres, including wages for khuti attendants and sweepers, development of khuti infrastructure like link roads, submersible pumps, solar lights, fish-drying platforms and bamboo structures, supply of hygienic materials and small equipments, and the repair of tube-wells.

Fishing harbours and fish landing centres: Under the department, there are seven minor fishing harbours and 13 fish landing centres. The entry channel at Kakdwip Harbour has been completed. Benfish has constructed modernised fish markets in Kalyani (Nadia district), Bolpur (Birbhum district), Uluberia (Howrah district) and Gangarampur (Dakshin Dinajpur district). Five fish landing centres have been recently constructed benefiting 8,700 fishermen in Indrapur, Satyadaspur, Kantamari, Raidighi/Domkal, Kheyaghat and Namkhana in South 24 Parganas.

Hatchery accreditation: Nineteen hatcheries have been constructed to ensure production of quality fish seed, and 231 hatcheries have been accredited.

Fish markets: Ten fish markets have been constructed – fish seed markets in Sinhati (Bankura district) and Rajendrapur (North 24 Parganas), wholesale and retail fish markets in Haldibari (Cooch Behar), Bolpur (Birbhum), Kalyani (Nadia), Fuleshwar (Howrah) and Udayrampur (South 24 Parganas), Nalban International Ornamental Fish Market, Kantamari (South 24 Parganas) and Jharkhali (South 24 Parganas) markets. Besides these, the upgrading of the wholesale fish market in Howrah is in progress.

Fish research centres: The department is setting up block-level laboratory-cum-training centres for testing water and soil of water bodies to determine suitability for pisciculture. So far 308 have been built; another 25 have been sanctioned. Research on fish and fisheries is being conducted at Pailan Research Centre in South 24 Parganas. At the Fresh Water Research Centre in Kulia near Kalyani in Nadia district, research is being carried out on production of seeds of freshwater fish, including endangered species, ornamental or aquarium fish, etc. The latter has a high export value. Rural women are being trained on ornamental fishery.

Hilsa production & research: To combat the issue of the decline in the catch of hilsa over the past decade, a dedicated Hilsa Conservation and Research Centre (HCRC) has been established at Sultanpur, Diamond Harbour, in collaboration with the Norwegian research institute, Norwegian Institute of Food Fisheries and Aquaculture Research (NOFIMA).

Brackish water fishery: The Government provides substantial aid for increasing the production of fish in regions of brackish water, mainly found in the Sundarbans delta.

The above facts prove that the Trinamool Congress Government is committed to the all-round development of the fisheries sector.


জুলাই ১০, ২০১৮

তৃণমূলের আমলে বেড়েছে মাছ চাষের পরিকাঠামো

তৃণমূলের আমলে বেড়েছে মাছ চাষের পরিকাঠামো

২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকার রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নে ব্রতী হয়েছেন। বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে জোর দেওয়া হয়েছে মৎস্য দপ্তরেও। নেওয়া হয়েছে প্রচুর পদক্ষেপ, পাল্টে ফেলা হয়েছে পুরো পরিকাঠামো। আনা হয়েছে নতুন যন্ত্রপাতি, প্রযুক্তি।

হিমঘর পরিকাঠামো
২০১৭-১৮ সালে দপ্তর হিমঘর নির্মাণের মাধ্যমে পরিকাঠামো উন্নয়নে জোর দিয়েছে; এর জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৩ কোটি টাকা। এছাড়া কোল্ড চেন প্রকল্পের অধীনে আরও ৩ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে ট্রান্সিট ও টার্মিনাল বাজার ও রিটেল আউটলেট তৈরী করতে। ইন্সুলেটেড বাক্স সম্বলিত সাইকেলও বিতরণ করা হয়েছে। আটটি হিমঘর ও ছটি বরফকল নির্মাণ করা হয়েছে।

খুঁটি সমাজ
খুঁটি সমাজের উন্নয়নের জন্য রাজ্য সরকার আর্থিক সহায়তা করছে। এই আর্থিক সহায়তায় কাথি ও ডায়মন্ড হারবারের ৫৩টি খুঁটি সমাজ উপকৃত হয়েছে। এই আর্থিক সহায়তায় আছে খুঁটি সমাজের রক্ষণাবেক্ষণের খরচ, খুঁটি সমাজ দেখার জন্য জমাদারদের বেতন, খুঁটির পরিকাঠামো তৈরী যেমন লিঙ্ক রোড, নিমজ্জিত পাম্প, সোলার আলো, মাছ শুকোনোর প্ল্যাটফর্ম তৈরী, বাঁশের কাঠামো, পরিষ্কার মালপত্র, ছোট মালপত্র, টিউবওয়েল মেরামত।

ফিশিং হারবার ও ফিশ ল্যান্ডিং কেন্দ্র
এই মুহূর্তে রাজ্যে ৭টি মাইনর ফিশিং হারবার ও ১৩টি ফিশ ল্যান্ডিং সেন্টার আছে। আইস প্ল্যান্টের নির্মাণ ও দীঘার মোহনায় মাছের বাজারের নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়াও, বেনফিশ আধুনিক মাছের বাজার তৈরী করেছে নদীয়ার কল্যাণীতে, বীরভূমের বোলপুরে, হাওড়ার উলুবেড়িয়া ও দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরে। সম্প্রতি পাঁচটি ফিশ ল্যান্ডিং কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে যার ফলে ইন্দ্রপুর, সত্যদাসপুর, কান্তামারি, রায়দিঘি, ডোমকল, খেয়াঘাট ও নামখানায় ৮৭০০জন মৎস্য চাষি উপকৃত হয়েছে।

হ্যাচারির স্বীকৃতি
১৯টি হ্যাচারি তৈরী করা হয়েছে উন্নতমানের মাছের চারা উৎপাদনের জন্য। ২৩১টি হ্যাচারিকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

মাছের বাজার
১০টি মাছের বাজার তৈরী করা হয়েছে, মাছের চারার বাজার করা হয়েছে সিনাহাটি, রাজেন্দ্রপুরে। পাইকারি ও খুচরো মাছের বাজার হলদিবাড়ি, বোলপুর, কল্যাণী, ফুলেশ্বর, উদয়রামপুর, নলবন আন্তর্জাতিক অর্নামেন্টাল ফিশ মার্কেট, কাঁটামারি, ঝরখালি। এছাড়া, হাওড়ার পাইকারি বাজার উন্নয়নের করা হচ্ছে।

মাছ গবেষণা কেন্দ্র
রাজ্যে ব্লক স্তরে গবেষণাগার তথা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে দপ্তর। এর মাধ্যমে জল ও মাটি পরীক্ষা করা হবে যাতে বৈজ্ঞানিক ভাবে মাছ চাষ করা যায়। এখনও পর্যন্ত ৩০৮টি এরকম গবেষণাগার গড়ে তোলা হয়েছে। ২০১৭-১৮ আর্থিক বর্ষে ২৫টি ব্লক স্তরে গবেষণাগার তথা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে।

পইলান গবেষণা কেন্দ্রে মাছ ও মাছ চাষের ওপর গবেষণা করা হচ্ছে। কুলিয়ার মিষ্টি জলের গবেষণা কেন্দ্রে মিষ্টি জলের মাছের চারার উৎপাদন, এর মধ্যে কিছু বিলুপ্তপ্রায় মাছ, অ্যাকোরিয়ামের মাছ নিয়ে গবেষণা করা হচ্ছে। অ্যাকোরিয়ামের মাছের রপ্তানি মূল্য খুব বেশী। গ্রামীণ মহিলাদেরও এই মাছ চাষে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। একটি ইলিশ মাছের সংরক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র খোলা হয়েছে সুলতানপুরে নরওয়ের নরওয়েইয়ান ইন্সটিটিউট অফ ফুড ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকুয়াকালচার রিসার্চএর সহায়তায়।

ডোবায় মাছ চাষ
ডোবার জলে মাছ চাষ বাড়াতে সরকার আর্থিক সহায়তা করছে। এই ব্যাপারটি মূলত হয় সুন্দরবনের বদ্বীপ অঞ্চলে।