Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


December 27, 2018

Fourfold increase in expenditure on medicines under Trinamool

Fourfold increase in expenditure on medicines under Trinamool

In the last financial year (FY), that is, 2017-18, the Trinamool Congress Government spent Rs 650 crore on medicines and Rs 500 crore on medical instruments and implants. Therefore, a total of Rs 1,150 crore was spent under these two heads combined.

Compare this to the last year of the Left Front Government, that is, 2010-11, when only Rs 250 crore was spent under these two heads – Rs 150 crore on the former and Rs 100 crore on the former.

Thus, the Trinamool Government’s expenditure has exceeded the Left Front Government’s spending by more than four times. This is the result of Chief Minister Mamata Banerjee’s belief that a healthy population is essential to the growth and development of a superior nation. It may be mentioned that Mamata Banerjee is also the Health Minister of the State.

According to Health Department officials, in the current financial year, that is, 2018-19, the number could even touch Rs 1,500 crore.

The Health Department’s spend on these heads has been increasing year by year. Data from the last few financial years would suffice – the combined spend was Rs 650 crore in FY 2015-16 and Rs 680 crore in 2016-17, which increased by more than one-and-a-half times the next financial year.

Source: Bartaman


ডিসেম্বর ২৭, ২০১৮

স্বাস্থ্যে রাজ্য সরকারের ১২০০ কোটি খরচ, বাম জমানার চারগুণেরও বেশী

স্বাস্থ্যে রাজ্য সরকারের ১২০০ কোটি খরচ, বাম জমানার চারগুণেরও বেশী

রাজ্যের সাধারণ মানুষকে যাবতীয় ওষুধ ও চিকিৎসা বিনামূল্যে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি যা দিয়েছিলেন, তা রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিসংখ্যান বলছে, শেষ আর্থিক বছরে রাজ্য সরকার গ্রামের স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে শুরু করে শহরের বড় বড় মেডিক্যাল কলেজ পর্যন্ত বিস্তৃত ত্রিস্তরীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় প্রায় ১২০০ কোটি টাকার ওষুধ ও যন্ত্রপাতি দিয়েছে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে রোগীদের ব্যবহারের জন্য। যা রাজ্য স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ইতিহাসে সর্বকালীন রেকর্ডও বটে!

২০১৭-১৮ অর্থবর্ষের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সরকার শুধু এক বছরে ফ্রি মেডিসিন বাবদ খরচ করেছে প্রায় ৬৫০ কোটি টাকা। কম-মাঝারি-বেশী দামি চিকিৎসার যন্ত্রবাবদ খরচ করা হয়েছে ৫০০ কোটি টাকারও বেশী! দুয়ে মিলিয়ে শুধু বিনামূল্যের ওষুধ ও যন্ত্রবাবদই ১১৫০ কোটি টাকারও বেশী খরচ করা হয়েছে গত অর্থবর্ষে। স্বাস্থ্যদপ্তরের এক শীর্ষ সূত্রে এ খবর জানা গিয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, বাম জমানার শেষ লগ্নে, যখন স্বাস্থ্যখাতে ড্যামেজ কন্ট্রোলে তখনকার সরকার বাজেটবরাদ্দ কিছুটা হলেও বাড়াতে শুরু করেছে, সে সময়েও ফ্রি ওষুধ ও যন্ত্র বাবদ মোট সরকারি খরচ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জমানার ধারেকাছেও ছিল না।

২০১০-১১ অর্থবর্ষে বিনামূল্যে ওষুধ খাতে ১৫০ কোটি এবং বিনামূল্যের যন্ত্রপাতি খাতে ১০০ কোটি— দুয়ে মিলিয়ে ২৫০ কোটি টাকা খরচ করেছিল বাম সরকার। সেদিক থেকে বলতে গেলে সিপিএম জমানার তুলনায় সাধারণ মানুষের কাছে বিনা পয়সার ওষুধ ও যন্ত্র তুলে দিতে সাড়ে চার গুণের বেশী খরচ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

দামি অর্থোপেডিক ইমপ্ল্যান্ট, হার্টের রোগীদের জন্য ক্যাথিটার, বেলুন, স্টেন্ট, পেসমেকার সহ অজস্র ধরনের চিকিৎসা যন্ত্রপাতি তো আছেই, ক্যান্সার, হেমাটোলজি, প্রতিস্থাপন সহ প্রায় সব ধরনের চিকিৎসায় প্রায় সব ধরনের ওষুধই ফ্রিতে দিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর। যতদিন যাচ্ছে সরকারি হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা উত্তরোত্তর বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে, বিনামূল্যে ওষুধ ও যন্ত্রপাতির চাহিদাও লাফিয়ে বাড়ছে। দপ্তরের এক শীর্ষ সূত্র জানিয়েছে, এই আর্থিক বছরের শেষে শুধু ফ্রি ওষুধ ও যন্ত্রপাতিখাতে খরচ ১৫০০ কোটি টাকার ছুঁয়ে ফেললেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

যত দিন গড়িয়েছে বিনামূল্যে ওষুধ ও যন্ত্রপাতি খাতে খরচ বাড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বিনামূল্যে চিকিৎসা চালুর বছর অর্থাৎ ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে রাজ্যের হাসপাতালে হাসপাতালে বিনামূল্যে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ দিতে রাজ্য খরচ করেছিল ৩৫০ কোটি টাকা। বিনা পয়সার যন্ত্রপাতি বাবদ খরচ করা হয় আরও ৩০০ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে এই প্রকল্পে ৬৫০ কোটি টাকা খরচ করা হয় শুধু ওষুধ ও যন্ত্রবাবদই। পরের আর্থিক বছরেই (২০১৬-১৭) ওষুধ খাতে খরচ অনেকটাই বাড়ে। হয় ৪৯০ কোটি টাকা। বিনামূল্যে যন্ত্রপাতি মিলিয়ে সেই খরচ বেড়ে হয় ৬৮০ কোটি। গত আর্থিক বছরে সমস্ত হিসেব-নিকেশ ছাপিয়ে দেড় গুণের বেশী খরচ বেড়ে যায় ওষুধ ও চিকিৎসার যন্ত্র দিতে। খরচ ছাড়িয়ে যায় ১১৫০ কোটি।

সৌজন্যেঃ বর্তমান