Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


December 1, 2018

‘Eco fish tourism’ project coming up in Chandanpiri

‘Eco fish tourism’ project coming up in Chandanpiri

The State Fisheries Development Corporation (SFDC) is setting up a tourism project in Chandanpiri, about 12 km from Namkhana in South 24 Parganas district. The place is located in the UNESCO-recognised natural heritage site of the Sundarbans.

The ‘eco fish tourism’ project, as it has been termed, is located at the estuary of the river Saptamukhi with the Bay of Bengal. It would be completed at the beginning of 2020. These information were provided by the Fisheries Minister. He said this project has been taken up after the success of the recently-developed resorts at Henry’s Island and Fraserganj.

There would be four cottages for tourists at the 5-hectare site. The 600 sq ft structures would be located above the water surface. Each would be able to accommodate two people.

The mangrove forests would provide for a wonderful experience for tourists. A jetty and roads to the site are being constructed. Cultivation of prawn, rohu, catla and mrigel would take place at the site, where tourists would be able to catch them free of cost.

The site would also have a 50-ft watchtower, from where beautiful unimpeded views of the Sundarbans and the Bay of Bengal can be had. Along with these would be a cafeteria, restaurant and children’s park.

From the resort, tourists would be taken to see tigers and, aboard launches, to the Bhagabatipur Crocodile Project.

 


ডিসেম্বর ১, ২০১৮

সুন্দরবনে নয়া পর্যটন কেন্দ্র মৎস্য নিগমের

সুন্দরবনে নয়া পর্যটন কেন্দ্র মৎস্য নিগমের

নামখানা থেকে মেরেকেটে ১২ কিলোমিটার। পর্যটনে জোয়ার আনতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার চন্দনপিঁড়়িতে নতুন পর্যটন কেন্দ্র গ়ড়ে তুলছে মৎস্য উন্নয়ন নিগম। সপ্তমুখী নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনা সংলগ্ন এই ‘ইকো ফিশ টুরিজম’ প্রকল্পে খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ১১ কোটি টাকা। ২০২০ সালের শুরুতেই এই কেন্দ্রের দরজা খুলে দেওয়া হবে বলে জানান মৎস্যমন্ত্রী।

প্রায় দেড় হেক্টর জায়গা জুড়ে এই প্রকল্পে পর্যটকদের জন্য থাকছে চারটি কটেজ। ৬০০ বর্গফুটের চারটি ঘর জলের উপরেই। প্রতিটি ঘরে দু’জন করে মোট আট জন থাকতে পারবেন। সমুদ্র ও নদীর মিলনস্থলে সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন পর্যটকেরা। তৈরী হচ্ছে নতুন জেটি, নতুন রাস্তা।

লুটিয়ান্স দ্বীপ বা ভগবতীপুরের কুমির প্রকল্প দেখানো হবে অত্যাধুনিক লঞ্চে। ওখানে মাছ চাষও হবে। প্রাধান্য পাবে চিংড়ি। রুই, কাতলা, মৃগেলেরও চাষ হবে। পর্যটকদের বিনা পয়সায় মাছ ধরার সুযোগ থাকছে।

পর্যটকদের জন্য প্রায় ৫০ ফুট উঁচু একটি ‘ওয়াচ টাওয়ার’ বা নজরমিনার গড়ে তোলা হচ্ছে। সেই নজরমিনার থেকে সুন্দরবন, সমুদ্রের দৃশ্য উপভোগ করা যাবে। সেই সঙ্গে থাকছে একটি ক্যাফেটারিয়া, রেস্তোরাঁ ও চিলড্রেন্স পার্ক।

পর্যটকদের সুন্দরবনের বাঘ দেখানোরও ব্যবস্থা হবে।