Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


May 31, 2018

Beginning of the end for BJP: Mamata Banerjee on bypoll results

Beginning of the end for BJP: Mamata Banerjee on bypoll results

Bengal Chief Minister Mamata Banerjee today addressed the press regarding the results of bypolls in various States.

Highlights of her speech:

JMM won in Jharkhand, RJD won in Bihar. Congress won wherever it is in power, and gained a seat in Meghalaya. In Maharashtra, Shiv Sena lost by a small margin because of division of votes. In UP, BJP lost because of the alliance between SP and BSP.

In Maheshtala (Bengal) it was a three-cornered fight between Trinamool, BJP and CPI(M). I want to thank the people for their love and support. We got more votes than BJP and CPI(M) combined. This is a victory of the people. In 2016, we had won by a margin of 12,000 votes. This time the margin was over 62,000. Without the spontaneous support from the people, this result would not have been possible.

A lot of canards were spread regarding Panchayat polls. But this time central forces outnumbered even the voters. At some places even bunkers were constructed, as if it is a war zone. People have given a fitting reply to the smear campaign.

The strongest parties have won in their respective States. This is the formula. People have rejected the communal forces. It clear what people want. This is a signal before Lok Sabha elections. Death knell for the BJP has been sounded.

Divisive politics may reap dividends for the time being, but they harm the society in the long run. I do not endorse divisive agenda. We all have to live together in harmony. This is the spirit of India. We believe in unity in diversity.

They could not defeat RJD even after jailing Lalu Prasad Yadav. A wounded tiger is more ferocious. In Bengal, people have reposed their trust in Trinamool, we have received more votes than other parties. That is why ought to fight the BJP.

The bypoll results are a lesson for all parties – be it regional or the party in power in many States.

There must be 1:1 fight. Alliances must be formed if necessary, this is the formula. And it has worked.

People are sick and tired of the government. After increasing the fuel prices for 16 days, they reduced the prices by one paise. This is a mockery and insult. One cannot control everything using by force.

Uttar Pradesh will play a crucial role in the future. If Akhilesh Yadav, Mayawati Ji, Ajit Singh Ji come together, they can reverse the 2014 figures.

Lok Sabha elections might happen anytime – in five or six months, after winter session or next year. We have to be prepared.

Regional parties are very strong. TDP is strong in Andhra. DMK is strong in Tamil Nadu. Shiv Sena and NCP are a factor in Maharashtra. The beginning of the end (of BJP) has started from Uttar Pradesh.

There are attempts to undermine the Constitution. But our democracy is strong. No one must try to cross their limits. Whisper campaign and conspiracies may work at times, but fake news will not always win.


মে ৩১, ২০১৮

বিজেপির শেষের শুরু, উপনির্বাচনের ফল সম্পর্কে বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

বিজেপির শেষের শুরু, উপনির্বাচনের ফল সম্পর্কে বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

দেশজুড়ে লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে উত্তরকন্যায় সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তার বক্তব্যের কিছু অংশ:

আগেরবার আমরা ১২ হাজার ভোটার ব্যবধানে জিতেছিলাম, এবার ৬২ হাজারের ব্যবধান। মানুষের স্বতঃস্ফূর্ততা না থাকলে এই ফলাফল হয় না।

সব কুৎসা অপপ্রচার, চক্রান্তের জবাব আজ মানুষ দিয়েছে। কয়েকদিন আগে পঞ্চায়েত নির্বাচনেও সকলে দেখেছে। এবারে কেউ বলতে পারবে না যে নির্বাচন কমিশন বা মিডিয়া বা সেন্ট্রাল ফোর্স ছিল না।

যেখানে যে দল শক্তিশালী তারাই জিতেছে- এটা একটা ফর্মুলা। এক হল মানুষের জয়, সাম্প্রদায়িক শক্তিকে মানুষ পছন্দ করেন না, সে যেই হোক। মানুষের মত ও পথ বোঝা যাচ্ছে, মানুষ কি চাইছে। লোকসভা নির্বাচনের আগে এটা একটা সংকেত। কিন্তু বিজেপির জন্য এটা অশনি সংকেত।

ভাগাভাগি করে কেটে রেজাল্ট পাওয়া গেলেও এটা চিরকাল হয় না। আমি চাই না বাকিদের ঘর ভেঙে দিতে। সকলে আমরা একসাথে চলি, এটাই ভারতবর্ষ। নানা জাতি নানা মত, সব ধর্মের মানুষ এখানে বাস করে।

লালু প্রসাদ যাদবকে জেলে ঢুকিয়েও জয়ের অগ্রগতি রোখা যায়নি। প্রবাদে আছে,আহত বাঘ অনেক বেশি ভয়ংকর। ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চাও জিতেছে, কেরালায় সিপিএম জিতেছে, পাঞ্জাবে কংগ্রেস জিতেছে। মেঘালয়তে কংগ্রেস এখন সর্ববৃহৎ দল।

বাংলায় আমি একা লড়াই করতে পারি কারণ মানুষের আশীর্বাদে আমি বাকি ৩টি দলের চেয়ে বেশি ভোট পাই। কারণ মানুষ জানে কাকে ভোট দেওয়া উচিত কাকে নয়, যতই কুৎসা চক্রান্ত হোক।

এটা সকলের জন্যই একটা শিক্ষা। আঞ্চলিক দল এবং একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক দল যারা অনেক জায়গায় ক্ষমতায় আছে, সকলের জন্যই শিক্ষা।

দরকার হলে জোট করতে হবে, এটাই ফর্মুলা। এই ফর্মুলা সফল হয়েছে।

মানুষ খুব বীতশ্রদ্ধ। সব জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া। তার মধ্যে হঠাৎ করে ১ পয়সা দাম কমানো হল, এটা মানুষের প্রতি বঞ্চনা। হ্যা, কখনো দাম বাড়তেই পারে।কিন্তু ১৬ দিন অনবরত দাম বাড়িয়ে ১ পয়সা কমাচ্ছে। রাজনীতিতে গায়ের জোরে সব কিছু দখল করা যায় না।

ত্রিপুরার মতো ছোট রাজ্যে যে অঙ্ক কাজ করবে, বাংলায় সেই অঙ্ক কাজ করবে না। ২৩ লক্ষ আর ১০ কোটি ভোটদাতার মধ্যে অনেক তফাত আছে, সেটা মাথায় রাখতে হবে। ইউ পি সবচেয়ে বড় ভুমিকা নিয়ে রাজনীতির বদল আনবে।  ওখানে মায়াবতীজি, অজিত সিংহ, অখিলেশ যাদব ও কংগ্রেস যদি একসঙ্গে থাকে কমপক্ষে ৭০টা সিটের ফল বদলে যাবে।

লোকসভাতে বিজেপির সাংসদের সংখ্যা ২৭০-এ নেমে গেছে। কিন্তু এখনও কিছু দল ওদের সমর্থন করছে। আমার ব্যক্তিগত অভিমত জনগণের আস্থার ওপরে আমাদের বেশী নির্ভরশীল হতে হবে। এখন কোনও কারণ ছাড়া ‘নো-কনফিডেন্স’ মোশন এনে কোনও লাভ নেই।  যে কোনও সময়ে ভোট হতে পারে। আমার সেটাই ধারণা।

আমি বিশ্বাস করি গণতন্ত্রে মানুষের ওপর নির্ভর করা উচিত, যেহেতূ নির্বাচনের আর বেশিদিন বাকী নেই। আমি এই অবস্থায় একা কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারিনা, কারণ আরও অনেক রাজনৈতিক দল আছে। এটা ভালো দেখাবেও না। সুতরাং আজকে যারা জিতেছে তাদের সকলকে অভিনন্দন জানাই। এবং আমার এটাই বলার থাকবে যে আঞ্চলিক দলগুলি এখন আমাদের দেশে ভালোই শক্তিশালী। সময়ে সময়ে রাজনীতির সমীকরণ বদলে যায়। অন্ধ্র প্রদেশে যেমন চন্দ্রবাবু নাইডু, তামিল নাড়ুতে এবার ডি এম কে, কেরালায় কংগ্রেস বা সিপিএম, মহারাষ্ট্রে এনসিপি, শিব সেনা ভালো করছে। রাজস্থানে কংগ্রেস ভালো জায়গায়, মধ্য প্রদেশে কংগ্রেস ভালো জায়গায় । কাজেই মনে রাখবেন শেষের শুরু হলো ইউ পি দিয়ে। এই ফল কিন্তু আমাদের চোখ, কান খুলে দিচ্ছে। গণতন্ত্রে গণতন্ত্রের থেকেই শিক্ষা নেওয়া উচিত এবং তার ওপরেই নির্ভর করা উচিত। ভারতবর্ষে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আমাদের সংবিধানের অনেক পরম্পরা ভাঙ্গার চেষ্টা হচ্ছে, অনেক ভেঙ্গেছেও, যেগুলি হওয়া কাম্য নয়। বাবাসাহেব আম্বেবকারের দেওয়া যে সংবিধান আমাদের রক্ষাকবচ, তাকে এগিয়ে রেখেই দেশের গনতন্ত্রের বৈতরিনী সবাইকে পার হতে হবে। আমরা যেন কেউ কখনও ক্ষমতায় এসে সেই সীমা লঙ্ঘন না করি। মিথ্যে কথা বা ফেক নিউজ কখনও হয়তো কাজে লাগতে পারে, কিন্তু সবসময় তা দিয়ে চলে না।