Model police line in Jhargram

Bengal’s first model police line, or police housing estate, is being constructed in Jhargram. It is being built on 100 acres adjacent to Jhargram Zoological Park.

Two four-storey buildings have being constructed, each for 200 constables. Bungalows are being constructed for the SP and additional SPs, and guest houses for VIPs.

There is space too for 200 junior constables. The police line would also be able to house 100 female constables. A general canteen, petrol pump and 10-bedded medical centre are being built as well.

There are separated sports fields for men and women. A conference hall would also be built.

For security, there would be 10 watchtowers. There are plans for two helipads as well.

Source: Aajkaal

Bengal Police overhauling its cyber-policing administration

The State Police wants to introduce more modern policing methods. Towards that end, it has planned to completely re-do its website as well as remodel its social media approach.

The website is being completely overhauled. The various district police administrations as well as the State’s railway police administrations will be linked to the website. All information will be updated, including important cases solved and the list of most wanted criminals.

As for social media (Facebook and Twitter especially), the plan is to regularly post updates regarding various activities and fight fake news actively. The latter is becoming increasingly important in the field of cyber-policing.

The idea is also to examine the ways Kolkata Police has successfully built up a large following on its social media accounts and implement certain relevant ideas.

Source: Ei Samay

Kolkata Police Cyber Wing bags NASSCOM-DSCI Excellence Award

The cyber wing of Kolkata Police (KP) has received the NASSCOM-Data Security Council of India (DSCI) Excellence Award this year for ‘Capacity Building of Law Enforcement’. The award was handed over during an all-India seminar on cyber security in which police personnel from different districts were present.

As part of the application for the award, KP had put forward the cases it has handled covering different forms of cyber crime, and the equipment and technology used.

Kolkata Police also creates awareness among school students about the effect of different social networking sites and online activities on them.


কলকাতা পুলিশের সাইবার শাখা পেল উৎকর্ষের সম্মান

বিরল সম্মান পেল কলকাতা পুলিশের সাইবার সেল। গুড়গাঁওয়ে অনুষ্ঠিত একটি সেমিনারে ন্যাসকম-এর ডেটা সিকিউরিটি কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া এক্সিলেন্স পুরস্কার তুলে দেওয়া হল কলকাতা সাইবার সেলের হাতে।

সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে সব রাজ্যের সাইবার সেলের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সেমিনার আয়োজন করা হয় গুড়গাঁওয়ে। ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অফ ল এনফোর্সমেন্ট বিভাগে সেরা হয় কলকাতা পুলিশের সাইবার সেল।

খবরটি কলকাতা পুলিশ নিজেদের ফেসবুক পেজে শেয়ার করে জানায়। সেখানে পুলিশের পক্ষ থেকে লেখা হয়: ‘সাইবার সেল আমাদের গর্বিত করেছে। কলকাতা পুলিশের সাইবার পুলিশ সেল এ বছরের ন্যাসকম-ডিএসসিআই এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে ক্যাপাসিটি অফ ল এনফোর্সমেন্ট বিভাগে। গুড়গাঁওয়ে অনুষ্ঠিত একটি সেমিনারে এই পুরস্কার আমাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। সেখানে দেশের সব রাজ্যের সাইবার সেলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এই জাতীয় স্বীকৃতি আমাদের আরও কঠোর পরিশ্রম করতে অনুপ্রেরণা জোগাবে।’

Source: Millennium Post

Image is representative 

52 OC-based police stations in Bengal to be upgraded to IC-based ones

The Bengal Government will soon upgrade 52 sub-inspector-based police stations, technically known as officer-in-charge-based (OC-based) police stations, to inspector-in-charge-based (IC-based) police stations.

Over the last six years, the  Government has vastly improved the policing system of the state, from creating more police stations and, for the first time, women police stations to creating police commissionerates for ease of administration. The police force also conducts the Sukanya self-defence course for school girls.

This upgrading of police stations from OC-based to IC-based will improve the quality of response to the different policing requirements of a police station area.

Of the 52 police stations, the South Bengal Zone will have 21, the North Bengal Zone 15, and the Western Zone will have another 15, depending on population density.

Nine of these police stations will be based in South 24 Parganas district that has recently been split into three police districts for the sake of better administration.

Some of the police stations listed for upgradation cover areas of more than 500 square kilometres (sq km). For example, Basanti in South 24 Parganas covers 651 sq km, Rajganj and Malbazar in Jalpaiguri cover 614.82 sq km and 548.86 sq km respectively, while Gazole in Malda covers 513.37 sq km.

৫২টি অফিসার ইন চার্জ থানা রূপান্তরিত হচ্ছে ইন্সপেক্টর ইন চার্জ থানা’য়

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচালিত রাজ্য সরকার খুব শীঘ্রই ৫২টি অফিসার ইন চার্জ থানাকে রূপান্তরিত করতে চলেছে ইন্সপেক্টর ইন চার্জ থানা’য়। ইন্সপেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ স্বরাষ্ট্র ও পাহাড় বিষয়ক দপ্তরকে এই প্রস্তাব দেন।

নবান্নে এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, এর মাধ্যমে পরিষেবার মানের অনেক উন্নতি হবে। এই থানা গুলোর ন’টি দক্ষিণ ২৪পরগণায় হবে, যে জেলাকে ভালো প্রশাসনের জন্য তিনটি পুলিশ জেলায় ভাগ করা হয়েছে।

দক্ষিণ বঙ্গে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ, হাওড়া (গ্রামীণ) ও নদীয়া জেলায় ২১টি পুলিশ স্টেশন আছে। উত্তর বঙ্গে জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা জেলায় হচ্ছে ১৫টি পুলিশ স্টেশন। পশ্চিম ভাগে আছে পুরুলিয়া, পূর্ব মেদিনীপুর, বাঁকুড়া ও পূর্ব বর্ধমান জেলা, এখানে ১৫টি থানা রূপান্তরিত হবে।

উপরোক্ত কয়েকটি থানাকে ৫০০ বর্গ কিঃমিঃ অঞ্চল দেখাশোনা করতে হয়। দক্ষিণ ২৪পরগণার বাসন্তি থানাকে ৬৫১ বর্গ কিঃমিঃ নজর রাখতে হয়। জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ ও মালবাজার থানা ও মালদা’র গাজল থানাকে যথাক্রমে ৬১৪.৮২ বর্গ কিঃমিঃ, ৫৪৮.৮৬ বর্গ ও ৫১৩.৩৭ বর্গ কিঃমিঃ অঞ্চল নজর রাখতে হয়।

Source: Millennium Post

The police need to keep their eyes and ears open: Bengal Chief Minister

Chief Minister Mamata Banerjee, during a speech at a felicitation programme, jointly organisd by the West Bengal Police and the Kolkata Police, at the open-air stage, Uttirna in Kolkata yesterday, exhorted the police force to higher glory. The Chief Minister Mamata Banerjee on Thursday decided to increase the award money for the recipients of Sewa Padak, Prasangsha Padak and Nistha Padak.

She said that the force in Bengal has already achieved a lot, and the Trinamool Congress-led State Government has also done a lot for the force.

Among the infrastructure set up are 108 police stations, of which 80 are women’s police stations, five police commissionerates (with a sixth one almost ready). Eighty-eight fast-track courts have also been set up.

She also criticised the Opposition parties, asking them to bring a certain respectability to their protest programmes. “We also organised a lot of political movements but we didn’t hold the police responsible for everything. Now the prevalent mentality everywhere is to burn and destroy everything”.

She said, “All politicians are not bad, but even a single such can bring a bad name to everyone. We need to change our attitudes”.

She also stressed on learning from one’s mistakes: “Making mistakes is necessary too; it is from mistakes that we learn the correct thing”

She reminded the audience of the role of saviour that the police once played in her life too: “The CPI(M) had tried to kill me at a protest at Hazra crossing on August 16; it was a policeman who had saved me”

She said that her party does not support bandhs anymore.

She reminded the force that “the challenges before the police and the Government have increased manifold”. “Now you have to fight cyber crimes too; just about anyone is trying to create riots through irresponsible comments”

Since “the types of crimes have multiplied”, “the police need to keep their eyes and ears open” to fight them. She described the job of the police force as a “rough and tough job”.

She then spoke on the traffic awareness programme that the State Government has started: “We have started the ‘Safe Drive Save Life’ programme; we have to continue this”.

The Bengal CM re-stressed about the commitment of the State Government to the police: “It is the Government’s responsibility to look after the families of those who work for us”.

She reminded the force that “respect cannot be bought with money”. “The uniform of the police is what gives them respect; the police should walk with the people”.

She also held out the hope that “the Kolkata Police and the Bengal Police will one day show the path to the whole world” because, among other things, they “have done what others could not”.

“We have brought peace to Jangalmahal”. This is a major achievement. She said, “earlier, 400 people used to be killed every year in Jangalmahal, not it is zero – all due to the efforts of the police”

She ended by asking the police personnel to continue with their good work.


পুলিশের দায়িত্ব, চ্যালেঞ্জ অনেক বেড়েছে, তাদের আরও সতর্ক হতে হবেঃ মুখ্যমন্ত্রী

পুলিশ সরকারের সবচেয়ে বড় মুখ তাই কেউ কেউ পুলিশকে টার্গেট করছে। বৃহস্পতিবার কলকাতার আলিপুরে পুলিসের এক অনুষ্ঠানে পুরস্কার বিতরণ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি বলেন, পুলিশের দায়িত্ব, চ্যালেঞ্জ অনেক বেড়ে গেছে। এখন সাইবার ক্রাইমকে মোকাবিলা করতে হয়, যে কেউ এক একটা উক্তি করে দাঙ্গা লাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। ক্রাইমের ধরন বেড়ে গেছে, সব দিকে নজর রেখে পুলিশকে কাজ করতে হবে, আর এটা রাফ অ্যান্ড টাফ জব। পুলিশের পোশাকই তাঁর সম্মান, মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানুষের সাথে চলবেন।

তিনি আরও বলেন, “সব politician খারাপ নয়, একজন খারাপ করলে বাকিদের বদনাম হয়। পুলিশের ক্ষেত্রেও তাই। অজান্তে ভুল হতেই পারে, ভুল থেকেই মানুষ শেখে। ১৬ আগস্ট সিপিএম আমায় হাজরায় মেরে ফেলার চেষ্টা করেছিল, একজন পুলিশ আমায় বাঁচিয়েছিল”।

সরকার সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ চালু করেছে এটা পুলিশকে continue করতে হবে। ১০৮ টি পুলিশ স্টেশন তৈরী হয়েছে, এর মধ্যে ৪০ টি মহিলা থানা। ৮৮ টি ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট তৈরী হয়েছে। ৫ টি পুলিশ কমিশনারেট হয়ে গেছে, ষষ্ঠ টিও (চন্দননগর) অনুমোদন পেয়ে গেছে।

তাঁর বিশ্বাস কলকাতা ও বাংলা পুলিশ সারা বিশ্বকে একদিন পথ দেখাবে। যা অন্যরা করতে পারে না বাংলা তা করে দেখিয়েছে। জঙ্গলমহলে শান্তি ফিরে এসেছে। গত ৫ বছরে জঙ্গলমহলের ১২০০০ মানুষ খুন হয়েছে। আগে জঙ্গলমহলে বছরে ৪০০ লোক খুন হত, এখন তা শূন্য, এটা  পুলিশের কৃতিত্ব।








Be alert and take immediate action to prevent riots: CM tells police

Chief Minister Mamata Banerjee on Friday instructed the police force to take immediate steps to maintain law and order, and prevent riots.

The chief minister presided over the administrative review meeting in Howrah on Friday afternoon. She asked the police to be on alert and take immediate action if anybody tries to foment communal trouble.

“The police should always remain alert and keep an eye on each and every incident. Don’t ignore any information and cross check its veracity. Use civic police, green police and local clubs to gather ground-level information. Some people from outside are trying to foment communal discord,” she said.

She asked the police to be on the road and play an effective role to maintain law and order. “Lot of false propaganda is being carried out that nothing has been done in Dhulagarh. It is absolutely false. Why don’t they tell the facts about how many people were arrested? How many people were given compensation by the government?” she said.

“A TV channel had shown a one-sided report about Dhulagarh. It did not say any word on action taken by the government, she said. The fact is that the state government is reconstructing the houses and shops affected in Dhulagarh violence in addition to payment of compensation of Rs 2.5 crore,” the CM said.


দাঙ্গা রুখতে পুলিসকে আরও তৎপর হওয়ার বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

হাওড়ায় প্রশাসনিক বৈঠকে সাঁকরাইলের ধূলাগড়ের অশান্তির কথা উত্থাপন করে মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়ে গেলেন, বাংলায় তিনি কোনও দাঙ্গা, অশান্তি আর উচ্ছৃঙ্খলতা বরদাস্ত করবেন না।

তিনি বলেন, “দিল্লির একটা চ্যানেল ধুলাগড়ের ঘটনা নিয়ে যা ইচ্ছে তাই করে গেছে। সরকারের কাজগুলোর কথা তো লেখেনি। ধুলাগড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি/দোকান গুলি পুনর্নির্মাণ করে দিচ্ছে রাজ্য সরকার। ২.৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে।”

তিনি পুলিশকে নির্দেশ দেন, অশান্তিতে যারা উসকানি দেবে, তাদের চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ব্যাপারে হাওড়া সিটি পুলিশ কমিশনারের কাছ থেকে গ্রামীণ জেলার পুলিশ সুপার সুমিত কুমারকে সাহায্য ও পরামর্শ নিতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি তাঁদের বলেন, মানুষের সঙ্গে যোগসূত্র বাড়ান, ক্লাব, ভালো মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন। এলাকায় বড় কোনও অনুষ্ঠান থাকলে আগাম ব্যবস্থা নিন। পুলিশ দেখলে গুন্ডারা যাতে ভয় পায়, সেটা করুন। কেউ দাঙ্গা বাধাতে চাইলে সে যে দলেরই হোক, তার বিরুদ্ধে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিন।তিনি পুলিশকে বলেন, ঝুঁকি নিতে হবে।

Safe Drive, Save Life success: Number of road accidents drops

The Kolkata Police’s Safe Drive Save Life campaign has proved to be effective as the number of deaths owing to helmetless two-wheeler ride has halved ever since the drive was launched.

The initiative is a brainchild of Chief Minister Mamata Banerjee and was launched in July, 2016. Between July 8 and December 31, 2016, 32 helmetless bikers and pillion riders died on city roads, while the figure in the corresponding period the previous year stood at 61.

During the drive, a total 184 accidents were registered in the city, in which 195 people were killed. The corresponding period in 2015 saw 216 accidents, in which 220 people died.

Thanks to the drive, the total accidental deaths recorded through 2016 dropped to the lowest figure in the past half decade to 407. In 2016, pedestrian deaths also reduced to 193 from 218 in 2015. Those injured in non-fatal accidents also came down from 3,329 in 2015 to 3,182 in 2016.


সাফল্য পেল ‘সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ’, কমল সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা

সাফল্য পেল কলকাতা পুলিসের ‘সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ’ উদ্যোগ। সড়ক দুর্ঘটনায় হেলমেটহীন বাইক আরোহীর মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় অর্ধেক হয়ে গেছে প্রচার শুরুর পর থেকে।

মুখ্যমন্ত্রীর মস্তিষ্কপ্রসূত এই উদ্যোগটি শুরু হয় ২০১৬র জুলাই মাস থেকে। ২০১৬র ৮ই জুলাই থেকে ৩১সে ডিসেম্বরের মধ্যে ৩২জন হেলমেটহীন বাইক আরোহীর মৃত্যুর সংখ্যা ৩২; এই একই সময়ে ২০১৫তে সংখ্যাটা ছিল ৬১।

২০১৬ সালে সব মিলিয়ে ১৮৪ টি দুর্ঘটনা ঘটেছে যার ফলে ১৯৫ জন প্রান হারিয়েছেন; ২০১৫ সালে দুর্ঘটনার সংখ্যা ছিল ২১৬ এবং তাতে প্রাণ হারিয়েছিলেন ২২০ জন।

সরকারের এই উদ্যোগের ফলে ২০১৬ সালে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা ছিল ৪০৭, যা গত ৫বছরে সর্বনিম্ন। পথচারীদের মৃত্যুর সংখ্যাও ২০১৫ সাল (২১৮) থেকে ১৯৩ তে নেমে এসেছে। সড়ক দুর্ঘটনায় আহতের সংখ্যা ২০১৫ সালে ছিল ৩,৩২৯ যা ২০১৬ সালে কমে দাঁড়িয়েছে ৩,১৮২তে।

WB CM inaugurates Kolkata Police Law Institute

West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee inaugurated the Kolkata Police Law Institute today. This institute is yet another milestone in human resource development and skill development in West Bengal.

Located on Diamond Harbour Road, this institute will commence a special three-year LLB course from the 2016-17 academic session. The institute has been granted affiliation by Calcutta University.

The LLB course has been approved for serving officers of Kolkata Police and West Bengal Police, and is designed to enhance the standards of public service delivery by the police forces. The inauguration of this institute is yet another step towards providing an efficient, people-friendly administration.


আজ কলকাতা পুলিশ ল ইন্সটিটিউটের উদ্বোধন করলেন  মুখ্যমন্ত্রী

দ্য কলকাতা পুলিশ ল ইন্সটিটিউটের আজ উদ্বোধন করেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ইনস্টিটিউটটি এখন পশ্চিমবঙ্গের মানবসম্পদ উন্নয়নের আরেকটি মাইলস্টোন।

এই ইন্সটিটিউটটি ৭ ডায়মন্ড হারবার রোডে অবস্থিত। এই এল এল বি পাঠ্যক্রম পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উচ্চশিক্ষা বিভাগের নীতিগত অনুমোদন পাওয়া গেছে। আসন্ন ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে একটি বিশেষ তিন বছরের এল এল বি পাঠ্যক্রম চালু হবে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক এই পাঠ্যক্রমের অনুমোদন প্রদান করা হয়েছে।

কেবলমাত্র কলকাতা পুলিশ ও পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ কৃত্যকের কর্মরত আধিকারিকদের জন্য এই এল এল বি পাঠ্যক্রম অনুমোদিত হয়েছে। কর্মতৎপরতা, দক্ষ ও জনমুখী প্রশাসন গড়ে তোলার লক্ষ্যে এটি আরও একটি পদক্ষেপ।


WB CM launches State-wide road safety drive

West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee today launched a State-wide drive, ‘Safe Drive, Save Life,’ to bring down road accidents and bring in better traffic measures, at Nazrul Manch.

The Transport Department, along with the police, with the help of other departments of the State Government and agencies, will undertake the drive. The main idea behind taking up such a drive is to bring down the number of accidents that take place almost every day due to reckless driving.

The drive will make people aware about road safety measures. Both pedestrians and drivers need to be aware about certain facts to avoid road accidents.

Both in the city and in the districts, the police will be playing an important role along with the Transport Department in bringing down the rate of accidents through the carrying out of the drive.

Already banners and posters carrying the message ‘Safe Drive, Save Life’ have come up in various parts of Kolkata.


Highlights of the Chief Minister’s speech:

  • People often ignore safety regulations, thus causing road accidents.
  • Life is precious. Every life lost is sad and tragic.
  • Not everyone violates discipline, but the price of one’s wrong actions is often paid by many of the uninvolved.
  • If Bengal can become a model for Sabuj Sathi and Kanyashree, why not for ‘Safe Drive Save Life’?
  • These days, there are many incidents of riding bikes without helmets; some young people race with bikes on flyovers at night.
  • Lawlessness cannot be tolerated; we cannot allow it.
  • Motor vehicle laws are framed by the Centre; States must also have the power to make such laws.
  • We will raise the issue of road safety in Parliament; we will not allow interference in the federal structure.
  • These days, the Centre is taking away all our money in the name of imposing some cess or the other.
  • Like in Kolkata, we have to ensure road safety in the districts and on national highways too.
  • Overloading and rough driving will not be allowed; riding without helmets must be discouraged.
  • We must sensitise people regarding road safety and our ‘Safe Drive Save Life’ initiative.
  • Local clubs, folk artistes and young people must spread the message of the ‘Safe Drive Save Life’ initiative.
  • We must popularise the ‘Safe Drive Save Life’ initiative on Twitter, Facebook and other social media.
  • We will request Durga Puja committees to promote the ‘Safe Drive Save Life’ initiative.
  • We will install more CCTVs to monitor road safety.
  • ‘Safe Drive Save Life’ is a movement and the Government will do everything possible to make roads safer.
  • After one year, we will reward the blocks with the least number of accidents and penalise those with the most accidents.
  • Stay healthy, stay safe


সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের

রাজ্যে দুর্ঘটনা ক্রমবর্ধমান হওয়ায় উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ দুর্ঘটনা নিয়ে রাজ্যের মানুষকে সচেতন করতে এবার নিজেই সচেতনতার স্লোগান ‌বেঁধে দিলেন তিনি৷ স্লোগানটি হলঃ ‘সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইফ’ (SAFE DRIVE, SAVE LIFE)৷ অর্থাৎ নিরাপদে গাড়ি চালিয়ে গেলে চালক এবং পথচারী উভয়েরই অকালে প্রাণ যাবে না৷ আজ থেকে চালু হল এই অভিযান।

কলকাতা ও রাজ্য পুলিশের শীর্ষব্যক্তিত্বদের নিয়ে পরিবহণ দফতর মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া স্লোগান সামনে রেখে প্রচার অভিযান শুরু করছে। এই প্রকল্পের একটি ‘রোডম্যাপ’ তৈরি করা হবে বলে পরিবহণ দফতর সূত্রে খবর।

কলকাতা সহ অন্যান্য সব জেলায় রাজ্য পরিবহন দফতর ও পুলিশ মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া এই স্লোগান সামনে রেখে বিশেষ অভিযানে নামছে৷ উল্লেখ্য, এর আগে মুখ্যমন্ত্রীর নিজের হাতে আঁকা প্রতীক দিয়ে কন্যাশ্রী প্রকল্প চালু হয়েছিল৷ এবং সেই প্রকল্প ইউনিসেফ-সহ গোটা বিশ্বে আজ সমাদৃত৷

বস্তুত, দুর্ঘটনা রুখতে মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া এই স্লোগানও যে আগামীদিনে গোটা দেশেই সমাদৃত হবে তা মেনে নিয়েছেন রাজ্যের একাধিক পরিবহন সংস্থার শীর্ষব্যক্তিত্বরা৷

কলকাতার পাশাপাশি সমস্ত ন্যাশনাল ও স্টেট হাইওয়ের দু’পাশ জুড়ে এবং কলকাতার সমস্ত রাস্তায় ইতিমধ্যেই এই স্লোগানের হোর্ডিং দেওয়া হয়েছে৷ একইসঙ্গে স্কুল-কলেজ, এবং সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানেও ‘SAFE DRIVE, SAVE LIFE’ স্লোগান নিয়ে মানুষকে সচেতনত করার কর্মসূচি নেওয়া হবে৷

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের কিছু অংশ:

  • অনেক সময় আমাদের অসচেতোনতার জন্য দুর্ঘটনা ঘটে
  • প্রতিটি জীবন মূল্যবান। প্রত্যেকটি মৃত্যু দুঃখজনক
  • সবাই শৃঙ্খলা লঙ্ঘন করে না, কিন্তু কারো কারো ভুলের মাশুল দিতে হয় সকলকে
  • সবুজসাথী, কন্যাশ্রীতে যদি বাংলা মডেল হতে পারে তাহলে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচীতে নয় কেন?
  • হেলমেট না পরে বাইক চালানোর কারণে দুর্ঘটনা ঘটে। আজকাল রাতে ফ্লাইওভার গুলোতে অনেকে বাইক রেস করছে
  • অরাজকতা সহ্য করা যাবে না. আমরা এসব বরদাস্ত করব না
  • আমাদের ট্রাফিক আইন পরিবর্তন করতে হবে
  • মোটর ভেহিকেল আইন কেন্দ্র তৈরি করে। রাজ্যগুলিরও এই ক্ষমতা থাকা উচিত
  • সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টা তৃণমূল পার্লামেন্টে তুলবে। আমরা যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোতে হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করব না
  • এখন কেন্দ্র নতুন কিছু সেস চালু করছে আর আমাদের থেকে সব টাকা কেটে নিয়ে চলে যাচ্ছে
  •  এখন কলকাতার সিগ্ন্যাল সিস্টেম অনেক উন্নত হয়েছে
  • কলকাতার মত সব জেলা এবং জাতীয় সড়কগুলিতেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে
  • ওভারলোডিং এবং রাফ ড্রাইভিং আমরা বরদাস্ত করব না
  • সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচীর মাধ্যমে আমরা জনগণকে সংবেদনশীল করব
  • লোকাল ক্লাব, লোক শিল্পীরা এবং তরুণ প্রজন্ম সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচীর বার্তা পৌঁছে দেবে
  • ফেসবুক, টুইটার এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ‘সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ’ কর্মসূচীকে জনপ্রিয় করতে হবে
  • ‘সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ’ কর্মসূচীকে দুর্গা পুজোর থিম করার জন্য পুজা কমিটিগুলিকে অনুরোধ করব
  • সড়ক নিরাপত্তা মনিটর করতে আমাদের আরও সিসিটিভি বসাতে হবে
  • ‘সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ’ একটি আন্দোলন এবং সরকার সড়ক নিরাপত্তার জন্য সবরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করবে
  • যে ব্লকে কম দুর্ঘটনা ঘটবে তাকে এক বছর পর পুরস্কৃত করবে সরকার
  • সুস্থ থাকুন, নিরাপদ থাকুন

Modernisation of police force: Initiatives of TMC Government

The law and order situation in West Bengal has improved immensely under the Trinamool Congress Government. Peace has prevailed in the State, unlike the 34 years of Left Front rule. From creating new police stations and commissionarates to appointing new personnel to providing much more funding, the government has done a lot for the State’s police force.

The State has remained peaceful without any major incidents of violence or communal tension. Life in Jangalmahal and Darjeeling has also continued to be normal.

Crime has decreased significantly. Kolkata has been adjudged the ‘Best City in Crime & Safety Category’ by India Today in 2014. The city is the safest in terms of incidents of crime against women, according to the latest data released by National Crime Records Bureau (NCRB). Incidents of crime against women, dacoity, robbery, murder, etc. are also on the decline.

The Government has adopted a ‘zero tolerance’ approach towards crime against women. Sixty-five women’s police stations have been planned, out of which 30 have already been created. Ten more such police stations have been approved recently.

Eight new Coastal Police Stations have been created under West Bengal Police. Eighteen Fast Interceptor Boats regularly patrol the coastal areas.

In all, 89 new police stations have been set up during the first four years of the Trinamool Congress Government.

The State Government has sanctioned model police station buildings for 32 police stations under the State Plan.

Five police commissionerates – Howrah, Bidhannagar, Assansol-Durgapur, Barrackpore and Siliguri Police Commissionerates – have been set up.

The State Government has set up dedicated Anti-Human Trafficking Unit and Special Juvenile Police units in each district.

The State Government has recently decided to provide additional benefits to surrendered Maoist extremists, which is over and above the benefits given by the Central Government. It consists of an instant grant of Rs 50,000 with additional Rs 2 lakh redeemable after 3 years.

About 50,000 posts have been created in the police force of the State. This is in addition to 1,35,900 civic volunteers and 3351 village police volunteers engaged during the same period.


The State’s police force has seen some of its best days under the Trinamool Congress administration over the last five years. The government has been by the side of the police in its hour of need, and has encouraged it to constantly strive to serve the people in better ways.


রাজ্য পুলিশের উন্নতিকরণে তৃণমূল সরকারের উদ্যোগ

তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত সরকারের আমলে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক উনত হয়েছে। রাজ্যে এখন শান্তি বিরাজমান যা ৩৪ বছরের বাম শাসনকালে অদৃশ্য ছিল। নতুন পুলিশ স্টেশন, পুলিশ কমিশনারেট থেকে শুরু করে মহিলা পুলিশ থানা তৈরি করেছে রাজ্যসরকার।

রাজ্যে কোন সাম্প্রদায়িক ঘটনা নেই। জঙ্গলমহল ও পাহাড়ের মানুষ এখন সাধারণ জীবনযাপন করছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, এখন অপরাধের পরিমাণ কমেছে। NCRB-রিপোর্ট অনুযায়ী নারী সুরক্ষার ক্ষেত্রে দেশের মধ্যে কলকাতাই সবচেয়ে সুরক্ষিত নগরী। মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধ, রাহাজানি, ডাকাতি, খুন, ঘটনার পরিমাণ কমেছে।

নারী সুরক্ষায় এক অনমনীয় মনোভাব নিয়েছে রাজ্য সরকার। ৬৫টি পরিকল্পিত পুলিশ স্টেশনের মধ্যে ইতিমধ্যেই ৩০টি তৈরি হয়ে গেছে। এরকম ১০টি পুলিশ স্টেশন সম্প্রতি অনুমোদিত হয়েছে।

৮টি নতুন উপকূলবর্তী থানা তৈরি করেছে রাজ্য সরকার। উপকূলবর্তী এলাকায় নজরদারির জন্য ১৮টি বিশেষ নৌকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তৃণমূল সরকারের আমলে প্রায় ৮৯টি নতুন পুলিশ স্টেশন তৈরি করেছে। আরও ৩২ টি পুলিশ স্টেশন তৈরির পরিকল্পনাকে অনুমোদন দিয়েছে এই সরকার।

হাওড়া, বিধাননগর, আসানসোল-দুর্গাপুর, ব্যারাকপুর-শিলিগুড়ি মোট ৫টি পুলিশ কমিশনারেট তৈরি হয়েছে।

অ্যান্টি হিউম্যান ট্রাফিকিং ইউনিট ও স্পেশ্যাল জুভেনহাইল পুলিশ ইউনিট চালু হয়েছে সব জেলায়।

সম্প্রতি রাজ্য সরকার আত্মসমর্পণকারী মাওবাদী চরমপন্থীদের অতিরিক্ত সুবিধা প্রদান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যারা আত্মসমর্পণ করবেন তারা ৫০ হাজার টাকা পাবেন এবং ৩ বছর পর ২ লাখ টাকার একটি প্যাকেজ পাবেন।

প্রায় ৫০ হাজার পদ তৈরি করা হয়েছে রাজ্য পুলিশ বাহিনীতে। ১,৩৫,৯০০ জন সিভিক পুলিশ এবং ৩৩৫১ গ্রাম পুলিশ ভলেনটিয়ার নিযুক্ত করা হয়েছে।