Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


August 8, 2018

Sufal Bangla to open with restaurants now

Sufal Bangla to open with restaurants now

The State Government’s hugely popular ‘Sufal Bangla’ chain of grocery-and-fish stalls are now going to come up with restaurants now. Nutritious and delicious food – dal, rice and vegetables – will be served at affordable prices. Sufal Bangla is run by the Agricultural Marketing Department.

The first such food outlet would be started in Tarapith in Birbhum district, in a newly-created market.

Tarapith has been chosen to start with because it is a very popular pilgrimage site. Thousands, and during certain periods of the year, lakhs of devotees visit the temple there. They will be able to satisfy their hunger with cheap but wholesome and cleanly prepared food.

The rice, fruits and vegetables available at Sufan Bangla stalls are sourced directly from farmers. So with this system in place, more can be sourced from farmers, increasing their incomes.

According to an official of the Agricultural Marketing Department, even after selling, in many places, every day, there are some quantities always in excess. That would be put to use now. Ghee would be served along with rice, according to this official. Superior varieties of rice like gobindobhog, tulaipanji, kalonunia, randhunipagla and radhatilak would be available too.


অগাস্ট ৮, ২০১৮

হেঁসেল খুলবে সুফল বাংলা

হেঁসেল খুলবে সুফল বাংলা

এত দিন মূলত আনাজ, ফলমূল বিক্রী হত কৃষি বিপণন দফতর ‘সুফল বাংলা’ দোকানে। এ বার কম খরচে মানুষের পাতে সুগন্ধি চালের ভাত, ডাল, রকমারি সবজির পদ তুলে দিতে হেঁসেল চালানোর ব্যবসাতেও নামছে তারা। প্রথম হেঁসেল খোলা হবে বীরভূমের তারাপীঠে।

কৃষি বিপণনমন্ত্রী বলেন, খোলা বাজারের থেকে কম দামে সুফল বাংলার দোকানে নানা ধরনের আনাজ, আলু, পেঁয়াজ বিক্রী হয়। তাদের হোটেলে সেই সব আনাজই রান্না হবে।

বীরভূম জেলা প্রশাসন তারাপীঠে একটা বাজার তৈরী করছে। সেখানেই সুফল বাংলার হোটেলের জায়গা দেওয়া হবে। থাকবে দোকানও। এই প্রকল্প সফল হলে রাজ্যের অন্যত্র হেঁসেল খুলবেন তাঁরা।

কৃষি বিপণন দপ্তর সূত্রের খবর, রাজ্যের ৭৬টি কেন্দ্রে এখন সুফল বাংলার স্টল এবং গাড়ি রয়েছে। কোথাও কোথাও দফতরের আনাজের পাশাপাশি এই দোকানে মাছ, মাংস, ডিম ও দুধও বিক্রী করা হয়। এই প্রকল্পের ফলে আলু, পেঁয়াজ-সহ নানান আনাজের দাম অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে।

কৃষি বিপণন দপ্তরের এক আধিকারিক জানান, বাজারে বিক্রীর পরেও অনেক আনাজ উদ্বৃত্ত থাকে। তাই জোগানে টান পড়বে না। দামও অন্য হোটেলের থেকে কম হবে।