Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


December 14, 2018

Galaxy of stars at Bangla Sangeet Mela inauguration, CM gives away Sangeet Samman awards

Galaxy of stars at Bangla Sangeet Mela inauguration, CM gives away Sangeet Samman awards

Chief Minister Mamata Banerjee today inaugurated Bangla Sangeet Mela 2018 and Biswa Bangla Loksanskriti Utsav 2018 from the open air auditorium at Uttirna in Alipore today. On the occasion, the Chief Minister gave away Sangeet Samman awards to eminent singers and musicians.

Bangla Sangeet Mela will be held in as many as 10 venues in the city from December 14 to 22 this year in which an estimated 2,000 singers, including those from districts, are expected to perform. The Biswa Bangla Lok Sanskriti Utsav will also be held side by side from December 14-18 at Ektara Mukta Manch.

For details of the event, click here.

Sangeet Samman winners:

Mon Mukherjee (Jojo) – Modern music
Srikumar Chattopadhyay – Devotional music
Gita Chowdhury – Folk artist
Manab Mukherjee – Flute player
Rahul Chatterjee – Sitar player
Saraswati Devi – Jhumur artist
Bibha Hansda – Santhali singer
Mahim Fakir – Fakiri music
Durga Roy – Bhawaiya artist
Shiv Sundar Das – Baul artist
Asim Roy – Folk artist

Sangeet Maha Samman winners:

Rupankar Bagchi
Raghab Chatterjee
Manamoy Bhattacharya
Srabani Sen
Arijit Singh
Shantanu Mukherjee (Shaan)
Debojyoti Mishra
Saikat Mitra
Prateek Chowdhury

Highlights of Chief Minister’s speech:

A galaxy of singers, musicians and composers are present here today.

A lot of artists who were born in Bangla are now famous all over the world. They have not given up their originality. We must preserve this connection with our roots.

We are missing Dwijen Da today. He is not keeping well. It is difficult to imagine a programme without him or Sandhya Di. We hope he gets well soon.

From Bhawaiya to folk music, from Jhargram to Murshidabad, we are honouring talents from across Bangla today.

Culture has no limits. Music has no boundaries. Dhamsa-Madol, Chhau, Rava, Baul, Lepcha music – artists from various spheres of music are present here today.

We are proud to say nearly two lakh folk artists are registered under Lok Prasar Prakalpa. We give them a monthly stipend, and they perform at government functions and ads.

Nearly 1500 artists perform in the Bangla Sangeet Mela. Additionally, 550 music artists also perform. We organise music shows in every para. We will take this initiative to block level.

We have to take music to the grassroots, inculcate the spirit of singing among our younger generation.

We have huge talent pool in Bangla. Take the Baul and Bhawaiya artistes for example. We want our culture to remain alive forever.

Music is life. It is a wonder of the world. Let music create new connections among people. Music has no end. It is evergreen.

My best wishes and greetings to musicians and artists across Bangla, India and the world.


ডিসেম্বর ১৪, ২০১৮

উত্তীৰ্ণতে চাঁদের হাট, সঙ্গীত সম্মান প্রদান করলেন মুখ্যমন্ত্রী

উত্তীৰ্ণতে চাঁদের হাট, সঙ্গীত সম্মান প্রদান করলেন মুখ্যমন্ত্রী

বাংলা সঙ্গীত মেলা। শুরু হল সঙ্গীতের মহা আসর। আলিপুরের ‘উত্তীর্ণ’ মঞ্চ থেকে উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী। ২১ তারিখ পর্যন্ত চলবে সঙ্গীত মেলা। এর পাশাপাশি বিশ্ববাংলা লোক সংস্কৃতি উৎসব অনুষ্ঠিত হবে ১৪ থেকে ১৮ তারিখ একতারা মুক্ত মঞ্চে। একই মঞ্চ থেকে এই উৎসবের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

এই সঙ্গীত মেলা শীতের শহরের অন্যতম আকর্ষণ। ছৌ থেকে বাউল – বাংলার গানকে বিশ্বের দরবারে পৌছে দেওয়ার উদ্যোগ। কলকাতার ১০টি মঞ্চের পাশাপাশি, রাজ্যের বিভিন্ন মঞ্চে চলবে অনুষ্ঠান। অংশ নেবেন ২০০০ গায়ক, ৪৫০ যন্ত্রবাদক এবং ১৮০ জন গ্রন্থিক। দেশের গন্ডি পেরিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইংল্যান্ড থেকেও অংশ নেবেন শিল্পীরা।

আজ উত্তীর্ণর মঞ্চ থেকে সঙ্গীত সম্মানও প্রদান করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

সঙ্গীত সম্মান প্রাপকদের তালিকা:

গীতা চৌধুরী (লোকসঙ্গীত)
মৌ মুখার্জি (জোজো) (আধুনিক)
শ্রীকুমার চট্টোপাধ্যায় (ভক্তিগীতি)
মানব মুখার্জি (বংশীবাদক)
রাহুল চ্যাটার্জি (সেতারবাদক)
দুর্গা রায়(ভাওাইয়া)
অসীম রায় (লোকসঙ্গীত)
মহিম ফকীর (ফকিরি)
সরস্বতী দেবী (ঝুমুর)
বিভা হাসদা (সাঁওতালি)
শিবসুন্দর দাস (বাউল)

সঙ্গীত মহাসম্মান প্রাপকদের তালিকা:

অরিজিৎ সিং
শান্তনু মুখোপাধ্যায় (শান)
সৈকত মিত্র
শ্রাবণী সেন
দেবজ্যোতি মিশ্র
রূপঙ্কর বাগচী
মনোময় ভট্টাচার্য
প্রতীক চৌধুরী
রাঘব চট্টোপাধ্যায়

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের কিছু অংশ:

এখানে আগত সকলকে অভিনন্দন জানাই। এখানে মঞ্চে আসীন সকলকে বলা যায় সঙ্গীতের সাধক, সঙ্গীতের প্রেরণা। শ্রদ্ধেয়া সন্ধ্যাদি, পূর্ণ দাস বাউল, হৈমন্তী শুক্লা এবং অনেকে উপস্থিত আছেন।

অনেকেই আছেন বাংলায় জন্ম-কর্ম কিন্তু বাংলার বাইরেও তিনি নাম করেছেন। তাঁরা যখন গান করেন, নিজের শিকড়কে ভোলেন না। এঁদের গান আমায় অভিভুত করে।

বাংলার সভ্যতা ও সংস্কৃতির রেশ সারা দেশেই আছে, সারা পৃথিবীতেই আছে।

দ্বিজেন বন্দ্যোপাধ্যায় আজ অসুস্থতার জন্য আসতে পারেননি। ওনার প্রতি আমার শ্রদ্ধা রইল, ওনার দ্রুত সুস্থতা কামনা করি। উনি মেসেজের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

বিভিন্ন জেলা থেকে, ভাওাইয়া থেকে শুরু করে বাউল থেকে শুরু করে লোকসঙ্গীত থেকে শুরু করে সমস্ত বাংলা থেকে শিল্পীদের নিয়ে আসা হয়েছে।

সঙ্গীতের সুর কোনও নির্দিষ্ট জায়গায় সীমাবদ্ধ থাকে না। সঙ্গীতের সুর মহাসমুদ্রের মত সমস্ত সুরকে ছাপিয়ে দেয়। সংস্কৃতির কোনও গণ্ডি হয় না। সুরেরও কোনও গণ্ডি নেই।

ধামসা-মাদল, ছৌ থেকে শুরু করে, আমাদের ভাওয়াইয়া যেমন সঙ্গীত আছে, বাউল গান থেকে শুরু করে, লেপচা সঙ্গীত থেকে শুরু করে সকল লোকসংস্কৃতির শিল্পীরা আজ এখানে আছে।

আমরা গর্বিত যে বাংলায় প্রায় দু-লক্ষ লোকপ্রসার শিল্পী আছে। আমাদের সরকার তাদের কার্ড দিয়েছে। তারা মাসে ১০০০ টাকা করে একটা সাম্মানিক পান এবং তাদের দিয়ে আমরা সরকারি বিজ্ঞাপন করাই।

সকলের সঙ্গে মিলিত হয়ে সঙ্গীত সাধনাকে তৃণমূল স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। কত গান, কত ভাষা, কত আশা, কত আলো, কত সকাল, কত ভোর, কত দিন, কত মধ্যাহ্ন, কত সন্ধ্যা, কত রাত্রি পেরিয়ে গেছে। কিন্তু মনে রাখবেন গান কিন্তু আজও অক্ষুন্ন আছে।

গানের কোনওদিন শেষ নেই। সঙ্গীতের কোনওদিন শেষ নেই। সুর সাধনার কোনওদিন শেষ নেই। প্রতিদিন প্রতি সেকেন্ডে সৃষ্টি হয় সঙ্গীত। এক একটা সুর এক একটা ভাষা। সঙ্গীতের কোনও শেষ নেই, সুর-সাধনার কোনও শেষ নেই।

আমার বাংলার তো বটেই বাংলা ছাড়াও সারা ভারতবর্ষ এবং সারা পৃথিবীর যত সঙ্গীতপ্রেমী মানুষ আছেন তাদের সকলকেই আমার সম্মাননা, আমাদের শ্রদ্ধা, আমাদের ভালোবাসা, আমাদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

সকলে ভালো থাকবেন। যাঁরা হারিয়ে গেছে, আবার নতুন সুর নিয়ে জন্মগ্রহণ করুক। আমি এইটুকু বলে সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে আমার বক্তব্য শেষ করছি।