Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


September 14, 2018

Mamata Banerjee – The face of the land movement in Bangla

Mamata Banerjee – The face of the land movement in Bangla

Mamata Banerjee has been the face of the land movement in Bangla. It was she who fearlessly fought against the tyranny of the Left Front Government during the Singur and Nandigram movements.

In 2006, the Left-led Government acquired 997 acres of multi-crop land for a car factory in Singur. The forcible acquisition, which was made under the colonial Land Acquisition Act of 1894, led to protests all over Bangla, led by Mamata Banerjee. She even went on a hunger strike for 26 days for the sake of farmers’ rights.

In 2011, Mamata Banerjee became the Chief Minister of Bangla after the people voted in large numbers for a change of guard in the State. Since then, the Government has taken up numerous initiatives for land reforms.

Here are some of the most important achievements:

Singur verdict

In compliance with the landmark verdict of the Hon. Supreme Court of India, land amounting to almost 980 acres, situated within the erstwhile Singur Project Area, has been returned to almost 12,000 families dispossessed by the project, after making the land suitable for cultivation.

New Land Bill

Following the footsteps of Bangla, the Right to Fair Compensation and Transparency in Land Acquisition, Rehabilitation and Resettlement (Amendment) Bill, 2015 was introduced in the Lok Sabha on February 24, 2015. The Bill replaced the Right to Fair Compensation and Transparency in Land Acquisition, Rehabilitation and Resettlement (Amendment) Ordinance, 2014.

Land Policy

From 2011 to 2018, many important policy decisions have been taken for achieving better administration, regulation and management of land:

In a bold policy initiative, the State Government has decided to waive tax on agricultural land. This will go a long way in not only mitigating hardships faced by farmers but also boosting agricultural output and income.

The Land Allotment Policy was formulated in financial year (FY) 2012-13 in order to introduce uniformity, reduce discretion and ensure transparency while dealing with public assets. The policy laid down a transparent process for allotments of land along with the terms for such allotments.

The Land Purchase Policy was introduced in FY 2014-15 to enable the State Government and its parastatal agencies to purchase land for infrastructure projects through a process of direct negotiation with willing landowners against just compensation and incentives. The scope of this policy was extended to land purchase for Central Government departments as well in FY 2016-17. The stated policy of the State Government is that there will be no forceful acquisition of land. The purchase policy of the Government is thus consent-based and transparent. So far, the Standing Committee on Industry, Infrastructure and Employment has cleared direct purchase of about 950 acres for various projects of public importance.

The State Land Use Board has developed a Land Bank of available land in all the districts of Bangla with a view to ensuring availability of land for infrastructural development for industries and other developmental work, including ­flagship projects of the State.

Amendments to Section 14Y of the West Bengal Land Reforms Act, 1955 were carried out in 2014 to broaden the scope of the section. Now entrepreneurs may, with prior permission of the Government, utilise ceiling-surplus land to set up units for various industrial and social infrastructural activities in sectors like information technology, shipbuilding, township, transportation terminal and logistics hub, in addition to existing sectors.

Land Use Map

Utilising the concept of index-linked land use, zoning maps were introduced in FY 2011-12 for the use of investors. Land Use Maps broadly contain parameters like dry/ barren land, single-crop land, double/ multi-crop land, forest land, metalled roads, national /state highways, railway network, waterbodies, etc.

Nijo Griha Nijo Bhumi

NGNB (launched in 2011) provides up to 5 decimal land to eligible beneficiary families (all rural landless and homeless agricultural labourers/ artisans/ fishermen). Almost 2.2 lakh NGNB pattas have been distributed under this scheme so far.

From 2011 to 2017, a total of more than 3 lakh pattas (including NGNB, agricultural and forest pattas) were distributed.


সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৮

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় – বাংলার জমি আন্দোলনের কান্ডারি

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় – বাংলার জমি আন্দোলনের কান্ডারি

বাংলার জমি আন্দোলনের কাণ্ডারি হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পূর্বতন বাম সরকারের শাসনকালে সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামের কৃষকদের ওপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে তিনিই সোচ্চার হয়েছিলেন; রুখে দাঁড়িয়েছিলেন বলপূর্বক জমি অধিগ্রহনের বিরুদ্ধে।

বাংলার জমি আন্দোলনের কাণ্ডারি হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পূর্বতন বাম সরকারের শাসনকালে সিঙ্গুর ও নদীগ্রামের কৃষকদের ওপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে তিনিই সোচ্চার হয়েছিলেন; রুখে দাঁড়িয়েছিলেন বলপূর্বক জমি অধিগ্রহনের বিরুদ্ধে।

২০০৬ সালে বাম সরকার সিঙ্গুরে বহুফসলি জমি বলপূর্বক অধিগ্রহণ করে। এর বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়; কৃষকদের স্বার্থ রক্ষার্থে ২৬ দিনের অনশনও করেন তিনি।

বিপুল জনসমর্থন পেয়ে ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সরকার গড়ে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই থেকে ভূমি সংস্কারের লক্ষ্যে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

কিছু উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ:-

সিঙ্গুর রায়ঃ

মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক নির্দেশ মান্য করে (পূর্বতন সিঙ্গুর প্রকল্প এলাকার মধ্যে থাকা) প্রায় ৯৮০ একর জমি চাষযোগ্য করে প্রায় ১২০০ পরিবার, যারা ওই প্রকল্পের কারণে জমি থেকে উচ্ছেদ হয়েছিল, তাদের জমির অধিকার ফেরত দেওয়া হয়েছে।

জমি নীতি:

২০১১-১৭ সালে জমি বিষয়ে অপেক্ষাকৃত উন্নততর প্রশাসন, নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যবস্থাপন সুচিসচিত করার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছেঃ

রাজ্য সরকার কৃষিজমির কর মকুব করে একটি বলিষ্ঠ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এতে যে শুধুমাত্র কৃষকদের দুঃখ -কষ্ট (যা তারা ভোগ করেছেন ) লাগব হবে তাই নয় ,কৃষিজ উৎপাদনও কৃষকদের ভবিষ্যতের উপার্জনও বৃদ্ধি পাবে।

সরকারি সম্পত্তি নিয়ে কাজ করার খেত্রে সাদৃশ বজায় রাখা ,বৈষম্য হ্রাস করা এবং স্বচ্ছতা সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০১২-১৩ সালে জমি বন্টন নীতি প্রণয়ন করা হয়েছে। এই নীতি জমি বন্টনের শর্তাবলি-সহ জমি বন্টনের জন্য একটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার উদ্ভব ঘটিয়েছে।

রাজ্য সরকার এবং তার অধিনস্থ সংস্থাগুলি যাতে কেবল ক্ষতিপূরণ ও প্রোৎসাহোন মূল্যের বিনিময়ে ইচ্ছুক কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি আলাপ আলোচনা করে পরিকাঠামো গড়ার প্রকল্পের জন্য জমি কিনতে পারে, সেদিকে দৃষ্টি রেখে ২০১৪-১৫ সালে জমি ক্রয় নীতি প্রণয়ন করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে রাজ্য সরকারের ঘোষিত নীতি হল এই যে, জোর করে কোনও জমি অধিগ্রহণ করা হবে না। সুতরাং সরকারের জমি কেনার নীতি হচ্ছে সম্মতি-ভিত্তিক এবং স্বচ্ছ। বিভিন্ন জনস্বার্থ-কেন্দ্রিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের জন্য এযাবৎ শিল্প। পরিকাঠামো ওকর্মসংস্থান বিষয়ক স্থায়ী কমিটি প্রায় ৯৫০ একর জমি সরাসরি কেনার অনুমোদন দিয়েছে।

রাজ্যের বিভিন্ন অগ্রণী প্রকল্প-সহ শিল্পের জন্য পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং অন্ন্যান্য উনন্নয়নমূলক কাজের জন্য সুনিশ্চিত করতে রাজ্য ভূমি ব্যবহার পর্ষদ পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত জেলারক্ষেত্রে জমির একটি জমি ব্যাংক প্রস্তুত করেছে।

২০১৪ সালে পশ্চিমবঙ্গ ভূমি সংস্কার আইন, ১৯৯৫ -এর ১৪Y ধারার সংশোধন করা হয়েছে ,যার ফলে উক্ত ধারার কার্যপরিধি অনেক প্রসারিত হয়েছে। বর্তমানে উদ্যোগপতিরাসরকারের অনুমতি নিয়ে সিলিং -বহির্ভুত জমি তাদের স্বাভাবিক ক্ষেত্রের বাইরে বিভিন্ন শিল্প ও সামাজিক পরিকাঠামোগত কাজকর্ম যথা ,তথ্যপ্রযুক্তির ,জাহাজনির্মান ,উপনগরীস্থাপন ,পরিবহন টার্মিনাল ,লজিস্টিক হাব ইত্যাদি কাজে নিয়োজিত করতে পারেন।

২০১১-১২ সালে বিনিয়োগকারীদের ব্যবহারের জন্য সূচক -সংশ্লিষ্ট জমি ব্যবহারের এলাকা বিভাজন মানচিত্রের ধারণাকে কাজে লাগিয়ে জমি ব্যবহার মানচিত্র প্রবর্তিত হয়েছে। শুল্কবা পতিত জমি,একফসলি জমি ,দো -ফসলি /বহু -ফসলি জমি,বনভূমি ,পাকা রাস্তা,জাতীয় /রাজ্য সড়ক ,রেল -সংযোগ ব্যবস্থা ,জলাশয় প্রভৃতি উপাদানগুলিকে জমি ব্যবহারমানচিত্রের অন্তভুক্ত করা হয়েছে।

নিজ গ্রহ নিজ ভূমিঃ

নিজ গ্রহ নিজ ভূমি (NGNB) প্রকল্পে (২০১১ সালে প্রবর্তিত) যোগ্য উপকারভোগী পরিবারকে (সকল গ্রামীণ ভূমিহীন ও গৃহহীন খেতমজুর/কারিগর/মতস্যজীবী শ্রেনিভুক্ত) ৫ ডেসিমেল পর্যন্ত জমি দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে। এখনো পর্যন্ত এই পরিকল্পের অধীনে প্রায় ২.২ লক্ষ নিজ গ্রহ নিজ ভূমি পাট্টা বিতরণ করা হয়েছে।

২০১১-১৭ সময়কালে ৩ লক্ষেরও বেশী পাট্টা (নিজ গ্রহ নিজ ভূমি/কৃষি/বন পাট্টা) বিতরণ করা হয়েছে।