Latest Newsসাম্প্রতিক খবর


July 12, 2018

Bengal CM flays Centre for not fulfilling promise of taking over 7 tea gardens

Bengal CM flays Centre for not fulfilling promise of taking over 7 tea gardens

Bengal Chief Minister Mamata Banerjee today chaired a meeting regarding the condition of tea gardens in north Bengal. The meeting was held at Uttarkanya.

At the end of the meeting, she announced that the government has given clearance to the wage-hike of workers and formed a committee to find a solution to the problems facing tea industry.

She also attacked the Centre for failing to fulfill its promise of taking over 7 tea gardens. The promise was made by a Union Minister during 2016 Assembly election campaign.

Highlights of the Chief Minister’s press meet:

  • We have allocated more than 1000 crore for the welfare of tea garden workers since 2011.
  • We need a permanent solution to the problem of tea gardens.
  • Some trade unions are calling bandhs for their vested political interests
  • Centre had promised to take over 7 tea gardens before 2016 elections. It was a lie for garnering votes. The tea garden owner went to court, got the tea garden declared ‘abandoned’ and workers are suffering. Centre must withdraw the notification.
  • Some owners open their ‘abandoned’ tea gardens for some days, and close it down again.
  • We have formed an expert committee under the leadership of our Chief Secretary. They will submit a report within 3 months.
  • There are 2.72 lakh workers in tea gardens and 8 lakh non-workers who leave in tea gardens.
    We give 35 kg rice at Rs 2 per kg, electricity, water supply to tea gardens.
  • We have increased wages of tea garden workers after coming to power. The cash component has now become Rs 159. We have given interim relief of Rs 17.50.
  • Lease of abandoned tea gardens which are closed, will be cancelled and they will be auctioned.
  • We will take action against organisations which don’t pay PF and gratuity.
  • We will focus on ICDS through community development programmes.
  • Non-workers in tea gardens will be given skill development training. They will be given training in poultry farming, rearing hens, ducks etc.
  • Tea tourism is also under consideration.
  • Peace prevails in the Hills. People are happy and in peace. We will observe the birth anniversary of Bhanu Bhakta Acharya in the Hills tomorrow.

 


জুলাই ১২, ২০১৮

চা বাগান অধিগ্রহণের মিথ্যা প্রতিশ্রুতির জন্য কেন্দ্রকে দুষলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

চা বাগান অধিগ্রহণের মিথ্যা প্রতিশ্রুতির জন্য কেন্দ্রকে দুষলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

উত্তরবঙ্গের চা বাগানের পরিস্থিতি নিয়ে আজ উত্তরকন্যায় মুখ্যমন্ত্রী এক বৈঠক করেন।

বৈঠকের শেষে তিনি চা বাগানের শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেন। চা বাগানের সমস্যা মেটাতে তিনি একটি কমিটিও গঠন করেন।

কেন্দ্রীয় সরকার ২০১৬ সালের ভোটের আগে সাতটি চা বাগান অধিগ্রহণ করার যে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তাঁর বিরুদ্ধেও সোচ্চার হন তিনি।

তাঁর বক্তব্যের বিশেষ কিছু অংশঃ-

  • চা শিল্পের উন্নয়নে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। ১০০০ কোটি টাকারও বেশি খরচ হয়েছে সাত বছরে।
  • চা শিল্পের সমস্যার স্থায়ী সমাধান চাই।
  • কিছু ট্রেড ইউনিয়ন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আন্দোলনের নামে বনধ ডাকে।
  • কেন্দ্রীয় সরকার ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে সাতটি চা বাগান অধিগ্রহণ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এই মিথ্যে প্রতিশ্রুতি তারা দিয়েছিল ভোট পাওয়ার জন্য। তারপর বাগান কর্তৃপক্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের এই নোটিফিকেশনের ফলে তারা বাগান খুলতে পারছেন না। পরিত্যক্ত ঘোষিত হয়েছে বাগানগুলি। এর জন্য শ্রমিকরা কষ্ট পাচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই নোটিফিকেশন প্রত্যাহার করা উচিত; বাগান খুলে দেওয়া উচিত।
  • কিছু কিছু বাগানের মালিক আজ চা বাগান খুলে তার পরের দিনই বন্ধ করে দিচ্ছে। এটাও মানা যায় না।
  • চা বাগানের শ্রমিকদের সমস্যা মেটাতে মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হলো। তিন মাসের মধ্যে রিপোর্ট দেবে এই কমিটি।
  • চা বাগানগুলিতে প্রায় ২.৭২ লক্ষ চা শ্রমিক আছেন। পাশাপাশি ৮ লক্ষ এমন মানুষ বাস করেন যারা শ্রমিক নন।
  • চা বাগানগুলিতে ২ টাকা প্রতি কিলো দরে ৩৫ কিলো চাল দেওয়া হয়। পানীয় জল, বিদ্যুৎ বিনাপয়সায় দেওয়া হয়।
  • চা বাগানের শ্রমিকদের মজুরি বাড়িয়ে করা হয়েছে ১৫৯ টাকা, আগের সরকারের আমলে ছিল ৬৭ টাকা। ইন্টারিম রিলিফ ১৭.৫০ টাকা।
  • যেসব চা বাগান বন্ধ পড়ে আছে, তাদের লিজ বাতিল করে নিলাম করে দেওয়া হবে।
  • যেসব সংস্থা পিএফ বা গ্রাচুইটি দেয় না তাদের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেবে রাজ্য সরকার।
  • কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের আওতায় চা বাগানগুলিতে আইসিডিএস প্রকল্পটিকে আরও বড় মাত্রায় বাস্তবায়িত করা হবে।
  • চা বাগানে যারা শ্রমিক নন তাদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তাদের হাঁস, মুর্গী, ছাগল ইত্যাদি প্রতিপালন শেখানো হবে।
  • চা পর্যটন নিয়েও ভাবনা চিন্তা চলছে।
  • পাহাড়ে শান্তি আছে। সকলে ভালো আছেন। কাল আমরা ভানু ভক্ত আচার্যের জন্মবার্ষিকী পালন করব।