Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


October 28, 2018

Mask Festival in Kushmandi draws tourists

Mask Festival in Kushmandi draws tourists

Today is the last day of mask festival called Mukha Mela at Kushmandi in Dakshin Dinajpur district. Kushmandi is the centre of the famous wooden mask makers associated with the traditional Gomira dance. It is one of the Rural Craft Hubs developed as a joint venture between the State Micro, Small and Medium Enterprises and Textiles (MSME&T) Department and UNESCO.

About 186 wooden mask artisans, 171 pottery artisans, 63 cane and bamboo artisans and khon mukha artisans from Uttar and Dakshin Dinajpur took part in the festival. Hundreds of people from all over the State as well as foreign countries attended the festival.

Folk artistes performed at the festival. These performances were organised by the Mahishbathan Gramin Hasta Shilpa Samabay Samity with support from West Bengal Khadi and Village Industries Board (WBKVIB).

It may be mentioned that Chief Minister Mamata Banerjee’s special emphasis on the revival of the traditional art forms has revived the mask-making industry. Kushmandi is home to about 250 artisans carrying forward the tradition of wooden mask-making of the Rajbongshi community.

The masks, which started their journey from village dance performances, are gradually finding a place of pride in urban drawing rooms as delectable pieces of art.

Source: Millennium Post (Image Source)


অক্টোবর ২৮, ২০১৮

মুখা মেলাকে কেন্দ্র করে বিশ্বের দরবারে মুখোশ শিল্প

মুখা মেলাকে কেন্দ্র করে বিশ্বের দরবারে মুখোশ শিল্প

পঞ্চমবর্ষে পা দিল কুশমণ্ডির মুখা মেলা। মুখোশ শিল্পকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে এবারও মুখা মেলার আয়োজন করেছে মহিষবাথান গ্রামীণ হস্তশিল্প সমবায় সমিতি লিমিটেড। সহযোগিতায় আছে বাংলা নাটক ডট কম, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের খাদি ও গ্রামীণ শিল্প পর্ষদ। মেলাকে কেন্দ্র করে প্রত্যেক দিন চলবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

মাত্র ২৭ জনকে দিয়ে পথ চলা শুরু হয়েছিল। বর্তমানে সেই সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়েছে। সংখ্যাটা দক্ষিণ দিনাজপুরের মুখোশ শিল্পের সঙ্গে জড়িত শিল্পীদের। শুধুমাত্র দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা নয়, জেলার মহিষবাথানের মুখোশ শিল্পের খ্যাতি আজ জেলা ছাড়িয়ে দেশে ও বিদেশেও নাম করেছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সাল থেকে মুখোশ শিল্পকে আন্তর্জাতিক স্তরে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এই ধরনের মেলা শুরু করা হয়েছে। বর্তমানে রাজ্য সরকার প্রাচীন এই শিল্পকলাকে পুনরুজ্জীবিত করতে তৎপর। দক্ষিণ দিনাজপুরের এই শিল্পের উন্নতির জন্য সরকারের পক্ষ থেকে একাধিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শিল্পীদের পরিচয়পত্র দেওয়া থেকে ভাতা প্রদানের ব্যবস্থা করেছে সরকার। মেলায় ২৫ টির বেশি স্টল রয়েছে, যেখানে শিল্পীদের হাতের তৈরি নানা মুখোশ বিক্রি হচ্ছে।

 

ছবি সৌজন্যে: ব্লগ