Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


October 1, 2018

Floating solar plants to come up in Bangla

Floating solar plants to come up in Bangla

In a first for India, the Bangla Government has decided to set up floating solar power plants at irrigation reservoirs across the State. For this, the Power Department is taking the help of the Irrigation Department to create a list of waterbodies where such projects could be set up.

Three plants have already been decided upon, according to the Power Minister – two 5 megawatt (MW) projects in Sagardighi in Murshidabad district and Bakreshwar in Birbhum district, and a 100MW project at Mukutmanipur in Bankura district.

The first to be commissioned, within the next six months, is the one in Sagardighi at a cost of Rs 28 crore, for which a detailed project report has already been prepared. All the three are expected to come up within the next one year.

The West Bengal Power Development Corporation Limited (WBPDCL) is the implementing agency of the project.


অক্টোবর ১, ২০১৮

রাজ্যে ভাসমান সৌরশক্তি কেন্দ্র

রাজ্যে ভাসমান সৌরশক্তি কেন্দ্র

মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘিতে ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরী করবে বিদ্যুৎ দপ্তর। পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ পর্ষদের আধিকারিকদের সংগঠন এবং বণিকসভা ‘মার্চেন্টস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ’ আয়োজিত একটি সভায় এ কথা জানান বিদ্যুৎ দপ্তরের কমিশনার।

তিনি বলেন, “সাগরদিঘিতে পরীক্ষামূলক ভাবে প্রথমে ৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরী হবে। তা সফল হলে মুকুটমণিপুরে একই ধরনের ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরী করা হবে।” এলইডি আলো, বায়ুশক্তি থেকে বিদ্যুৎ তৈরীর উপরেও জোর দেওয়া হচ্ছে বলে কমিশনার জানান।

বিদ্যুৎ দপ্তর জানিয়েছে, জলাশয়ে সৌরশক্তির পাতগুলি ভাসমান অবস্থায় থাকবে। এর ফলে নতুন করে জমির প্রয়োজন হবে না। ফরাসি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ দেশের একটি সংস্থাই এই কাজ করবে। সাগরদিঘিতে খরচ পড়বে প্রায় ২৮ কোটি টাকা। বিদ্যুৎ মন্ত্রী বলেন, ২০১১ সালে রাজ্য সরকারি ভাবে ২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ তৈরী হত। এখন তা ৭০ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দূষণ ঠেকাতে পুরনো তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। একটি বিদেশী সংস্থার সঙ্গে কথা চলছে। সেই প্রযুক্তির ফলে পুরনো তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে কার্বন কণা, সালফার ও নাইট্রোজেন যৌগ, ছাই বাইরে এসে পরিবেশে মিশবে না। ব্যান্ডেল কেন্দ্রে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। কোলাঘাট বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১ ও ৩ নম্বর চুল্লিতে ইতিমধ্যেই এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।