Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


January 6, 2019

We respect freedom of speech, not freedom of lies: Abhishek

We respect freedom of speech, not freedom of lies: Abhishek

Capping an end to the old guard-versus-new debate, Abhishek Banerjee, MP and Trinamool Youth Congress National President, said his primary aim was “to ensure that the old guard of the party who fought with Mamata Banerjee to overthrow the Left regime have a distinct, respected place in the party”.

Abhishek Banerjee said: “I am a foot soldier of Trinamool Congress, and my primary goal has always been to strengthen the party. My aim is also to ensure that the party’s old guard… continues to guide us in our endeavour to serve people of India and Bengal. We are not like BJP, which consciously forgets respected leaders like L K Advani or Murli Manohar Joshi when they are in power at the Centre. TMC believes in inclusive politics and strong internal democracy.”

In his first exclusive interview to TOI, Banerjee spoke on several contentious issues, indicating that even if the BJP top brass singled him out for attack, he would “not get involved in personal abuse or smear campaign”.

The Trinamool MP said he didn’t count the opposition as a threat as long as people who played the game-changer in 2011 stood by the party. “There is no formidable opposition in the state as people of Bengal have seen the dark days during Left regime and the present divisive politics coupled with the draconian policies of BJP. Our main challenge is to ensure better livelihood for the 10 crore people of Bengal, to ensure an inclusive Bengal and to dissuade divisive forces trying to destroy the ethos and ethics of our state,” Banerjee said. “As far as Bengal is concerned, Amit Shah is daydreaming or travelling in wonderland thinking of winning 6 or 23 seats,” he added.

On the repeated personal attacks against him by Mukul Roy, Kailash Vijayvargiya and BJP president Amit Shah, Banerjee said: “We respect ‘freedom of speech’ but not ‘freedom of lies’, which is the specialisation of Shah and Co. I don’t get involved in personal abuse or smear campaign. Disagreement to the Centre’s policies should not be construed as a personal attack.”

Quoting Stewart Stafford’s “Never listen to destructive criticism — it’s only meant to silence you”, Banerjee added: “As any public figure, I’m open to fair criticism, but not canards. Therefore, despite all their false and fallacious propaganda, they have been rejected by the people of Bengal and turned down by various courts.”

Banerjee for the first time broke his silence on several subjects, some personal. “The little free time that I do have, I like spending at home with my family, and especially playing with my daughter. I love to read to keep myself abreast with what’s happening around us. In this digital age, none can be divorced from social media and I am no exception. Particularly my younger colleagues in the party would like to get their clarifications addressed fast and there can’t be a substitute to social media,” he said, adding matter-of-factly that sports would be his second choice if he were to give up his first love, politics.

On the party’s setbacks in the panchayat polls in Jangalmahal, he said: “In panchayat elections, the syndrome of vote is more confined to the personal character of the person contesting than to the party he or she represents. For example, a voter voted for a CPM candidate in the panchayat in his village but the same person casts his vote for Trinamool for gram sabha and zilla parishad. You will see that all 23 zilla parishads and more than 95% of the panchayat samitis have been won by TMC as people know Trinamool is the only party which represents development for one and all in society. And irrespective of an individual’s party affiliation, majority voted for Trinamool, which brought about a significant change in the livelihood of people.”

Banerjee reserved his sharpest pitch for BJP. “BJP, led by Mr Modi, made tall promises before they came to power in 2014. Five years down the line, the country knows where it stands. Be it economic mismanagement in the form of double whammy of demonetisation and a hurriedly-implemented GST, which has almost crippled the economy considering 90% is an informal economy, be it MSME or others or the agrarian and farm distress which has hurt the farmers and the agricultural sector, which almost employs 50% of our populace. On top of that, the culture of religious polarisation is puncturing the social fabric of our country that has always upheld pluralism,” Banerjee said.

 

As reported by Saibal Sen for The Times of India


জানুয়ারী ৬, ২০১৯

আমরা বাক স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি, মিথ্যা কথা বলার স্বাধীনতায় নয়: অভিষেক

আমরা বাক স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি, মিথ্যা কথা বলার স্বাধীনতায় নয়: অভিষেক

নব্য বনাম আদি তৃণমূল বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে দলের যুবনেতা ও সাংসদ জানালেন যে ওনার প্রধান লক্ষ্য যারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে বামেদের ক্ষমতাচ্যুত করতে লড়েছিলেন তারা যেন দলে সম্মান ও মর্যাদা পান, তা নিশ্চিত করা।

অভিষেক বলেন, আমি তৃণমূলের সৈনিক। আমার লক্ষ্য দলের সংগঠন আরও মজবুত করা। আমি চাই যেন আদি ও নব্য তৃণমূল একযোগে কাজ করেন বাংলা তথা দেশের মানুষের জন্য। আমরা বিজেপি নই যে কেন্দ্রে ক্ষমতায় এসেই লালকৃষ্ণ আডবাণী কিংবা মুরলি মনোহর যোশীর প্রবীণ নেতাদের ভুলে যাব। তৃণমূল একটি ঐক্যবদ্ধ ও শৃংখলাপরায়ণ দল।

দি টাইমস অফ ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিষেক সব প্রশ্নের খোলামেলা উত্তর দিয়েছেন। তিনি জানান, যদিও বিজেপি নেতৃত্ব তার বিরুদ্ধে কুৎসার রাজনীতি করে, তিনি কখনো ব্যক্তিগত আক্রমণ বা কুৎসা করবেন না।

সাংসদ বলেন মানুষের আস্থা তৃণমূলের ওপর আছে, তাই বিরোধীরা দলের কোনও ক্ষতি করতে পারবে না। “বাংলার মানুষ বাং জমানার কালো অধ্যায়ের কথা ভুলে যাননি। আর বর্তমানে চারিদিকে যে বিভেদের রাজনীতি করছে বিজেপি, সেটাও তারা চাক্ষুষ করছেন। তাই সাধারণ মানুষ চান তৃণমূলই ক্ষমতায় থাকুক। আমাদের লক্ষ্য বাংলার ১০ কোটি মানুষের উন্নয়ন, তাদের জন্য কর্মসংস্থা, বাংলার ঐক্য বজায় রাখা এবং বিভেদ সৃষ্টিকারী বিজেপিকে হারানো।

বাংলায় বিজেপি ২৩টি আসনে জিতবে, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির এহেন দাবিকে নস্যাৎ করে সাংসদ বলেন উনি দিবাস্বপ্ন দেখছেন। ওনার বিরুদ্ধে বিজেপি নেতারা যে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেন, সেই প্রসঙ্গে অভিষেক বলেন, আমরা বাক স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি, মিথ্যা কথা বলার স্বাধীনতায় নয়। এটা বিজেপির বিশেষত্ব। আমি ব্যক্তি আক্রমণ কিংবা কুৎসা করি না। কেন্দ্রের নীতির সমালোচনা মানে কখনোই ব্যক্তিগত আক্রমণ হতে পারে না।

স্টুয়ার্ট স্ট্যাফোর্ডের এক উক্তির কথা স্মরণ করিয়ে দেন তিনি – “Never listen to destructive criticism — it’s only meant to silence you” (কখনোই ধ্বংসাত্মক সমালোচনা শুনবে না – এর একমাত্র উদ্দেশ্য তোমাকে নীরব করা)। তিনি আরও বলেন, “জননেতা হওয়ার ফলে আমায় সমালোচনার সম্মুখীন হতেই হবে। কিন্তু কুৎসা মানব না। হাজার মিথ্যা ও কুৎসা সত্ত্বেও বাংলার মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছেন। বিভিন্ন আদালতেও তাদের পরাজয় হয়েছে।”

ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কেও এই সাক্ষাৎকারে মুখ খোলেন অভিষেক। তিনি বলেন, “আমি যতটুকু অবসর সময় পাই, আমার পরিবারের সঙ্গে কাটাই। বিশেষ করে আমার মেয়ের সাথে। আমি পড়তে ভালোবাসি। চারিদিকে কি ঘটছে সেই সম্বন্ধে খবর রাখতে ভালোবাসি। আজকের এই ডিজিটাল যুগে সোশ্যাল মিডিয়ার থেকে দূরে থাকা যায় না। আমিও ব্যতিক্রম নই। বিশেষ করে আমার দলের যারা যুব কর্মী, তাদের বিভিন্ন অনুরোধ-অনুযোগের নিরসন খুব সহজেই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে করা যায়।” রাজনীতিতে না এলে তিনি তার দ্বিতীয় ‘প্রেম’ খেলাকেই বেছে নিতেন, জানালেন এই তরুণ নেতা।

জঙ্গলমহলে পঞ্চায়েত নির্বাচনে দলের ফল সুম্পর্কে তিনি বলেন, “পঞ্চায়েত নির্বাচনে মূলত ব্যক্তিকেন্দ্রিক ভোট হয়। উদাহরণস্বরূপ, একজন ভোটার তার গ্রামের পঞ্চায়েতের সিপিএম প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন কিন্তু একই ব্যক্তি গ্রামসভা ও জেলা পরিষদের জন্য তৃণমূলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। আপনি দেখতে পাবেন যে ২৩টি জেলা পরিষদ এবং ৯৫% এরও বেশি পঞ্চায়েত সমিতিতে তৃণমূল জয়ী হয়েছে, কারণ মানুষ জানে যে তৃণমূল একমাত্র দল যারা সমাজের উন্নয়নের জন্য কাজ করে। কোনও ব্যক্তিবিশেষের দলমত নির্বিশেষে বেশিরভাগ মানুষ তৃণমূলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন, যা মানুষের জীবনযাত্রার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনছে।”

বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি। অভিষেক বলেন “২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার আগে মোদির নেতৃত্বে বিজেপি অনেক বড় বড় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। পাঁচ বছর পরে আমরা দেখতে পাচ্ছি আমাদের দেশের হাল কি। বিমুদ্রাকরণ ও তাড়াহুড়ো করে জিএসটি বাস্তবায়িত করতে গিয়ে দুবার আমরা অর্থনৈতিক সংকটের সম্মুখীন হয়েছি। এর ফলে আমাদের দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রায় অচল হয়ে যাবার সম্মুখীন হয়। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ছোট এবং মাঝারি উদ্যোগ, কৃষকরা এবং কৃষি ব্যবস্থা, যেখানে কিনা দেশের ৫০% লোক নিযুক্ত। তার উপরে, ধর্মীয় মেরুকরণের সংস্কৃতি আমাদের দেশের সামাজিক চরিত্রকে ধ্বংস করছে। আমরা চিরকালই বহুতত্ববাদে বিশ্বাস করি”।

 

শৈবাল সেনকে দেওয়া সাক্ষাৎকার, প্রকাশিত হয়েছে দি টাইমস অফ ইন্ডিয়াতে