Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


January 11, 2019

One-time grant to jatra artistes increased to Rs 15,000: CM

One-time grant to jatra artistes increased to Rs 15,000: CM

The 23rd Jatra Utsav, organised by the Bangla Government, was inaugurated by Chief Minister Mamata Banerjee today. From the same stage, she handed over benefits under various schemes to beneficiaries.

The festival was inaugurated from a purpose-built stage at Kachari Maidan in Barasat, with the lighting of lamps and the chimes of bells.

For two days, jatras would be staged on this temporary stage. Subsequently, the festival would move to Baghbazar for a month of the best that modern jatra has to offer.

Highlights of the Chief Minister’s speech:

Jatra legends like Makhanlal Natta beautifully depicted the quaint life of rural Bengal in their productions.

Jatra is still famous in the rural heartland of Bengal. People watch jatra pala with fervour and excitement.

I want Jatra artistes to live with dignity. We extend financial assistance to them. We are increasing the one-time grant to Jatra artistes from Rs 9,000 to Rs 15,000.

I would urge Jatra artistes to stage more productions depicting the modern life, successful projects like Kanyashree or Sabooj Sathi.


জানুয়ারী ১১, ২০১৯

যাত্রাশিল্পীদের এককালীন ভাতা ১৫,০০০ টাকা, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

যাত্রাশিল্পীদের এককালীন ভাতা ১৫,০০০ টাকা, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

আজ থেকে শুরু হয়ে গেল এ বছরের যাত্রা উৎসব। এ বার ২৩-এ পা দিল এই যাত্রা উৎসব। বারাসতের কাছারি ময়দানের অস্থায়ী মঞ্চ থেকে প্রদীপ জ্বালিয়ে ও ঘণ্টা বাজিয়ে উৎসবের সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বিগত বছরের প্রথা মেনে এবারও ২৩ তম রাজ্য যাত্রা উৎসব শুরু হচ্ছে বারাসতের কাছারি ময়দানে। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর, দু’দিন এখানকার অস্থায়ী মঞ্চেই মঞ্চস্থ হবে যাত্রা। এর পর কলকাতার বাগবাজার যাত্রামঞ্চে এক মাস ধরে চলবে এই উৎসব।

যাত্রা উৎসবের সূচনার পাশাপাশি বেশ কিছু প্রকল্পের সামগ্রী উপভোক্তাদের হাতে তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী।

ওনার বক্তব্যের কিছু অংশ:

প্রতি বছর আমরা বারাসাতে যাত্রা উৎসব করি। এই উৎসব অনেক জায়গাতে চলবে। আমি চাই যাত্রার সঙ্গে যুক্ত ব্যাক্তিরা স্বসম্মানে বাঁচতে পারে।

যাত্রা উৎসবকে তার পুরনো স্বর্ণযুগের জায়গায় ফিরিয়ে আনবার জন্য নতুন কর্মোদ্যোগ শুরু করা হয়েছে। একসময় মাখনলাল নট্ট এখানে আসতেন, শান্তিবাবুও বিখ্যাত ছিলেন। আজও গ্রাম বাংলায় যাত্রা দেখার জন্য মানুষের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। মানুষ এতটাই যাত্রা ভালোবাসে।

প্রায় ৬০০ জন দুঃস্থ যাত্রা গোষ্ঠীকে নানাভাবে সাহায্য করা হয়। এককালীন ৯ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। এটাকে বাড়িয়ে ১৫ হাজার করে দেওয়া হবে।

যাত্রা শিল্পীদের বলব, আরও বাস্তব যাত্রা পালা তৈরী করতে যা একজন সাধারণ মানুষের কথা বলবে। যে যাত্রা মানুষকে পথ দেখাবে। যে কন্যাশ্রীর মেয়েরা আজ আমাদের গর্ব, সেই ৫০ লক্ষ কন্যাশ্রীর মেয়েদের নিয়ে আপনারা ভাবুন।