Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


July 10, 2018

State Govt looking after all aspects of fishermen’s welfare

State Govt looking after all aspects of fishermen’s welfare

The State Fisheries Department has taken several important measures for the welfare of fishermen, both in professional and personal aspects.

Professional welfare

Primary among the professional welfare facilities are fish transportation facilities, biometric identity cards and on-sea distress alert systems.

Fish transportation facilities: Various fish transportation facilities have been distributed by the State Government – 7,300 Jal-Hundis to inland and marine fishermen as well as among fishermen’s cooperative societies, 1,237 Matsyajans, 10,500 bicycles with insulated boxes as well as 35,000 insulated boxes.

Identity facilitation: Biometric identity cards are being issued by the Government to marine fishermen; about 2.47 lakh identity cards have already been issued. Marine fishing vessels are being registered under the provisions of the Merchant Shipping Act, 1958 (for mechanised boats) and the West Bengal Marine Fishing Regulation Act, 1993 (for non-mechanised boats).

Distress alert: For the safety and security of fishermen, the Government has taken up a programme for the free distribution of distress alert transmitters (DAT), to be fitted on to the vessels. A total of 3,656 DATs have been distributed till now.

Mechanised boats: A total of 593 mechanised boats – 93 six-cylinder boats and 500 two-cylinder boats – have been distributed as of now, benefiting 3,430 marine fishermen.

Personal welfare

Several personal welfare initiatives have also been taken for fishermen and their families, including pension for the old, insurance schemes and dwelling units.

Old Age Pension Scheme: The Old Age Pension Scheme is a scheme meant for retired and infirm fishermen. Under this scheme, 56,500 fishermen are getting a pension of Rs 1,000 per month.

Accident insurance: Under Fishermen’s Group Personal Insurance Scheme, financial assistance of Rs 2 lakh is provided to the family members of deceased or untraceable marine fishermen, and Rs 1 lakh to those of permanently disabled marine fishermen. During financial year (FY) 2017-18, 2,21,563 fishermen were covered.

Dwelling units: 14,500 houses have been provided for fishermen and their families.

 

All these prove that the Trinamool Congress Government has given the utmost attention to the welfare of all fisher-folk in the State, ensuring help in every way possible.


জুলাই ১০, ২০১৮

মৎস্যজীবীদের সার্বিক কল্যাণে ব্রতী রাজ্য সরকার

মৎস্যজীবীদের সার্বিক কল্যাণে ব্রতী রাজ্য সরকার

২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকার রাজ্যের মৎস্যজীবীদের সার্বিক উন্নয়নে জোর দিয়েছেন।

পেশাদারী সুযোগ সুবিধে:রাজ্য সরকারের তরফে মৎস্যজীবীদের পেশাদারী সুযোগ সুবিধে প্রদান করা হয়, যেমন – পরিবহণ সুবিধা, বায়মেট্রিক আইডেন্টিটি কার্ড, সমুদ্রে আপতকালীন অ্যালার্ট পদ্ধতি, ইত্যাদি।

মাছের পরিবহণ ব্যবস্থা:মাছের পরিবহণের জন্য সরকারের তরফে বিভিন্ন ধরণের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। নদী ও সমুদ্রের মৎস্য চাষিদের জন্য দেওয়া হয়েছে ৭,৩০০টি জল হুন্ডী, মৎস্য সমবায় সমিতিগুলিকে দেওয়া হয়েছে ১,২৩৭টি মৎস্যযান, ইন্সুলেটেড বাক্স সমেত ১০,৫০০টি বাইসাইকেল এবং ৩৫,০০০টি ইন্সুলেটেড বাক্স।

পরিচয়পত্র প্রদান:সামুদ্রিক মৎস্যজীবীদের জন্য বায়োমেট্রিক পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ২,৪৬,৯২৯ পরিচয়পত্র ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে। এমএস অ্যাক্ট ১৯৫৮ (যন্ত্রচালিত জলযান) ও ওয়েস্ট বেঙ্গল মেরিন ফিশিং রেগুলেশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ (মনুষ্যচালিত জলযান) মেনে ১২,৪৮২টি সামুদ্রিক মৎস্য যান নথিভুক্ত করা হয়েছে।

ডিস্ট্রেস অ্যালার্ম:নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য ৩,৬৫৬ টি মাছ ধরার নৌকাতে ডিস্ট্রেস অ্যালার্ম ট্রান্সমিটার বসানো হয়েছে।

যন্ত্রচালিত জলযান:মোট ৫৯৩টি যন্ত্রচালিত জলযান – যার মধ্যে ৯৩টি ছয় সিলিন্ডার যুক্ত জলযান, ৫০০টি দুই সিলিন্ডার বিশিষ্ট জলযান বিতরণ করা হয়েছে ৩,৪৩০জন সামুদ্রিক মৎস্যজীবীকে।

ব্যাক্তিগত কল্যাণ:ছোট মৎস্যচাষিদের জন্যও বার্ধক্য ভাতা আনা হয়েছে। মৎস্যচাষিদের অর্থনৈতিক সহায়তার জন্য বীমা প্রকল্প চালু করা হয়।

বার্ধক্য ভাতা:এই প্রকল্পে ৫,৬৫০০ জন অবসরপ্রাপ্ত ও দুর্বল মৎস্যচাষিদের মাসিক ১০০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হয়।

দুর্ঘটনা বীমা:২,২১,৫৬৩ মৎস্যচাষিকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। কোনও মৎস্যচাষির মৃত্যু হলে বা ৭ বছরেরও বেশী সময় নিখোঁজ থাকলে, তার পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হয়। শারীরিক ভাবে অক্ষম হলে ১ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়।

বাসস্থান:মৎস্যজীবী ও তাদের পরিবারকে ১৪,৫০০টি বাসস্থান দেওয়া হয়েছে।