A counter to BJP’s claims about Bengal

Finance minister Amit Mitra provides a point-by-point reply to Amit Shah’s “blatant and motivated attempt to distort the truth and misguide the people of Bengal.”


Claim: We thought after end of Left rule, development will begin in Bengal. But we have been disappointed in the last 6 years

Fact: They are comparing a government of 6 years with 34 years of Left rule. They are like the seasonal birds who come and go and thus cannot see the development in Bengal. During the first five years of this government, the planed expenditure has increased from Rs 14,615 cr to Rs 54,069 crore. Capital expenditure too has increased 7 times and the state’s Own Revenues have doubled.


Claim: Share of Bengal in GDP growth was 25% during independence. Now it is 4%

Fact: GDP of Bengal has more than doubled from nearly Rs 4.61 lakh crore in 2010-11 to Rs 9.20 lakh crore in 2015-16


Claim: Bengal had a debt of Rs 1.9 lakh crore when Left was voted out. It has become Rs 3 lakh crore now

Fact: Of the Rs.113,000 crore increase in the state’s debt stock during the past five years, around Rs.94,000 crore went into debt servicing. Bengal’s debt-GSDP ratio has improved from 41% to 35%


Claim: Power production in Bengal is not at par with national average

Fact: Bengal one of the few power surplus States in the country. By June, 2017, 100% rural electrification will be achieved, the first State in India to do so.


Claim: Agriculture growth has slowed in Bengal

Fact: Bengal has won Krishi Karman award 5 years in a row from Govt of India for excellence in agriculture, since 2011


Claim: TMC promoted appeasement politics. Huge akrosh because of it

Fact: Kanyashree, Yuvashree, Sabuj Shree, Sabuj Sathi, Gatidhara, Geetanjali, Khadya Sathi, Baitarani, Samabyathi, Samarthan – these schemes are for all. Govt of Bengal works for all. Our reforms in e-governance, financial matters and in other areas of public service delivery have benefited all sections of society.


Claim: Bengal Govt failed to curb FICN, made it a laughing stock by opposing demonetisation

Fact: After demonetisation, the BJP claimed note-bandi has eliminated fake notes in the country. Everyone knows the truth.


Claim: Industries shutting down, bomb making factories booming

Fact: Industry growth – India 7% Bengal 10%. Furthermore, 40% investment proposals received at Bengal Global Business Summit are in process of fructification. (Figure for same in Gujarat is 2-3%).


BJP is jealous of development in Bengal: Mamata Banerjee

Bengal Chief Minister Mamata Banerjee today lashed out at the Centre for withholding funds for the State; she said BJP is jealous of the development in Bengal and hence non-BJP ruled States were deprived of funds.

“I am stating with figures what Bengal can do, others cannot do; more so with the huge debt burden that was incurred by the Left. We do not make false promises to win elections,” the CM said.

“Agriculture growth in India is 1.1% while that of Bengal is 6%. Growth in service sector in India is 9% and that of Bengal is 13.99%. Industrial growth  in India is 7% and that of Bengal is 10 per cent,” she added.

“Institutional delivery has increased from 65% to 90%. Infant mortality has reduced from 32 to 26 per 1000 live births. We do not need lectures from them. Let them show one State where healthcare is free. I challenge them to compare the figures of infant mortality in Bengal and Gujarat,” she said.

The Chief Minister wondered if the claims of Bengal lagging in agriculture are true, how has the State received Krishi Karman award 5 years in a row from Government of India since 2011. She wanted to know from the Centre what happened to the promise of taking over 7 sick tea gardens in north Bengal. She accused the Centre of depriving Bengal by planning to shift the headquarters of Tea Board to Assam.

“Instead of working for the people, BJP is running malicious propaganda campaign on social media,” the Chief Minister added.


বাংলার উন্নয়নে বিজেপির খুব হিংসা: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আলিপুরদুয়ারে প্রশাসনিক বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি বলেন, “আমার তথ্যই কথা বলবে। আমি বাজে কথা কম বলি, মিথ্যে ভাষণ কম দিই, ভোটে জেতার জন্য কুতসার রাজনীতি কম করি, যেটুকু কথা বলার সেটুকুই বলি। গুজরাটে অপুষ্টিতে মৃত্যুর হার কত? বাংলায় কত? আমি চ্যালেঞ্জ করছি, গুজরাটে অপুষ্টিতে শিশু কত আক্রান্ত? বাংলায় কত? এত দেনা শোধ করেও?”

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “দেনা আমরা করি নি, সিপিএম করেছে। কেন সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট তাদের পারমিট করেছিল দেনা করবার জন্য? আর দেনা যতক্ষণ সম্পূর্ণ শোধ না হয়, সেটা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ে। আমরা এফারবিএম চালু করেছি, সেটাতে যে টাকা নেওয়া হয়, সবটাই দেনা দিতে চলে যায়, একটা টাকাও আমাদের কাজে লাগে না। এই দেনার যে টাকা, সেই টাকার টোটাল টাই কেন্দ্রীয় সরকারকে দিতে চলে যাচ্ছে। ৪০,০০০ কোটি টাকা কেন কাটে আমাদের থেকে? আবার বড় বড় কথা, বড় বড় ভাষণ। রেশন দেওয়ার ক্ষমতা নেই শুধু ভাষণ।”

পরিসংখ্যান দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন বাংলা এগিয়ে চলেছে। “এগ্রিকালচারাল গ্রোথ ইন্ডিয়া ১.১% আর বেঙ্গল অ্যাবাউট ৬%; সার্ভিস সেক্টর, ইন্ডিয়া–৯.২% বেঙ্গল–১৩.৯৯%; ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ ইন্ডিয়া-৭.৩% বেঙ্গল-১.০.৫৯%; আর জিডিপি, ২০১০-১১য় ছিল ৪.৬ লক্ষ কোটি, ১৫-১৬য় এটা ৯.৩৯ লক্ষ কোটি হয়েছে। যদি এগ্রিকালচারাল গ্রোথ আমাদের খারাপ হয়, পরপর পাঁচ বছর পশ্চিমবঙ্গ সরকার ভারত সরকারের কৃষি কর্মন অ্যাওয়ার্ড পেল কি করে?”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বাংলাকে জ্ঞ্যান দিয়ে লাভ নেই। বাংলা যা পারে, অন্যরা কেউ তা পারে না। আমরা ৩৬৫ দিন কাজ করি, ৩৬৫ দিন মানুষের কাছে থাকি।”

তিনি আরও বলেন, “নির্বাচনের আগে বিজেপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সাতটা চাবাগান অধিগ্রহন করবে, আজ পর্যন্ত একটা কেউ টেকঅভার করেছে? উপরন্তু বাংলায় চা বাগান বেশী বলে, আমাদের কলকাতায় যে টি বোর্ডের অফিস আছে, সেই টি বোর্ডের অফিসটা হস্তান্তর করে আসামে নিয়ে যাচ্ছে। আমার আপত্তি নেই আসামে যদি আরেকটা করে, কিন্তু বাংলাকে বঞ্চনা কেন?”

Tea gardens on the banks of the Subarnarekha

Surprising as it may sound, tea gardens are coming up in the newly-created Jhargram district, on the banks of the Subarnarekha. The project has been taken up by the Gopiballavpur-2 panchayat samity as part of the 100 Days’ Work scheme.

Sloping grounds have been built and the tea saplings planted. The tea saplings have been brought from Siliguri. Water has been arranged through special irrigation facilities. The plantations are being looked after by 100 Days’ Work job card-holders.

The advantages would be two-fold: employment and tourism. There are also plans to expand the tea cultivation in the district.


সুবর্ণরেখা নদীর বাঁধে ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পে তৈরী হচ্ছে চা বাগান

সুবর্ণরেখা নদীর বাঁধে মাটির ঢাল তৈরী করে সেখানে চা বাগান তৈরী করছে ঝাড়গ্রাম জেলা।

গোপীবল্লভপুর-২ পঞ্চায়েত সমিতি এই প্রকল্পের কাজ চালু করেছে। ১০০ দিনের কাজে নিযুক্ত শ্রমিকদের নিযুক্ত করা হচ্ছে এই কাজে। দক্ষিণবঙ্গে তো বটেই, পশ্চিম মেদিনীপুর বা ঝাড়গ্রাম জেলায় এইভাবে চা বাগান তৈরীর উদাহরণ প্রায় নেই বললেই চলে।

গত ডিসেম্বর মাসেই শিলিগুড়ি থেকে আড়াই ফুট উচ্চতার চা গাছ এনে দেড় বিঘা জমিতে লাগানো হয়েছে। কুঠিঘাটে চা বাগান তৈরী করে কার্যত নজির তৈরি করেছে এই ব্লক।

১০০ দিনের কাজে নিযুক্ত শ্রমিকরা ঢালু জমি তৈরী করে এই চা গাছ লাগিয়েছেন। জবকার্ড হোল্ডারদের গাছ পরিচর্যার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এই প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য, পর্যটকদের কাছে জায়গাটি আকর্ষণীয় করে তোলা এবং কর্মসংস্থান। চা চাষে সাফল্য মিললে ভবিষ্যতে আরও বেশি ঢালু জমি তৈরী করে চাষের এলাকা বাড়ানোর পরিকল্পনাও নেওয়া হবে।




7.5 Lakh metric tonne of paddy procured till Feb 24: Food Minister

The state government has procured 7.52 lakh metric tonne of paddy till February 24, Jyotipriyo Mallick, state Food and Supplies minister said in the Assembly on Monday.

The Minister said the government had procured 38.59 lakh metric tonne of paddy in Kharif marketing season (KMS) of 2015-16. Altogether, 328 centralised procurement centres have been set up in the state. He said the state government would meet the procurement target ahead of its schedule, adding that 18 lakh farming families were benefitted in the last KMS. In 2017 so far, he said 3.2 lakh farmer have sold paddy.

The Food and Supplies department, along with Health and Family Welfare department, jointly run a programme to combat malnutrition. 4,000 children suffering from severe acute malnutrition (SAM), identified by the Health department, are unit wise (mother and SAM child) being provided 5 kg rice, 2 kg wheat, 1 kg masur dal and 1kg Bengal gram per month free of cost for six months. Introduced in October 2014, the project has been very effective.

The State Government had budgeted Rs 5,020 crore to implement Khadya Sathi programme. January 27 was declared as Khadya Sathi Dibas by Chief Minister Mamata Banerjee. The department had set up model fair price shops (FPS), run by self help groups in six closed tea gardens in the first phase. In 2016-17, a project to construct 126 FPS in 86 tea gardens has been taken up to ensure availability of food grains to the beneficiaries.


২৪শে ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত ৭.৫ লক্ষ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করেছে সরকার: খাদ্যমন্ত্রী

“রাজ্যে কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনা নিয়ে রাজনীতি নয়, বরং সহযোগিতা করুন,” বিধানসভায় নিজের দপ্তরের বাজেট পেশ করতে গিয়ে আবেদন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের।

তিনি বলেছেন, “যাঁরা ধান বিক্রি করেছেন তাঁদের নাম-ধাম তো বটেই, ফোন নম্বরও রয়েছে আমাদের কাছে। চাইলে মিলিয়ে দেখুন স্বচ্ছতার অভাব আছে কি না। সিপিএম কিন্তু এমন কোনও তথ্যভাণ্ডার করত না। করেনি। আমরা করেছি।”

তাঁর দাবি, রেশন কার্ডের হিসাবে জল মিশিয়ে গণবণ্টন ব্যাবস্থাকেই শেষ করে দেওয়া হচ্ছিল। একের পর এক দুর্নীতি হয়েছে। বাংলায় ১ কোটি ৩১ লাখ জাল কার্ড ধরা পড়েছে। নতুন সরকার তা ধরেছে। ব্যাবস্থা নিয়েছে।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের মানুষ দু’টাকা কেজি চাল পান। কিন্তু বাইরে থেকে আর চাল কিনতে হয় না। রাজ্য স্বাবলম্বী। ফলে বাংলায় আর আমলাশোলের অনাহারের মৃত্যুর মতো ঘটনা ঘটবে না। ঘটতে দেওয়া হবে না। রাজ্যে কেরোসিনের বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়া নিয়েও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হন তিনি।

On International Tea Day, Bengal CM appeals to the Centre to extend help to Bengal tea garden workers

On the occasion of the International Tea Day, Bengal Chief Minister Mamata Banerjee again requested the “Centre and RBI to extend a helping hand to the tea garden workers in Bengal.”

Reiterating the fact that the tea garden workers in north Bengal are starving and dying due to demonetisation, she made an appeal to the RBI to immediately restore payments by the Bengal Government through the district magistrates.

Earlier in the day, Trinamool Congress staged a dharna near the statue of Mahatma Gandhi outside the Parliament to protest against demonetisation. The Trinamool MPs of both the Houses were present at the dharna. They highlighted the plight of tea garden and jute workers through slogans.


আন্তর্জাতিক চা দিবসে বাংলার চা শ্রমিকদের হয়ে সওয়াল মুখ্যমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক চা দিবস উপলক্ষে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও আর্জি জানালেন, “কেন্দ্র ও রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে বাংলার চা বাগানের শ্রমিকদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়ানোর অনুরোধ জানাচ্ছি।” 

তিনি আবারও বলেন যে নোট বাতিলের ফলে উত্তরবঙ্গের চা কর্মীরা দুর্দশায়, অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন। তিনি  রিজার্ভ ব্যাংকের কাছে আর্জি জানান যত তাড়াতাড়ি সম্ভব জেলাশাসকদের মাধ্যমে চা বাগানগুলিতে অর্থ যোগান দিতে।

অন্যদিকে, আজ সকালে সংসদের বাইরে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদরা নোটবাতিলের বিরুদ্ধে ধর্ণা দেন। তারা স্লোগানের মাধ্যমে চা বাগান ও পাট শিল্পে নিযুক্ত কর্মীদের দুর্দশার কথা তুলে ধরেন।

Centre discriminating between tea garden workers of Bengal and Assam: Mamata Banerjee

Bengal Chief Minister Mamata Banerjee Wednesday accused the Narendra Modi government of “discriminating” against the state by depriving tea garden workers of their wages, while providing the same to workers in BJP-ruled Assam.

“It is shocking that the Central government is ruthlessly discriminating against Bengal and its toiling tea garden workers by starving them of cash wages, while giving cash from RBI to workers in BJP-ruled state of Assam,” she said in a series of tweets.

“While both states started a similar payment model, suddenly Bengal’s payments were cut off at the end of November. Our workers are starving. I demand that RBI restores payment by our government through our DMs immediately and continue it till March next year,” she added.



কেন্দ্র নিষ্ঠুর, চা বাগানে উপোসে মানুষঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চা শিল্পের চরম সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন। কেন্দ্র বকেয়া টাকা না পাঠালে আগামীদিনে চরম সংকটে তৈরি হবে চা শিল্পে।

টুইটে তিনি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার নিষ্ঠুর, আমি অবাক হয়ে যাচ্ছি পরিস্থিতি দেখে। বাংলার চা বাগান ও তাদের শ্রমিকদের সাথে বিমাতৃসুলভ আচরণ করছে কেন্দ্র। শ্রমিকরা মজুরি পাচ্ছে না, তারা অনাহারে রয়েছে”।

তিনি আরও বলেন, “অন্যান্য রাজ্যে সময়মত টাকা পৌঁছে যাচ্ছে তার বেলায় কোন অনিয়ম নেই অথচ বাংলার বকেয়া টাকা দেওয়া বন্ধ রেখেছে কেন্দ্র। বাংলা ও আসাম দুই রাজ্যই বেতন দেওয়ার ক্ষেত্রে একই নিয়ম মানছে তখন হঠাৎ শুধু বাংলাকে বঞ্চনা কেন? আমি দাবি করছি আগামী মার্চ মাস পর্যন্ত রিজার্ভ ব্যাঙ্ক বকেয়া টাকা অবিলম্বে জেলাশাসকদের কাছে পাঠিয়ে দিক”।

Rs. 100 crore project being taken up for tea garden workers: WB CM

West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee today slammed the Centre for it’s “indifference” for the plight of tea gardens of north Bengal. The West Bengal Chief Minister was on a visit to north Bengal for the last two days.

“The Centre’s indifference is responsible for the situation in tea gardens,” she said in response to questions by reporters on her way back to Kolkata after winding up her two-day trip to north Bengal.

The West Bengal Chief Minister said that the State Government, keeping in mind the problem of poor tea workers, has accepted a Rs. 100 crore project. “The project will be implemented soon,” she said.

Arrangements are being made to provide rice to the tea workers at Rs. two per kg, she added.

The Chief Minister also said that she will be back in Hills on January 21, 2016 and on 23rd January, a Netaji Subhas Chandra Bose’s Birth Anniversary will be celebrated from there.

WB Govt announces loan for workers of closed tea gardens

The state government on Tuesday announced soft loan to be provided to the planters of closed and sick tea gardens of North Bengal from the Rs 100 crore special corpus fund for tea industry.

The decision came after state labour minister Malay Ghatak held few rounds of meetings with the tea planters, trade union leaders and the officials of Darjeeling, Jalpaiguri and Alipurduar districts here at Uttar Kanya.

State food minister Jyotipriya Mullick also attended the meeting. Later, speaking to reporters, Mr Ghatak said, “The loan at low interest rate would be provided to the owners of sick and closed tea gardens to be used for the welfare of workers.”

The minister said the condition to get the loan is that the planters should use the loan only to carry out workers’ welfare activities.

He also informed that the state government is working to extend the National Food Security Act to the tea gardens by January 1, 2016. Under the act, the beneficiaries would get subsidized ration. The act was implemented in the state from September.

WB Govt allocates Rs 100 Cr for the welfare of tea garden workers

A group of ministers (GoM) formed by chief minister Mamata Banerjee has decided to extend a series of benefits in the areas of food, health, power and education for the employees of not only closed or abandoned tea gardens but also of the stressed ones.

The GoM has decided to allocate a Rs 100 crore Tea Garden Employees’ Welfare Fund (formed in early 2015) as corpus for the benefit of the ailing tea garden workers.

The GoM headed by finance and industries minister Dr Amit Mitra had an hourlong meeting with the officials of education, food, health, PHE and power departments on Friday to discuss the strategy and modalities.

The other members of GoM also include power minister Manish Gupta, rural development minister Subrata Mukherjee, education minister Partha Chatterjee, north Bengal development minister Gautam Deb, labour minister Moloy Ghatak and agriculture minister Purnendu Bose.

It was decided that a task force will be formed under the district magistrates of Jalpaiguri and Alipurduar to oversee the implementation of the relief measures on a day-to-day basis. The state government has set a deadline of seven days to supply power directly to the workers houses in all the 234 Dooars gardens.

Besides free power, the state is organising a free kitchen in over 30 stressed gardens in Dooars.

WB CM’s stern message to tea garden owners over workers’ rights

In a stern message to the owners of closed tea gardens in Dooars area, West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee today said the state government would take over if they cannot run the gardens.

“If you have tea garden and if you can’t run them, tell us. The state government will take over or we will give it to someone else,” the Chief Minister said at a public rally in Alipurduar. “If you can’t run the gardens, don’t betray the workers,” she added.

The Chief Minister said that payment of provident fund is compulsory and non-payment of it is a criminal offence. She said she had ordered resumption of drinking water and electricity supply to the closed tea gardens.

The state government has ordered a CID probe into the alleged non-payment of wages to workers at the Bagrakot tea garden of Duncan Industries in north Bengal.