Latest News

November 15, 2016

Cooch Behar: Big gains in the past five years

Cooch Behar: Big gains in the past five years

As experienced in the rest of West Bengal, there has been unprecedented development in Cooch Behar district over the last five years. In the last four-and-a-half years, 95% of the people of the district have been brought under the ambit of various government schemes.

The much-awaited interchange of Chhitmahal enclaves between India and Bangladesh was a result of the treaty signed between the two countries on June 6, 2015 during the visit of Mamata Banerjee to Bangladesh. On July 31, 2015, India acquired 51 Chhitmahal territories, which were made a part of Cooch Behar. In exchange, Bangladesh received 111 Chhitmahal territories. As a result of this treaty, the population of Cooch Behar has gone up by 15,768.



For the benefit of the people of North Bengal, a branch secretariat of the State Government has been established in North Bengal, named Uttarkanya. Along with other departments, pension, provident fund and group insurance branch offices too have started operations here. As a result of this, the entire population of North Bengal do not have to travel to Kolkata any more. The Government now extends services to the people faster than ever before.


Health and family welfare

  • 2 medical colleges established
  • 6 fair-price medicine shops (FPMS) started, as a result of which more than 1.3 lakh people have benefitted to the tune of Rs 3.19 crore
  • Dialysis unit started at MJN Hospital
  • 12 sick newborn stabilisation units (SNSU) operating across 9 block hospitals and 3 sub-divisional hospitals
  • 1 sick newborn care unit (SNCU) started at MJN Sadar hospital
  • 1 critical care unit (CCU) with 12 beds already operating, as is the Antiretroviral Therapy (ART) Centre
  • High-dependency units (HDU) started in sub-divisional hospitals in Mathabhanga and Dinhata
  • 8 block primary health centres (BPHCs) upgraded



  • Cooch Behar Panchanan Barma University has started
  • Government engineering college set up in Harinchaura
  • Construction of colleges in Ghoksadanga and Nishiganj completed
  • Colleges in Dewanhat and Bakshiganj upgraded
  • Industrial training institute (ITI) cnstructed in Mekhliganj
  • Tufanganj Polytechnic College has started classes
  • Classes started from April 2014 in Sitalkuchi Model School
  • 21 primary schools and 310 upper primary schools set up
  • 5 primary schools upgraded to upper primary level and 43 secondary schools to higher secondary
  • Mid-day meals being provided in all schools in the district
  • Separate toilets constructed for boys and girls in every school in the district
  • Agriculture, Land Reforms, Fisheries, Animal Resources Development
  • More than 9,000 landless families given patta under Nijo Griha Nijo Bhumi (NGNB) Scheme,
  • Kisan Credit Cards (KCC) distributed to almost 100% of farmers
  • 8 Kisan Mandis being set up
  • Animal Resources Development Department has distributed more than 6 lakh ducklings and chickens among self-help groups for rearing
  • Panchayat and Rural Development
  • 100 Days’ Work Scheme: Rs 642 crore spent to create 3.67 crore man-days
  • 312 km of rural roads built
  • Around 43,000 Indira Awaas Yojana homes built
  • Almost 1.91 lakh toilets built under Mission Nirmal Bangla


Minorities Development

  • 2.71 lakh minority students handed out scholarships worth almost Rs 41 crore
  • Rs 22 crore worth of loans provided to minority youths for self-employment purposes
  • Rs 100 crore spent on Multi-sectoral Development Programme (MSDP) for the development of minorities
  • Projects worth Rs 10.6 crore for students’ hostels
  • Backward Classes and Adivasi Development
  • More than 97,000 students getting benefit under the Sikshashree Scheme
  • About 1.87 lakh SC/ST/OBC certificates handed over


Women and Child Welfare

  • Almost 1.5 lakh girl students brought under the Kanyashree Scheme
  • Malnourished children being provided with nutritious food


Food Security

  • More than 21 lakh people getting foodgrains at Rs 2 per kg



  • Cooch Behar Industrial Growth Centre built on 130 acres at an investment of Rs 116 crore
  • Chakchaka Jute Park has come up on 33 acres
  • 5 micro, small and medium enterprise (MSME) clusters and 2 handloom clusters set up
  • Rs 2,000 crore worth of bank loans provided
  • 35,000 handicraft workers given identity cards and 52 handicraft workers given loans worth Rs 11 lakh


PWD and Transport

  • 114 projects for roads, bridges, etc., worth Rs 388 crore, completed, benefitting 10 lakh people
  • 570 km roads completed/re-built/widened
  • Teesta Bridge project, worth Rs 422 crore, is underway in Haldibari and Mekhliganj blocks, which, when completed, will cut down the travel distance between Haldibari and Mekhliganj from 85 km to 15 km



  • Under the Sobar Ghore Alo Project, 100% rural electrification is near completion
  • Bamanhat power sub-station already commissioned
  • Mathabhanga sub-station to be commissioned



  • Irrigation dam conservation work of 86 km completed
  • Asphalt roads being laid on the Teesta dam in Haldibari block and on the Rakshakari dam at a cost of Rs 12 crore
  • Water Resources Investigation and Development Department, during 2014-15, built 413 diesel-powered irrigation projects having tube-wells, 42 electricity-powered irrigation projects and 2 electricity-powered projects of medium capacity


Public Health Engineering

  • 71 drinking water projects worth Rs 106 crore have been undertaken, benefitting 4 lakh people



  • An eco-tourism and picnic spot, centred around the Dumduma Jheel in Bhogrampur in Mathabhanga-I block, is near completion



  • About 1.53 lakh unorganised workers registered under State-Assisted Scheme of Provident Fund for Unorganised Workers (SASPFUW)
  • About 79,000 lakh construction workers registered under Building and Other Construction Workers Welfare Act (BOCWA).
  • Similarly more than 10,000 transport workers registered under West Bengal Transport Workers’ Social Security Scheme (WBTWSSS)


Self-Help Groups and Schemes

  • Under the Anandadhara Scheme, around 5,000 self-help groups (SHGs) have been set up
  • Under the Swami Vivekananda Swanirbhar Karmasuchi, more than 7,500 projects, worth Rs 37 crore, have been sanctioned
  • Vocational training for making jute products, garments, etc being provided to 300 self-help groups comprising women
  • Under the Anandadhara Scheme, executive committees formed comprising groups skilled in processing jute products and dry foods; these have formed agreements with organisations like CII, FICCI, CINI and SIT for the sale of good produced by them


Urban Development

  • The six municipalities of Cooch Behar district spent more than Rs 135 crore on various projects
  • More than 2,500 homes built for the urban poor


Information and Broadcasting

  • Around 2,000 folk artistes getting retainer fees and pensions



  • More than 7,000 homes being built under Gitanjali and other schemes


Sports and Youth Affairs

  • Rs 74 lakh provided for building 37 multi-gym centres
  • The renovation work of Rajbati Stadium (phase-I) has been completed and a basketball court has also been built



  • Cooch Behar Women Police Station has been formed


The government has continuously been executing development projects for the betterment of Cooch Behar district, and the result is there for all to see.


কোচবিহার জেলায় উন্নয়ন এক নজরে

ঐতিহাসিক ছিটমহল হস্তান্তর:

২০১৫ সালের জুন মাসের ৬ তারিখে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরের সময় যে ভারত-বাংলাদেশ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল তারই ফলশ্রুতি স্বরূপ সম্পন্ন হয়েছে বহু কাঙ্খিত ভারত-বাংলাদেশ ছিটমহল  হস্তান্তর।


সমগ্র উত্তরবঙ্গের মানুষের সুবিধার্থে উত্তরবঙ্গে আমরা স্থাপন করেছি রাজ্য সরকারের শাখা সচিবালয়- উত্তরকন্যা। এর দরুন সমগ্র উত্তরবঙ্গের মানুষজনকে আজ আর সরকারি কাজের জন্য কলকাতায় ছুটে যেতে হয় না। সরকারি কাজ ও পরিষেবা মানুষের কাছে আরও দ্রুততার সাথে পৌছে যাচ্ছে।

রাজ্য ও অন্যান্য জেলার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিগত সাড়ে চার বছর সময়কালে অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটেছে এই কোচবিহার জেলায়। এই জেলায় বিগত সাড়ে চার বছরে ৯৫ শতাংশ মানুষের কাছে বিভিন্ন সরকারী প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়া গেছে।

স্বাস্থ্য পরিবার কল্যান:

কোচবিহারে তৈরী হচ্ছে ২টি নতুন মেডিকেল কলেজ।

৬টি ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকান খওগ সদর হাসপাতালে,দিনহাটা, মাথাভাঙ্গা, তুফানগঞ্জ, সিতাই ও মেখলিগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে গড়ে তোলা হয়েছে।

৯টি আরষদয হাসপাতাল ও ৩টি মহকুমা হাসপাতাল মিলে মোট ১২টি SNSU চালু হয়েছে।


কোচবিহার পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন হয়ে, পঠনপাঠনও শুরু হয়ে গেছে।

হরিণচাওড়াতে সরকারী উশফভশননক্ষভশফ ইষররনফন নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে, আগামী শিক্ষা বর্ষ থেকে পঠন পাঠন শুরু হবে।

মেখলিগঞ্জ ব্লকের আই.টি.আই কলেজের কাজ সমাপ্ত হয়েছে।

তুফানগঞ্জ পলিটেকনিক কলেজের ক্লাস শুরু হয়ে গেছে।

বিগত সাড়ে ৪ বছরে জেলায় নতুন ২১টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৩১০টি উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয় গড়ে তোলা হয়েছে।

পাশাপাশি ৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয় স্তরে এবং ৪৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্তরে উন্নীত করা হয়েছে।

সব স্কুলে মিড-ডে-মিল চলছে যার ফলে পুষ্টি এবং উপস্থিতির হার বেড়েছে এবং স্কুল ছুট ছাত্রের সংখ্যা কমেছে।

প্রতিটি বিদ্যালয়ে ছেলে ও মেয়েদের জন্যে পৃথক শৌচাগার নির্মিত হয়েছে।

ভূমি সংস্কার, কৃষি পশুপালন

নিজ গৃহ নিজ ভূমি প্রকল্প:  উক্ত প্রকল্পে অদ্যাবধি ৯ হাজারেরও বেশি ভূমিহীণ পরিবারকে মোট ৩৮৭.৫৭ একর জমির পাট্টা প্রদান করা হয়েছে।

জেলার প্রায় ১০০% কৃষকদের কিষান ক্রেডিট কার্ড- প্রদান করা হয়েছে।

জেলায় ৮টি কিষাণ মান্ডি গড়ে তোলা হচ্ছে। এরমধ্যে তুফানগঞ্জ-১, মাথাভাঙ্গা-২ ও শীতলকুচি ব্লকে ৩টি কিষাণ মান্ডির কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে।

পঞ্চায়েত গ্রামোন্নয়ন:

বিগত সাড়ে চার বছরে ১০০ দিনের কাজে ৬৪২ কোটি টাকা ব্যয় করে ৩ কোটি ৬৭ লক্ষ শ্রম দিবস সৃষ্টি হয়েছে।

গ্রামীণ সড়ক যোজনায় ৩১২ কি. মি. রাস্তা নির্মিত হয়ে গেছে। গত সাড়ে ৪ বছরে জেলায় প্রায় ৪৩ হাজার ইন্দিরা আবাসন ঘর করা হয়েছে।

জেলায় মিশন নির্মল বাংলা প্রকল্পে প্রায় ১ লক্ষ ৯১ হাজার শৌচালয় নির্মাণ সম্পূর্ণ হয়েছে।

সংখ্যালঘু উন্নয়ন:

জেলায় বিগত সাড়ে ৪ বছরে, প্রায় ২ লক্ষ ৭১ হাজার সংখ্যালঘু ছাত্র-ছাত্রীকে প্রায় ৪১ কোটি টাকা স্কলারশিপ প্রদান করা হয়েছে।

স্বনির্ভরতার জন্য সংখ্যালঘু যুবক-যুবতীদের প্রায় ২২ কোটি টাকা ঋণ প্রদান করা হয়েছে।

২টি ছাত্রাবাস নির্মিত হয়েছে এবং ৯টির নির্মানকার্য সম্পন্ন হওয়ার মুখে যার বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমান ১০ কোটি ৬০ লক্ষ ৫১ হাজার টাকা।

কোচবিহার শহরে একটি কেন্দ্রীয় ছাত্রীনিবাস নির্মিত হয়েছে যার বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমান ২ কোটি ৩১ লক্ষ টাকা।

অনগ্রসর কল্যাণ আদিবাসী উন্নয়:

৯৭ হাজারেরও বেশি ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষাশ্রী প্রকল্পে সহায়তা পাচ্ছে।

বিগত সাড়ে ৪ বছরে প্রায় ১ লক্ষ ৮৭ হাজারেরও বেশি জাতি শংসাপত্র প্রদান করা হয়েছে।

নারী শিশু উন্নয়ন:

জেলায় প্রায় দেড় লক্ষ ছাত্রী কন্যাশ্রীর আওতায় এসেছে।

১লা মে, ২০১৫ থেকে গুরুতররূপে অপুষ্ট শিশুদের পুষ্টিখাদ্য দেওয়া শুরু হয়েছে।

খাদ্য সুরক্ষা কর্মসূচী:

জেলায় সাড়ে ২১ লক্ষেরও মানুষ ২/- টাকা কেজি দরে খাদ্যশস্য পাচ্ছেন।



জেলায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ৫টি এবং হস্তচালিত তাঁতের ২টি ক্লাস্টার স্থাপন করা হয়েছে যার মাধ্যমে প্রচুর মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।

ক্ষুদ্র শিল্পের ক্ষেত্রে বিগত সাড়ে চার বছরে এই জেলায় প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা ব্যাঙ্ক ঋণ প্রদান করা হয়েছে।

কোচবিহার জেলায় এখন অবধি ৩৫ হাজার হস্তশিল্পীদের পরিচয় পত্র প্রদান করা হয়েছে। ৫২ জন হস্তশিল্পীদের ১১ লক্ষ টাকা ঋন দেওয়া হয়েছে।

পূর্ত পরিবহন:

জেলার সড়ক ব্যবস্থা উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জেলায় বিগত সাড়ে চার বছরে ৫৭০ কিমি রাস্তা নির্মাণ/পুর্ননির্মাণ/সম্প্রসারণ ও উন্নীতকরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

এই জেলায় তিস্তানদীর উপরে বৃহত্তম সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। ৪২২ কোটি টাকা ব্যয়ে, হলদিবাড়ি ও মেখলিগঞ্জ ব্লকের মধ্যে, সাড়ে ৫ কি.মি. দীর্ঘ এই সেতুটি নির্মিত হবে।

বিদ্যুৎ অচিরাচরিত শক্তি:

সমগ্র কোচবিহার জেলায় সবার ঘরে আলো প্রকল্পে ১০০% গ্রামীণ বৈদ্যুতিকরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

মাথাভাঙ্গা সাব-ষ্টেশন তৈরি হয়ে গেছে।


৮৬ কিমি দৈর্ঘ্যের বাঁধ সংরক্ষণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে হলদিবাড়ি ব্লকে তিস্তা নদীর বাঁধের উপর ও কোচবিহার জেলার শহর রক্ষাকারী নদীবাঁধের উপর সাড়ে ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে পিচ রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য কারিগরী:

বিগত সাড়ে চার বছরে ৭১টি জলপ্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে, এর মধ্যে প্রায় ১০৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩৭টির কাজ সমাপ্ত হয়েছে। এর ফলে জেলার প্রায় ৪ লক্ষ মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। বাকী ৯টি জলপ্রকল্পের কাজ আগামী মে মাসের মধ্যে সমাপ্ত হবে।


মাথাভাঙ্গা ১ ব্লকের ভোগরামপুরে দমদম ঝিল কে কেন্দ্র করে ইকো টুরিজ্‌ম এবং পিকনিক স্পট তৈরীর কাজ শেষের পথে। আনুমানিক পরিকল্পনা ব্যয় ৪ কোটি ৬৯ লক্ষ টাকা।

প্রায় ২৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত রসিকবিল মিনি চিড়িয়াখানায় একটি পক্ষিশালার শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

স্বনির্ভর দল স্বনিযুক্তি কর্মসূচী:

আনন্দধারা প্রকল্পে প্রায় ৫ হাজার স্বনির্ভর দল গঠিত হয়েছে।

বিগত সাড়ে চার বছরে স্বামী বিবেকানন্দ স্বনির্ভর কর্মসূচী প্রকল্পে সাড়ে ৭  হাজারেরও  বেশি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং প্রায় ৩৭ কোটি টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

জেলায় বিভিন্ন দপ্তরের মোট ৫টি কর্মতীর্থ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল, যার মধ্যে ইতিমধ্যেই মাথাভাঙ্গা-১ ব্লকে ১টির কাজ সমাপ্ত হয়েছে, বাকী গুলির কাজ চলছে।

পুর নগরোন্নয়ণ:

বর্তমানে কোচবিহার জেলায় ৬টি মিউনিসিপ্যালিটি বিগত সাড়ে চার বছরে প্রায় ১৩৫কোটি টাকার ও বেশি পরিকল্পনা খাতে ব্যয় করেছে। শহরাঞ্চলে গরীবদের জন্যে আড়াই হাজারেরও বেশি বাসস্থান নির্মিত হয়েছে।

তথ্য সংস্কৃতি:

বর্তমানে কোচবিহার জেলায় প্রায় ২ হাজার লোকশিল্পী রিটেনার ফি ও পেনশন পাচ্ছেন। আরও প্রায় ৬০০ লোকশিল্পী রিটেনার ফি ও পেনশন পেতে চলেছেন।


জেলায় আর্থিক ভাবে দুর্বল মানুষদের জন্যে গীতাঞ্জলী ও অন্যান্য প্রকল্পে ৭ হাজারের বেশি বাসস্থান নির্মিত হচ্ছে, এর মধ্যে ৩ হাজারের বেশি বাসস্থানের নির্মাণ কাজ ইতিমধ্যেই সমাপ্ত হয়ে গেছে। আরও ৪ হাজার বাসস্থান নির্মাণ আগামী মে মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে।

ক্রীড়া যুব কল্যাণ:

ক্রীড়ার মান উন্নয়নে কোচবিহার জেলায় মোট ১৪৯টি ক্লাবকে অর্থ সাহায্য করা হয়েছে।

জেলায় ৩৭টি মাল্টি জিম সেন্টার গড়ে তুলতে ৭৪ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়েছে।


কোচবিহার জেলায় নতুন থানা হিসাবে, কোচবিহার মহিলা থানা স্থাপন করা হয়েছে।

উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন:-

কোচবিহার জেলায় উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর অনেকগুলি কাজ করছে, তার মধ্যে অন্যতম হল :- বক্সিরহাট, ঘোকষাডাঙা, দেওয়ানহাট ও নিশিগঞ্জ কলেজ ভবন নির্মাণ, মানসী নদীর পাড় বাঁধাই, কাপাইডাঙা থেকে বোচামারি পর্য্যন্ত রাস্তা নির্মাণ , পঞ্চানন বর্মা ইউনিভারসিটি নির্মাণ, মাথাভাঙায় নতুন পলিটেকনিক নির্মাণ, হরিণচাওড়ায় কোচবিহার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ নির্মাণ, কালজানি নদীর উপর সেতু নির্মাণ , ভোগরামপুরে ইকো-ট্যুরিজিম ও পিকনিক স্পট নির্মাণ, শালবাড়ি-তে মারা রাইডাক নদীর উপর  সেতু নির্মাণ, অত্যাধুনিক বাতানকুল অডিটোরিয়াম নির্মাণ।