Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


February 2, 2019

Total loan amount to farmers by State Govt to see substantial increase

Total loan amount to farmers by State Govt to see substantial increase

The Bangla Government has decided to increase the total amount of loan it provides to farmers for farming-related purposes by a significant Rs 3,000 crore. While at the end of financial year 2018-19, the estimated amount would stand at Rs 5,000 crore, in financial year 2019-120, the government would be providing a total of Rs 8,000 crore.

About 90 lakh families would be benefitted as a result of the disbursal of the loans, to be disbursed by agricultural cooperative banks at a rate of interest of 7 per cent.

As a big incentive to farmers, those who would pay repay the total amount, consisting of the capital and interest, within the stipulated time frame, would have 3 per cent of the interest paid back to them. The amount of 3 per cent would be transferred electronically to the farmer’s bank account as soon as the total amount is repaid.

In terms of amount, loans are provided depending on the crops. As examples, for aman rice cultivation, Rs 15,000 per acre is provided, for boro paddy cultivation, Rs 45,000 per acre is provided, while for potato cultivation, Rs 60,000 per acre is provided.

In terms of types of loans, there are three types: one-year loans, short-term loans and long-term loans. For one-year loans, as the name suggests, the loan, along with the interest, has to be repaid within one year. Short-terms loans are for a period less than one year. Long-term loans can span several years; for example, for buying a tractor, a farmer can get a loan whose repayment period can span from seven to nine years.

To ensure that farmers get the loans through Kisan Credit Cards (by adopting which means loans can be transferred electronically), in financial year 2018-19, the State Government has set up banking infrastructure at 3,000 primary agricultural cooperative societies (PACS), including setting up micro-ATMs. Rs 400 crore has been allocated for the purpose.

For leasing of farming machinery on easy terms, the government is creating machinery hubs at total cost of Rs 1,000 crore. Tractors, paddy cleaning machines and several other machines and tools crucial for making farmers’ work easier can be hired from these hubs.

Then, on December 31, 2018, Chief Minister Mamata Banerjee announced a few other crucial measures meant to make farmers’ lives easier. These were her New Year gifts to them.

The Krishak Bandhu Scheme was introduced, which is made up of two components. Krishak Bandhu 1 is in the form of an assurance model, wherein if a farmer dies between the ages of 18 and 60, due to any cause, the family would receive a one-time grant of Rs 2 lakh. Krishak Bandhu 2 is in the form of a yearly grant to farmers’ families, of Rs 5,000 per acre per annum in two instalments.

Besides these, another announcement was also made. The full premium under the crop insurance scheme, Bangla Fasal Bima Yojana (BFBY) would henceforth be handled by the State Government, which means that the 20 per cent paid by the Centre too would now be paid by the State. The latter was already paying the farmers’ share of the premium for the last few years besides, of course, its own share.

Source: Aajkaal

 


ফেব্রুয়ারি ২, ২০১৯

কৃষকদের শস্যঋণের পরিমাণ বাড়াল রাজ্য

কৃষকদের শস্যঋণের পরিমাণ বাড়াল রাজ্য

কৃষকদের শস্যঋণের পরিমাণ বাড়াল রাজ্য সরকার৷ গত বছরের তুলনায় এ বছর বাড়ল ৩ হাজার কোটি টাকা৷ ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে কৃষকদের শস্যঋণ দেওয়া হবে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা৷ গত বছর এই ঋণের পরিমাণ ছিল ৫ হাজার কোটি টাকা৷ সমবায় ব্যাঙ্কের মাধ্যমে এই ঋণ দেওয়া হবে৷ এতে প্রায় ৯০ লক্ষ কৃষক পরিবার উপকৃত হবে৷ ৭ শতাংশ সুদের হারে এই ঋণ দেওয়া হবে৷ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ঋণ পরিশোধ করলে ৩ শতাংশ সুদ ফেরত দিয়ে দেওয়া হবে৷ যে মুহূর্তে ঋণ পরিশোধ হবে, সেই মুহূর্তে এই ৩ শতাংশ সুদের টাকা ঋণ পরিশোধকারী কুষকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে চলে যাবে৷

এই শস্য ঋণ বিভিন্ন চাষের জন্য বিভিন্ন ভাবে দেওয়া হয়। যেমন আমন চাষের জন্য একর প্রতি ১৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়৷ বোরো চাষের জন্য সেই টাকা বেড়ে গিয়ে এক প্রতি 8৫ হাজার টাকা হয়৷ যাঁরা আলু চাষ করেন, তাঁদের একর প্রতি ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়৷ প্রয়োজনে এই ঋণের পরিমাণ যাতে আরও বাড়ানো যায়, তার জন্য ভাবনাচিন্তা করছে রাজ্য সরকার৷

কৃষকদের তিন ধরনের ঋণ দেওয়া হয়। শস্যঋণ শোধের সময়সীমা থাকে ১ বছর৷ বাকি দুটির মধ্যে কিছু স্বল্পমেয়াদী এবং কিছু দীর্ঘমেয়াদী৷ কোনও কষক যদি ট্র্যাক্টর কেনার জন্য ঋণ নিতে চান, তাকে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ দেওয়া হয়। এই ঋণ শোধ করতে হয় ৭ থেকে ৯ বছরের মধ্যে।

কিষান ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা যাতে সমবায় ব্যাঙ্কের মাধ্যমে ঋণ পান, তার জন্য এ বছর ৩ হাজার প্রাথমিক কৃষি উন্নয়ন সমিতিতে সব রকম ব্যাঙ্কিং পরিষেবা দেওয়ার পরিকাঠামো তৈরী করা হচ্ছে৷ বসানো হবে মাইক্রো এটিএম৷ এই পরিকাঠামো গড়ে তোলার জন্য রাজ্য সরকার ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করছে৷ এছাড়াও কৃষিকাজে শ্রমিক সমস্যা মেটাতে গড়ে তোলা হয়েছে টার্ন মেশিনারি হাব৷ এই হাব থেকে ট্র্যাক্টর, ধান ঝাড়ার মেশিন থেকে কৃষিকাজের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি পাওয়া যাবে৷ এই সমস্ত হাব তৈরী করার জন্য রাজ্য সরকার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে৷

 

 

সৌজন্যেঃ আজকাল