Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


June 11, 2018

Pursue a career of your choice, undaunted by any adversity: Bengal CM to board toppers

Pursue a career of your choice, undaunted by any adversity: Bengal CM to board toppers

Chief Minister Mamata Banerjee today felicitated the toppers of Madhyamik, Higher Secondary, ICSE, CBSE, ISC and WBJEE examinations. The felicitation programme was held at Netaji Indoor Stadium.

It was Chief Minister Mamata Banerjee, who had initiated the programme to felicitate the toppers in the state from all boards.

In her speech, she congratulated all the students for securing a rank in the merit list, in this age of competition. She also urged them to stick to the values imparted by their teachers and parents, and pursue a career of their choice, undaunted by any adversity.

Highlights of the Chief Minister’s speech:

  • My best wishes to all the students who aced the various board exams and secured top ranks. I want to mention the toppers of Madhyamik exam, because it is the first board exam of their life, an experience which comes once in a lifetime.
  • In this age of tough competition to secure a rank in the merit list is no mean feat. Times are changing, the infrastructure has improved. Teaching methods have undergone a change. There are more opportunities.
  • There are many stories of struggle, we must salute those. There may be students whose parents may not be well-to-do, and have to make ends meet to buy them books. We must recognise their struggle too.
  • Our teachers play a major role in shaping our future. The students are their pride. The talent that teachers create requires a lot of dedication, determination and devotion; this is unmatched.
  • There was a time when teachers used to think twice before giving full marks. But our students have to compete with the world now. So, I had requested our Education Minister to ensure our students also get marks at par with ICSE or CBSE. They have done really well.
  • I want you to use your talent and pursue a stream which you like. I would urge you not to neglect the teachers who taught you, or your parents, or even the land where you received your education. This is a learning for your life.
  • Our parents imparted values in us. They taught us Rabindranath-Nazrul, the ideals of Swami Vivekananda and Netaji Subhas Chandra Bose. They instilled a sense of patriotism and harmony in us. This helped in shaping our conscience.
  • We have learnt not to bow our heads before any hindrance. We should not be afraid of any turbulence. We have to keep marching ahead.
  • Talent from Bengal is famous all over the world. We all have our roots in the villages.
  • Your merit should be your pride. Your skill will help shape your future. Some of you will become doctors, some engineers, some may become professors, some may choose research.
  • We have set up 22 new universities, 6 more are coming up. We have set up 47 new colleges and 7 new medical colleges. 13 new medical colleges are in the pipeline. Number of medical seats has gone up, and we have to keep increasing the number of seats.
  • Granthan, who secured the first rank in Higher Secondary exam, has proved even a student of humanities can secure full marks. No matter which stream you choose, you all must excel in your respective fields.

জুন ১১, ২০১৮

ঝড়কে হার মানিয়ে এগিয়ে যাও, কৃতী ছাত্রছাত্রীদের বললেন মুখ্যমন্ত্রী

ঝড়কে হার মানিয়ে এগিয়ে যাও, কৃতী ছাত্রছাত্রীদের বললেন মুখ্যমন্ত্রী

এ বছর বিভিন্ন বোর্ড পরীক্ষায় কৃতী ছাত্রছাত্রীদের চা-চক্রে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ আজ নেতাজি ইন্ডোরে এই চা-চক্রে অংশ নেন ছাত্রছাত্রীরা।

গত বছরও মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে কৃতীদের সাথে একটি চা-চক্রের আয়োজন হয়েছিল উত্তীর্ণে। ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তিনি এই পরম্পরাটি চালু করেন।

আজকের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি সকল ছাত্রছাত্রীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, আজকের এই প্রতিযোগিতার যুগেও মেধা তালিকায় নাম ওঠানোটা সহজ কাজ নয়। তিনি উপস্থিত ছেলেমেয়েদের বলেন যেন তারা মা-বাবা কিংবা শিক্ষকদের অবহেলা না করে।

তিনি বলেন যেন তারা নিজেদের পছন্দের বিষয় নিয়ে কেরিয়ার গড়তে পারে, সমস্ত ঝড়-ঝঞ্ঝা কে হার মানিয়ে।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যঃ-

  • আজকে যারা মেধা তালিকায় নিজের নাম সংযোজিত করতে পেরেছে, তাদের শুভেচ্ছা জানাই। এটা মোটেও সহজ কাজ না। আজকে কম্পিটিশানের যুগে আধা নম্বর এদিক ওদিক হয়ে গেলে রাঙ্ক এক থেকে দশ হয়ে যেতে পারে। আজকাল একই নম্বর দশ, কুড়ি জন পাচ্ছে।
  • এটা ঠিক দিন বদলেছে, পড়াশুনোর ধরণ বদলেছে, আজকে পরিকাঠামো বেড়েছে, বই পাওয়া যাচ্ছে, কম্পিউটারের মাধ্যমেও পড়াশোনা হচ্ছে। এমনকি মোবাইলের মধ্যে দিয়েও অনেকে তথ্য দেখেন। সুযোগ সুবিধে যেমন বেড়েছে, প্রতিযোগিতাও তো বেড়েছে।
  • হয়তো লাইফে সেই স্ত্রাগেলটা নেই অনেকেরই, যে ১টা বই কিনতে হবে। হয়তো অনেককেই একটা বই কেনার জন্য জীবনে সংগ্রাম করতে হয় না। কিন্তু অনেকেই আছে যাদের বাবা মা মুদীর দোকান থেকে বা কাগজের ঠোঙা বিক্রি করে, ছেলে মেয়েদের পড়ান। তেমনই অনেক পরিবার আছেন বাবা মা রা, তাদের নিজস্ব জীবন যৌবন পুরোটাই ব্যয় করেন তাদের ছেলে মেয়েরা কি করে ভালো হবে নিশ্চিত করতে।
  • শিক্ষক শিক্ষিকারা তো ছাত্রছাত্রীদের তৈরী করেন। তাদের হাত দিয়ে মেধা তৈরী হচ্ছে। আমার মনে হয় যে মেধা শিক্ষকরা তৈরী করেন নিজের জীবন দিয়ে, তাদের কাছেও এটা একটা ডেডিকেশন, ডিটারমিনেশন, ডিভোশান, এটার কোনও তুলনা হয় না।
  • আমার খুব ভালো লেগেছে, এবার বিশেষ করে, সংসদ যেভাবে মেধা তালিকা তৈরী করার কাজটা কমপ্লিট করেছে। এ টু জেড খুব সুন্দর ভাবে সুষ্ঠুভাবে তৈরী করেছেন। আমার ধন্যবাদ আপনাদের সকলের প্রতি থাকবে। আগামী দিনেও যেন এরকম বজায় থাকে এটা নজর রাখবেন।
  • আমরা যখন ছোট ছিলাম, দেখতাম থার্ড ডিভিশনের নাম্বার দিতে গেলেও যেন হাত কাঁপত। আমি পার্থদা কে একটা কথাই বলতাম, শুনুন, এদের ন্যাশানাল ইন্টারন্যাশানাল লেভেলের কম্পিটিশনে যেতে হয়। আমাদের ছেলেমেয়েরা যদি ৮০ পায় কেটেকুটে, আর অন্যরা যদি ৯৯ পায়, তাহলে আমাদের ছেলেমেয়েরা যাবে কোথায়? এদের তো কম্পিটিশনে থাকতে হবে। অনেক সময় ১০-এ ১০ পেলেও ওটা দেওয়া হয় না, কেটে দেওয়া হয়।
  • আমি পার্থকে প্রথমেই বলেছিলাম, আমাদের দেখতে হবে যাতে আমাদের ছেলেমেয়েরা ভালো নম্বর পায়। ICSE-CBSE এর ছেলেমেয়েরা কত নম্বর পায়, আমাদের মাধ্যমিকের ছেলে মেয়েরা কেন এই জায়গায় পিছিয়ে থাকবে? তাদের মানটাও আমাদের উঁচু করতে হবে, এগিয়ে দিতে হবে। এটা ওদের জীবনের প্রথম ও দ্বিতীয় পরীক্ষা, এবং আমি এখনও মনে করি, আমাদের মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিকের ছেলেমেয়েরা খুব ভালো রেজাল্ট করেছে। ICSE CBSE WBJEE রাও খুব ভালো রেজাল্ট করেছে।
  • প্রতিভাটা বিকশিত হোক বিভিন্ন কাজে, নিজের যেটা ভালো লাগবে। আত্মবিশ্বাস আছে, সেটাকেই আঁকড়ে নিয়ে বাঁচবে। তবে যে মাটিটা তোমায় জীবনে বড় করেছে, যে মা, যে টিচার্স, তাদের কোনোদিন অবহেলা করবে না, তারাই তোমাদের আসল মনুষ্যত্ব শিখিয়েছে।
  • আমরা খুব সাধারন ঘরে জন্ম নিয়েছি, এটা বলতে আমার গর্ব হয়, এখন ছেলেমেয়েরা যা সুযোগ পাচ্ছে, আমরা তা পাইনি, হয়তো ভালো স্কুলে পড়াতে পারেনি, ভালো কলেজে পড়াতে পারেনি, আমাদের বাবা মা আমাদের জন্য টাকা রেখে দিয়ে যেতে পারেনি, গাড়ি বাড়ি ফ্ল্যাট করে দিয়ে যেতে পারেনি, কিন্তু, আমাদের বাবা মারা ১টা কাজ করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথ কাকে বলে নজরুল কাকে বলে বা স্বামী বিবেকানন্দর, নেতাজীর চিন্তাধারা কি, অথবা দেশাত্মবোধ কি, সংহতি কি এগুলো তারা শিখিয়েছিলেন আমাদের।
  • একটু চেতনা, বিবেক, আবেগ দিয়ে আমাদের চৈতন্যের উদয় করতে সাহায্য করেছিল এই শিক্ষা। সেইটা দিয়ে সারা জীবন সংগ্রাম করতে করতে আজ এই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি। আজও ঝড় এলে মাথা নত করি না, ঝড়ে কখনও কখনও বিদ্যুৎ চমকায়, অনেক প্রাণ চলে যায়, তা সত্ত্বেও আমি মনে করি, মাথা উঁচু করে চলাটাই আমাদের কাজ।
  • নিজস্ব মেধায় এগিয়ে যেতে হবে, এখনও বাংলার ছেলেমেয়েরা বিশ্বসেরা, তাদের মেধা বাংলার গ্রামে গ্রামে লুকিয়ে আছে। আজ যারা শহরেও থাকি, সকলের গ্রামে কোনও না কোনও ঠিকানা ছিল বা আছে। গ্রাম থেকেই শহর তৈরী হয়। তাই বলি, তোমাদের গর্ব তোমাদের মেধা, তোমাদের উৎকর্ষতা তোমাদের আকাশ ভরা সূর্য তারা। এগিয়ে যাওয়ার নামই জীবন। তোমাদের এই সচেতনতা জ্ঞ্যান, বুদ্ধি, সবই তোমাদের নতুন আশা, ভাষা, দিশা। আগামী দিন তোমরা এগিয়ে যাবে, এখন অনেক সুযোগ তৈরী হচ্ছে।
  • আমাদের সরকারের আমলে নতুন ২২টি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরী করেছি, আরও ৬টা হচ্ছে, ৪৭টা নতুন কলেজও করে দিয়েছি। ৭ টা মেডিক্যাল কলেজ করেছি, আরও ১৩টি হচ্ছে। এভাবে মেডিক্যালের সিটও অনেক বাড়ানো হচ্ছে।
  • গ্রন্থন, কলা বিভাগের একটা ছেলে দেখিয়ে দিল যে আর্টস পড়েও ১০০ তে ১০০ পাওয়া যায়।