Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


September 6, 2018

Power Minister assures uninterrupted supply of electricity during Durga Pujo

Power Minister assures uninterrupted supply of electricity during Durga Pujo

State Power Minister held a meeting with various stakeholders to ensure uninterrupted power supply during the Durga Pujo. The meeting was held on August 25 and was attended by top officials from various power production and distribution agencies like Coal India, CESC, IPCL and DVC attended the meeting.

“All of them have assured us that there would be no interruption of power supply during the festive days. It is projected that the demand would go up to 8,850 megawatt (MW) on the day of Shashthi which will probably be the highest. The demand will be on the higher side from the day of Tritiya till Ekadashi. All necessary steps will be taken for smooth power distribution,” the minister assured.

He further said that assuming that the requirement may go up further by 700 MW, the department is keeping a reserve of it to meet the demand.

It has been decided that out of 8,850 MW, West Bengal Power Development Corporation Limited (WBPDCL) and West Bengal State Electricity Distribution Company (WBSEDCL) will supply 6660 MW, Calcutta Electric Supply Corporation (CESC) will provide 1,860 MW, India Power Corporation Limited (IPCL) 70 MW and Durgapur Projects Limited (DPL) will ensure 260 MW.


সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৮

পুজোয় চাহিদা মেটাতে তৈরি দপ্তর: বিদ্যুৎ মন্ত্রী

পুজোয় চাহিদা মেটাতে তৈরি দপ্তর: বিদ্যুৎ মন্ত্রী

বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। উৎসবের মরসুম শুরু হতে বেশি দিন বাকি নেই। দুর্গা পুজো মানে যেমন নতুন জামা পরে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঠাকুর দেখা, তেমনি, রঙ বেরঙের আলোয় সেজে ওঠে বাংলা। হিসেব বলছে, রাজ্য জুড়ে প্রয়োজন ৮৮৫০ মেগাওয়াট। অতিরিক্ত আরও ৭০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রিজার্ভ বেঞ্চে রেখে পুজোর সময় বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর ব্যাপারে আশাবাদী রাজ্য বিদ্যুৎ দপ্তর।

গত ২৫শে আগস্ট ডব্লিউবিএসইডিসিএল, সিইএসসি, ডিভিসি, এনটিপিসি, আইপিসিএল-সহ উৎপাদনকারী ও বণ্টনকারী সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিদ্যুৎ ভবনে বৈঠক করেন বিদ্যুৎ মন্ত্রী। বৈঠক শেষে তিনি জানান, পরিষেবার সঙ্গে সকল সংস্থার প্রতিনিধিরা জানান, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া তাঁরা শুরু করেছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘‘তৃতীয়া থেকে একাদশী পর্যন্ত বিদ্যুতের যা চাহিদা থাকবে তা পূরণের ব্যাপারে আমরা আশাবাদী। পুজোর সময়ে মানুষের যাতে অসুবিধা না হয় সেজন্য বিদ্যুৎ পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত সবক’টি সংস্থা প্রস্তুত থাকছে।’’

ষষ্ঠীর দিন চাহিদা সব চেয়ে বেশি থাকে বলে জানান তিনি।