Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


December 21, 2018

Now blockchain technology being used for preparing birth certificates in Bangla

Now blockchain technology being used for preparing birth certificates in Bangla

Blockchain technology is a technology with immense potential because of its tamper-proof nature, and the Bangla Government has recognised that. It organised the two-day knowledge-sharing event, Global Blockchain Congress last week, where experts of international repute spoke on various aspects.

At the summit, the Newtown Kolkata Development Authority (NKDA), a State Government organisation that renders various civic services and amenities within Newtown, released India’s first birth certificate issued using blockchain technology.

The State Information Technology and Electronics (IT&E) Minister Dr Amit Mitra released the certificate at the Biswa Bangla Convention Centre, where the summit was held.

According to a senior official of the IT&E Department at the summit, once the certificate is ready, there can be no manipulation and this makes it 100 per cent secured.

The first live application in the country on project-based crowdfunding management on blockchain was created by Webel, which is under the aegis of the IT&E Department. The solution leveraged the technology to ensure that every transaction made by the donor is not only secured through the art of complex cryptography but is also completely transparent and immutable.

Source: Millennium Post


ডিসেম্বর ২১, ২০১৮

জন্মের শংসাপত্র তৈরী করতে ব্লকচেন প্রযুক্তি ব্যবহার করছে এনকেডিএ

জন্মের শংসাপত্র তৈরী করতে ব্লকচেন প্রযুক্তি ব্যবহার করছে এনকেডিএ

জন্মের শংসাপত্র তৈরী করতে ব্লকচেন প্রযুক্তি ব্যবহার করছে এনকেডিএ (নিউটাউন কলকাতা ডেভেলপমেন্ট অথরিটি)।

সম্প্রতি নিউটাউনে অনুষ্ঠিত হল দু’দিনব্যাপী গ্লোবাল ব্লকচেন কংগ্রেস। সেখানেই এই আধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরী প্রথম জন্ম শংসাপত্র উন্মোচন করেন রাজ্যের তথ্যপ্রযুক্তি ও ইলেক্ট্রনিক্স মন্ত্রী অমিত মিত্র। ইউকে, ব্রাজিল, আমেরিকা, বেলজিয়ামের বিশেষজ্ঞরা এই সম্মেলনে ব্লকচেন প্রযুক্তির দৈনন্দিন ব্যবহারের বিষয়ে বক্তব্য রাখেন।

ব্লকচেন প্রযুক্তিতে তথ্য সংরক্ষণ করতে একটি হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করতে হয়। এই তথ্য কোনওভাবেই বিকৃত করা যায় না। সুতরাং, একবার সমস্ত তথ্য নথিভুক্ত করে শংসাপত্র তৈরী করলে আর কোনও তথ্য বিকৃত করা যাবে না। এর ফলে তথ্য ১০০ শতাংশ নিরাপদ থাকবে। সম্প্রতি নিউটাউনে অবস্থিত এক বেসরকারি নার্সিংহোমে জন্মানো এক শিশুকে এই প্রযুক্তিতে তৈরী প্রথম জন্ম শংসাপত্র দেওয়া হয়।

মন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষের কাজে লাগবে, এমন ভাবেই ব্লকচেন প্রযুক্তি ব্যবহার করবে রাজ্য সরকার। এর জন্য কর্মশালাও আয়োজন করা হচ্ছে। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে চিকিৎসাব্যবস্থা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, জমির তথ্য, স্কুলের স্বাস্থ্যপরীক্ষার তথ্য – সব কিছুই এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে রেকর্ড রাখা সম্ভব। মন্ত্রী আরও বলেন, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বীজ বপনের আদর্শ মরশুমও বাতলে দেওয়া সম্ভব, যা চাষিদের জন্য খুব লাভজনক হবে।

প্রসঙ্গত, তথ্যপ্রযুক্তি ও ইলেক্ট্রনিক্স দপ্তর উপলব্ধি করেছে যেকোনোও প্রকল্পের ক্রাউডফান্ডিং ম্যানেজমেন্টে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ব্লকচেন প্রযুক্তি ব্যবহার করা যেতে পারে। দেশের প্রথম পাঁচটি প্রকল্প ভিত্তিক ক্রাউডফান্ডিং ম্যানেজমেন্ট অ্যাপ্লিকেশন দপ্তরের নির্দেশে তৈরী করে ওয়েবেল। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে দাতার দান করা অর্থ শুধু যে নিরাপদ থাকবে তা নয়, তথ্য হবে স্বচ্ছ এবং অপরিবর্তনীয়।