Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


July 27, 2018

Preserving rainwater to boost pisciculture in drought-prone regions

Preserving rainwater to boost pisciculture in drought-prone regions

To boost pisciculture in drought-prone regions of the State, the Bengal Government is taking initiatives in the form of setting up more small dams linked to watersheds. These dams would collect the precious rainwater, often a considerable amount, which is otherwise wasted.

The Fisheries Department has taken up this project, which is being implemented in the districts of Bankura, Purulia, Birbhum, Paschim Medinipur and some other regions.

Rainwater harnessed by check dams can be easily used for pisciculture, as well as cultivation and also domestic purposes, during the lean season. Thus both income and livelihood would be taken care of to an extent, improving the overall socio-economic condition of fishermen in the regions. Watershed development also plays an important role in afforestation, and in water, soil and land management.

The watershed mapping in the districts of Purulia and Bankura has been completed, to suggest suitable sites for check dams for water harvesting. The Fisheries Department had already created a digital map of waterbodies in those regions.

The department has chalked out a detailed plan to make Bengal self-sufficient in fish production and to increase export. Improved pisciculture, as delineated above, will also prove useful for fisherfolk to organise self-help groups and cooperatives to increase their incomes.

Source: Millennium Post


জুলাই ২৭, ২০১৮

খরা প্রবণ অঞ্চলে বৃষ্টির জল সংরক্ষণ করে মৎস্যচাষের উদ্যোগ রাজ্যের

 খরা প্রবণ অঞ্চলে বৃষ্টির জল সংরক্ষণ করে মৎস্যচাষের উদ্যোগ রাজ্যের

রাজ্যের খরা প্রবণ অঞ্চলে মৎস্যচাষ বাড়াতে রাজ্য মৎস্য দপ্তর নিল নতুন উদ্যোগ। এইসব অঞ্চলে ওয়াটারশেড সংলগ্ন আরও ছোট বাঁধ নির্মাণ করবে রাজ্য সরকার। এই বাঁধগুলি বৃষ্টির জল ধরতে সাহায্য করবে।

বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বীরভূম, পশ্চিম মেদিনীপুর ও আর কয়েকটি জায়গায় এই কাজ করা হচ্ছে। শুকনো মরশুমে চেক ড্যামের মাধ্যমে আটকানো জল দিয়ে মাছ চাষের পাশাপাশি সেচের কাজে ব্যবহার করা যাবে। সুতরাং এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় মৎস্য চাষিদের রুজি ও জীবনধারার প্রতিও খেয়াল রাখা হবে। ওয়াটারশেড উন্নয়ন বনায়ন, এবং জল, মাটি ও ভূমি ব্যবস্থাপনাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া অঞ্চলের ওয়াটারশেড ম্যাপিং এর কাজ শেষ হয়েছে। যেসব অঞ্চলে ওয়াটার হারভেস্টিংএর জন্য চেক ড্যাম তৈরী করা উচিত, সেই অঞ্চলগুলিকে চিহ্নিত করা হবে এর মাধ্যমে। মৎস্য দপ্তর ইতিমধ্যেই ওইসকল অঞ্চলের জলাশয়গুলি চিহ্নিত করেছে।

মাছ উৎপাদনে রাজ্যকে স্বনির্ভর করার বিস্তারিত পরিকল্পনা করেছে মৎস্য দপ্তর। পাশাপাশি রপ্তানি বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের। খরা কবলিত অঞ্চলে মৎস্য চাষের এই উদ্যোগ মৎস্য চাষিদের জন্য খুব উপকারী হবে, এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠী বা সমবায় তৈরী করতেও সাহায্য করবে, যাতে তাদের আয় বাড়ে।