Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


May 1, 2018

Ease of Doing Business: Introducing e-governance and self-regulation to make things easier

Ease of Doing Business: Introducing e-governance and self-regulation to make things easier

Several path-breaking reforms have been initiated by the Bengal Government to bring about norms for easier conducting of business activities. The policy of Ease of Doing Business basically envisages creating a conducive atmosphere for businesses to grow.

Employing methods of e-governance has been one the primary methods to achieve the aims of Ease of Doing Business. In fact, e-governance has been applied across all departments to bring about speed and transparency in activities. Another important method is bringing about self-regulatory mechanisms.

In both of the above, and in several other cases, the Labour Department has played a leading role. The reforms introduced by the department have helped it implement 106 of the 108 items in the Ease of Doing Business matrix, making it one of the best-performing departments of the State Government, and one of the best-performing Labour Departments in the country as well.

Ease of Doing Business: Some of the ways regulatory burden has been reduced

Policy of self-certification in terms of inspections norms and risk profiling for shops, establishment and units introduced; this was among the most liberal policies in the country

Scheme of self-certification for boilers and economisers initiated, and a scheme of third-party inspections introduced

Granting of licenses to factories enhanced from one year to a maximum of 15 years, depending on the type of business

Ease of Doing Business: Awards for e-governance

SKOCH Smart Governance Award 2017: The Labour Department bagged five awards and four Orders of Merit from a field of 500 strong participants – Platinum Award for Overall Excellence, Platinum Award and Order of Merit for Ease of Doing Business, Platinum Award and Order of Merit for Inspection Reforms in Labour Commissionerate, Gold Award and Order of Merit for Yuvashree scheme (under the category of Service Delivery), and Gold Award and Order of Merit for Samajik Suraksha Yojana (under the category of Labour Reforms).

CSI Nihilent e-Government Award 2016-17: The Labour Department bagged the award for Ease of Doing Business (through e-governance)

The Labour Department has also become the first department of the State Government to have fully Wi-Fi-enabled offices (offices located in the New Secretariat Building). The State Government has allocated money specially for other e-governance initiatives and in enabling other digital reforms.


মে ১, ২০১৮

শ্রম দপ্তরে ই-গভর্ন্যান্স

শ্রম দপ্তরে ই-গভর্ন্যান্স

২০১১ তে রাজ্যের শাসনভার গ্রহণ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকার। মাত্র সাত বছরেই দেশের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সব রাজ্যকে পেছনে ফেলে সেরার মর্যাদা কেড়ে নিয়েছে বাংলা। পেয়েছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। এর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হল ই-গভর্ন্যান্স। দেখে নেওয়া যাক শ্রম দপ্তরের জন্য রাজ্য সরকার কীভাবে ই-গভর্ন্যান্সকে কাজে লাগিয়েছে।

শ্রম দপ্তরে ই-গভর্ন্যান্স প্রয়োগ

i) শিল্প গড়ার সুবিধা

শিল্প গড়ার জন্য একগুচ্ছ সংস্কার করা হয়েছে। ১০৮ এর মধ্যে ১০৬টি ক্ষেত্রে শিল্প গড়ার সুবিধা করা হয়েছে। এর ফলে রাজ্যের সেরা দপ্তর হয়েছে ই-গভর্ন্যান্স এবং দেশের সেরা শ্রম দপ্তরের তকমা পেয়েছে বাংলা।

১৮টি শ্রম আইনের অধীনে ঝুঁকি খতিয়ে দেখা, নিয়মাবলী দেখা, দোকান/প্রতিষ্ঠান/ইউনিট প্রভৃতির জন্য স্ব-সার্টিফিকেশন ব্যবস্থা করা হয়েছে, এর ফলে দপ্তরের প্রশাসনিক দায়িত্ব কমেছে। এই নীতি দেশের মধ্যে সব থেকে উদার।

বয়লার ও ইকোনোমাইজারদের জন্য স্ব-সার্টিফিকেশন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে যাদের ১০০০ বর্গ মিটার বা তার বেশী হিটিং আয়তন আছে। এছাড়াও তৃতীয় পক্ষের দ্বারা পরীক্ষণ শুরু করা হয়েছে।

কারখানার লাইসেন্স প্রদান ১ বছর থেকে বাড়িয়ে ১৫ বছর করা হয়েছে, এর ফলে দপ্তরের ওপর চাপ কমেছে।

ii) রাজ্যের শ্রম দপ্তর সর্বোচ্চ স্বাধীন সম্মান পেয়েছে

a.স্মার্ট গভর্ন্যান্সের জন্য, নতুন দিল্লীতে অনুষ্ঠিত ২০১৭ সালের ৮ই ও ৯ই সেপ্টেম্বর ৫০০ প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে পেয়েছে স্কচ স্মার্ট গভর্ন্যান্স অ্যাওয়ার্ড সহ ৫টি পুরস্কার ও ৪টি অর্ডার অফ মেরিট। সেগুলি হলঃ

  • সার্বিক ভাবে দারুন কাজের জন্য প্ল্যাটিনাম অ্যাওয়ার্ড টু লেবার ডিপার্ট্মেন্ট, দেশের মধ্যে দ্বিতীয়।
  • শ্রম দপ্তরে শিল্প গড়ার সুবিধার জন্য প্ল্যাটিনাম অ্যাওয়ার্ড ও অর্ডার অফ মেরিট।
  • শ্রম কমিশনারেটে পরিদর্শনে সংস্কার আনার জন্য প্ল্যাটিনাম অ্যাওয়ার্ড ও অর্ডার অফ মেরিট।
  • পরিষেবা প্রদান বিভাগে যুবশ্রীর জন্য গোল্ড অ্যাওয়ার্ড ও অর্ডার অফ মেরিট।
  • শ্রম সংস্কার বিভাগে সামাজিক সুরক্ষা যোজনার জন্য গোল্ড অ্যাওয়ার্ড ও অর্ডার অফ মেরিট।

b.২০১৬-১৭ সালের সিএসাই নিহিলেন্ট ই-গভর্ন্মেন্ট অ্যাওয়ার্ড বিভাগে শ্রম দপ্তরে শিল্প গড়ার সুবিধার জন্য সেরা ই-গভর্ন্যান্স প্রকল্প হিসেবে অ্যাওয়ার্ড অফ অ্যাপ্রিসিয়েশন পায় ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসের ২০ তারিখ কলকাতার সায়েন্স সিটিতে।

c.শ্রম দপ্তর প্রথম দপ্তর যার নিউ সেক্রেটারিয়েট বিল্ডিঙের কার্যালয়ের সর্বত্র ওয়াই ফাই পরিষেবা পাওয়া যায়।

এই ধরনের ই-গভর্ন্যান্স ও পরবর্তী পর্যায়ের ডিজিটাল উন্নয়নের জন্য ২০১৮-১৯ সালের বাজেটে এই দপ্তরের জন্যও ১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।