Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


February 12, 2019

Eco-resort on the model of a traditional village coming up in Digha

Eco-resort on the model of a traditional village coming up in Digha

The State Government has decided to build a tourist resort in Digha based on the model of a village, villages as they existed earlier. This eco-tourism resort is the brainchild of Chief Minister Mamata Banerjee, who has also give it its name – ‘Bongo Sanskritic Gram’.

Mud cottages with thatched roofs, ox carts kept for show, rooms lighted by traditional clay lamps, bauls singing melodious songs to the tune of jhumurs tied to their feet – these would be some of the features of the proposed resort.

Digha has become very popular as a tourist spot now, and so the government is thinking up innovative ways to attract tourists, and this resort modelled on a traditional village is one such plan.

For food, there would be the traditional fare of Bangla – aromatic rice, dal, leaf curries (shak), vegetable curries (chachhari), punti fish in gravy (punti macher jhol), preparations of koi, magur and shingi fish, and various other preparations.

The resort will be built on a public-private partnership (PPP) model. Digha-Sankarpur Development Authority will be the implementing authority for the project.

Source: Ei Samay

File Image

 


ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৯

গ্রামের আদলেই নয়া রিসর্ট দীঘায়

গ্রামের আদলেই নয়া রিসর্ট দীঘায়

দীঘায় পর্যটক টানতে অভিনব উদ্যোগ রাজ্য সরকারের। শহরের একঘেঁয়ে জীবন থেকে কদিনের জন্য মুক্তি দিতে সমুদ্রের ধারেই পুরোনো দিনের গ্রামের আদলে তৈরী হবে ইকো রিসর্ট। তবে এখনকার বদলে যাওয়া গ্রাম নয়। সেখানে পা রাখলেই চোখে পড়বে মাটির বাড়ি। খড়ের ছাউনি। গোরুর গাড়ি। সূর্য ডুবলেই ঘরে ঘরে জ্বলে উঠবে প্রদীপ। বাউল আখড়া থেকে ভেসে আসবে গান। কানে আসবে ঝুমুর। আহারেও থাকছে অভিনবত্ব। হারিয়ে যাওয়া বাংলার অনেক পদ ফিরিয়ে আনা হবে। কলাপাতায় মিলবে সুগন্ধী ভাত, ডাল, হরেক শাক-সব্জি, চচ্চড়ি, পুঁটি মাছের ঝোল, কই, মাগুর, সিঙির বিভিন্ন পদ।

দীঘায় গ্রামের আদলে ইকো ট্যুরিজম গড়ে তোলার পুরো পরিকল্পনাটাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। পিপিপি মডেলে বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে এই রিসর্ট তৈরীর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। স্থানীয় ভাবে প্রকল্প রূপায়ণের দায়িত্বভার দীঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদকে দেওয়া হলেও সবটাই নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে নবান্ন থেকে। এই প্রকল্পে রাজ্য সরকারকে কোনও অর্থ বিনিয়োগ করতে হচ্ছে না। ইকো রিসর্টের নকশা তৈরী এবং পরিকাঠামো নির্মাণে যে খরচ হবে, তার পুরোটাই বহন করবে সংশ্লিষ্ট বেসরকারি সংস্থা। এই প্রকল্পের জন্য দীঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদ এক একর জমি দিচ্ছে। যার বাজার মূল্য প্রায় ১ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা। ৩০ বছরের জন্য এই জমি লিজে দেওয়া হবে। ইকো রিসর্টের নামও ঠিক করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রস্তাবিত এই রিসর্টের নাম রাখা হয়েছে ‘বঙ্গ সাংস্কৃতিক গ্রাম।’

অর্থ দপ্তরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এই গ্রাম গড়ে তুলতে দীঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদ ইতিমধ্যেই একটি সংস্থাকে টেন্ডারের মাধ্যমে নির্বাচিত করেছে। টেন্ডারের শর্ত অনুযায়ী, ওই সংস্থা উন্নয়ন পর্ষদকে বছরে ৫ লক্ষ টাকা লিজ মূল্য বাবদ দেবে। প্রতি বছর সেটা ১০ শতাংশ করে বাড়বে।

উন্নয়ন পর্ষদের বোর্ড মিটিংয়ে সেই প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর নবান্নে অর্থ দপ্তরের কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। ইকো রিসর্ট নির্মাণের ব্যাপারে উন্নয়ন পর্ষদের সঙ্গে ওই বেসরকারি সংস্থার চুক্তির আইনি দিকটি খতিয়ে দেখে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর। অর্থ দপ্তরের ছাড়পত্র মিললে খুব শীঘ্রই এই প্রকল্প রূপায়ণের কাজ শুরু হবে।

তাঁর কথায়, ‘কংক্রিটের চার দেওয়ালে বন্দি থাকতে থাকতে মানুষ ক্লান্ত হয়ে পড়ছে। তা থেকে মুক্তি পেতেই মানুষ বাইরে বেড়াতে যায়। সেখানে গিয়েও হোটেলের ঘরে রাত কাটাতে হয়। কিন্তু বঙ্গ সাংস্কৃতিক গ্রামে এলে মানুষ সম্পূর্ণ গ্রাম্য পরিবেশে থাকতে পারবেন। বিদেশে এই ধরনের রিসর্ট খুব জনপ্রিয়। দীঘা বা রাজ্যের অন্য কোনও পর্যটন কেন্দ্রে এই সুযোগ নেই। সে দিক থেকে দীঘা দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চলেছে।’

সৌজন্যেঃ এই সময়

ফাইল চিত্র