Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


July 31, 2018

Trinamool raises NRC issue in Parliament

Trinamool raises NRC issue in Parliament

Trinamool Congress raised the issue of the removal of 40,07,707 names from the final version of the National Register of Citizens (NRC) published by the Assam State Government on July 30, 2018.

The deletion of the more than 40 lakh names from the list of citizens has caused a furore all over the country.

Including yesterday and today, four Members of Parliament (MP) from Trinamool spoke for revisiting this issue with urgency.

Yesterday, Derek O’Brien raised the issue in the Rajya Sabha under Rule 267, saying that it was a question of “human rights” and “a humanitarian issue”; in fact, it “is a national issue” as the Government of India needs to “look after Indian citizens”. He went on to say that “this is not just an issue concerning Assam”. He also said that the “Home Minister had not consulted the State Government (of Assam)” regarding the publication of the list. However, the Chairman of the Rajya Sabha refused to admit the issue, and the House was adjourned.

Yesterday too, in the Lok Sabha, Sudip Bandyopadhyay raised the issue, moving an Adjournment Motion, which was not admitted. He said, “Where will these 40 lakh people go? It is inhuman. It is a mental torture” and that “justice should not be denied to these people at any cost”. He proposed a “fresh revision” of the list as a “top priority”, and if necessary, even an “amendment must be moved so that these people may get shelter.”

Today too the party raised this urgent issue in Parliament. In the Rajya Sabha, Sukhendu Sekhar Roy spoke on the issue. He said (in Bengali) that the NRC has “made 40 lakh people nation-less at one stroke.” “I do not know of any other place on earth where such a large number of people have been rendered nation-less in this manner.”

He raised two crucial points regarding this issue. Firstly, “on December 31, 2017, six months ago, as per Government data, 2.4 lakh people were classified as D-voters (Doubtful Voter)”. So how did “the number become 40 lakh in just six months?” He said, as per the Supreme Court order, “citizens who are originally inhabitants/residents of the State of Assam and those who are not are at par for inclusion in the National Register of Citizens (NRC)”. This order “is being trampled upon” by the Government of India.

The second crucial point he raised was that “Article 19 is being violated” and “even Articles 10 and 11, concerning citizenship”.

In the Lok Sabha today, Saugata Roy raised the issue. He mentioned the fact that the party “protested against it” and that Chief Minister Mamata Banerjee has also “said that this is a part of the ‘divide and rule’ policy of Centre.”


জুলাই ৩১, ২০১৮

এনআরসি ইস্যুতে সংসদে সরব তৃণমূল

এনআরসি ইস্যুতে সংসদে সরব তৃণমূল

গতকাল অসমে প্রকাশিত হয় রাষ্ট্রীয় নাগরিক পঞ্জীর চূড়ান্ত খসড়া তালিকা। এই তালিকায় নেই প্রায় ৪০ লক্ষ মানুষের নাম। এর ফলে দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে এবং বিভিন্ন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

এই ইস্যুতে সরব হয়েছে তৃণমূলও। গতকাল নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে বিভেদের রাজনীতি ও ‘বাঙালি খেদাও’ এর দুরভিসন্ধির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংসদেও বিক্ষোভ করেছেন দলের সাংসদরা।

গতকাল লোকসভাতে মুলতুবি প্রস্তাব দেন সৌগত রায়। আজ রাজ্যসভায় কার্যপ্রণালী নিলম্বনের প্রস্তাব আনেন ডেরেক ওব্রায়েন। আজ সকালবেলা সংসদে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে ধর্ণাও দেন সাংসদরা। অন্যান্য বিরোধীদলের সাংসদরাও অংশ নেন তাতে।

তৃণমূলের চারজন সাংসদ এই বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য রাখেন লোকসভা ও রাজ্যসভায়।

গতকাল, ডেরেক ও’ব্রায়েন ২৬৭ নম্বর ধারায় রাজ্যসভায় বিষয়টি তোলেন। তিনি বলেন, এটি মানবাধিকারের প্রশ্ন ও একটি মানবিক বিষয়। তিনি আরও বলেন, এটি শুধু অসমের বিষয় না, এর সাথে অন্যান্য রাজ্যের স্বার্থও জড়িয়ে আছে। দফায় দফায় বিক্ষোভের ফলে রাজ্যসভার সারাদিনের মত মুলতুবি করে দেওয়া হয়।

লোকসভায় সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বিষয়টি উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, এই ৪০ লক্ষ মানুষ কোথায় যাবে? এটা অমানবিক। এটা মানসিক অত্যাচার। তিনি আরও বলেন, এই মানুষদের যেকোনো মূল্যে ন্যায় পাওয়া উচিত। তিনি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এই তালিকা সংশোধনের কথা বলেন। তিনি বলেন প্রয়োজনে আইনে সংশোধন এনে এই মানুষদের আশ্রয় দেওয়া উচিত।

আজ সুখেন্দু শেখর রায় রাজ্যসভায় এই বিষয়ে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, কলমের এক খোঁচায় ৪০ লক্ষ মানুষ রাষ্ট্রহীন হয়ে গেল। এরকম ঘটনা পৃথিবীর বুকে আজ পর্যন্ত কোথাও কখনও ঘটেনি।

তিনি দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তোলেন এই পরিপ্রেক্ষিতে। প্রথম, ৩১ শে ডিসেম্বর ২০১৭, ছয় মাস আগে সরকারি হিসেবে অসমে ২ লক্ষ ৪০ হাজার লোক D-Voter হিসেবে ঘোষিত হয়েছিল। D-Voter মানে Doubtful Voter, ৬ মাসের মধ্যে ২ লক্ষ ৪০ হাজার সংখ্যাটা ৪০ লক্ষতে কীভাবে গিয়ে পৌছালো, কোন জাদুবলে, কোন মায়াবলে? তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্টের আদেশ অনুযায়ী, যারা অসম রাজ্যের বাসিন্দা অ যারা নয়, তারা দুজনেই এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। মানে তাদের অধিকার পদদলিত করছে ভারত সরকার।

দ্বিতীয়ত, ভারতবর্ষের যে কোনও জায়গায় বসবাস করার অধিকার – আর্টিকেল ১৯-কে যে হরণ করা হচ্ছে constituionally শুধু নয়, citizenship সংক্রান্ত আর্টিকেল ১০, আর্টিকেল ১১-কেও violate করা হচ্ছে, এবং আমাদের citizenship act এর যে আধার – ‘jus soli and just sanguinis’ – সেই principle-কেও এখানে পদদলিত করা হচ্ছে।

লোকসভায় সৌগত রায় বিষয়টি তোলেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, এটা কেন্দ্রীয় সরকারের বিভেদের রাজনীতির নিদর্শন।