Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


January 7, 2019

Retirement age of college/university professors increased

Retirement age of college/university professors increased

Bangla Chief Minister Mamata Banerjee today announced that the retirement age of college and university professors will be increased. The CM made this announcement at the convocation of University of Calcutta (CU).

She said that the retirement age of professors will be increased from 62 to 65 while that of Vice-Chancellors and pro-Vice Chancellors will be increased to 70.

The CM also announced that a Chair each will be instituted in the name of Mahatma Gandhi and Ishwar Chandra Vidyasagar at CU. She said on January 10, she will lay the foundation stone of Kanyashree University at Nadia.

On the occasion, the CM also criticised the lack of courtesy displayed at some educational institutions. Referring to the incident when the convocation of Presidency University had to be held at Raj Bhavan, the CM said, “This is shocking”.


জানুয়ারী ৭, ২০১৯

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে গিয়ে অধ্যাপকদের অবসরের বয়সসীমা বৃদ্ধির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে গিয়ে অধ্যাপকদের অবসরের বয়সসীমা বৃদ্ধির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

অধ্যাপকদের অবসরের বয়স বাড়ছে, ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “শিক্ষকরা মানুষ তৈরি করেন। তাঁদের অবদান অনস্বীকার্য”।

এ দিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে অধ্যাপকদের অবসরের বয়স ৬২ বছর থেকে বাড়িয়ে ৬৫ বছর করা হবে। উপাচার্য ও সহ-উপাচার্যদের অবসরের বয়সও ৭০ হবে বলে জানালেন তিনি।

এদিন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে গান্ধীজি ও বিদ্যাসাগরের নামাঙ্কিত চেয়ার রাখার কথাও ঘোষণা করেন মমতা। তিনি বলেন, “আগামী ১০ তারিখ নদিয়ায় কন্যাশ্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিলান্যাস করা হবে। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগ থাকবে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় আমার নিজের ঘর। আমার আপন আশ্রয়। এখানে সকলের ব্যবহার অত্যন্ত মিষ্টি। এখানকার ছাত্র-ছাত্রী, অধ্যাপক সকলে অন্য চেতনায় বিশ্বাসী।

কিছু কলেজে অশান্তির বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের কড়া মনোভাবের কথা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সৌজন্যহীন রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। প্রেসিডেন্সির সমাবর্তনে রাজ্যপাল গেলে আপত্তি কীসের?” তাঁর কথায়, “অক্সফোর্ড থেকে কেমব্রিজ সকলে মানুষকে সম্মান দিতে জানে। দু-একটা বিশ্ববিদ্যালয় আছে যাদের ব্যবহারে আমি অবাক।” অতি বামদের অশান্তির জেরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলার নিন্দা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় তাদের সমাবর্তন অনুষ্ঠান করল রাজভবনে। কোনও অডিটোরিয়ামে হতে পারত। এই সিদ্ধান্তে আমি অবাক।”

এ দিন দুপুর ১টায় নজরুল মঞ্চে শুরু হয় সমাবর্তন অনুষ্ঠান। দীক্ষান্ত ভাষণ দেন মুখ্যমন্ত্রী। গতবার মুখ্যমন্ত্রীকে ডি-লিট প্রদান করেছিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। সে বারও তিনিই দীক্ষান্ত ভাষণ দিয়েছিলেন।