Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


September 8, 2018

Bangla’s e-payment system for paddy procurement taken up as model by Centre

Bangla’s e-payment system for paddy procurement taken up as model by Centre

For the last three years in Bangla, the State Government has been directly transferring the money for paddy procurement to the bank accounts of farmers. The State Government has been very successfully running this e-payment system.

Now this has been taken up as a model for the entire country. The Centre has directed all States to implement e-payment system for the procurement of paddy from farmers.

The Centre has instructed all States that from kharif marketing season (KMS) 2018-19, the money for paddy procurement has to be deposited in farmers’ accounts within 24 to 72 hours.

This is another victory for the e-governance system being implemented across Bangla by various departments, a step fervently championed by Chief Minister Mamata Banerjee.


সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৮

ধান বিক্রির টাকা চাষিদের অ্যাকাউন্টে পাঠাতে কেন্দ্রের রোল মডেল বাংলাই

ধান বিক্রির টাকা চাষিদের অ্যাকাউন্টে পাঠাতে কেন্দ্রের রোল মডেল বাংলাই

গত তিন বছর ধরে এ রাজ্যে ধানের দাম ইলেকট্রনিক ব্যবস্থার (ই-পেমেন্ট) মাধ্যমে সরাসরি চাষিদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ে যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকার এবার সব রাজ্যকে এভাবে ইলেকট্রনিক ব্যবস্থার মাধ্যমে চাষির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ধান বিক্রির টাকা পাঠানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছে।

এক কথায় চাষিদের দাম মেটানোর ব্যাপারে রাজ্যের ‘মডেল’ গ্রহণ করল কেন্দ্র। দেশে এখনও কোনও কোনও রাজ্যে চাষিদের ধানের দাম নগদে মেটানোর ব্যবস্থাও চালু আছে। কেন্দ্রীয় সরকার সব রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে, ইলেকট্রনিক ব্যবস্থার মাধ্যমে ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে চাষিদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দিতে হবে।

ধান বিক্রির জন্য চাষি নাম নথিভুক্ত করার সময় তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর নিয়ে নেওয়া হয়। সেই অ্যাকাউন্টে টাকা জমা পড়ে যাচ্ছে। এই ব্যবস্থা চালু করার সময় চাষিদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে সাহায্য করেছিল খাদ্য দপ্তর। এবার টাকা পাঠানোর ব্যবস্থাকে আরও মসৃণ করার জন্য এই প্রক্রিয়ায় আরও বেশি সংখ্যক রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ককে যুক্ত করছে খাদ্যদপ্তর। ওই ব্যাঙ্কগুলির নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্ট থেকে চাষিদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হয়।

বেশি ব্যাঙ্ক যুক্ত হওয়ার ফলে চাষিদের টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া দ্রুত হবে বলে খাদ্যদপ্তর আশা করছে। পুরো ব্যবস্থাটি অনলাইনে চলবে। চাষি ধান বিক্রি করা মাত্রই খাদ্য দপ্তরের কম্পিউটারে সেই তথ্য ঢুকে যাবে। তারপরই অনলাইনে টাকা মেটানোর কাজ শুরু হয়ে যাবে।