Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


June 9, 2018

Integrated Child Protection Scheme: Protecting and educating those who have none to look after them

Integrated Child Protection Scheme: Protecting and educating those who have none to look after them

The Integrated Child Protection Scheme (ICPS) has played a key role in strengthening the child protection regime in Bengal. This has done by setting up necessary institutional delivery mechanisms and statutory bodies, increasing investment in child protection, and continuously drawing focus on the right of all children to be safe.

The Directorate of Child Rights and Trafficking (DCRT) is responsible for the implementation of ICPS through the State Child Protection Society (SCPS) and the District Child Protection Units (DCPU), the latter running in 20 districts. Only the newly-formed districts of Paschim Bardhaman, Jhargram and Kalimpong are left, where DCPUs are in the process of being set up. All statutory structures like Child Welfare Committees and Juvenile Justice Boards have also been formed in the 20 districts.

Under the aegis of institutional care, DCRT looks after 4,687 children across the State, housed in 19 Government-run Homes, 39 non-governmental organisations (NGO)-run Homes, 23 Open Shelters and 22 Specialised Adoption Agencies (SAA).

There are four additional Places of Safety, namely, Sumangalam (in Bankura), Ananda Ashram, Shilayan (both in Murshidabad) and Ananda Math (in Purulia).

To provide better institutional care, 71 contractual staff were given employment during financial year (FY) 2017-18 in six Government-run homes – Korok Observation and Juvenile Home for Neglected Boys (in Jalpaiguri), Sundarbai Mulchand Mohota (SMM) Home (for girls) (in Liluah), Government School for the Blind, Sahid Bandana Smriti Mahila Abas (for girls) (both in Cooch Behar), Nadia District Shelter (for girls) (in Krishnanagar) and Malda District Shelter (for girls) (in Malda town).

Source: Departmental Budget


জুন ৯, ২০১৮

আইসিপিএস প্রকল্পের মাধ্যমে শিশু সুরক্ষা নিশ্চিত করছে বাংলা

আইসিপিএস প্রকল্পের মাধ্যমে শিশু সুরক্ষা নিশ্চিত করছে বাংলা

শিশুরা হল সমাজের তথা দেশের ভিত্তি। আজকের শিশুই হবে আগামীদিনের দেশের নাগরিক। তাই, রাজ্য সরকারের শিশু কল্যাণ দপ্তর তাদের যত্ন নেওয়া, সুরক্ষা দেওয়া ও তাদের কল্যাণ ও উন্নয়নে দিয়েছে বিশেষ জোর। এই উদ্দেশ্যে রাজ্য সরকার নিয়েছে একাধিক প্রকল্প।

এমনই একটি প্রকল্প হল আইসিপিএস। কয়েক বছরের মধ্যেই এই প্রকল্পের আওতায় নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে শিশু সুরক্ষার জন্য। ডিরেক্টরেট অফ চাইল্ড রাইটস অ্যান্ড ট্রাফিকিং এবং রাজ্যের ২০টি জেলায় অবস্থিত চাইল্ড প্রোটেকশন সোসাইটি ও ডিসট্রিক্ট চাইল্ড প্রোটেকশন ইউনিটের মাধ্যমে আইসিপিএস প্রকল্পটি বাস্তবায়িত করা হয়। সমস্ত সাংবিধানিক পরিকাঠামো (চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটিগুলি এবং জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডগুলি) রাজ্যের ২০টি জেলায় গঠন করা হয়েছে। নবনির্মিত বাকি তিন জেলাতেও (পশ্চিম বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, কালিম্পং) এগুলি তৈরী করা হচ্ছে।

ইন্সটিটিউশানাল কেয়ার পরিকাঠামোর পৃষ্ঠপোষকতায় ১০টি সরকারি হোম, ৩৯টি এনজিও চালিত এবং ২৩টি ওপেন শেল্টার ও ২২টি বিশেষ দত্তক গ্রহণ কেন্দ্র আছে যেখানে মোট ৪৬৮৭টি শিশু এই মুহূর্তে আছে। এছাড়া, ৪টি অতিরিক্ত নিরাপদ কেন্দ্র আছে – বাঁকুড়ায় সুমঙ্গলম, মুর্শিদাবাদে আনন্দ আশ্রম ও শিলায়ন ও পুরুলিয়ায় আনন্দ মঠ।

আরও উন্নত মানের ইন্সটিটিউশানাল কেয়ারের জন্য ৬টি সরকার চালিত হোমে ২০১৭-১৮ সালে চুক্তির মাধ্যমে ৭১ জন কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। এই হোমগুলি হল, কোরক, এসএমএম হোম, কোচবিহার ব্লাইন্ড বয়েজ অ্যাকাদেমি, শহীদ বন্দনা স্মৃতি মহিলা আবাস, নদীয়া চিলড্রেন হোম ফর গার্লস এবং মালদা চিলড্রেন হোম ফর গার্লস।

অ্যাডপশান রেগুলেশনস ২০১৭ বিধি মেনে নন-ইন্সটিটিউশানাল কেয়ারের মাধ্যমে ডিরেক্টরেট অফ চাইল্ড রাইটস অ্যান্ড ট্রাফিকিং দত্তক গ্রহণের বিষয়টি দেখাশোনা করে। SAA-CCI (Specialised Adoption Agency-Child Care Institution) তৈরী করা হয়েছে এবং ২রা জানুয়ারি ২০১৮ তে ৭০জন শিশুকে এর আওতায় আনা হয়েছে।

সৌজন্যে: দপ্তরের বাজেট