State Assembly to pass resolution against CAA on Jan 27

The Bangla Government is going to bring a resolution against the amended Citizenship Act (CAA). The resolution will be taken up for discussion and passing during a special session of the State Assembly on January 27.

Chief Minister Mamata Banerjee on Monday had announced that her government would pass a resolution against the Citizenship Amendment Act (CAA) soon.

Minister for Parliamentary Affairs, Partha Chatterjee today said, “There will be a special session of the State Assembly on January 27 at 2 PM to discuss and a resolution against CAA.” He also called on other political parties to support the resolution.

It may be mentioned that on September 6, a resolution was adopted in the State Assembly against the NRC process in Assam. Since CAA was not passed in parliament at that time, CAA was not mentioned in that proposal.

Partha Chatterjee said that it is important to pass this resolution in the interest of democracy.

Bangla Govt to bring back ‘pass-fail’ system for classes V & VIII

The Bangla Government recently announced its decision to abolish the ‘no-detention’ policy and bring back the ‘pass-fail’ system in classes five and eight. The ‘no-detention’ policy was introduced by the Centre in 2010.

The Education Minister, Partha Chatterjee, announced on October 24 that the official notification on the revocation of the policy will be brought out soon.

It may be mentioned that the government had made it clear over a year ago that it was in favour of bringing back the pass-fail system in State schools. A five-member committee was formed for framing the modalities in bringing back the detention system. The matter was discussed extensively with educationists as well.

Source: Millennium Post

Bengal government to create 1,200 new posts in various departments

In order to create more job opportunities, it has been decided in Monday’s Cabinet meeting that 1,200 new posts will be made in different departments of the state government.

Partha Chatterjee, the state Parliamentary Affairs minister, said: “It has been passed in the Cabinet to create a 1,000 more posts in different offices and colleges. As many as 200 drivers and helpers will be recruited for assistance by the state Transport department.”

It may be mentioned that the state government has created thousands of job opportunities in the past six years. In June, the state government had announced 3,754 new posts. The decision to create new posts was passed in the Cabinet meeting and Chief Minister Mamata Banerjee has directed the state to complete the recruitment process as soon as possible.

As many as 267 posts were created for eight coastal police stations as a step to ensure security and safety of thousands of tourists visiting Digha and Mandarmoni. Around 444 posts were also created at Health and Family Welfare department and it included 187 posts at the new medical college at Raiganj.

As many as 158 posts have been created at Ramrick Das Harlalka Hospital, which is an annexure to Bangur Institute of Neuroscience. Ninety-nine posts were created at Tufanganj Mental Health Hospital, where the number of beds was increased to 150 from 33. To create job opportunities for women, as many as 2700 lady constable posts were created.


১২০০ নতুন পদ তৈরী করবে রাজ্য সরকার

রাজ্যে আরও কর্মসংস্থান তৈরীর লক্ষ্যে ১২০০ নতুন পদ তৈরী করছে রাজ্য সরকার।

পরিষদ বিষয়ক মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, বিভিন্ন কলেজ ও অফিসে আরও নতুন ১০০০টি পদ তৈরীর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রিসভা। এছাড়া আরও ২০০টি ড্রাইভার ও হেল্পারের পদ তৈরী করা হয়েছে রাজ্য পরিবহন দপ্তরে।

প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকার গত জুন মাসে ৩৭৫৪টি নতুন পদ সৃষ্টির কথা ঘোষণা করে। মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন ওই প্রক্রিয়া খুব তাড়াতাড়ি সম্পন্ন করতে।

দীঘা ও মন্দারমণিতে আগত পর্যটকদের সুরক্ষার জন্য ২৬৭টি পদ সৃষ্টি করা হয়েছে আটটি উপকূলীয় থানার জন্য। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরে ৪৪৪টি পদ তৈরী হয়েছে। এর মধ্যে রায়গঞ্জের নতুন মেডিক্যাল কলেজের জন্য ১৮৭টি পদ তৈরী হয়েছে।

রামরিক দাস হরলালকা হাসপাতালে সৃষ্টি করা হয়েছে ১৫৮টি নতুন পদ। তুফানগঞ্জ মেন্টাল হেলথ হাসপাতালে ৯৯টি পদ তৈরী হয়েছে। এখানে শয্যা সংখ্যাও ৩৩ থেকে বেড়ে ১৫০ হয়েছে।

মহিলাদের কর্মসংস্থানকে নজর রেখে ২৭০০টি কনস্টেবল পদ তৈরী হয়েছে।

Bengal to include DPL as subsidiary

In a bid to revive Durgapur Projects Limited (DPL), the state government has taken a decision to include it as its subsidiary under the West Bengal State Electricity Board. The decision has been taken in the State Cabinet meeting.

It may be mentioned that the State Government had engaged a Group of Ministers (GoM) ­— Partha Chatterjee, Amit Mitra, Malay Ghatak, Sobhandeb Chattopadhyay and Arrop Biswas — to assess and recommend steps that are necessary for the revival of DPL.

The GoM placed its observation and recommendations before the state government, based on which the decision has been taken. The thermal power generation station, which has eight units, continues to have a capacity of generating 650 MW power. Five of those units are non-functional, two function properly and one requires attention for better function. The step would help in checking the accumulated loss.

However, the name of the company is supposed to stay and will continue to function as a state government utility. Moreover, 3000 employees, including the contractual ones, will continue to work as it is. It was assessed that the step will ensure the revival of DPL.

ডিপিএল সম্পূর্ণ অধিগ্রহণ রাজ্যের, সিদ্ধান্ত মন্ত্রীসভার

দুর্গাপুর প্রোজেক্টস লিমিটেড (ডিপিএল) পুরোপুরি অধিগ্রহণ করছে রাজ্য সরকার। রাজ্য মন্ত্রীসভা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী মন্ত্রীসভার বৈঠক শেষে বলেন, ডিপিএল-এর পুনরুজ্জীবনের জন্য মুখ্যমন্ত্রী সচেষ্ট ছিলেন। তিনি সুপারিশ গ্রহনের জন্য মন্ত্রীগোষ্ঠী তৈরি করেন।

এখন এই সংস্থায় যারা কাজ করেন, তাঁদের বহাল রাখার সুপারিশ করেছে মন্ত্রীগোষ্ঠী। এই সুপারিশ গৃহীত হয়েছে।

সিদ্ধান্ত হয়েছে এই সংস্থাটিকে পুরোপুরি অধিগ্রহণ করবে রাজ্য সরকার। সমস্ত সম্পদ এবং মানবসম্পদ সরকারের কাছে হস্তান্তরিত হবে। চুক্তিভিত্তিক ও স্থায়ী মিলিয়ে এখন ডিপিএল-এর কর্মী সংখ্যা ৩০০০। কাউকে ছাঁটাই করা হবে না।

Bengal Govt to return land to 52 owners in Kawakhali

After the Mamata Banerjee government’s immense success in returning land to farmers in Singur, it has decided to return the same to 52 families in Kawakhali who had their lands seized by the then-Left Front government to set up a residential township at Kawakhali in Siliguri.

It may be recalled that the Left Front government had acquired plots in the Kawakhali, Purajhar and Tikulikatha areas for the township. Despite opposition, the acquisition process continued till 2007. Most people who lost their land, were owners of small plots and they had raised slogans against the then-Chief Minister and the then-Urban Development minister.

Recollecting the days when land was “forcibly” acquired by the erstwhile Left Front government, State Parliamentary Affairs Minister, Partha Chatterjee said: “There was protest against land acquisition in Kawakhali. We had raised our voices against it and faced several hurdles when we went to Siliguri at that time. Now, we are returning the land. They will be getting the land in the area under the jurisdiction of Siliguri Jalpaiguri Development Authority (SJDA).”

It may be recalled that Chief Minister Mamata Banerjee had kept her word of returning land to the farmers in Singur as it was forcefully acquired by the Left Front government “going against the will of land owners”. It was in September 2016 that the Supreme Court had directed the state government to return the land to the farmers after returning to its earlier condition. The apex court had observed the land acquisition as a “farce”.

Within the time set by the Supreme Court, the Mamata Banerjee government had once again turned the land to its previous condition and distributed it to its actual owners. The Chief Minister had said that Singur would be a model in the agriculture sector of the world. The people of Kawakhali have appreciated the move of the state government to return the land to those who had lost them to “forceful” acquisition.


সিঙ্গুরের পথেই কাওয়াখালিতে জমি ফেরত মানবিক রাজ্য সরকারের

সিঙ্গুরের পর উত্তরবঙ্গের কাওয়াখালি। জোর করে কৃষকদের কাছ থেকে অধিগ্রহণ করা জমি ফিরিয়ে দিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। সোমবার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য মন্ত্রীসভা।

২০০৪ সালে বাম আমলে শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি দার্জিলিং-এর মাটিগাড়া ও জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জে ৩০২একর জমি অধিগ্রহণ করে। এর মধ্যে ওখানকার ৫২টি পরিবার ক্ষতিপূরণের টাকা গ্রহণ করেনি। জমি ফেরতের জন্য মামলাও করেছিল। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর সেই মামলা প্রত্যাহার করে নেন পরিবারগুলি। টাউনশিপ তৈরির নামে জমি নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু, এই জমির বেশীর ভাগ ব্যাক্তিগত মালিকানায় চলে যায়।

ক্ষমতায় এসেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেমন সিঙ্গুরের জমি ফেরত দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন, তেমনই কাওয়াখালির জমি ফেরতের ব্যবস্থা করলেন। কাওয়াখালির জমিতে বেশ কিছু আইনি জটিলতা ছিল, তাই, সময় লাগে। কিন্তু, নিজের নীতিতে অনড় থাকেন মুখ্যমন্ত্রী।
মুখ্যমন্ত্রী কখনোই শিল্পের বিরুদ্ধে ছিলেন না, তিনি বহু ফসলি জমি জোর করে ছিনিয়ে শিল্প করার বিরুদ্ধে। সব জায়গায় তৃণমূল এই জোর করে জমি অধিগ্রহণের বিরোধিতা করেছে।

ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যের শিল্পায়নকে পাখির চোখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি নিশ্চিন্ত করেছেন কোনও বলপূর্বক জমি অধিগ্রহণ হবে না। সিঙ্গুরে অধিগৃহীত জমি ইতিমধ্যে ফেরত পেয়েছেন কৃষকরা। সেখানে এখন চাষ আবাদ হচ্ছে। এদিন কাওয়াখালিতে জমি ফেরতের প্রস্তাবে সম্মতি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর নীতিতেই সিলমোহর দিল মন্ত্রীসভা।

Image Source:

Trinamool Congress announces programme of protest against BJP across Bengal

Trinamool Congress General Secretary Partha Chatterjee held a press conference today to announce a state-wide programme of protest by Trinamool Congress against the BJP tomorrow, that is, October 7.

It will be against the politics of negativity being carried on by the BJP, including causing riots and indulging in destructive activities.

The protests will be staged across all the districts and in Kolkata as well, from 1 pm to 2 pm. In Kolkata, they will be staged at Dharmatala, Hazra More, Shyambazar More, Gariahat More, Garia More, Tollygunge Phanri, bus stand for route no. 14 in Behala, Sakher Bazar, Taratala More and 8B Bus Stand in Jadavpur.

He said that the protests will be held in an orderly manner to cause minimum inconvenience to the people. The Trinamool Congress believes in conducting its activities in a democratic manner.

Partha Chatterjee appealed to everyone to join this protest against those who have insulted Chief Minister and Trinamool Congress Chairperson Mamata Banerjee.



রাজ্যজুড়ে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচীর ডাক দিল তৃণমূল কংগ্রেস

আগামীকাল, ৭ই অক্টোবর রাজ্যজুড়ে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচীর ডাক দিলেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

বিজেপি যে ধরনের বিভাজনের, দাঙ্গার ও ধ্বংসের রাজনীতি চালাচ্ছে তার বিরুদ্ধে হবে এই প্রতিবাদ।

দুপুর ১টা থেকে ২টো পর্যন্ত প্রতি জেলায় এই প্রতিবাদ চলবে আগামীকাল। কলকাতায় এই প্রতিবাদী মঞ্চ হবে ধর্মতলা, হাজরা মোড়, শ্যামবাজার মোড়, গড়িয়াহাট মোড়, গড়িয়া মোড়, টালিগঞ্জ ফাঁড়ি, বেহালার ১৪নম্বর বাস স্ট্যান্ড, সখের বাজার, তারাতলা মোড় ও যাদবপুরের ৮বি বাস স্ট্যান্ডে।

তিনি বলেছেন, এই প্রতিবাদ করা হবে শৃঙ্খলাপূর্ণ ভাবে, যাতে করে নিত্য যাত্রীদের কোনও অসুবিধার সম্মুখীন না হতে হয়। তৃণমূল দল সবসময় গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নিজেদের কর্মসূচী পালন করে থাকে।

বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অপমানের প্রতিবাদ হিসেবে এই কর্মসূচীতে তিনি সকল মানুষকে যোগ করবার আবেদন জানান।

Bengal Education Minister expresses concerns over Blue Whale game

Bengal Education minister Partha Chatterjee expressed concerns over the allegations of a number of students getting victimised by the Blue Whale game across the state.

On the sidelines of an event to organise Public Library Day by the Department of Mass Education & Library Sciences, Chatterjee said: “The Blue Whale game should be stopped immediately. We have asked the schools to ensure that students do not carry mobile phones to schools and the authorities should be on alert.”

s many as 25 government schools in the city have been identified where UNICEF will conduct workshops regarding use of “safe Internet” by school children. Simultaneously, a workshop will be conducted in a few private schools as well.

Among the government schools, Hindu School, Jodhpur Park School, Binodini Girls are few of the schools that have been selected where such workshops will be conducted. Students of nearby schools will also be asked to attend.

The association of ICSE schools in Bengal will hold a sensitisation workshop on online gaming and Internet addiction, covering around 200 schools.


ব্লু হোয়েল নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়

রাজ্যে ক্রমশ বাড়ছে ব্লু হোয়েল গেমের দাপট। তাই এই মারণ কেলার হাতছানিতে রাস টানতে কড়া অবস্থান নিল শিক্ষা দপ্তর।

শিক্ষামন্ত্রী জানালেন স্কুল চলাকালীন শিক্ষক এবং পড়ুয়ারা মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন না। এদিকে শহরের ৩০টি স্কুলের পড়ুয়াদের ইন্টারনেট ব্যবহারের সুফল ও কুফল নিয়ে সচেতন করতে কর্মশালা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ব্লু হোয়েল নিয়ে উদ্বিগ্ন শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “ব্লু হোয়েলের মতো খেলা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত। অনেকে এই খেলায় অংশ নিয়ে মারা গেছে। এই খেলা আটকাতেই হবে। এটা কি কোনও খেলা হল?‌”পড়ুয়াদের ব্লু হোয়েলের হাত থেকে রক্ষা করতে বই পড়ার অভ্যেস বাড়ানোর দিকেও জোর দেন শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘‌আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে ক্লাস চলাকালীন পড়ানো থামিয়ে শিক্ষক–শিক্ষিকারা মোবাইলে কথা বলছেন। সেই সুযোগে পড়ুয়ারা মোবাইলে গেম খেলছে। এটা চলতে পারে না। আমরা চাই স্কুলে পড়াশোনার সময়টুকুতে যেন পড়াশোনাই হয়। স্কুল চলাকালীন শিক্ষক–পড়ুয়া সবাইকেই মোবাইল বন্ধ রাখতে হবে। তবে এটা কোনও বিজ্ঞপ্তি দিয়ে হবে না। স্কুলগুলিকেও স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসতে হবে।’‌

ইন্টারনেটের ব্যবহার নিয়ে কর্মশালায় ২৫টি সরকারি এবং সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুল ও ৫টি বেসরকারি স্কুল অংশ নেবে। রাজ্যের আইসিএসই বোর্ডের অধীনস্থ স্কুলগুলিও ইন্টারনেটের ব্যবহার এবং ব্লু হোয়েল নিয়ে পড়ুয়াদের সচেতন করতে কর্মশালা করতে চলেছে। সিবিএসই স্কুলগুলিও এ ব্যাপারে নজরদারি বাড়াতে বলেছে। ‌

Source: Bartaman

The evolution of student politics: Dr Partha Chatterjee

Has the glorious tradition of student politics now come under the cloud of the politics of extortion? This question is on everyone’s lips now. The influence of student politics, which is supposed to be one of the standard bearers of the political future of the nation, has dimmed. The Bengal Government is trying to mould student politics in the state on the basis of the model followed at St Xavier’s College. Is it the right way forward? Both the supporters and naysayers have their points.

My entry into politics was through the route of campus politics. I was witness to student politics from the late Sixties to the tumultuous Seventies. You can say I was also part of the dramatis personae to some extent. However, there is a wide gap between the kind of politics students followed during those days and that being followed now. The primary difference is related to the values attached to politics. There was a period when, despite the influence of ultra-Left beliefs, politics in college and university campuses still basically served the interests and aspirations of students. Our aim as student political leaders was to enable students to get everything which would help them in their vocation – be it related to studies or anything else. The demands we made were sometimes addressed to institutions, at other times to the administration or the government. But it is important to remember that everything was student-centric.

Closing down classes in the name of political movements or holding teachers to ransom by barricading them in their rooms for long hours can never be, whatever else they may be, hallmarks of student movements. Now all these are being organised in the garb of student politics. Earlier, the sphere of work of the students’ unions was limited to the welfare of the students – like publishing magazines, organising sports events, programmes welcoming new students, annual cultural programmes and academic debates, etc. Whatever may have been the influence of politics from the outside world, it never clouded the fact that student politics was meant to serve the interests of the students only.

We also used to organise protests. When the Siddhartha Shankar Ray-led Congress Government was in power, we had organised protests demanding students’ concessions in buses and trams. I had hit the streets as a member of Chhatra Parishad, against a government led by my own party. But never did the protests reach such a stage that they brought disrepute to the student movement. Protesting to get concessions for students in public transport, trying to convince the authorities to extend help to poor but meritorious students, collecting relief material – these and similar demands comprised the sphere of student politics.

But were the students of those times unaware of the larger political issues of the time? Of course they were. Socially conscious students had political consciousness too, and were aware of rights. Based on their respective political views, a section of student activists later got involved in party politics. From Priya Ranjan Das Munshi to Subrata Mukherjee, from Subhas Chakravarty to Shyamal Chakravarty, and down to the current Chief Minister Mamata Banerjee – they all were products of student politics. From working in students’ political organisations, they moved on to mainstream politics.

Current student politics, however, suffers from a serious lack of commitment. Various social issues of the time formed the cornerstones of our involvement in political movements. The current generation of students fail when it comes to showing social commitment. In this age of competition, they are self-centred with respect to their relation to their institution, they are adventurists instead of being committed. This is the comparative picture of student politics then and now.

Now the question is where does the crux of the problem lie? In one word, it’s money. It may sound odd, but it is the reality. Due to increased financial commitments from governments and private contributions, students unions are increasingly becoming flushed with money. It is this monetary influence that is eroding the integrity of some students, leading to misplaced priorities. The student community, instead of trying to recover its bearings, is receding more and more into the darkness of depravity. A lot of non-student-like qualities are surfacing among them.

In some educational institutions, it has been seen that some ex-students are suddenly becoming active during the admission season – they are asking for monetary bribes in lieu of seats in the institution. When it comes to the admission process, I have myself seen how, during the three-and-a-half decades of the Left era, merit was made the poorer cousin of the venal proclivities of political leaders. Hence from the time we came to power, we have made it our mission to reform the education sector.

We have taken several steps to fill up vacancies in the teaching and non-teaching posts in colleges and universities. We have paid attention to infrastructural improvements. To keep pace with the rest of the country and to address the requirements of the modern times, we have upgraded the syllabus, and wherever possible, made it industry-oriented. With respect to admissions, we have made merit the only condition; hence the full-fledged online system of admission. This particular aspect is one of the path-breaking steps of our government. We have been able to convey to the people that this step was necessary to make the admission process transparent. Our primary aim is to ensure that every student gets the right opportunity to get admitted as per merit.

Now, all these changes have put a handful of students in a quandary. It has been seen that these so-called student leaders never attend class. Often, after passing their courses, they re-take admission in the same college in some other course. Obviously one cannot expect any commitment from such people when it comes to college education. For them, the field of education is an arena for pursuing their agenda of gaining illicit power through corruption.

Our Chief Minister and the government led by her have made education a high-priority sector. She is determined to recover the lost glory of Bengal so that the State gets back its rightful place in the world. To achieve this, it is the quality of education that has to be kept in mind. Hence, there has to be a complete turnaround in the way the system is run.

Now, any such big change would hurt the self-interests of a few. I admit that the online system of admission that we have started is not cent per cent foolproof. Some unscrupulous students are trying to take undue advantage of any loopholes that may exist in the system to further their own ends. We have managed to plug most of the loopholes but some remain, which we are trying to remove. However, none can deny the transparency that we have managed to bring about through this online system. Even our biggest critics would not dare to criticise that. This is our strength. I think this is a historic step towards the reformation of the education system.

Next in line is the clean-up of student unions. We have received the recommendations of the Lyngdoh Commission (education commission set up the Central Government). Keeping those in mind, I have also held discussions with educationists. Each one of them has raised the issue of wanting to see an end to the chaos that prevails in the name of running students’ unions. The Chief Minister wants students to be aware of politics, for student politics to remain, but for it to be free of the negatives.

This article was first published on Bartaman dated August 20, 2017


ছাত্র রাজনীতির বিবর্তন: ডঃ পার্থ চট্টোপাধ্যায়

ছাত্র রাজনীতির যাবতীয় ঐতিহ্য কি এখন তোলাবাজির অন্ধকারে? এ প্রশ্ন আজ সব মহলে। প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে, রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ গঠনের লক্ষ্যে যে সংসদ দিশা দেখায়, তা আজ ফিকে। জেভিয়ার্স মডেলে রাজ্য ছাত্র রাজনীতি সংস্কার করছে। তা কি সঠিক পদক্ষেপ? মত পক্ষে আছে, বিপক্ষেও।

ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়েই আমার রাজনীতিতে প্রবেশ। ছয়ের দশকের শেষ পর্ব থেকে সত্তরের উত্তাল সময়ের সাক্ষী আমি। কিছু অংশে কুশীলবদের ভিড়ে অংশীদার ছিলাম। তবে সেকালের ছাত্র আন্দোলনের থেকে আজকের ছবির ফারাক বিস্তর। মূল ফারাকটা অবশ্যই গুণগত। একটা সময় ছিল, যখন অতি বাম রাজনীতির প্রভাব সত্ত্বেও কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস কোনওভাবেই পড়ুয়াদের স্বার্থবাহী মূলধারার আন্দোলন থেকে বিচ্যুত হয়নি। তখন আমাদের লক্ষ্যই থাকত পঠন-পাঠন থেকে শুরু করে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নানা ধরনের দাবি আদায় করে নেওয়া। সেই দাবি কখনও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছে, কখনও আবার থাকত সরকার বা প্রশাসনের কাছে। সবটাই ছিল ছাত্রসমাজ কেন্দ্রিক।কিন্তু আন্দোলনের নামে ক্লাস বন্ধ করে দেওয়া, অধ্যক্ষ-অধ্যাপকদের ঘরে আটকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পণবন্দি করে রাখার কায়দায় হুজ্জুতি করার নাম আর যাই হোক না কেন, ছাত্র আন্দোলন হতে পারে না। আর এই সবই হয়ে যাচ্ছে ওইসব প্রতিষ্ঠানের ছাত্র সংসদকে ঢাল করে। ছাত্র সংসদের কাজের পরিধি ছিল পড়ুয়াদের কল্যাণকর কর্মসূচির মধ্যে। যেমন, পত্রিকা প্রকাশ, খেলাধূলার আয়োজন, নবীন ছাত্র-ছাত্রীদের বরণ, বাৎসরিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিক্ষা-সমাজসহ নানা বিষয়ের আলোচনা-বিতর্ক সভা ইত্যাদি। বৃহত্তর সমাজের রাজনীতি কখনওই কলেজ ক্যাম্পাসের অন্দরের একান্ত ছাত্রস্বার্থবাহী বিষয়গুলিকে ছাপিয়ে যেত না। সমাজের প্রয়োজনে আমরা রাস্তায় নেমেছি। ট্রামে-বাসে ছাত্র কনসেশনের দাবিতে আমরা যখন রাস্তায় নামি, তখন রাজ্যে সিদ্ধার্থশংকর রায়ের কংগ্রেস সরকার। ছাত্র পরিষদ কর্মী হয়ে সেই দাবিতে পথে নেমেছিলাম—নিজেদের সরকারের বিরুদ্ধে। কিন্তু কোনও অবস্থাতেই সেটা এমন পর্যায়ে পৌঁছায়নি যে আমাদের সেই আন্দোলনের ধারাকে কালিমালিপ্ত করতে পারে। কখনও ছাড় বা কনসেশনের দাবি, কখনও গরিব-মেধাবী সহপাঠীদের পাশে দাঁড়াতে কর্তৃপক্ষকে বাধ্য করা, কখনও আবার প্রাকৃতিক দুর্যোগে রাস্তায় নেমে সাধারণ মানুষের থেকে ত্রাণসামগ্রী জোগাড় করা—এসবই ছিল ছাত্র আন্দোলনের বিষয়বস্তু। ছাত্র-ছাত্রীরা কি সেই সময় বৃহত্তর সমাজের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকত না? নিশ্চয়ই থাকত। সমাজ সচেতন ছাত্রদের রাজনৈতিক মতামত ছিল, হিতাহিত বোধ ছিল। তার নিরিখেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছে একাংশ। প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, সুভাষ চক্রবর্তী, শ্যামল চক্রবর্তী থেকে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়—সবাই কিন্তু ছাত্র রাজনীতিরই প্রোডাক্ট। ছাত্র সংগঠনের কাজের মধ্য দিয়ে রাজনীতির মূল স্রোতে এসেছেন। কিন্তু একালের ছাত্র রাজনীতিতে বড়ই অভাব কমিটমেন্টের। নানা ধরনের সামাজিক দুর্দশাকে সামনে রেখে আন্দোলনে শামিল হতাম আমরা। বর্তমান প্রজন্মের মধ্যে সেই সামাজিক কমিটমেন্ট সেভাবে দেখা দেখা যায় না। প্রতিযোগিতার বাজারে তারা আত্মকেন্দ্রিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতি, কমিটমেন্টের বদলে অ্যাডভেঞ্চারিস্ট। এটাই সেকাল-একালের তুলনামূলক ছাত্র সমাজের চিত্র।

তাহলে প্রশ্ন জাগতে পারে, আসল ব্যাধি কোথায়? এককথায় বললে—অর্থই অনর্থের মূলে। শুনতে খটকা লাগলেও এটাই বাস্তব। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র সংসদ বা স্টুডেন্টস ইউনিউনের তহবিল এখন নানা কারণে অনেক স্ফীতকায় হয়েছে। দ্রুত বদলে গিয়েছে চরিত্র। বেড়ে গিয়েছে সরকারি অনুদান। বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতার কল্যাণে অনেক কলেজের আর্থিক জোগান আমাদের সময়ের থেকে বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এই আর্থিক সচ্ছলতা এইসব প্রতিষ্ঠানের একাংশকে এমনভাবে গ্রাস করেছে যে, তাদের কর্মকাণ্ডের নীতিগত অবস্থানও ক্রমশ বদলে গিয়েছে। ছাত্রসমাজ সেই নৈতিক অবক্ষয়ের আগ্রাসন থেকে মুক্ত হওয়া দূরের কথা, আরও অন্ধকারে নিমজ্জিত হচ্ছে। অছাত্রসুলভ নানা উপাদান তাদের মধ্যে প্রকট হচ্ছে।

কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানে দেখা যাচ্ছে, সেই কলেজের প্রাক্তনীদের কেউ কেউ ছাত্র ভরতির মরশুমে সক্রিয় হয়ে উঠছে। অর্থের বিনিময়ে ভরতির প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করছে। শিক্ষামন্ত্রী হিসাবে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় দেখেছি, বিগত সাড়ে তিন দশকের বাম জমানায় ছাত্র রাজনীতির দাপটে মেধাকে বিসর্জন দিয়ে ছাত্র ভরতি পর্বে নেতাদের স্বজনপোষণ। যা দেখেছে রাজ্যবাসীও। আমরা তাই প্রথম থেকেই শিক্ষার প্রসার ও উন্নতিকল্পে একাধিক সংস্কারের পথ ধরেছি। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীর পদপূরণে তৎপর হয়েছি। পরিকাঠামোগত উন্নয়নে নজর দিয়েছি। সময়োপযোগী এবং সর্বভারতীয় স্তরে শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয় রেখে পাঠক্রম আরও আধুনিক ও কার্যকরী করার সংকল্প নিয়েছি। কলেজে ভরতিতে মেধাকে একমাত্র অগ্রাধিকার দিয়েছি। তাই সর্বত্র অনলাইন ভরতি। এটা আমাদের সরকারের একটা যুগান্তকারী উদ্যোগ। ভরতি প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ করার লক্ষ্যেই যে এই পদক্ষেপ, সেটা আমরা সাধারণ মানুষকে বোঝাতে পেরেছি। মেধাবী কোনও পড়ুয়া যাতে তার যোগ্যতা অনুসারে নির্দিষ্ট কলেজে ভরতি হতে পারে, তা নিশ্চিত করাটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। কিন্তু মুষ্টিমেয় কিছু ছাত্র এই শৃঙ্খলায় বিপাকে পড়েছে। দেখা গিয়েছে, এইসব তথাকথিত ছাত্রনেতা নিজেরা কলেজে ক্লাস করে না। অনেকে আবার পাশ করার পর ফের অন্য কোনও বিষয় নিয়ে ভরতি হয়ে কলেজে নাম লিখিয়ে রাখে। স্বভাবতই তাদের কাছে কলেজ-শিক্ষার প্রতি সেই কমিটমেন্ট আশা করা যায় না। শিক্ষাঙ্গন তাদের কাছে ব্যক্তিগত ক্ষমতা ও দুর্নীতির আখড়া বিশেষ। আমাদের সরকার তথা মুখ্যমন্ত্রী শিক্ষাকে তাঁর অগ্রাধিকারের শীর্ষে জায়গা দিয়েছেন। বাংলাকে বিশ্বের দরবারে জায়গা করে দিতে তার হারানো গৌরব ফিরিয়ে দিতে মুখ্যমন্ত্রী অঙ্গীকারবদ্ধ। তাঁর সেই জয়যাত্রায় সামগ্রিকভাবে শিক্ষার পরিমাণ ও গুণগত প্রসারই প্রধান অস্ত্র। তাই এতকাল ধরে চলে আসা ব্যবস্থাটার খোলনোলচে বদলাতে হচ্ছে। বদল ঘটালে কিছু কায়েমি স্বার্থে ধাক্কা তো লাগবেই। আমরা যে অনলাইন প্রক্রিয়া চালু করেছি, তা এখনই একশো শতাংশ সফল এমনটা দাবি করব না। ব্যবহারিক ক্ষেত্রে কিছু দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ছাত্রের ছদ্মবেশধারী কেউ কেউ ভরতি প্রক্রিয়া থেকে মুনাফা লোটার চেষ্টা করছে। এই প্রবণতা অনেকটাই রুখে দেওয়া গিয়েছে। তবে সম্পূর্ণ নির্মূল হয়নি। কিন্তু ভরতি প্রক্রিয়ার সংস্কারে যে রাজনৈতিক সদিচ্ছা আমাদের সরকার দেখিয়েছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। এমনকী আমাদের অতি বড় সমালোচকও বুকে হাত দিয়ে মেধাভিত্তিক অনলাইন ভরতি প্রক্রিয়ার সমালোচনা করার সাহস পাবেন না। এটাই আমাদের শক্তি। এটা শিক্ষা ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক সংস্কারের এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপ বলেই আমি মনে করি।

এরপরেই আসছে ‘ছাত্র সংসদ’ ব্যবস্থার সংস্কার। ইতিমধ্যে লিংডো কমিশনের (কেন্দ্রের তৈরি শিক্ষা বিষয়ক কমিশন) রিপোর্টের সুপারিশ আমাদের হাতে এসেছে, বিভিন্ন শিক্ষাব্রতী মানুষের মতামত পাওয়া গিয়েছে। এইসব মতামতকে সামনে রেখেই বিভিন্ন স্তরে রাজ্যের শিক্ষানুরাগীদের সঙ্গেও আমরা মত বিনিময় করেছি। ছাত্র সংসদ পরিচালনার নামে যে অব্যবস্থা ক্রমশ ক্যাম্পাসগুলোকে অশান্তির আগার বানিয়ে ফেলেছে, সবাই তার অবসানের পক্ষে সওয়াল করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী চান, ছাত্ররা রাজনীতি সচেতন হোক। ছাত্র রাজনীতি থাকুক। কিন্তু শিক্ষাঙ্গনকে কলুষিত করার রাজনীতির ইতি ঘটুক। তাঁর সেই ইচ্ছাকে স্বাগত জানিয়ে রাজ্য মন্ত্রিসভার অনুমোদনক্রমে রাজ্য বিধানসভায় বিল পাশ করানো হয়েছে। রাজ্যপালের প্রয়োজনীয় সম্মতি লাভের পর, উচ্চশিক্ষা দপ্তর বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে, ছাত্র সংসদ বা স্টুডেন্টস ইউনিয়নের বিকল্প ছাত্র পর্ষদ বা স্টুডেন্টস কাউন্সিল গঠনের সিদ্ধান্ত এখন আইনি শিলমোহর পেয়েছে। মনে রাখতে হবে—এই স্টুডেন্টস কাউন্সিল গঠনের প্রচলন বহু যুগ ধরে কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রয়েছে। উৎকর্ষের বিচারেও তাদের ভূমিকা অগ্রগণ্য। ওইসব প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষিত এই স্টুডেন্টস কাউন্সিলই আমাদের প্রেরণা দিয়েছে। তাই ক্যাম্পাস সংস্কারের এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত রূপায়ণে আমরা বদ্ধপরিকর। অর্থাৎ স্টুডেন্টস ইউনিয়নের বদলে স্টুডেন্টস কাউন্সিল। এটাও রাজ্যের এতকাল ধরে চলে আসা অচলায়তনে ধাক্কা। বিতর্ক উঠবে, ঝড় উঠবে। ফের একদল কায়েমি স্বার্থের সঙ্গে সংঘাত অনিবার্য। তা খুব বেশি হলে কালবৈশাখীর মতো কিছু বিশৃঙ্খলা আমদানি করে থেমে যাবে। ঝিমিয়ে পড়বে। কেননা প্রত্যেক পড়ুয়ার নেপথ্যে থাকে তার পরিবার-পরিজন। কলেজের ছাত্র সংসদের নামে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের যৌথ পর্ষদ অভিভাবক সমাজকেও স্বস্তি দেবে। ক্যাম্পাসে ছাত্র ভেকধারীদের কোনও ভূমিকাই থাকবে না। ফলে দীর্ঘকাল ধরে চলে আসা ওই তথাকথিত ছাত্র নেতারা বেকার হয়ে পড়বে।

নতুন ব্যবস্থায় গণতন্ত্র আরও সুদৃঢ় ও সুপ্রতিষ্ঠিত হবে প্রকৃত পড়ুয়াদের অংশগ্রহণে। নিয়মিত কলেজে আসা এবং ক্লাস করাটাই নেতা হওয়ার পূর্বশর্ত নতুন নিয়মে। প্রতি বিভাগেই শিক্ষকদের একজন নির্বাচিত কমিটির মাথায় থাকবেন। সমগ্র পর্ষদের শীর্ষে অধ্যক্ষ বা অধ্যাপক থাকবেন। কাউন্সিলের নির্বাচনে কোনও অবস্থাতেই একজন ছাত্র দু’বারের বেশি অংশ নিতে পারবে না। কাউন্সিলের মেয়াদকাল হবে দু’বছর। ফলে, একমাত্র পড়ুয়ারাই কাউন্সিলের পদাধিকারী হবে। নানা অছিলায় বছরের পর বছর কলেজে ছাত্র সংসদ কবজায় রেখে ক্যাম্পাস কলঙ্কিত করার রাস্তা বন্ধ। রাজ্য সরকারের প্রাথমিক লক্ষ শিক্ষার সম্প্রসারণ ও উৎকর্ষ বাড়ানো। মুখ্যমন্ত্রীর চেষ্টায় এক্ষেত্রে মেধাকে গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন বৃত্তি চালু হয়েছে। তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার ছাত্রসমাজে জনপ্রিয় করতে ইতিধ্যেই ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার।

ভালো ছাত্র হওয়ার পাশাপাশি ভালো মানুষও হতে হবে। কাজটা কঠিন, কিন্তু অসাধ্য নয়। সমস্ত শিক্ষা সচেতন মানুষ-ছাত্রসমাজ-অভিভাবক-শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের যৌথ প্রয়াসে এই উদ্যোগ সফল হবেই।


This article was first published on Bartaman dated August 20, 2017


Bengal Govt makes Bangla language compulsory from Class I to X in all schools

The Bengal State Education Minister Partha Chatterjee called an urgent press conference on Monday night and said that all schools in West Bengal irrespective of boards would have to have three languages from Class I to X, one of which would have to be Bengali.

“From now, every student would compulsorily need to learn Bengali in schools. English medium schools will have Bengali as an optional subject, either as a second or third language, from Class I,” the Education Minister said. Every student would compulsorily need to learn Bengali in schools, he said.

The seven languages offered in schools affiliated to the West Bengal board at present are Bengali, English, Hindi, Urdu, Nepali, Alchiki and Gurumukhi.

According to the new rule, students who have any other language other than Bengali as their first language, would have to opt for two more languages, one of which would have to be Bengali.

It has been decided because we have received complaints that Bengali language was not an option at several schools here,” the Education Minister said.

He also said that legalities of the decision were being looked into and he was hopeful that a clearance by the state cabinet would be good enough to put it in force.


Chief Minister Mamata Banerjee put up a post of Facebook today regarding the language issue, which is reproduced below:

Bengal respects all languages and languages of all States. Our three language formula shows how we really do…

India is a vast country and the strength of our nation is unity in diversity. We must respect every mother tongue and also give every regional language its importance. We believe in the freedom of choice and the three language formula.

Students have the freedom to take any language of their choice as a first language, second or third language.

If the student choses Bengali, Hindi, English, Urdu , Gurmukhi, Nepali, Alchiki as a first language, he/she may opt for two other languages of their choice. One of the three languages would have to be Bengali.The two other choices are completely dependent on what the students chooses.

This method would enable them to reach regional, national and international standards.



রাজ্যের সমস্ত স্কুলে দশম শ্রেণী পর্যন্ত ‘বাংলা’ বাধ্যতামূলক করল রাজ্য সরকার

সোমবার সাংবাদিক সম্মেলন করে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘোষণা করেন এবার থেকে রাজ্যে সব স্কুলে দ্বিতীয় বা তৃতীয় আবশ্যিক ভাষা হিসেবে পড়ানো হবে বাংলা। রাজ্যের সব মাধ্যম স্কুলের জন্যই চালু হচ্ছে ত্রিভাষা নীতি।

এদিন তিনি বলেন, “বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য ভারতের শক্তি। প্রতিটি মাতৃভাষার প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল। এবং প্রতিটি আঞ্চলিক ভাষার গুরুত্ব আছে। আমাদের বিশ্বাস, প্রতিটি ছাত্র ছাত্রীর নিজস্ব ভাষা চয়নের স্বাধীনতা আছে। ছাত্রসমাজের স্বাধীনতা আছে তারা তাদের মতো প্রথম, দ্বিতীয় বা তৃতীয় ভাষা হিসেবে যে কোনও ভাষা চয়ন করতে পারবে”।

“বাংলা, হিন্দি বা ইংরেজি, উর্দু, নেপালি, গুরুমুখী কিংবা অলচিকিকে প্রথম ভাষা হিসেবে চয়ন করলে ছাত্র বা ছাত্রীটিকে আরও দুটি ভাষাকে তাদের পছন্দমতো চয়ন করতে হবেএবং ত্রিভাষার মধ্যে বাংলা ভাষা থাকতে হবে। এই প্রক্রিয়ায় ছাত্রসমাজের পক্ষে আঞ্চলিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানে পৌছনো সহজ হবে” মন্ত্রী বলেন।

রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে যেখানে জানা গেছে অনেক স্কুলে বাংলা ভাষা চয়ন করার কোনও সুযোগ নেই বলে অনেক অভিযোগ এসেছে তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজ্য মন্ত্রিসভা এই সিদ্ধান্তের অনুমোদন দিলে, খুব শীঘ্রই এই নিয়ম চালু করা হবে।

এই প্রসঙ্গে আজ একটি ফেসবুক পোস্টও করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। 



Bengal Govt to induct Mid-Day Meal volunteers to ensure proper food supply in schools

Bengal government has taken an initiative to induct midday meal volunteers, who would ensure that food items sent by the state government to schools for midday meals, reaches the intended beneficiaries.

Partha Chatterjee, the state Education minister, said: “Following the direction of Chief Minister Mamata Banerjee, a new initiative has been launched to engage midday meal volunteers.” The main task of the volunteers would be to keep a watch and ensure that the food items allocated by the state government reaches the beneficiaries.

Each of the volunteers would be responsible for keeping track of the situation in a certain number of schools in an area. They will also be filing reports to the concerned authority. With volunteers keeping tabs on schools on a daily basis, the children will get the proper food that the government had allocated for them and stringent steps will be taken if the volunteers find that the task has not been properly executed.

The Minister said he has received complaints that rice and eggs sent for midday meals are not reaching the students. The volunteers will be visiting the schools and will make sure that midday meals are served to the students in proper quantity and quality. There have been allegations that the rice sent to schools by the government for midday meals is not being given to the students. Some food items allocated to schools under the scheme also get sold in the market or are replaced with inferior quality products.

The state government had also asked the District Magistrates to visit schools to check whether midday meals are served to students in proper quantity and quality.


মিড ডে মিল: কাজকর্ম দেখভালে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করবে রাজ্য

গ্রিন পুলিশ বা সিভিক ভলান্টিয়ারদের মতো মিড ডে মিলের কাজকর্ম পরিদর্শন করার জন্য স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করবে রাজ্য। মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমে একথাই জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

তিনি বলেন, মিড ডে মিল নিয়ে বহু অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জমা পড়েছে। বরাদ্দ চাল বা ডিম না দিয়ে অন্য কাজে ব্যবহার করা সহ অভিযোগের ধরন বিভিন্ন রকম বলে পার্থবাবু জানান। ডিআই, এসআইদের মিড ডে মিলের পরিস্থিতি পরিদর্শনের দায়িত্ব দেওয়া রয়েছে।

পাশাপাশি, এই স্বেচ্ছাসেবকরাও এবার থেকে পরিদর্শনের কাজে সাহায্য করবেন। তবে, কীভাবে এঁদের নিয়োগ করা হবে, এ বিষয়ে এখনই কিছু বলেননি শিক্ষামন্ত্রী। প্রসঙ্গত, মিড ডে মিলের কাজকর্ম পরিদর্শন করার জন্য টাস্ক ফোর্স ইতিমধ্যেই রয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও রাজ্যজুড়ে মিড ডে মিল নিয়ে অভিযোগের শেষ নেই।

কিছুদিন আগে রাজ্য সরকার নির্দেশ দিয়েছিল, দিনের দিন মিড ডে মিলের যাবতীয় হিসাব এসএমএসের মাধ্যমে পাঠাতে হবে। প্রধান শিক্ষকরাই শিক্ষাদপ্তরের একটি নির্দিষ্ট নম্বরে তা পাঠাবেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও কারচুপি বন্ধ হয়নি। বেশি ছাত্রছাত্রী দেখিয়ে মিড ডে মিলের বরাদ্দ অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠছে বহু জায়গা থেকেই।