Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


September 6, 2018

Kanyashree sarees a huge hit at Banglar Taanter Haat

Kanyashree sarees a huge hit at Banglar Taanter Haat

The annual ‘taant’ extravaganza, ‘Banglar Taanter Haat’ began on August 31 at Central park in Salt Lake, Kolkata. It was inaugurated by the State Micro, Small & Medium Enterprises and Textiles Minister. The fair will go on till September 23, from 12 PM till 9 PM.

This year 270 stalls have been installed at the fair. To ensure environment-friendliness, plastic carry bags have been banned at the fair; instead, traders are using bags made of jute and other eco-friendly materials.

Sarees from Rs 106 to Rs 6 lakh are available, in designs of varying patterns and vintage, from the Ramayana to the Kanyashree Scheme.

‘Taant’ implies the traditional cotton sarees of Bangla that are woven on handlooms. Ever since the Trinamool Congress Government came to power in 2011, under the patronage of Chief Minister Mamata Banerjee, taant has seen a revival. The weavers are seeing good times after many years of hardship and for many, a hand-to-mouth existence.

The minister said, though, that demonetisation had caused the taant industry to go down on its knees but, through the efforts of the State Government, it is gradually on its way back to its former glory. From this standpoint, ‘Banglar Taanter Haat’ assumes much importance as sales here would go some way in helping the weavers.

The minister also said that sales at the fair have increased a lot since 2011. In 2016, the amount was Rs 4.32 crore, which increased to Rs 5.85 crore the next year. It is expected that the amount will go up this year as well.

According to the officials of the MSME Department connected with the event, the dates of the fair have been chosen keeping the upcoming festival of Durga Puja in mind, on which occasion Bengalis buy new clothes.

The organisers have thought of some unique steps this time. Three credit and debit card transaction kiosks have been installed at the fairground. Those traders without card swiping machines would be able to swipe customers’ cards at these kiosks.

To ensure security, it has been instructed that a customer will be accompanied by the trader or an employee of the trader to a kiosk with a valid purchase bill. Operators at the kiosk will swipe the credit or debit card for payment. The amount will be credited to a government-owned account, which will be transferred later to the trader’s account.

Source: Millennium Post


সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৮

কন্যাশ্রী শাড়িতে জমজমাট এবার বাংলার তাঁতের হাট

কন্যাশ্রী শাড়িতে জমজমাট এবার বাংলার তাঁতের হাট

অপরাজিতা, শঙ্খবেলা, চারুলতা, অনন্যা, আলোছায়া—জনপ্রিয় বাংলা ছায়াছবির নামে তৈরি বিভিন্ন শাড়িতে জমজমাট বাংলার তাঁতের হাট। গত ৩১শে আগস্ট বিধাননগরের সেন্ট্রাল পার্কে এই হাটের উদ্বোধন করেন ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প, বস্ত্র দপ্তর এবং প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী।

পুজোর বাজারের জন্য রাজ্য সরকারের উদ্যোগে শুরু হল এই মেলা। এই হাট চলবে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, সময় দুপুর ১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। এবার ২৭০টি স্টল রয়েছে মেলায়। হাতে বোনা তাঁতের শাড়িতে শিল্পীরা কোথাও তুলে ধরেছেন‘‌কন্যাশ্রী’‌, কোথাও রামায়নের কাহিনী। বাংলার তাঁত শিল্প ও শিল্পীদের কেনা–বেচা ও পারস্পরিক মত আদানপ্রদানের মঞ্চ দিতেই এই হাট।

মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় প্রায় হারিয়ে যেতে বসা বাংলার তাঁত শিল্প আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তন্তুজ, মঞ্জুশ্রী, বঙ্গশ্রী লোকসানে চলছিল। মুখ্যমন্ত্রী নিজের উদ্যোগে সেই সব শিল্পকে আবার পথ দেখিয়েছেন। তাঁত শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ৭ লক্ষ দুঃস্থ পরিবার জীবিকা পেয়েছে। শুধু তৈরি নয়, বাজারে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। হারিয়ে যাওয়া ‌বাংলার তাঁতকে স্বমহিমায় ফিরিয়ে আনতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি নিজে শাড়ির ডিজাইন এঁকে পাঠিয়েছেন।

রাজ্য সরকার ‘‌তাঁতি সাথী’‌ প্রকল্প চালু করেছে, এই প্রকল্পের ১ লক্ষ তাঁতবিহীন শিল্পীর হাতে নতুন তাঁত তুলে দেওয়া হয়েছে। ৪৫ হাজার নতুন তাঁতিকে ১৩০টি ক্লাস্টার প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। ৯৪ গুচ্ছ প্রকল্পে ৬৮০০ তাঁতিকে আনা হয়েছে। তাঁত শিল্পীদের কারিগরি দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সৌজন্যে: আজকাল