Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


December 11, 2018

Bangla Govt to help Bankura farmers take up cultivation of alternatives to paddy

Bangla Govt to help Bankura farmers take up cultivation of alternatives to paddy

The State Government has made plans to help farmers in taking up cultivation of pulses, oilseeds and mustard in 196 mouzas of Bankura district, where paddy cultivation has suffered due to inadequate rainfall.

Officials of the State Agriculture Department and district officials have identified areas located close to waterbodies for smooth cultivation of the crops.

The farmers are also being encouraged to cultivate different varieties of leaf vegetables (shak) like palang and others, which can be grown using less water and also at a rapid pace, and varieties of shak are very much in demand during winter.

The government is distributing seeds among the affected farmers and also providing necessary advice for cultivation. Fertilisers are also being made available.

Necessary instructions have been given to the concerned officers at the district level to arrange for power connections for submersible and mini-pumps that will be used to channel water from the waterbodies into the agricultural fields.

Source: Millennium Post


ডিসেম্বর ১১, ২০১৮

বাঁকুড়ায় বিকল্প চাষে জোর রাজ্যের

বাঁকুড়ায় বিকল্প চাষে জোর রাজ্যের

খরা প্রবণ বাঁকুড়া জেলার কৃষকদের বিকল্প কৃষি পদ্ধতির সন্ধান দিতে উদ্যোগ নিল রাজ্য কৃষি দফতর। আইআইটি খড়্গপুরের সহায়তায় বড়জোড়ায় আবাসিক কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবিরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই শিবিরে খড়্গপুর আইআইটির বিশেষজ্ঞরা নিজে উপস্থিত থেকে বিকল্প কৃষি পদ্ধতি ও বিকল্প চাষের বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন।

খরাপ্রবণ বাঁকুড়ার অন্যতম কৃষিজ সম্পদের উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল। প্রধান উৎপাদিত ফসল ধান। এর পাশাপাশি জেলার দক্ষিণের ব্লক সিমলাপাল, রাইপুর, সারেঙ্গা, তালডাংরার কিছু অংশে ব্যাপকভাবে আলু ও কুমড়োর চাষ হয়। এখানের জমিতে জলধারণ ক্ষমতা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম। তাছাড়া গত কয়েক বছরে বৃষ্টিপাতও সেভাবে হচ্ছে না।

খরাপ্রবণ বাঁকুড়া জেলার মাটিতে জলধারণ ক্ষমতা কম। বৃষ্টির জল পড়ে তা গড়িয়ে যায়। সেকারণে ‘ওয়াটার ম্যানেজম্যান্টে’র উপর নির্ভর করে আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ করে কৃষি কাজের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এবিষয়ে চাষীদের নতুন পদ্ধতির ধারণা দিতে আই.আই.টি খড়্গপুর থেকে বিশেষজ্ঞরা এসেছেন। তাঁরা আধুনিক কৃষি পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার পাশাপাশি, সেচ ও সারের ব্যবহার সম্পর্কেও চাষীদের অবহিত করছেন। এই পদ্ধতির সফল রুপায়ণ হলে জেলার কৃষকরা উপকৃত হবেন।

প্রসঙ্গত, রাজ্যের সব কটি জেলাতে এই ধরণের প্রশিক্ষণ শিবিরে জৈব সারের ব্যবহার, সেচের ব্যবহার ও উন্নত কৃষি পদ্ধতি বিষয়ে পাঠ দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন।