Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


August 7, 2018

Submission of license forms & fees for agri-business goes online

Submission of license forms & fees for agri-business goes online

The submission of forms for getting license, and the payment of fees, for a starting an agricultural business can now be done online. This would make the whole process hassle-free as one would be able to apply from anywhere.

Another advantage, according to an official of the Agricultural Marketing Department, which issues such licenses through its market committees, is that the process, be it for issuing new licenses or renewing licenses, would become quicker and hence many more licenses can be issued. The department is targeting 20,000 licenses per year.

A pilot project for implementing this new mechanism would soon be started in the Krishak Bazaar of Bishnupur-2 block in the district of South 24 Parganas.

Among the licenses to be issues online are for more than 50 types of businesses including paddy, pulses, eggs, paddy-cutting machine, vegetables, fruits, fish, betel leaves (paan), honey, and also plywood factories, hotels and malls.

Source: Bartaman


অগাস্ট ৭, ২০১৮

এবার কৃষিপণ্য ব্যবসার লাইসেন্সের আবেদন ও ফি অনলাইনে চালু হচ্ছে

এবার কৃষিপণ্য ব্যবসার লাইসেন্সের আবেদন ও ফি অনলাইনে চালু হচ্ছে

কৃষিপণ্য ব্যবসায় লাইসেন্স পেটে অনলাইনে আবেদন করা যাবে। একইভাবে লাইসেন্স ফি জমা দেওয়ার সুযোগও রাখা হচ্ছে অনলাইনে। রাজ্যের মধ্যে প্রথম পাইলট প্রোজেক্ট হিসেবে এই ব্যবস্থা চালু হতে যাচ্ছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুর-২ কৃষক বাজারে। ইতিমধ্যেই এই সংক্রান্ত প্রযুক্তিগত পরিকাঠামো তৈরীর কাজ শুরু হয়ে গেছে।

এই ব্যবস্থা চালু হলে কৃষিপণ্য ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বড় ও মাঝারি ব্যাবসায়ীদের লাইসেন্সের আবেদন থেকে রিনিউ করার ব্যাপারে দৌড়ঝাঁপ করতে হবে না। জেলার মহকুমা শহর থেকে বিষ্ণুপুরে নিয়ন্ত্রিত বাজার সমিতি অফিসে আসতে হবে না। নিজের জায়গাতে বসে অনলাইনে আবেদন করে দিলে কাজ হয়ে যাবে।

কৃষিপণ্য বলতে ধান, ডাল, ডিম, ধানকল, সবজি, ফল, মাছ, পান থেকে শুরু করে প্লাইউড কারখানা, বড় বড় হোটেল, মল থেকে শুরু করে মধু সহ পঞ্চাশের বেশী পণ্য এর আওতায় রয়েছে। এসবের ব্যবসা করতে হলে সকলকে কৃষি বিপণন দপ্তরের আওতাভুক্ত জেলা নিয়ন্ত্রিত বাজার সমিতি থেকে লাইসেন্স নিতে হয়।

এর ফলে যারা লাইসেন্স করাতে বা রিনিউ করাতে আসেন, তাদের যাতায়াতের খরচও কমবে। এর পরের ধাপে বিভিন্ন মহকুমা ধরে কৃষিপণ্য ব্যবসায়ীদের একটি তালিকা তৈরী করে সকলকে এর আওতাভুক্ত করা হবে। অনলাইন চালু হওয়ার পরেও কেউ যদি অফিসে এসে আগের পদ্ধতিতে লাইসেন্স করাতে চান, সেই ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে।