Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


January 4, 2019

Bangla Govt to boost urban forestry to combat pollution

Bangla Govt to boost urban forestry to combat pollution

The State Forest Department has taken a decision to create mini-forests in cities and towns across the State. The department is coordinating with municipalities to identify unused open spaces within their jurisdictions.

Green spaces in urban areas are on the decline, and not just in Bangla. With population and pollution, both vehicular and otherwise, on the rise, greenery is of the utmost need as trees and plants function as lungs for the environment, absorbing the carbon dioxide we breathe out and producing oxygen.

Roots of trees also absorb hold the soil together, and this soil absorbs a lot of rainwater during the rainy season; hence, trees are also a protection against flooding.

A meeting of the State’s chief wildlife warden with the district forest officers (DFO) will be held to identify the percentage of area under forest and the type forests that exist across Bangla. Depending on the report containing these data, the detailed plan for the mini-forests to be planted across municipalities will be chalked out.

Source: Ei Samay


জানুয়ারী ৪, ২০১৯

দূষণরোধে সবুজ বিপ্লবে নামছে রাজ্য

দূষণরোধে সবুজ বিপ্লবে নামছে রাজ্য

দূষণ সমস্যার মোকাবিলায় কলকাতা-সহ রাজ্যের সমস্ত পুর এলাকায় সবুজের অভিযান শুরু করছে রাজ্য সরকার। পরিকল্পনা অনুসারে শহরের সমস্ত অব্যবহৃত জমিতে বনসৃজনের উদ্যোগ নেবে রাজ্য বন দপ্তর। তার জন্য পুরসভা ধরে ফাঁকা জমির তলিকা তৈরি করা হচ্ছে।

বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, শহরে সবুজের সমারোহ বাড়াতে পরিত্যক্ত জমিতে তৈরি হবে সবুজ উদ্যান। কোথাও আবার ব্লক প্ল্যান্টেশন, অ্যাভিনিউ প্ল্যান্টেশন, ট্রি পার্ক, কলোনি পার্ক বানানো হবে। জাতীয় সড়কের দু’পাশেও গাছ লাগানো হবে। শুধু লোক দেখানো বনসৃজন নয়, তাকে বাঁচিয়ে রাখতে গাছ পরিচর্যায় স্থানীয় মহিলাদের নিয়োগ করা হবে। পুরসভার অধীনে বন দপ্তরের যে সব জমি রয়েছে, তার চারপাশে পাঁচিল তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যে সব জমি বেদখল হয়ে গিয়েছে, সেগুলিকে দখলমুক্ত করে তাতে নতুন করে বনসৃজন করা হবে।

শহর এলাকায় সবুজের অভিযান শুরু করার জন্য ডিএফওদের কাছ থেকে জরুরি ভিত্তিতে রিপোর্ট তলব করেছেন রাজ্যের মুখ্য বনপাল। তাতে বেশ কিছু তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে। যেমন, সংশ্লিষ্ট পুর এলাকায় কতটা এলাকা জুড়ে বনাঞ্চল রয়েছে। কতটা জায়গা বেদখল হয়ে গিয়েছে। ওই পুর এলাকায় কী ধরনের বনসৃজন করা যেতে পারে, তার সম্ভাব্য পরিকল্পনার কথাও জানাতে বলা হয়েছে ডিএফওদের।

বিশ্ব উষ্ণায়ণের হাত থেকে বাঁচতে সম্প্রতি মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কীভাবে শহরের দূষণ কমানো যায়, তার জন্য নির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করতে বলা হয়েছে ওই কমিটিকে। তারই অঙ্গ হিসাবে শহরাঞ্চলে ব্যাপক হারে বনসৃজনের পরিকল্পনা নিয়েছে বন দপ্তর।