Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


January 10, 2019

New attraction: Archaeological museum on Sagar Island

New attraction: Archaeological museum on Sagar Island

An innovative Mythological Museum has been set up on Sagar Island, at the site where the famous Gangasagar Mela is held. This is the government’s latest gift to the countless pilgrims and tourists who visit the fair every winter. This year the fair scheduled to be held in February.

It has cost Rs 72 lakh to construct the museum – Rs 45 lakh for the museum itself and Rs 27 lakh for the fencing. The museum is located at the mid-point between the sea cost where the devotees take the dip and the Kapil Muni Temple, which they visit after the holy bath.

There is a big statue of Lord Shiva at the entrance. There is a fountain inside the premises. Inside the museum, there are artefacts related to the puranic stories centred on Gangasagar.

This museum would ensure that people visit Sagar Island all through the year, and thus make it a much more popular tourist spot.

Source: Khabar 365 Din


জানুয়ারী ১০, ২০১৯

রাজ্যের উদ্যোগে ‌ম্যুরালে সাগরের পৌরাণিক ব্যাখ্যা

রাজ্যের উদ্যোগে ‌ম্যুরালে সাগরের পৌরাণিক ব্যাখ্যা

গঙ্গাসাগর বলতেই এতদিন শুধু কপিলমুনির মন্দির আর সমুদ্রতট ছিল ভ্রমণার্থীদের কাছে প্রধান আকর্ষণ। এক সময় প্রচলিত প্রবাদে বলা হত, ‘‌সব তীর্থ বারবার, গঙ্গাসাগর একবার’‌। কিন্তু রাজ্য সরকারের উদ্যোগে পরিকাঠামো উন্নয়নের ফলে সাগরে এখন সারা বছর ভিড় জমাচ্ছেন পুণ্যার্থী থেকে সাধারণ পর্যটক, সকলেই।

সাগরে কপিলমুনির মন্দিরে সগর রাজা, কপিলমুনি–‌সহ বেশ কিছু মূর্তি আছে। প্রতি বছর ভিন রাজ্য থেকে শুধুমাত্র পুণ্য লাভের আশায় লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী চলে আসেন এই প্রত্যন্ত দ্বীপভূমিতে। এবার রাজ্য সরকার গঙ্গাসাগরের পৌরাণিক ব্যাখ্যা ম্যুরালের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছে।

মন্দিরের ঠিক পাশে দু’‌টি বিশাল ডালা আর্কেডের দেওয়ালে ফাইবার গ্লাস দিয়ে তৈরি করা হয়েছে ১২টি ম্যুরাল। প্রত্যেকটি ম্যুরালে সুন্দর মূর্তির মাধ্যমে থাকছে পৌরাণিক ব্যাখ্যা। বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজিতে লেখা থাকছে সাগরের পুরাণ কাহিনী। গত ২৮ ডিসেম্বর মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি সাগরের প্রস্তুতি সফরে এসে এই ম্যুরাল পার্কের উদ্বোধন করেছেন। এই পার্কটিকে আলো দিয়ে সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছে। থাকছে বসার জন্য কাঠের চেয়ার। এই ম্যুরালগুলির পাশাপাশি একটি ফাইবার গ্লাসের শিবমূর্তি তৈরি করা হয়েছে। শিবের জটায় আছে গঙ্গা। সেখান থেকে জলধারা নেমে এসেছে। পুরো বিষয়টি ফুটিয়ে তোলার জন্য নানান রঙিন আলো ব্যবহার করা হয়েছে।

সাগর–বকখালি উন্নয়ন পর্ষদের উদ্যোগে এই ম্যুরাল পার্কটি তৈরি করা হয়েছে। পরিকল্পনায় আছেন শিল্পী দুর্জয় সেন। গত ৬ মাসের বেশি সময় ধরে পুরাণের নানান বই থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এই মু্র‌্যাল পার্ক গড়ে তোলা হয়েছে। আর্ট কলেজের প্রাক্তনী দুর্জয়ও এই পার্কটি তৈরি করতে পেরে খুব খুশি। মুর‌্যালে শেষ তুলির টান দিতে দিতে দুর্জয় বললেন, ‘অনেক কাজ আগে করেছি। কিন্তু এই কাজটি চ্যালেঞ্জ ছিল। আশা করছি, ভ্রমণার্থীদের ভাল লাগবে।’‌ সত্যি যে ম্যুরালগুলি ভ্রমণার্থী ও পর্যটকদের মন কেড়েছে, তা ভিড় দেখলেই বোঝা যাচ্ছে। মূর্তিগুলি নিয়ে চলছে দেদার সেলফি তোলা। এক সেনা জওয়ানের স্ত্রী পিঙ্কি আচার্য বলেন, ‘‌মূর্তিগুলি সত্যি অসাধারণ হয়েছে। এই প্রথমবার এলাম। খুব ভাল লাগছে। ম্যুরাল পার্কটিও খুব সুন্দর। পৌরাণিক ব্যাখ্যাটাও পড়লাম। প্রচুর সেলফি তুললাম।’‌