Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


May 8, 2018

Six rural crafts from Bengal get GI Tag

Six rural crafts from Bengal get GI Tag

After Banglar Rosogolla and Joynagarer Moya, now six rural crafts have received the coveted Geographical Indicator (or GI) tag. The crafts include – terracotta of Panchmura, Dokra, Chhau masks of Charida, wooden masks of Kushmandi, Banglar Patachitra and Madur.

Although terracotta and Dokra arts are famous all over the world, the GI tag will definitely be a huge impetus for the rural crafts of Bengal.

More than 425 families in Panchmura are involved with the terracotta art. From horses to elephants – the terracotta artifacts are world famous. The GI tag will help in better marketing of these products.

There was a time when the makers of Chhau masks in Purulia would not get their due recognition. But under Mamata Banerjee, the State Government has teamed up with UNESCO to set up a Shilpa Gram. More than 450 artistes are involved in this art. Same is the story with Kushmandi masks. More than 350 artistes are connected to this art.

Patachitras of Pingla are also well known. The modern patachitras, made with organic colours are popular among the people as a home décor item. The GI tag will add to the recognition of the artistes.

Dokra jewellery is also popular among people. The GI tag will only enhance its market reach. As will the four and a half thousand artistes involved in Madur making.

Already Bengal’s handicrafts are sold at Bishwa Bangla retail outlets. The GI tag will help in their global branding, thus leading to the economic prosperity of the artistes.

In 2013, the State Government teamed up with UNESCO to set up rural craft hubs in different districts for the promotion of handicrafts. That hugely benefitted the artistes and led to their economic well-being. The GI tag will only help their prospects even more.


মে ৮, ২০১৮

ছয় গ্রামীণ শিল্পে জিআই শিরোপা 

ছয় গ্রামীণ শিল্পে জিআই শিরোপা 

বাংলার রসগোল্লা , জয়নগরের মোয়ার পর এ বার জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেটর বা জিআই পেল বাংলার ছয় গ্রামীণ শিল্প — পাঁচমুড়ার টেরাকোটা , ডোকরা , চড়িদার ছৌ মুখোশ , কুশমান্ডীর কাঠের মুখোশ , বাংলার পটচিত্র ও মাদুরও৷

যদিও ঐতিহ্য ও শিল্পবোধের প্রেক্ষিতে টেরাকোটা , ডোকরা ও পটচিত্র ইতিমধ্যেই বিশ্ব হস্তশিল্প বাজারে সমাদৃত , তবু জিআই প্রান্তির ঘটনাকে বাংলার গ্রামীণ শিল্পের আর্থ সামাজিক বিকাশে নয়া স্বীকৃতি বলে মনে করছে খাদি ও গ্রামীণ শিল্প পর্ষদ৷

‘টেরাকোটা ’ অর্থে পোড়া মাটির কারুশিল্প। পাঁচমুড়ায় শতাধিক পরিবারের প্রায় ৪২৫ শিল্পী টেরাকোটা চর্চা করে চলেছে৷ বাঁকুড়ার ঘোড়া , মনসাচালি বা হাতির নয়া সঙ্গী পোড়ামাটির গয়না৷পাঁচমুড়ার টেরাকোটা জিআই স্বীকৃতির সঙ্গে নিজস্ব লোগোও পেয়েছে৷ ফলে বিশ্ব জুড়ে বিপণনে সুবিধা হবে৷

পুরুলিয়ার ছৌ মুখোশ তৈরির শিল্পীরা পয়সা পেতেন না৷ এখন রাজ্য সরকারের উদ্যোগে ইউনেস্কোর সহযোগিতায় শিল্প গ্রাম গড়ে ওঠায় অবস্থা বদলেছে৷ এখন প্রায় চারশো শিল্পী যুক্ত৷

দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমান্ডির কাঠের মুখোশের কদরও একই ভাবে ছড়িয়ে পড়ছে৷ উত্তরবঙ্গের রাজবংশীদের এই শিল্পের সঙ্গেও জড়িয়ে প্রায় সাড়ে তিনশো মানুষ৷

পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলার নয়াগ্রামের পটচিত্র বিশ্বে পরিচিত৷ হাল আমলে জৈব রঙে রাঙানো পটচিত্র ফ্যাশানেও নয়া মাত্রা দিয়েছে৷ তবুও জিআই প্রান্তি এই গ্রামের প্রায় চারশো শিল্পীকে নতুন করে সম্মানিত করেছে।

বাঁকুড়ার বিকনা ও বর্ধমানের দোরিয়াপুরের ‘বাংলার ডোকরা ’ গয়না বিশ্ব বাংলার হাত ধরে ইতিমধ্যেই সমাদৃত৷ জিআই প্রান্তি বাজার ধরতে বাড়তি সুবিধা দেবে বলে৷

মাদুরশিল্পে আছেন প্রায় সাড়ে চার হাজার শিল্পী৷

ইতিমধ্যেই বিশ্ব বাংলা এই গ্রামীণ লোকশিল্পগুলির বিপণন শুরু করছে৷ এখন জিআই প্রান্তি এদের গুণগত মান বজায় রেখে গ্লোবাল ব্র্যান্ডিং -এর কাজে সাহায্য করবে৷ ফলে , সংশ্লিষ্ট গ্রামগুলির আর্থসামাজিক বিকাশের পথ সুগম হবে৷

২০১৩ সালে রাজ্যের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের হাত ধরে ইউনেস্কোর সাহায্যে বিভিন্ন জেলায় দশটি রুরাল ক্রাফট হাব বা শিল্প গ্রাম তৈরি করা শুরু হয়েছিল৷ যা ধীরে ধীরে গ্রামীণ শিল্পীদের অর্থনৈতিক পরিবর্তন এনেছে৷ জিআই স্বীকৃতি এই পরিবর্তনকে আরও ত্বরান্বিত করবে৷ সুনিশ্চিত হবে এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত সমস্ত মানুষের জীবিকা৷ ছয় শিল্পের নিজস্ব জিআই লোগোডোকরাকুশমান্ডির কাঠের মুখোশমাদুরকাঠিবাংলার পটচিত্রবাঁকুড়া টেরাকোটাপুরুলিয়ার ছৌ মুখোশ৷