Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


August 9, 2018

Bangla Govt ensuring all-round development of Adivasis

Bangla Govt ensuring all-round development of Adivasis

The Trinamool Congress Government created the Tribal Development Department to bring about the comprehensive development of the various tribal communities in Bangla.

In this article, let us look at some of the major developments that have taken place till now:

Development/Cultural Boards and Advisory Council

  • Six boards – Mayel Lyang Lepcha Development Board, Tamang Development and Cultural Board, Sherpa Cultural Board, Bhutia Development Board, Limboo Development Board and Adivasi Development and Cultural Board – were constituted for the welfare and development of these six communities.
  • During the last three years, around Rs 348.32 crore has been sanctioned to these boards for important developmental activities like construction of 8,900 environment-friendly houses and 3,987 toilets, 38 jhora improvement schemes for drinking water, planting of around 80,000 trees and instituting of more than 1,000 individual-benefitting programmes.
  • Despite the fact that Bangla is not a Schedule V State, the Tribes Advisory Council has been reconstituted and given a meaningful role to play in various aspects of tribal development. Since the reconstitution, six meetings have been held under the chairpersonship of the Chief Minister and follow-up actions were taken up.

Old-age pension and social security

  • Old-age pension of Rs 1,000 per month is provided to scheduled tribe below poverty line (BPL) beneficiaries on attaining 60 years of age. The quota has gradually been increased by more than 21,000 during the last seven years to currently cover almost 1.5 lakh people.
  • A new scheme, Social Security Scheme, was instituted for kendu leaf collectors in FY 2014-15. Under this scheme, during the last three years, 34,743 collectors have been registered. Of them, 447 eligible beneficiaries received benefits to the tune of Rs 2.26 crore.
  • To ensure employment in the lean season, during the last seven years, more than Rs 17 crore was disbursed from the State Plan fund to create nearly 9.5 lakh person-days for kendu leaf collectors.

Forest rights

  • Community pattas for ‘Jaher Than’ are being distributed, and installation of fencing around 323 Thans has been completed.
  • The Forest Rights Act, 2006 has been translated into Santhali and Kurukh, and distributed to all concerned. During last seven years, 45,818 Individual Rights, 738 Community Rights and 64 Community Forest Resource Rights were distributed among forest dwellers. Formalising of forest pattas has already been taken up and 8,583 pattas have been formalised through the issuance of Record of Rights.

Promotion of indigenous languages

  • A trilingual (Santhali-English-Bengali) Santhali dictionary has been published by the Paschimbanga Santhali Academy for promoting the Santhali language in the State.
  • A booklet has been published in Bengali, Santhali and Hindi for the dissemination of information on schemes and programmes on tribal development.
  • A language primer has been published in Kurukh (Tolong Siki is the script of the Kurukh language) by the Cultural Research Institute. Kurukh is spoken by the Oraon community (population – 6,43,510) and is one of the endangered languages of the world.
  • To recognise the importance of different languages spoken in the State, Kurukh has been conferred the status of an official language by amending the West Bengal Official Languages Act, 1961.

Healthcare

  • Construction of ICDS centres in tribal-dominated areas in convergence with MGNREGA has been prioritised. During the last two years, Rs 57.12 crore has been released for the construction of 1,123 ICDS centres.
  • A pilot project for the screening of tribal people suffering from sickle cell disease was taken up by the department in 2014-15. After that, a wider study covering 4 lakh samples was approved at a cost of Rs 25 crore. This epidemiological study is being conducted by the Institute of Haematology & Transfusion Medicine, Calcutta Medical College.

 

Thus we see that the Tribal Development Department is bringing about an all-round development of the tribal population of the State. Through various schemes and programmes, development is happening at a fast pace.


অগাস্ট ৯, ২০১৮

আদিবাসী উন্নয়ন - পথ দেখাচ্ছে বাংলা

আদিবাসী উন্নয়ন - পথ দেখাচ্ছে বাংলা

রাজ্যের আদিবাসী সম্প্রদায়ের সার্বিক উন্নয়নের জন্য তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত রাজ্য সরকার আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তর গঠন করেছে।

এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক এই দপ্তরের কিছু উদ্যোগ:

উন্নয়ন/সাংস্কৃতিক বোর্ড এবং উপদেষ্টা পর্ষদ

  • ছয়টি সম্প্রদায়ের উন্নয়নের জন্য উন্নয়ন/সাংস্কৃতিক পর্ষদ গঠন করা হয়েছে। এই পর্ষদগুলি হল – মায়েল ল্যাং লেপচা উন্নয়ন পর্ষদ, তামাং উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক পর্ষদ, শেরপা সাংস্কৃতিক পর্ষদ, ভুটিয়া উন্নয়ন পর্ষদ, লিম্বু উন্নয়ন পর্ষদ এবং আদিবাসী উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক পর্ষদ।
  • গত তিন বছরে আনুমানিক ৩৪৮.৩২ কোটি টাকা অনুমোদিত হয়েছে এই পর্ষদগুলির উন্নয়নের জন্য। করা হয়েছে নানা উন্নয়নমূলক কাজ,ম যেমন, ৮৯০০টি পরিবেশবান্ধব গৃহ নির্মাণ, ৩৯৮৭টি শৌচালয় নির্মাণ, পানীয় জলের জন্য ৩৮টি ঝোরার উন্নয়ন, ৮০,০০০ বৃক্ষ রোপণ ইত্যাদি।
  • যেহেতু বাংলা পঞ্চম শিডিউলে অন্তর্ভুক্ত রাজ্য নয়, আদিবাসী উপদেষ্টা পর্ষদকে পুনর্গঠন করা হয়েছে তাদের উন্নয়নের জন্য। পুনর্গঠন হওয়ার পর থেকে মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে ছয়টি বৈঠক করেছে এই পর্ষদ।

বার্ধক্য-ভাতা ও সামাজিক সুরক্ষা

  • তপশিলি উপজাতির মধ্যে দারিদ্রসীমার নীচে থাকা ষাট বা ষাটোর্ধ প্রবীণদের প্রতি মাসে ১০০০ টাকা দেওয়া হয়। গত সাত বছরে ২১,০০০ এরও বেশী নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং এখন এই ভাতা পান ১.৫ লক্ষ মানুষ।
  • ২০১৪-১৫ সালে কেন্দু পাতা সংগ্রহকারীদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এই প্রকল্পের অধীনে গত তিন বছরে ৩৪,৭৪৩ জন পাতা সংগ্রহকারীকে নথিভুক্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৪৪৭ জনকে ২.২৬ কোটি টাকার সুবিধা দেওয়া হয়েছে।
  • যে সময় চাষ হয় না, সেই সময় কর্মসংস্থানের জন্য গত সাত বছরে ৯.৫ লক্ষ কেন্দু পাতা সংগ্রহকারীকে ১৭ কোটি টাকারও বেশী দেওয়া হয়েছে রাজ্য পরিকল্পনা তহবিল থেকে।

জঙ্গলের অধিকার

  • ৩২৩টি থানের বেড়া দেওয়ার কাজ শেষ, এছাড়া, জহর থানের কমিউনিটি পাট্টা প্রদান করা হয়েছে।
  • দি ফরেস্ট রাইটস অ্যাক্ট (২০০৬) টি সাঁওতালি ও কুরুখ ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে এবং এই ভাষাভাষীর সকল মানুষকে তা বিতরণ করা হয়েছে। গত সাত বছরে ৪৫,৮১৮ জনকে ব্যাক্তিগত অধিকার, ৭৩৮টি সম্প্রদায় অধিকার ও ৬৪টি সম্প্রদায় অরণ্য সম্পদ অধিকার দেওয়া হয়েছে জঙ্গলবাসীদের মধ্যে। অধিকারের রেকর্ড অনুমোদনের জন্য ৮,৫৮৩টি পাট্টা ফর্মালাইজড করা হয়েছে।

স্থানীয় ভাষার প্রচার

  • সাঁওতালি ভাষার প্রচারের জন্য পশ্চিমবঙ্গ সাঁওতালি আকাদেমির তরফ থেকে ত্রৈভাষিক (সাঁওতালি-ইংরাজি-বাংলা) সাঁওতালি অভিধান প্রকাশ করা হয়েছে।
  • আদিবাসীদের জন্য চলতে থাকা প্রকল্পগুলির খবরাখবর দিতে বাংলা, হিন্দী ও সাঁওতালি ভাষায় একটি বই প্রকাশ করা হয়েছে।
  • কুরুখ ভাষায় ল্যাঙ্গুয়েজে প্রাইমার তৈরী করা হয়েছে (টলং সিকি হরফে কুরুখ ভাষা লেখা হয়) সাংস্কৃতিক গবেষণা কেন্দ্র থেকে। ওঁরাও সম্প্রদায়ের মানুষ কুরুখ ভাষায় কথা বলেন (জনসংখ্যা ৬,৪৩,৫১০) এবং এই ভাষা প্রায় বিলুপ্তির পথে।
  • রাজ্যের সকল ভাষাকে সম্মান জানাতে ওয়েস্ট বেঙ্গল অফিসিয়াল ল্যাঙ্গোয়েজ অ্যাক্ট ১৯৬১ সংশোধন করে কুরুখ ভাষাকে সরকারি ভাষার সম্মান দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য পরিষেবা

  • আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় ১০০ দিনের কাজের সঙ্গে যোগ রেখে আইসিডিএস কেন্দ্র নির্মাণে জোর দেওয়া হয়েছে। গত দুই বছরে ১,১২৩টি কেন্দ্র নির্মাণে ৫৭.১২ কোটি টাকা খরচ হয়েছে।
  • আদিবাসীদের মধ্যে অ্যানিমিয়া আক্রান্ত রোগীদের ওপর নজর রাখার জন্যে একটি পাইলট প্রকল্প নেওয়া হয়েছে ২০১৪-১৫ সালে। ৪ লক্ষ নমুনা পরীক্ষা করতে ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। মহামারি সংক্রান্ত বিদ্যা পড়ানো হয় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও ইন্সটিটিউট অফ হেমাটলজির সহায়তায়।