Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


January 4, 2019

New eco-resort and tourism circuit in Gobardhanpur

New eco-resort and tourism circuit in Gobardhanpur

Gobardhanpur at the tip of the Sundarbans in South 24 Parganas district is an island with a pristine 5km beach. With jhau plants flanking the beach and small red crabs scurrying around all over the sand, it makes for an ideal short-stay vacation spot.

To make that into a reality, the State Government has taken up a Rs 5 crore eco-tourism project. In the works are wooden cottages and a food hub.

In fact, those who have gone there will attest to the fact that Gobardhanpur as a beach is no less attractive than the best in the State like Digha, Bakkhali and others; so much so that the local people call it ‘New Bakkhali’. The place is already a popular picnic spot for the locals.

Now the government has taken the next logical step and decided to develop it into an eco-resort on the island. A tourist circuit based in Gobardhanpur has also been planned.

The place is accessible through a riverine route. A bridge has been planned at Kalibangal Ghat in Patharpratima to create a surface transport route to Gobardhanpur.

To attract people during the picnic season, a small three-day festival called Banabithi is being held here every December for the last 14 years. It attracts many people from the surrounding areas.

Source: Aajkaal


জানুয়ারী ৪, ২০১৯

গোবর্ধনপুর সৈকতকে ঘিরে তৈরী হচ্ছে পরিবেশ বান্ধব পর্যটনকেন্দ্র

গোবর্ধনপুর সৈকতকে ঘিরে তৈরী হচ্ছে পরিবেশ বান্ধব পর্যটনকেন্দ্র

সুন্দরবনের গোবর্ধনপুর সৈকতকে ঘিরে তৈরী হচ্ছে নতুন পর্যটনকেন্দ্র। ইতিমধ্যে ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে পরিকাঠামো নির্মাণের জন্য। কাজ শুরু হবে খুব তাড়াতাড়ি। পরিবেশ বান্ধব এই পর্যটন কেন্দ্রে তৈরী হবে কাঠের তৈরী কটেজ। এই দ্বীপটি সুন্দরবনের শেষতম দ্বীপ। সম্ভবত এই রাজ্যেরও শেষ ভূখণ্ড গোবর্ধনপুর সমুদ্র সৈকত। চারদিকে শুধু আদিগন্ত নীল সমুদ্র। সৈকত জুড়ে ঝাউবন। আর লাল কাঁকড়ার দল ঘুরে বেড়ায়।

সারা বছর কম–বেশি পর্যটকদের আনাগোনা লেগেই থাকে। কিন্তু ২৫ ডিসেম্বর এই বালুতটে তিল ধারণের জায়গা থাকে না। হাজার হাজার মানুষের সমাগমে ভরে ওঠে সুন্দরবনের এই দ্বীপ। পাথরপ্রতিমা ছাড়া কুলতলি, ক্যানিং, নামখানা থেকে দলে দলে পিকনিক পার্টি চলে আসে এই দ্বীপে। অনেকেই লঞ্চ, ভুটভুটি নিয়ে নদীপথেই আসে। আবার এলাকার মানুষেরা নানা গাড়ি ধরে হাজির হয়ে যান।

এক সময় এই গোবর্ধনপুর এলাকায় সমুদ্রের গ্রাসে বিঘের পর বিঘে জমি তলিয়ে যায়। অনেকেই ভিটেমাটি ছেড়ে চলে যান। তারপর প্রকৃতির আপন নিয়মে ভাঙন এলাকায় তৈরি হয় বিশাল সমুদ্রতট। সেই তট ক্রমে বাড়তে থাকে। প্রচুর ঝাউগাছ লাগানো হয়। এক ঝলকে দেখলে দিঘা বা বকখালি বলে ভ্রম হতে পারে। তবে এলাকার মানুষের কাছ এই তটটি ‘নিউ বকখালি’‌ হিসেবে পরিচিত। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এই সমুদ্রতটকে আধুনিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টাও শুরু হয়। খোদ মুখ্যমন্ত্রীও এই পর্যটন কেন্দ্র তৈরীর জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেন। এই কেন্দ্রটি গড়ে উঠলে সার্কিট ট্যুরিজম তৈরী হবে।‌‌