Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


December 9, 2018

Bangla no. 1 in GI registrations

Bangla no. 1 in GI registrations

Bangla has become number one in the country in the number of GI registration for financial year (FY) 2017-18. Nine registrations have been given to products indigenous to the State.

A geographical indication (GI) is a name or sign used on certain products which correspond to a specific geographical location or origin (e.g. a town, region, or country).

Besides rosogolla, or Banglar rosogolla, as the official registered name, gobindobhog rice, tulaipanji rice, terracotta craft of Panchmura village in Bankura, dokra, patachitra, chhau mask, wooden mask of Kushmandi (in Dakshin Dinajpur) and madur kathi were given registrations as geographical indications.

November 14, the day on which rosogolla got the GI tag, has been designated as Rosogolla Day by the Bangla Government.

There are a total of 21 products or crafts which have been given GI registrations for their being indigenous to Bangla.


ডিসেম্বর ৯, ২০১৮

পণ্যের জিআই স্বীকৃতি অর্জনে দেশের মধ্যে প্রথম বাংলা

পণ্যের জিআই স্বীকৃতি অর্জনে দেশের মধ্যে প্রথম বাংলা

কোনও এলাকার ভৌগলিক অবস্থানগত সুবিধা বা বিশেষ ধরনের পণ্যের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার বিষয়ে দেশের মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। এই ধরনের পন্যে ‘জিআই’ অর্থাৎ জিওগ্রাফিকাল ইন্ডিকেশন্স তকমা দেওয়া হয়। জিআই প্রাপ্ত পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজারে বিশেষ দাম ও জায়গা আছে। এছাড়া, ওই পণ্যের গুণমান নিয়েও কোনও প্রশ্নের অবকাশ থাকেনা। ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে দেশের অন্য সর রাজ্যকে পেছনে ফেলে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। রসগোল্লা, মাদুর কাঠি-সহ মোট ন’টি পন্যে মিলেছে জিআই ট্যাগ।

উল্লেখ্য, গতবার রসগোল্লার জিআই তকমা নিয়ে ওড়িশার সঙ্গে লড়াই করে বাংলার প্রাপ্য স্বীকৃতি আদায় সর্বজনবিদিত। গতবছর রসগোল্লা ছাড়াও, মাদুর কাঠি, কাঠের মুখোশ, ছৌ মুখোশ, পটচিত্র, টেরাকোটা, ডোকরা, গোবিন্দভোগ চাল, তুলাইপঞ্জি চালও পেয়েছে স্বীকৃতি।

রাজ্য সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দপ্তর এই বিষয়গুলি দেখাশোনা করে। এর আগে রাজ্য থেকে কখনও এতগুলি পণ্য একবছরে জিআই ছাড়পত্র পায়নি। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর জিআই পণ্য নিয়ে আলাদা করে নজর দেওয়া হয়। এই পণ্য ছাড়াও, মালদহ এবং মুর্শিদাবাদের আম, চিৎপুরের আতর, ধনেখালি-ফুলিয়া-শান্তিপুরের শাড়ি প্রভৃতিকেও জিআই-এর আওতায় আনা হয়েছে।