People have rejected the Opposition: Mamata Banerjee in Assembly

Bengal Chief Minister Mamata Banerjee today delivered a speech in the State Assembly during a discussion on the Governor’s address.

During her speech, she highlighted the major achievements of the government. The CM also took a dig at the Opposition, who, she said, do not feel proud is anything good happens in the State.

She also criticised the Union Budget and said it was a flop-show.


Highlights of her speech:

  • The Opposition lacks the courage to listen to us. The people of Bengal have rejected them.
  • Why did the Left Front Govt not hike the honorarium of ASHA, ICDS workers? Centre has stopped funds for these projects. We are providing them incentives from our coffers. Is this my crime?
  • They left behind a huge debt burden. We are facing a legacy. We work with limited resources. 45% of borrowings are spent on development in Bengal.
  • In Bengal, CPI(M) and Congress are made for each other. This is nothing new.
  • How much loss was incurred due to demonetisation? How much black money has been recovered? A white paper must be released. GST has negatively impacted the economy.
  • Opposition is obsessed with criticising the Trinamool. They do not feel proud about Bengal. Look at our achievements in social sector.
  • They blame us for everything. Will they next blame us for cloudy weather or lack of rainfall or if the sun does not come out?
  • Congress is helpless without Trinamool in Parliament. And in Assembly they do not show any courtesy.
  • The Opposition even politicises accidents. What did the previous government do when boats capsized in Kakdwip and Kolaghat?
  • Why were rescue forces not allowed to go near the accident site? Who prevented them?
  • Yesterday’s Union budget was hopeless, flop, bluff budget. Funds have been slashed for National Health Mission. SC/ST welfare has not been looked into.
  • The Centre talks about doubling farmers’ income. We have already done that. Income of farmers in Bengal has increased from Rs 93,000 to Rs 2,39,000 in six years.
  • I would urge the Centre to waive off loans of farmers.
  • I am happy to see the MLAs of Darjeeling present in the House. I will visit Darjeeling on February 6. We want the progress of Hills.
  • We have included 34,000 additional farmers in pension scheme. The pension amount has also been increased.
  • Kanyashree girls are our pride. We have hiked their monthly stipend. We have extended the scheme to university. The scheme has been adjudged the best among 63 nations by the UN.
  • We have given scholarships to 57 lakh SC/ST students. We have distributed 70 lakh cycles. The whole process was carried out by e-tendering.
  • From birth to life – we have schemes for all phases of life. We have introduced a new scheme ‘Ruposree’. Six lakh girls will benefit from the scheme.
  • We have started a new scheme ‘Manobik’ wherein 2 lakh physically challenged people will get monthly pension of Rs 1000.
  • 1.3 lakh farmers have been trained. We have decided to abolish mutation fee for the farmers. We have abolished cess on tea. We have formed a fund of Rs 100 crore for the welfare of tea garden workers.
  • Load Sheddings have become a thing of the past. Has the Left forgotten about the dark days? We are trying to solve the problem of low voltage but sections with vested interests are not allowing a power grid at Bhangor.
  • We have been providing free healthcare for the last two years. We already have Swasthya Sathi insurance scheme. We have Mabhoi scheme for journalists. And Centre has now come up with health insurance scheme.
  • For employment generation, we will set up Silicon Valley Asia in Rajarhat.
  • 108 new Police Stations have been created. Out of proposed 73 Women Police Stations, 48 have already been made functional. Number of departments have been reduced from 63 to 52.
  • NCRB report regarding women trafficking in Bengal was misleading. We have sent a letter to the NCRB asking for a corrigendum to be issued.
  • We will start a pension scheme for journalists from April, 2018. We will soon bring a law to give 10% relief to senior citizens in municipal tax.
  • Trinamool believes in communal harmony. Congress-CPI(M) must remember courts give permission to RSS rallies, not us.



মানুষ বিরোধীদের বয়কট করেছেঃ বিধানসভায় বললেন মুখ্যমন্ত্রী

আজ বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণের ওপর একটি আলোচনার জবাবী ভাষণ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তার বক্তৃতায় তিনি সরকারের প্রধান সাফল্যগুলি তুলে ধরেন। বিরোধীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, কখনো তারা রাজ্যের জন্য গর্ব করেন না।

কেন্দ্রীয় বাজেটের সমালোচনা করে তিনি বলেন যে এটি একটি ফ্লপ-শো ছিল।

তাঁর বক্তব্যের কিছু অংশঃ

  • রাজ্যপালের ভাষণের জন্য তাঁকে আমরা ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
  • শুধু হিংসা করলেই হয় না। বিরোধীরা আমার বক্তৃতার সময় উপস্থিত থাকে না। ওরা সরকারের উত্তর শুনতে ভয় পায়।
  • কেন বাম সরকার আই সি ডি এস ও আশা কর্মীদের মাইনে বাড়ায়নি?কেন্দ্রীয় সরকার এই প্রকল্প বন্ধ করে দিয়েছে। আমি ওদের ১৫০০ টাকা আর্থিক সাহায্য করেছি। এটা কি অপরাধ?
  • রাজ্যকে দেনায় জর্জরিত করেছে সিপিএম। আমরা সেই ঋণের বোঝা বহন করছি। আমাকে সীমিত টাকার মধ্যে কাজ করতে হয়। যে টাকা আমরা ধার করি তার ৪৫% টাকা উন্নয়নের জন্য খরচ করি বাকিটা দেনা শোধ করি।
  • বাংলায় চিরকাল সিপিএম-কংগ্রেস এক। এটা নতুন কিছু নয়। মানুষ ওদের বয়কট করেছে।
  • নোট বাতিলের ফলে কত ক্ষতি হয়েছে? কত কালো টাকা ফেরত এসেছে? আজও অজানা। এখনও এর কোন স্বেতপত্র প্রকাশ করা হয়নি। জিএসটির ফলে অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে।
  • যত তৃণমূল কংগ্রেসের অন্ধ বিরোধিতা করছেন তত মানুষ তাদের দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। বাংলা নিয়ে কখনো ওরা গর্ব করে না। আমাদের আর্থ সামাজিক ক্ষেত্রে বাংলার উন্নতি নিয়ে কথা বলে না।
  • সব কিছুর জন্য ওরা তৃণমূলকে দায়ী করে। শুধু কুৎসা ও অপপ্রচার করে আর টিভিতে ভাষণ দেওয়া ছাড়া আর কোন কাজ নেই। এরপর বলবে রোদ উঠেছে কেন? তৃণমূল জবাব দাও। বৃষ্টি হচ্ছে না কেন? তৃণমূল জবাব দাও। সূর্য উঠছে না কেন? তৃণমূল জবাব দাও। সব কিছুর একটা লিমিত থাকে।
  • মানুষকে অবজ্ঞা করবেন না। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারকে অশ্রদ্ধা করবেন না।
  • দিল্লিতে তৃণমূলকে ছাড়া কংগ্রেসের চলে না, সংসদ চলে না। আর বিধানসভায় আপনারা কি ব্যবহার করেন। শুধু নোংরা কথা বলা আর dirty game খেলা।
  • একটা দুর্ঘটনা ঘটেছে সেটা নিয়েও রাজনীতি করছে বিরোধীরা। কাকদ্বীপ, কোলাঘাটে যখন নৌকাদুবি হয়েছিল আগের সরকার কি ব্যবস্থা নিয়েছিল? কত ক্ষতিপূরণ দিয়েছিল?
  • গতকাল কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করা হয়ছে।এটা একটা হোপলেস, সুপার ফ্লপ, ব্লাফ বাজেট। না ঘরকা না ঘাটকা বাজেট। ১০০ দিনের কাজের টাকা, ন্যাশনাল হেলথ মিশনের টাকা কমিয়ে দিয়েছে। SC/ST দের জন্য টাকা সেভাবে বরাদ্দ করা হয়নি। সংখ্যালঘুদের টাকা ৪০০০ কোটি টাকা থেকে কমিয়ে ১০০০ কোটি টাকা করা হয়েছে।
  • কৃষকদের আয় নাকি দেড় গুণ বাড়ানো হবে। অথচ আমরা ইতিমধ্যেই তাদের আয় আড়াই গুন বাড়িয়ে দিয়েছি। ৯১ হাজার টাকা থেকে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে বার্ষিক ২,৩৯,০০০ টাকা।
  • কেন্দ্রীয় সরকারকে অনুরোধ করব কৃষকদের সব ঋণ মুকুব করে দেওয়ার জন্য।
  • দার্জিলিং এর বিধায়করা এখানে উপস্থিত আমি খুব খুশি, দার্জিলিঙে শান্তি ফিরে এসেছে। আমরা চাই উন্নয়ন হোক। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমি দার্জিলিং যাব।
  • কৃষকদের পেনশন ৭৫০ টাকা থেকে বারিয়ে ১০০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। আরও ৩৪,০০০ কৃষক এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন।
  • কন্যাশ্রী আমাদের গর্ব। ওদের স্কলারশিপ বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়েও এই স্কিম চালু করেছি। ৬৩ টি প্রকল্পের মধ্যে কন্যাশ্রীকে প্রথম পুরস্কার দিয়েছে রাষ্ট্রসংঘ।
  • ৫৭ লক্ষ SC/ST ছাত্রছাত্রীদের স্কলারশিপ দেওয়া হচ্ছে। আমরা ৭০ লক্ষ সবুজ সাথী সাইকেল বিতরণ করেছি। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া হচ্ছে ই-টেন্ডারের মাধ্যমে।
  • জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত আমরা প্রকল্প চালু করেছি। আমরা একটি নতুন প্রকল্প চালু করেছি যার নাম – রূপশ্রী। এর মাধ্যমে ৬ লক্ষ মেয়ে উপকৃত হবে।
  • আরও একটি নতুন প্রকল্প চালু করা হল যার নাম – মানবিক। এর মাধ্যমে ২ লক্ষ প্রতিবন্ধীদের মাসে ১০০০ টাকা করে পেনশন দেওয়া হবে।
  • ১.৩ লক্ষ কৃষকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। কৃষকদের কৃষি জমি মিউটেশন ফি মুকুব করা হয়েছে। আগামী আর্থিক বছরে চা পাতা উৎপাদনের ওপর সেস মকুব করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। কৃষকরা যাতে দ্রব্যের ন্যায্য মূল্য পান সেজন্য বিশেষ তহবিল গঠন করা হবে। এর জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হবে।
  • লোডশেডিং আজ বাংলার ইতিহাস। বাম সরকার সেই সব অন্ধকার দিনগুলি ভুলে গেলেন?আমরা লো ভোল্টেজের সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করছি।
  • গত ২ বছর ধরে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে বাংলায়। ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প চালু হয়েছে। সাংবাদিকদের জন্য মাভৈ প্রকল্প চালু করেছি। কেন্দ্র এতদিন পর স্বাস্থ্য প্রকল্প আনল।
  • কর্মসংস্থানের জন্য আমরা রাজারহাটে সিলিকন ভ্যলি এশিয়া তৈরি করব।
  • আমরা ১০৮ টি নতুন থানা গড়েছি। ৭৩ টি প্রস্তাবিত মহিলা থানার মধ্যে ৪৮ টি কাজ করা শুরু করে দিয়েছে। সরকারী দপ্তরের সংখ্যা ৬৩ থেকে কমিয়ে ৫২ করা হয়েছে।
  • রাজ্যে নারী পাচার নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক রিপোর্ট দিয়েছে NCRB। আমরা ওদের চিঠি দিয়ে বলেছি সংশোধনী আনতে।
  • সাংবাদিকদের জন্য আমরা এপ্রিল থেকে নতুন পেনশন প্রকল্প চালু করব। প্রবীণ নাগরিকদের পুরসভা করে ১০% ছাড় দেওয়া হবে।
  • একতা ও সম্প্রীতি তৃণমূলের চোখের মণি। আরএসএস-এর সভার অনুমতি কোর্ট দেয় আমরা নই এটা সিপিএম কংগ্রেসের মনে রাখা উচিত।

The police need to keep their eyes and ears open: Bengal Chief Minister

Chief Minister Mamata Banerjee, during a speech at a felicitation programme, jointly organisd by the West Bengal Police and the Kolkata Police, at the open-air stage, Uttirna in Kolkata yesterday, exhorted the police force to higher glory. The Chief Minister Mamata Banerjee on Thursday decided to increase the award money for the recipients of Sewa Padak, Prasangsha Padak and Nistha Padak.

She said that the force in Bengal has already achieved a lot, and the Trinamool Congress-led State Government has also done a lot for the force.

Among the infrastructure set up are 108 police stations, of which 80 are women’s police stations, five police commissionerates (with a sixth one almost ready). Eighty-eight fast-track courts have also been set up.

She also criticised the Opposition parties, asking them to bring a certain respectability to their protest programmes. “We also organised a lot of political movements but we didn’t hold the police responsible for everything. Now the prevalent mentality everywhere is to burn and destroy everything”.

She said, “All politicians are not bad, but even a single such can bring a bad name to everyone. We need to change our attitudes”.

She also stressed on learning from one’s mistakes: “Making mistakes is necessary too; it is from mistakes that we learn the correct thing”

She reminded the audience of the role of saviour that the police once played in her life too: “The CPI(M) had tried to kill me at a protest at Hazra crossing on August 16; it was a policeman who had saved me”

She said that her party does not support bandhs anymore.

She reminded the force that “the challenges before the police and the Government have increased manifold”. “Now you have to fight cyber crimes too; just about anyone is trying to create riots through irresponsible comments”

Since “the types of crimes have multiplied”, “the police need to keep their eyes and ears open” to fight them. She described the job of the police force as a “rough and tough job”.

She then spoke on the traffic awareness programme that the State Government has started: “We have started the ‘Safe Drive Save Life’ programme; we have to continue this”.

The Bengal CM re-stressed about the commitment of the State Government to the police: “It is the Government’s responsibility to look after the families of those who work for us”.

She reminded the force that “respect cannot be bought with money”. “The uniform of the police is what gives them respect; the police should walk with the people”.

She also held out the hope that “the Kolkata Police and the Bengal Police will one day show the path to the whole world” because, among other things, they “have done what others could not”.

“We have brought peace to Jangalmahal”. This is a major achievement. She said, “earlier, 400 people used to be killed every year in Jangalmahal, not it is zero – all due to the efforts of the police”

She ended by asking the police personnel to continue with their good work.


পুলিশের দায়িত্ব, চ্যালেঞ্জ অনেক বেড়েছে, তাদের আরও সতর্ক হতে হবেঃ মুখ্যমন্ত্রী

পুলিশ সরকারের সবচেয়ে বড় মুখ তাই কেউ কেউ পুলিশকে টার্গেট করছে। বৃহস্পতিবার কলকাতার আলিপুরে পুলিসের এক অনুষ্ঠানে পুরস্কার বিতরণ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি বলেন, পুলিশের দায়িত্ব, চ্যালেঞ্জ অনেক বেড়ে গেছে। এখন সাইবার ক্রাইমকে মোকাবিলা করতে হয়, যে কেউ এক একটা উক্তি করে দাঙ্গা লাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। ক্রাইমের ধরন বেড়ে গেছে, সব দিকে নজর রেখে পুলিশকে কাজ করতে হবে, আর এটা রাফ অ্যান্ড টাফ জব। পুলিশের পোশাকই তাঁর সম্মান, মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানুষের সাথে চলবেন।

তিনি আরও বলেন, “সব politician খারাপ নয়, একজন খারাপ করলে বাকিদের বদনাম হয়। পুলিশের ক্ষেত্রেও তাই। অজান্তে ভুল হতেই পারে, ভুল থেকেই মানুষ শেখে। ১৬ আগস্ট সিপিএম আমায় হাজরায় মেরে ফেলার চেষ্টা করেছিল, একজন পুলিশ আমায় বাঁচিয়েছিল”।

সরকার সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ চালু করেছে এটা পুলিশকে continue করতে হবে। ১০৮ টি পুলিশ স্টেশন তৈরী হয়েছে, এর মধ্যে ৪০ টি মহিলা থানা। ৮৮ টি ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট তৈরী হয়েছে। ৫ টি পুলিশ কমিশনারেট হয়ে গেছে, ষষ্ঠ টিও (চন্দননগর) অনুমোদন পেয়ে গেছে।

তাঁর বিশ্বাস কলকাতা ও বাংলা পুলিশ সারা বিশ্বকে একদিন পথ দেখাবে। যা অন্যরা করতে পারে না বাংলা তা করে দেখিয়েছে। জঙ্গলমহলে শান্তি ফিরে এসেছে। গত ৫ বছরে জঙ্গলমহলের ১২০০০ মানুষ খুন হয়েছে। আগে জঙ্গলমহলে বছরে ৪০০ লোক খুন হত, এখন তা শূন্য, এটা  পুলিশের কৃতিত্ব।








Bengal’s children’s commission to now look after rights of prisoners’ children

Bengal’s State Commission for Protection of Child Rights is now going to get involved with the care and protection of children of prisoners.

Soon, it will start enquiring after the condition of children of prisoners who are growing up with their mothers inside the prisons. They have already asked for reports from correctional home authorities in Bengal.

The job of the commission is to look after the rights of children, and whether these are being violated in any way. Now it has added prisoners’ children to its list of duties, which is a welcome step.

It would ensure that though these children lead a life unlike most children, they do not suffer from any major disadvantages with regard to education, physical and mental health, diet, etc. it would also try to see whether these children, wherever possible, could be sent to children’s homes.


এবার থেকে জেলবন্দীদের সন্তানদেরও দেখভাল করবে বেঙ্গল চিলড্রেন কমিশন

বেঙ্গলস স্টেট কমিশন ফর প্রোটেকশন অফ চাইল্ড রাইটস এবার থেকে জেলবন্দীদের সন্তানদেরও দেখভাল করবে। জেলের ভিতর যে যে শিশু তাদের মা’দের সঙ্গে বড় হচ্ছে তাদের দেখাশোনা করবে কমিশন। তারা ইতিমধ্যেই সংশোধনাগারে এই বিষয়ে রিপোর্ট দাবি করেছে।

কমিশনের কাজ শিশুদের অধিকার রক্ষা করা। তারা এবার জেলের বন্দীদের শিশুদের অধিকারও রক্ষা করবে।

যদিও এই শিশুরা আর পাঁচটা শিশুর মতো জীবন পায়নি, তাও কমিশন চেষ্টা করবে এই শিশুরা যেন শিক্ষা, শারীরিক, মানসিক ভাবে কোনও বাধার সম্মুখীন না হয়। পরে সম্ভব হলে, এই শিশুদের হোম-এ পাঠাবার চেষ্টাও করা হবে।



Trinamool spoke up for the people in Parliament, be it the interest rate cut for small savings or the GST Bill

This was an eventful week for Trinamool Congress. On April 5, Trinamool MPs protested outside Parliament against the cut in interest rates for small savings schemes, which has affected a lot of people in the country. Trinamool Congress put forth its views on this issue in the two Houses of Parliament too. The party also moved two Amendments on the GST Bill.


April 5, 2017

Saugata Roy spoke on the issue of interest rate cut for small savings schemes.
Saugata Roy spoke on The Footwear Design and Development Institute Bill, 2017.

April 6, 2017

Kalyan Banerjee spoke on The Taxation Laws (Amendment) Bill, 2017.

Question Hour
Kalyan Banerjee asked a Supplementary Question on tidal wave energy.

April 7, 2017

Arpita Ghosh spoke on The Motor Vehicles (Amendment) Bill, 2016.
Ratna De Nag spoke on The Motor Vehicles (Amendment) Bill, 2016.

Question Hour
Arpita Ghosh asked a Supplementary Question on remuneration for Anganwadi workers.
Ratna De Nag asked a Supplementary Question on miscarriages.



April 5, 2017

Derek O’Brien spoke on the GST Bill.

April 6, 2017

Nadimul Haque spoke on the interest rate cut for small savings schemes.
Sukhendu Sekhar Roy spoke on the GST Bill.
Derek O’Brien moved Amendments on the GST Bill.

Special Mention
Ahamed Hassan made a Special Mention on the World Bank’s appreciation of the panchayat system of Bengal.

April 7, 2017

Zero Hour
Vivek Gupta made a Zero Hour mention on the delay in the delivery of passports.
Ahamed Hassan made a Zero Hour mention seeking the Centre’s help in combating wheat blast disease in Bengal.

Question Hour
Sukhendu Sekhar Roy asked a Supplementary Question on the speed limits trains passing through the elephant corridors in north Bengal need to maintain.
Manish Gupta asked a Supplementary Question on the dignity of the railway system getting affected by random advertisements.

Thus it was an eventful week for the party in both the Lok Sabha and the Rajya Sabha.

Mamata Banerjee says allegations of EVM tampering must be probed

Bengal Chief Minister Mamata Banerjee on Monday demanded a probe into the alleged tampering of EVMs in the recently-concluded assembly elections.

“You can’t win elections every time by hijacking EVMs. I didn’t contest but had I done so, I would have counted from one to ten. Those who had contested the elections, should have demanded a probe,” she said.

“I think there should be a probe. Even the ones that were used in the polls, they should be subjected to a sample survey,” Mamata Banerjee said at a public rally in Kharagpur.

The Trinamool Congress Chairperson also slammed the central government’s decision to lower the interest rate in small savings scheme by 0.1 percent. “This is why chit funds flourish. There are no chit funds in our regime. One day CPI-M, Congress and BJP will have to answer for them,” she said.


ইভিএম কারচুপির অভিযোগের তদন্ত হোক, চান মুখ্যমন্ত্রী

সোমবার খড়্গপুরের এক জনসভায় ইভিএম কারচুপির অভিযোগের তদন্ত চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

“ইভিএম কারচুপি করে সব সময় জিততে পারবে না বিজেপি। আমি (উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে) লড়িনি। যারা লড়েছে তাদের আগেই তদন্ত চাওয়া উচিত ছিল,” তিনি বলেন।

“আমার মনে হয় তদন্ত হয় উচিত,” বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিন, স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পর সুদের হার কমিয়ে দেওয়ায় কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন এর ফলে চিট ফান্ড বাড়বে। “আমাদের সময় কোনও চিট ফান্ড তৈরী হয়নি। সিপিএম, বিজেপি, কংগ্রেসকে মানুষের কাছে জবাব দিতে হবে,” বলেন তিনি।

Cooch Behar: Big gains in the past five years

As experienced in the rest of West Bengal, there has been unprecedented development in Cooch Behar district over the last five years. In the last four-and-a-half years, 95% of the people of the district have been brought under the ambit of various government schemes.

The much-awaited interchange of Chhitmahal enclaves between India and Bangladesh was a result of the treaty signed between the two countries on June 6, 2015 during the visit of Mamata Banerjee to Bangladesh. On July 31, 2015, India acquired 51 Chhitmahal territories, which were made a part of Cooch Behar. In exchange, Bangladesh received 111 Chhitmahal territories. As a result of this treaty, the population of Cooch Behar has gone up by 15,768.



For the benefit of the people of North Bengal, a branch secretariat of the State Government has been established in North Bengal, named Uttarkanya. Along with other departments, pension, provident fund and group insurance branch offices too have started operations here. As a result of this, the entire population of North Bengal do not have to travel to Kolkata any more. The Government now extends services to the people faster than ever before.


Health and family welfare

  • 2 medical colleges established
  • 6 fair-price medicine shops (FPMS) started, as a result of which more than 1.3 lakh people have benefitted to the tune of Rs 3.19 crore
  • Dialysis unit started at MJN Hospital
  • 12 sick newborn stabilisation units (SNSU) operating across 9 block hospitals and 3 sub-divisional hospitals
  • 1 sick newborn care unit (SNCU) started at MJN Sadar hospital
  • 1 critical care unit (CCU) with 12 beds already operating, as is the Antiretroviral Therapy (ART) Centre
  • High-dependency units (HDU) started in sub-divisional hospitals in Mathabhanga and Dinhata
  • 8 block primary health centres (BPHCs) upgraded



  • Cooch Behar Panchanan Barma University has started
  • Government engineering college set up in Harinchaura
  • Construction of colleges in Ghoksadanga and Nishiganj completed
  • Colleges in Dewanhat and Bakshiganj upgraded
  • Industrial training institute (ITI) cnstructed in Mekhliganj
  • Tufanganj Polytechnic College has started classes
  • Classes started from April 2014 in Sitalkuchi Model School
  • 21 primary schools and 310 upper primary schools set up
  • 5 primary schools upgraded to upper primary level and 43 secondary schools to higher secondary
  • Mid-day meals being provided in all schools in the district
  • Separate toilets constructed for boys and girls in every school in the district
  • Agriculture, Land Reforms, Fisheries, Animal Resources Development
  • More than 9,000 landless families given patta under Nijo Griha Nijo Bhumi (NGNB) Scheme,
  • Kisan Credit Cards (KCC) distributed to almost 100% of farmers
  • 8 Kisan Mandis being set up
  • Animal Resources Development Department has distributed more than 6 lakh ducklings and chickens among self-help groups for rearing
  • Panchayat and Rural Development
  • 100 Days’ Work Scheme: Rs 642 crore spent to create 3.67 crore man-days
  • 312 km of rural roads built
  • Around 43,000 Indira Awaas Yojana homes built
  • Almost 1.91 lakh toilets built under Mission Nirmal Bangla


Minorities Development

  • 2.71 lakh minority students handed out scholarships worth almost Rs 41 crore
  • Rs 22 crore worth of loans provided to minority youths for self-employment purposes
  • Rs 100 crore spent on Multi-sectoral Development Programme (MSDP) for the development of minorities
  • Projects worth Rs 10.6 crore for students’ hostels
  • Backward Classes and Adivasi Development
  • More than 97,000 students getting benefit under the Sikshashree Scheme
  • About 1.87 lakh SC/ST/OBC certificates handed over


Women and Child Welfare

  • Almost 1.5 lakh girl students brought under the Kanyashree Scheme
  • Malnourished children being provided with nutritious food


Food Security

  • More than 21 lakh people getting foodgrains at Rs 2 per kg



  • Cooch Behar Industrial Growth Centre built on 130 acres at an investment of Rs 116 crore
  • Chakchaka Jute Park has come up on 33 acres
  • 5 micro, small and medium enterprise (MSME) clusters and 2 handloom clusters set up
  • Rs 2,000 crore worth of bank loans provided
  • 35,000 handicraft workers given identity cards and 52 handicraft workers given loans worth Rs 11 lakh


PWD and Transport

  • 114 projects for roads, bridges, etc., worth Rs 388 crore, completed, benefitting 10 lakh people
  • 570 km roads completed/re-built/widened
  • Teesta Bridge project, worth Rs 422 crore, is underway in Haldibari and Mekhliganj blocks, which, when completed, will cut down the travel distance between Haldibari and Mekhliganj from 85 km to 15 km



  • Under the Sobar Ghore Alo Project, 100% rural electrification is near completion
  • Bamanhat power sub-station already commissioned
  • Mathabhanga sub-station to be commissioned



  • Irrigation dam conservation work of 86 km completed
  • Asphalt roads being laid on the Teesta dam in Haldibari block and on the Rakshakari dam at a cost of Rs 12 crore
  • Water Resources Investigation and Development Department, during 2014-15, built 413 diesel-powered irrigation projects having tube-wells, 42 electricity-powered irrigation projects and 2 electricity-powered projects of medium capacity


Public Health Engineering

  • 71 drinking water projects worth Rs 106 crore have been undertaken, benefitting 4 lakh people



  • An eco-tourism and picnic spot, centred around the Dumduma Jheel in Bhogrampur in Mathabhanga-I block, is near completion



  • About 1.53 lakh unorganised workers registered under State-Assisted Scheme of Provident Fund for Unorganised Workers (SASPFUW)
  • About 79,000 lakh construction workers registered under Building and Other Construction Workers Welfare Act (BOCWA).
  • Similarly more than 10,000 transport workers registered under West Bengal Transport Workers’ Social Security Scheme (WBTWSSS)


Self-Help Groups and Schemes

  • Under the Anandadhara Scheme, around 5,000 self-help groups (SHGs) have been set up
  • Under the Swami Vivekananda Swanirbhar Karmasuchi, more than 7,500 projects, worth Rs 37 crore, have been sanctioned
  • Vocational training for making jute products, garments, etc being provided to 300 self-help groups comprising women
  • Under the Anandadhara Scheme, executive committees formed comprising groups skilled in processing jute products and dry foods; these have formed agreements with organisations like CII, FICCI, CINI and SIT for the sale of good produced by them


Urban Development

  • The six municipalities of Cooch Behar district spent more than Rs 135 crore on various projects
  • More than 2,500 homes built for the urban poor


Information and Broadcasting

  • Around 2,000 folk artistes getting retainer fees and pensions



  • More than 7,000 homes being built under Gitanjali and other schemes


Sports and Youth Affairs

  • Rs 74 lakh provided for building 37 multi-gym centres
  • The renovation work of Rajbati Stadium (phase-I) has been completed and a basketball court has also been built



  • Cooch Behar Women Police Station has been formed


The government has continuously been executing development projects for the betterment of Cooch Behar district, and the result is there for all to see.


কোচবিহার জেলায় উন্নয়ন এক নজরে

ঐতিহাসিক ছিটমহল হস্তান্তর:

২০১৫ সালের জুন মাসের ৬ তারিখে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরের সময় যে ভারত-বাংলাদেশ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল তারই ফলশ্রুতি স্বরূপ সম্পন্ন হয়েছে বহু কাঙ্খিত ভারত-বাংলাদেশ ছিটমহল  হস্তান্তর।


সমগ্র উত্তরবঙ্গের মানুষের সুবিধার্থে উত্তরবঙ্গে আমরা স্থাপন করেছি রাজ্য সরকারের শাখা সচিবালয়- উত্তরকন্যা। এর দরুন সমগ্র উত্তরবঙ্গের মানুষজনকে আজ আর সরকারি কাজের জন্য কলকাতায় ছুটে যেতে হয় না। সরকারি কাজ ও পরিষেবা মানুষের কাছে আরও দ্রুততার সাথে পৌছে যাচ্ছে।

রাজ্য ও অন্যান্য জেলার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিগত সাড়ে চার বছর সময়কালে অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটেছে এই কোচবিহার জেলায়। এই জেলায় বিগত সাড়ে চার বছরে ৯৫ শতাংশ মানুষের কাছে বিভিন্ন সরকারী প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়া গেছে।

স্বাস্থ্য পরিবার কল্যান:

কোচবিহারে তৈরী হচ্ছে ২টি নতুন মেডিকেল কলেজ।

৬টি ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকান খওগ সদর হাসপাতালে,দিনহাটা, মাথাভাঙ্গা, তুফানগঞ্জ, সিতাই ও মেখলিগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে গড়ে তোলা হয়েছে।

৯টি আরষদয হাসপাতাল ও ৩টি মহকুমা হাসপাতাল মিলে মোট ১২টি SNSU চালু হয়েছে।


কোচবিহার পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন হয়ে, পঠনপাঠনও শুরু হয়ে গেছে।

হরিণচাওড়াতে সরকারী উশফভশননক্ষভশফ ইষররনফন নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে, আগামী শিক্ষা বর্ষ থেকে পঠন পাঠন শুরু হবে।

মেখলিগঞ্জ ব্লকের আই.টি.আই কলেজের কাজ সমাপ্ত হয়েছে।

তুফানগঞ্জ পলিটেকনিক কলেজের ক্লাস শুরু হয়ে গেছে।

বিগত সাড়ে ৪ বছরে জেলায় নতুন ২১টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৩১০টি উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয় গড়ে তোলা হয়েছে।

পাশাপাশি ৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয় স্তরে এবং ৪৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্তরে উন্নীত করা হয়েছে।

সব স্কুলে মিড-ডে-মিল চলছে যার ফলে পুষ্টি এবং উপস্থিতির হার বেড়েছে এবং স্কুল ছুট ছাত্রের সংখ্যা কমেছে।

প্রতিটি বিদ্যালয়ে ছেলে ও মেয়েদের জন্যে পৃথক শৌচাগার নির্মিত হয়েছে।

ভূমি সংস্কার, কৃষি পশুপালন

নিজ গৃহ নিজ ভূমি প্রকল্প:  উক্ত প্রকল্পে অদ্যাবধি ৯ হাজারেরও বেশি ভূমিহীণ পরিবারকে মোট ৩৮৭.৫৭ একর জমির পাট্টা প্রদান করা হয়েছে।

জেলার প্রায় ১০০% কৃষকদের কিষান ক্রেডিট কার্ড- প্রদান করা হয়েছে।

জেলায় ৮টি কিষাণ মান্ডি গড়ে তোলা হচ্ছে। এরমধ্যে তুফানগঞ্জ-১, মাথাভাঙ্গা-২ ও শীতলকুচি ব্লকে ৩টি কিষাণ মান্ডির কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে।

পঞ্চায়েত গ্রামোন্নয়ন:

বিগত সাড়ে চার বছরে ১০০ দিনের কাজে ৬৪২ কোটি টাকা ব্যয় করে ৩ কোটি ৬৭ লক্ষ শ্রম দিবস সৃষ্টি হয়েছে।

গ্রামীণ সড়ক যোজনায় ৩১২ কি. মি. রাস্তা নির্মিত হয়ে গেছে। গত সাড়ে ৪ বছরে জেলায় প্রায় ৪৩ হাজার ইন্দিরা আবাসন ঘর করা হয়েছে।

জেলায় মিশন নির্মল বাংলা প্রকল্পে প্রায় ১ লক্ষ ৯১ হাজার শৌচালয় নির্মাণ সম্পূর্ণ হয়েছে।

সংখ্যালঘু উন্নয়ন:

জেলায় বিগত সাড়ে ৪ বছরে, প্রায় ২ লক্ষ ৭১ হাজার সংখ্যালঘু ছাত্র-ছাত্রীকে প্রায় ৪১ কোটি টাকা স্কলারশিপ প্রদান করা হয়েছে।

স্বনির্ভরতার জন্য সংখ্যালঘু যুবক-যুবতীদের প্রায় ২২ কোটি টাকা ঋণ প্রদান করা হয়েছে।

২টি ছাত্রাবাস নির্মিত হয়েছে এবং ৯টির নির্মানকার্য সম্পন্ন হওয়ার মুখে যার বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমান ১০ কোটি ৬০ লক্ষ ৫১ হাজার টাকা।

কোচবিহার শহরে একটি কেন্দ্রীয় ছাত্রীনিবাস নির্মিত হয়েছে যার বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমান ২ কোটি ৩১ লক্ষ টাকা।

অনগ্রসর কল্যাণ আদিবাসী উন্নয়:

৯৭ হাজারেরও বেশি ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষাশ্রী প্রকল্পে সহায়তা পাচ্ছে।

বিগত সাড়ে ৪ বছরে প্রায় ১ লক্ষ ৮৭ হাজারেরও বেশি জাতি শংসাপত্র প্রদান করা হয়েছে।

নারী শিশু উন্নয়ন:

জেলায় প্রায় দেড় লক্ষ ছাত্রী কন্যাশ্রীর আওতায় এসেছে।

১লা মে, ২০১৫ থেকে গুরুতররূপে অপুষ্ট শিশুদের পুষ্টিখাদ্য দেওয়া শুরু হয়েছে।

খাদ্য সুরক্ষা কর্মসূচী:

জেলায় সাড়ে ২১ লক্ষেরও মানুষ ২/- টাকা কেজি দরে খাদ্যশস্য পাচ্ছেন।



জেলায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ৫টি এবং হস্তচালিত তাঁতের ২টি ক্লাস্টার স্থাপন করা হয়েছে যার মাধ্যমে প্রচুর মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।

ক্ষুদ্র শিল্পের ক্ষেত্রে বিগত সাড়ে চার বছরে এই জেলায় প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা ব্যাঙ্ক ঋণ প্রদান করা হয়েছে।

কোচবিহার জেলায় এখন অবধি ৩৫ হাজার হস্তশিল্পীদের পরিচয় পত্র প্রদান করা হয়েছে। ৫২ জন হস্তশিল্পীদের ১১ লক্ষ টাকা ঋন দেওয়া হয়েছে।

পূর্ত পরিবহন:

জেলার সড়ক ব্যবস্থা উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জেলায় বিগত সাড়ে চার বছরে ৫৭০ কিমি রাস্তা নির্মাণ/পুর্ননির্মাণ/সম্প্রসারণ ও উন্নীতকরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

এই জেলায় তিস্তানদীর উপরে বৃহত্তম সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। ৪২২ কোটি টাকা ব্যয়ে, হলদিবাড়ি ও মেখলিগঞ্জ ব্লকের মধ্যে, সাড়ে ৫ কি.মি. দীর্ঘ এই সেতুটি নির্মিত হবে।

বিদ্যুৎ অচিরাচরিত শক্তি:

সমগ্র কোচবিহার জেলায় সবার ঘরে আলো প্রকল্পে ১০০% গ্রামীণ বৈদ্যুতিকরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

মাথাভাঙ্গা সাব-ষ্টেশন তৈরি হয়ে গেছে।


৮৬ কিমি দৈর্ঘ্যের বাঁধ সংরক্ষণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে হলদিবাড়ি ব্লকে তিস্তা নদীর বাঁধের উপর ও কোচবিহার জেলার শহর রক্ষাকারী নদীবাঁধের উপর সাড়ে ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে পিচ রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য কারিগরী:

বিগত সাড়ে চার বছরে ৭১টি জলপ্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে, এর মধ্যে প্রায় ১০৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩৭টির কাজ সমাপ্ত হয়েছে। এর ফলে জেলার প্রায় ৪ লক্ষ মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। বাকী ৯টি জলপ্রকল্পের কাজ আগামী মে মাসের মধ্যে সমাপ্ত হবে।


মাথাভাঙ্গা ১ ব্লকের ভোগরামপুরে দমদম ঝিল কে কেন্দ্র করে ইকো টুরিজ্‌ম এবং পিকনিক স্পট তৈরীর কাজ শেষের পথে। আনুমানিক পরিকল্পনা ব্যয় ৪ কোটি ৬৯ লক্ষ টাকা।

প্রায় ২৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত রসিকবিল মিনি চিড়িয়াখানায় একটি পক্ষিশালার শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

স্বনির্ভর দল স্বনিযুক্তি কর্মসূচী:

আনন্দধারা প্রকল্পে প্রায় ৫ হাজার স্বনির্ভর দল গঠিত হয়েছে।

বিগত সাড়ে চার বছরে স্বামী বিবেকানন্দ স্বনির্ভর কর্মসূচী প্রকল্পে সাড়ে ৭  হাজারেরও  বেশি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং প্রায় ৩৭ কোটি টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

জেলায় বিভিন্ন দপ্তরের মোট ৫টি কর্মতীর্থ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল, যার মধ্যে ইতিমধ্যেই মাথাভাঙ্গা-১ ব্লকে ১টির কাজ সমাপ্ত হয়েছে, বাকী গুলির কাজ চলছে।

পুর নগরোন্নয়ণ:

বর্তমানে কোচবিহার জেলায় ৬টি মিউনিসিপ্যালিটি বিগত সাড়ে চার বছরে প্রায় ১৩৫কোটি টাকার ও বেশি পরিকল্পনা খাতে ব্যয় করেছে। শহরাঞ্চলে গরীবদের জন্যে আড়াই হাজারেরও বেশি বাসস্থান নির্মিত হয়েছে।

তথ্য সংস্কৃতি:

বর্তমানে কোচবিহার জেলায় প্রায় ২ হাজার লোকশিল্পী রিটেনার ফি ও পেনশন পাচ্ছেন। আরও প্রায় ৬০০ লোকশিল্পী রিটেনার ফি ও পেনশন পেতে চলেছেন।


জেলায় আর্থিক ভাবে দুর্বল মানুষদের জন্যে গীতাঞ্জলী ও অন্যান্য প্রকল্পে ৭ হাজারের বেশি বাসস্থান নির্মিত হচ্ছে, এর মধ্যে ৩ হাজারের বেশি বাসস্থানের নির্মাণ কাজ ইতিমধ্যেই সমাপ্ত হয়ে গেছে। আরও ৪ হাজার বাসস্থান নির্মাণ আগামী মে মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে।

ক্রীড়া যুব কল্যাণ:

ক্রীড়ার মান উন্নয়নে কোচবিহার জেলায় মোট ১৪৯টি ক্লাবকে অর্থ সাহায্য করা হয়েছে।

জেলায় ৩৭টি মাল্টি জিম সেন্টার গড়ে তুলতে ৭৪ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়েছে।


কোচবিহার জেলায় নতুন থানা হিসাবে, কোচবিহার মহিলা থানা স্থাপন করা হয়েছে।

উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন:-

কোচবিহার জেলায় উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর অনেকগুলি কাজ করছে, তার মধ্যে অন্যতম হল :- বক্সিরহাট, ঘোকষাডাঙা, দেওয়ানহাট ও নিশিগঞ্জ কলেজ ভবন নির্মাণ, মানসী নদীর পাড় বাঁধাই, কাপাইডাঙা থেকে বোচামারি পর্য্যন্ত রাস্তা নির্মাণ , পঞ্চানন বর্মা ইউনিভারসিটি নির্মাণ, মাথাভাঙায় নতুন পলিটেকনিক নির্মাণ, হরিণচাওড়ায় কোচবিহার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ নির্মাণ, কালজানি নদীর উপর সেতু নির্মাণ , ভোগরামপুরে ইকো-ট্যুরিজিম ও পিকনিক স্পট নির্মাণ, শালবাড়ি-তে মারা রাইডাক নদীর উপর  সেতু নির্মাণ, অত্যাধুনিক বাতানকুল অডিটোরিয়াম নির্মাণ।



Purba Medinipur: Surging ahead

In the last five years, East Medinipur has seen a surge of development, keeping up with other districts in Bengal. Around 85% of the people in the district are getting aid from government schemes.




Health and Family Welfare

  • Nandigram will be developed as a separate district
  • Four Fair Price Medicine Shops have been opened in Kanthi, tamluk, haldia and Egra. This has benefitted more than five and a half crore people in the district with a discount of Rs 11.58 crore
  • Fair Price Diagnostic Centre started in Tamluk district hospital
  • Two SNCUs opened in Tamluk and Egra hospital
  • 20 SNSUs have opened in the district. CCU opened in Tamluk district hospital
  • Multi super-specialty hospital opened in Panskura



  • A new building has been erected in Shahid Matangini Hazra Women’s College
  • Two ITIs established in Egra-1 and Kathi-2 blocks
  • Kolkaghat Polytechnic is operational
  • More than 1.55 lakh students have received bicycles under Sabuj Sathi Scheme
  • 12 primary schools and 342 upper primary schools have been established in the last five years
  • 47 primary schools have been upgraded to upper primary schools and 157 secondary schools have been upgraded to higher secondary schools
  • Mid-day meals in all schools have led to the children becoming healthier and has reduced the number of absentees


Agriculture and Animal Husbandry

  • Around 6.20 lakh (97%) farmers have received Kisan Credit Cards
  • Five farmers’ markets established in Panskura-1, Nandigram, Bhagwanpur-2, and Patashpur-1A blocks
  • More than 9,000 landless families have been awarded NGNB patta
  • Due to the work done by the Fisheries department, more than 30 thousand fishermen have benefitted
  • The Animal Husbandry department has distributed more than 13.5 lakh chieckens and ducklings


Panchayat and Rural Development

  • In the last four-and-a-half years, more than Rs 1400 crore have been spent to create 6 crore man days under 100 days work
  • Under rural road scheme 312 km of roads have been constructed
  • More than 78,000 houses have been built under Indira Awaas Yojana
  • Under Mission Nirmal Bangla, around 1.40 lakh toilets have been built


Minority Welfare

  • More than 2 lakh students from minority classes have received scholarships worth Rs 30 crore
  • Around Rs 14 crore have been given to youth from minority classes to help them become self-sustained
  • More than Rs 5 crore has been spent under various MSDP schemes for development of the minority community
  • Karma Tirthas are being developed in Panskura-1, Panskura-2, Patashpur-2, and Sutahata-1 blocks


Backward Classes Welfare and Adivasi Development

  • Almost 47,000 students receiving assistance under the Sikshashree Scheme
  • Around 1.44 lakh SC/ST/OBC certificates have been given out


Women and Child Development

  • 2.25 lakh students are receiving aid under the Kanyashree Scheme


Khadya Sathi

  • More than 38 lakh people in the district are getting foodgrains at Rs. 2 per kg



  • An Industrial Growth Centre is being set up in Haldia on more than 10 acres of land, which will bring employment to more than three thousand people
  • 25 clusters have been set up in the district to aid micro, small and medium enterprises
  • Industrial Estate established in Haldia


PWD and Transport

  • Digha-Kolkata helicopter service has started
  • The PWD Department has taken up 130 projects out of which 94 have been completed at a cost of Rs 256 crore
  • More than 578 km of roads constructed/repaired/renovated



  • 100% electrification of rural areas under the Shobar Ghore Alo Scheme



  • 234 km of irrigation dams have been renovated
  • Kalaghai-Kapaleshwari-Bagai canal renovated at a cost of Rs 650 crore
  • 7.5 km of the Digha-Shankarpur beach has been beautified


Public Health Engineering

  • 66 drinking water-related projects taken up, out which 30 have been completed at a total cost of Rs 103 crore



  • Digha Gate has been constructed in a record time of just 18 months at a cost of Rs 6.5 crore
  • Watch towers set up in Didha, Shankarpur, Tajpur, and Mandarmani



  • Around 6.21 lakh unorganised workers receiving assistance under State-Assisted Scheme of Provident Fund for Unorganised Workers
  • More than 22,000 transport workers registered under West Bengal Transport Workers’ Social Security Scheme
  • More than 3,000 youth receiving assistance under Yuvashree Scheme


Self-Help Groups

  • 7,400 self help groups created under Anandadhara Scheme
  • A total of 13 Karma Tirthas established in the district


Urban Development

  • Rs 175 crore have been spent on various schemes in five municipalities


Information and Culture

  • More than 5000 artistes are getting a retainer fee and pension at present


In the last five years, the Trinamool Congress Government has ensured developments in all areas across all districts. Projects have been completed covering all departments of the administration.


পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় উন্নয়ন এক নজরে

রাজ্য ও অন্যান্য জেলার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিগত সাড়ে চার বছর সময়কালে অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটেছে এই পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়।এই জেলায় বিগত সাড়ে চার বছরে ৮৫ শতাংশ মানুষের কাছে বিভিন্ন সরকারী প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়া গেছে।

স্বাস্থ্য পরিবার কল্যান :

নন্দীগ্রামকে পৃথক স্বাস্থ্য জেলা হিসাবে গড়ে তোলা হয়েছে ।

কাঁথি, তমলুক, হলদিয়া ও এগরা হাসপাতালে ৪টি ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকান চালু হয়ে গেছে। দীঘা মহকুমা হাসপাতালে একটি ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকান খুব শীঘ্রই চালু হয়ে যাবে।

জেলার এই সকল ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকান থেকে ওষুধ কেনার ফলে সাড়ে ৫ লক্ষের বেশি মানুষ ১১ কোটি ৫৮ লক্ষ টাকার ছাড় পেয়েছেন।

তমলুক জেলা হাসপাতালে ন্যায্য মূল্যের ডায়াগনস্টিক কেন্দ্র চালু হয়ে গেছে।

তমলুক ও এগরা হাসপাতালে ২টি SNCU চালু হয়ে গেছে।

জেলায় ২০টি SNSU চালু হয়ে গেছে।

তমলুক জেলা হাসপাতালে একটি ইইঞ চালু হয়ে গেছে।

পাঁশকুড়ায় একটি নতুন মাল্টি-সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল চালু হয়ে গেছে।

তমলুক জেলা হাসপাতালে একটি নার্সিং ট্রেনিং স্কুল নির্মিত হচ্ছে।

শিক্ষা :

শহীদ মাতঙ্গিনী হাজরা মহিলা কলেজের নতুন ভবন নির্মিত হয়েছে এবংপঠন-পাঠন শুরু হয়ে গেছে।

এগরা-১ ও কাঁথি-২ (দেশপ্রাণ) ব্লকে ২টি নতুন আইটি আই নির্মান সম্পূর্ণ হয়েছে।

পাশাপাশি কাঁথি-৩, নন্দীগ্রাম-১ ও মহিষাদল ব্লকে ৩টি নতুন আইটি আই গড়ে তোলা হচ্ছে। খেজুরি, রামনগর-১ ও চন্ডীপুরে আইটি আই গড়ে তোলা হবে।

কোলাঘাট পলিটেকনিক চালু হয়ে গেছে।

এই জেলায় প্রায় ১ লক্ষ ৫৫ হাজার ছাত্র-ছাত্রীকে সবুজসাথী প্রকল্পে সাইকেল প্রদান করা হয়েছে।

বিগত সাড়ে ৪ বছরে জেলায় নতুন ১২টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৩৪২টি উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয় গড়ে তোলা হয়েছে।

সব স্কুলে মিড-ডে-মিল চলছে যার ফলে পুষ্টি এবং উপস্থিতির হার বেড়েছে এবং স্কুল ছুট ছাত্রের সংখ্যা কমেছে।

প্রতিটি বিদ্যালয়ে ছেলে ও মেয়েদের জন্যে পৃথক শৌচাগার নির্মিত হয়েছে।

কৃষি, ভূমি সংস্কার,মৎস্য পশুপালন :

এই জেলার প্রায় ৬ লক্ষ ২০ হাজার (৯৭%) কৃষিজিবী পরিবারের হাতে কিষাণ ক্রেডিট কার্ড তুলে দেওয়া হয়েছে।

বিগত সাড়ে ৪ বছরে, ৯ হাজারেরও বেশি ভূমিহীন পরিবারকে পাট্টা প্রদান করা হয়েছে।

পঞ্চায়েত গ্রামোন্নয়ন :

বিগত সাড়ে চার বছরে ১০০ দিনের কাজে প্রায় ১৪০০ কোটি টাকা ব্যয় করে প্রায় ৬ কোটি শ্রম দিবস সৃষ্টি হয়েছে।

গ্রামীণ সড়ক যোজনায় ৩১২ কিমি রাস্তা নির্মিত হয়ে গেছে।

গত সাড়ে ৪ বছরে জেলায় ৭৮ হাজারেরও বেশি ইন্দিরা আবাসন ঘর করা হয়েছে।

জেলায় মিশন নির্মল বাংলা প্রকল্পে বিগত সাড়ে চার বছরে প্রায় ১ লক্ষ ৪০ হাজার শৌচালয় নির্মান সম্পূণ হয়েছে।

সংখ্যালঘু উন্নয়ন:

বিগত সাড়ে ৪ বছরে, ২ লক্ষেরও বেশি সংখ্যালঘু ছাত্র-ছাত্রীকে প্রায় ৩০ কোটি টাকা স্কলারশিপ প্রদান করা হয়েছে। আরও প্রায় ৫৫ হাজার ছাত্রছাত্রী আগামী মে মাসের মধ্যে স্কলারশিপ পেতে চলেছে।

এছাড়া স্বনির্ভরতার জন্য সংখ্যালঘু যুবক-যুবতীদের প্রায় ১৪ কোটি টাকা ঋণ প্রদান করা হয়েছে। আরও ৪ কোটি টাকা ঋণ প্রদান করা হবে আগামী মে মাসের মধ্যে।

খজঈঙ-তে ৫ কোটি টাকা ব্যয় করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উন্নয়নে  বিবিধ প্রকল্প রূপায়িত করা হয়েছে।

পাঁশকুড়া-১, পাঁশকুড়া-২, পটাশপুর-২ ও সূতাহাটা-১ কর্মতীর্থ নির্মাণের কাজ চলছে।

অনগ্রসর কল্যান আদিবাসী উন্নয়ন:

প্রায় ৪৭ হাজার ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষাশ্রী প্রকল্পে সহায়তা পাচ্ছে।

বিগত সাড়ে ৪ বছরে, প্রায় ১ লক্ষ ৪৪ হাজার জাতি শংসাপত্র প্রদান করা হয়েছে।

নারী শিশু উন্নয়ন:

পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ২ লক্ষ ২৫ হাজার ছাত্রী কন্যাশ্রী প্রকল্পে সুবিধা পাচ্ছে।

খাদ্য সুরক্ষা কর্মসূচী – খাদ্য সাথী:

জেলায় প্রায় ৩৮ লক্ষ মানুষ ২/- টাকা কেজি দরে খাদ্যশস্য পাচ্ছেন।


জেলায় ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগের ২৫টি ক্লাস্টার গড়ে তোলা হয়েছে। এর ফলে প্রায় ৬০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সুনিশ্চিত করা গেছে।

হলদিয়াতে ১টি শিল্প তালুক গড়ে তোলা হয়েছে।

ক্ষুদ্র শিল্পের ক্ষেত্রে বিগত সাড়ে চার বছরে এই জেলায় ৪৫৩০ কোটি ব্যাঙ্ক ঋণ প্রদান করা হয়েছে, আগামী বছর মে মাসের মধ্যে আরও অতিরিক্ত ৬৬০ কোটি ব্যাঙ্ক ঋণ দেওয়া হবে।

পূর্ত পরিবহন :

যাত্রী সুবিধার্থে কলকাতা-দীঘা হেলিকপ্টার পরিষেবা চালু হয়ে গেছে।

বিগত সাড়ে চার বছরে এই জেলায় পূর্ত দপ্তর ১৩০টি প্রকল্প রূপায়ণের কাজ হাতে নিয়েছে, যার মধ্যে ৯৪টি প্রকল্পের কাজ প্রায় ২৫৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ইতিমধ্যেই সমাপ্ত হয়েছে।

জেলায় বিগত সাড়ে চার বছরে ৫৭৪ কিমি রাস্তা নির্মান/পুর্ননির্মান/সম্প্রসারণ ও উন্নীতকরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

বিদ্যুঅচিরাচরিত শক্তি:

সমগ্র পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় জ্ঞসবার ঘরে আলোঞ্চ প্রকল্পে ১০০% গ্রামীণ বৈদ্যুতিকরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।


২৩৪ কিমি দৈর্ঘ্যের বাঁধ সংরক্ষণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

পাঁশকুড়া-১ ও ২ ব্লক সহ পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মোট ১২টি ব্লকে বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান অনুমোদিত হয়েছে।

দীঘা-শঙ্করপুর সৈকতে ১০.৫ কিমি সমুদ্র ভাঙ্গন প্রতিরোধ ও ৭.৫ কিমি সৌন্দর্যায়ন প্রকল্প রূপায়িত হয়েছে। এই প্রকল্প রূপায়িত হওয়ার ফলে পর্যটকদের কাছে দীঘার আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ময়না ব্লকের চন্ডিকা নদীর উপরে এজমালিচক ও শ্রীধরপুরে ২টি সেতু এবং নন্দকুমার ব্লকের প্রতাপখালি খালের উপরে দক্ষিণ-নারিকেলদা সেতুর নির্মান করা হয়েছে।

প্রায় ৪ কোটি ব্যয়ে এগরা-২ ব্লকের বালিঘাই-বারোমাইল খাল এবং দেশপ্রান ব্লকের মীর্জাপুর খালের পুনঃখননের কাজ শুরু হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য কারিগরী:

বিগত সাড়ে চার বছরে ১০৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬৬টি জলপ্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে, এর মধ্যে ৩০টির কাজ সমাপ্ত হয়েছে। এর ফলে জেলার প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। আরও ১০টি জলপ্রকল্পের কাজ আগামী মে মাসের মধ্যে সমাপ্ত হবে।


মাত্র আঠারো মাসের রের্কড সময়ে দীঘা গেট (সাড়ে ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে) নির্মান করা হয়েছে।

এছাড়া দীঘা, শঙ্করপুর, তাজপুর ও মান্দারমনিতে ওয়াচ্‌ টাওয়ার, দীঘায় বিশ্ববাংলা উদ্যান, দীঘা যুব আবাসের অধুনিকীকরণ, নয়াকালী মন্দির পর্যন্ত সমুদ্র তীরবর্তী রাস্তা, দীঘা-মোহনা রাস্তা সহ মোট ৯টি প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে।

আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে দীঘায় বিশ্ববাংলা উদ্যান-এর সমম্প্রসারন সহ গাড়ী পার্কিং ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সকল পরিষেবা নির্মানের কাজ চলছে।

দীঘা-কলকাতা হেলিকপ্টার পরিষেবার সূচনা হয়েছে।

স্বনির্ভর দল স্বনিযুক্তি কর্মসূচী:

আনন্দধারা প্রকল্পে ৭৪০০টি স্বনির্ভর দল গঠিত হয়েছে, আগামী মে মাসের মধ্যে আরও ৩২০০টি স্বনির্ভর দল গঠিত হতে চলেছে।

জেলায় মোট ১৩টি কর্মতীর্থ গড়ে তোলা হচ্ছে ; এর মধ্যে ২টির নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হয়েছে।

বিগত সাড়ে চার বছরে স্বামী বিবেকান্দ স্বনির্ভর কর্মসূচী প্রকল্পে ৭ হাজার প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং প্রায় ৪৫ কোটি টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

পুর নগরোন্নয়ন :

পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ৫টি মিউনিসিপ্যালিটি বিগত সাড়ে চার বছরে প্রায় ১৭৫ কোটি টাকা পরিকল্পনা খাতে ব্যয় করেছে। শহরাঞ্চলে গরীবদের জন্যে প্রায় ৩৩০০টি বাসস্থান নির্মিত হয়েছে।

তথ্য সংস্কৃতি :

বর্তমানে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় প্রায় ৫ হাজার লোকশিল্পী রিটেনার ফি ও পেনশন পাচ্ছেন। আরও প্রায় ২৫০ লোকশিল্পী রিটেনার ফি ও পেনশন পেতে চলেছেন।

আবাসন :

পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় আর্থিক ভাবে দুর্বল মানুষদের জন্যে গীতাঞ্জলী ও অন্যান্য প্রকল্পে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার বাসস্থান নির্মিত হচ্ছে, এর মধ্যে ৫ হাজার বাসস্থান নির্মিত হয়ে গেছে।

ক্রীড়া যুব কল্যান :

পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তমলুকে স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের প্রথম পর্যায়ের কাজও কাঁথিতে অরবিন্দ স্টেডিয়াম সংস্কারের কাজ শেষ হয়েছে।

ক্রীড়ার মান উন্নয়নে বিগত দু বছরে ক্রীড়া দপ্তর জেলায় মোট ৮২৬টি ক্লাবকে অর্থ সাহায্য করেছে।

জেলায় ১০৭টি মাল্টি জিম সেন্টার গড়ে তুলতে ২ কোটি ১৪ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র :

জেলায় নতুন থানা হিসাবে কাঁথি মহিলা থানা ও হলদিয়া মহিলা থানা এবং মন্দারমণি উপকূলীয় থানা, জুনপুট উপকূলীয় থানা ও নয়াচর উপকূলীয় থানা স্থাপন করা হয়েছে।



Trinamool announces the names of candidates for bypolls

Secretary General of Trinamool Congress Partha Chatterjee today announced the names of candidates for the by-elections to be held on 19 November.

Dibyendu Adhikary will be the candidate from Tamluk Lok Sabha constituency while Saikat Panja will be fighting from Monteswar Vidhan Sabha constituency. The name of the candidate for Coochbehar Lok Sabha seat will be announced soon, Partha Chatterjee said adding that Mamata Banerjee had given her approval to the names of the candidates.

Tamluk Lok Sabha seat fell vacant after sitting MP Suvendu Adhikari contested and won the Vidhan Sabha polls from Nandigram. Cooch Behar Lok Sabha seat fell vacant due to the passing of MP Renuka Sinha. The death of Sajal Panja, MLA of Monteswar, necessitated bypoll to the Assembly constituency.


১৯ নভেম্বরের উপনির্বাচনের প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের

আজ ১৯ নভেম্বরের উপনির্বাচনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।  সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, আসন্ন উপনির্বাচনের প্রার্থীদের নামে অনুমোদন  দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

২টি লোকসভা কেন্দ্রে এবং ১টি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে আগামী ১৯ নভেম্বর। ভোট গণনা হবে ২২ নভেম্বর।

তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হবেন দিব্যেন্দু অধিকারী। মন্তেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হবেন সৈকত পাঁজা। কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম কয়েক দিনের মধ্যে ঘোষণা করা হবে।

তমলুক লোকসভা আসনের সাংসদ শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং  জয়ী হওয়ার পর ওই আসনটি খালি হয়ে যায়। কোচবিহারের সাংসদ রেণুকা চৌধুরী এবং মন্তেশ্বরের বিধায়ক সজল পাঁজার মৃত্যুর কারণে এই লোকসভা ও বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে।


SpiceJet’s hub in Kolkata to start more flights

Domestic Airlines major Spicejet is going to start new flight services to Silchar, Aizawl, Guwahati, Gorakhpur and Vizag from the city starting October 4, just ahead of the Durga Puja festivals.

From December, the airline would start daily direct flight services from Kolkata to Dhaka and Chittagong in Bangladesh

This was announced after a meeting between the Bengal Chief Minister Mamata Banerjee and the SpiceJet Chairman and Managing Director Ajay Singh.

The Bengal Chief Minister requested the airline to consider connecting the eastern metropolis to Europe with direct flights.

Stating that Bengal is the gateway to north-east India, Nepal, Bhutan, Bangladesh and even the ASEAN countries, she said the government will give all possible support.

The State finance minister Dr Amit Mitra said under a new state government policy, any additional or new flight from Kolkata would attract a 15-per cent tax on aviation turbine fuel, the lowest among all the metros. “The rate is 30 per cent but we have decreased it to 15 per cent. In Delhi, it is 20 per cent and in Mumbai, it is 25 per cent,” he added.


কলকাতা থেকে আরও নতুন বিমান পরিষেবা চালু করবে স্পাইসজেট

অক্টোবর থেকে বেশ কয়েকটি জায়গার সঙ্গে কলকাতাকে আকাশপথে জুড়ে দিচ্ছে স্পাইসজেট।

আগামী ৪ অক্টোবর থেকে কলকাতা-শিলচর, কলকাতা-গুয়াহাটি , কলকাতা-আইজল, কলকাতা-গোরক্ষপুর, কলকাতা-বাগডোগরা এবং কলকাতা-বিশাখাপত্তনম নতুন বিমান পরিষেবা চালু করতে চলেছে স্পাইসজেট।

গতকাল নবান্নে স্পাইসজেটের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী, মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, অর্থ সচিব ও পরিহণ সচিব প্রমূখ।সেখানেই নতুন বিমান চালু করা নিয়ে কথা হয়।

মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, কলকাতা থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম উড়ান পরিষেবা চালু করবে এই সংস্থা। কলকাতা-ব্যাংকক এর উড়ান সংখ্যাও বাড়ানো হবে। এছাড়া, কলকাতা থেকে ইউরোপ পর্যন্ত সরাসরি উড়ান পরিষেবা চালু করার জন্য আমরা স্পাইসজেটকে অনুরোধ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, উত্তরপূর্ব ভারত, নেপাল, ভুটান, বাংলাদেশ সহ সব এশিয়ান কান্ট্রিগুলির গেটওয়ে বাংলা। পশ্চিমবঙ্গের অণ্ডাল ভারতের প্রথম গ্রিন ফিল্ড এয়ারপোর্ট।

স্পাইসজেটকে নতুন বিমান পরিষেবা চালানোর ব্যাপারে সমস্ত রকম সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

শিল্পমন্ত্রী অমিত মিত্র জানান, নতুন/অতিরিক্ত বিমানগুলিকে ১৫% জ্বালানি কর দিতে হবে যা ভারতের মেট্রো শহরগুলির মধ্যে সবথেকে কম। তিনি আরও বলেন, করের হার ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। দিল্লিতে এই করের হার ২০ শতাংশ এবং মুম্বাইতে এই করের হার ২৫ শতাংশ।



West Bengal Cabinet thanks the people of Bengal for the overwhelming trust and support

West Bengal Cabinet, led by Chief Minister Mamata Banerjee, today adopted a resolution thanking the people of Bengal for their overwhelming trust and support in the recently-concluded Assembly elections.

The resolution was adopted in the first Cabinet meeting today at Nabanna. Dr Amit Mitra, the Finance, Commerce and Industries Minister, read out the resolution during a press conference.

Here is the full text of the resolution:

The people of Bengal in the currently concluded election to the West Bengal Assembly has mandated overwhelmingly and reposed their trust and confidence on development, good governance and people first policies of our Government.

During the last five years Bengal has not only scaled new heights and outperformed the country as a whole in several parameters of the social and economic growth, but has also been placed where people of all communities have flourished together with peace prosperity and harmony.

Many of our pioneering schemes in Health, Women & Child Development, Education, Livelihood Generation, e-Governance, Agriculture, Minority Development, Infrastructure, Rural Development sectors to name a few, have won national and international acclaim in spite of the huge debt burden of the previous Government. We have been able to carry out our development agenda for all sections of the society including SC, ST, OBC, minority communities, women, children and the disadvantaged section of the society.

In the days ahead, our focus will also be on our young generation, creation of more employment opportunities and overall development of quality of life for all.

We express our sincere gratitude to the people of Bengal for their huge support and the blessings and instituting our Government for the second consecutive term in office.

Resolved that it shall be our commitment and earnest endeavor in the second term to carry forward the development agenda for Bengal  with greater pace, greater focus and greater outreach so that Bengal becomes Number One in the world in terms of peace, prosperity and happiness.

Bangla hobe biswa sera, setai hobe amader agami lokkho.