MSME: Marching ahead in Bangla

Bangla is a leading state in the country in micro, small and medium enterprises. The multi pronged strategy and continuous innovative interventions of the State Government during the last seven years towards promotion of MSME focusing on inclusive growth have resulted in significant achievements in MSME sector.

Some of the notable achievements are mentioned below:

  • Among the top rankers in Ease of Doing Business in India, Highest number of MSME establishments (52.7 lakh) in organised (ie., registered) and unorganised (ie., unregistered) sectors, contributing 11.62% of the total MSME establishments in India employing 1,09,15,626 people
  • 28,008 units on an average registered per year between 2011-18, compared to 12,192 units between 2004-11
  • Average of 2,09,108 people employed per year between 2011 and 2018 in registered MSME sector, compared to a yearly average of 1,29,904 people between 2004 and 2011
  • 381 clusters established as in 2017, against 49 clusters as inn 2011
  • Average bank credit flow per year to MSME sector of Rs 24,272 crore between 2004 and 2011, compared to Rs 7,302 crore per year between 2004 and 2011
  • 20 industrial parks being developed under Scheme of Approved Industrial Parks and TexPro Bengal
  • More than 65,000 entrepreneurs provided services on filing udyog Aadhaar registration and disposing of statutory approvals
  • 13 Synergy events organised at State and regional-level, guiding and providing spot solutions on statutory and business requirements to over 50,000 entrepreneurs
  • Rs. 1,500 crore worth business proposals received from Hill Business Summit 2018 held in Darjeeling
  • Web-based services launched: statutory support –, financial support –, technology support – www.,
  • 1,47,500 entrepreneurs visited and took help of web-based tutorial at

IT sector growing rapidly in Bangla

The information technology (IT) sector in Bangla is growing at a fast pace. Under the leadership of Chief Minister Mamata Banerjee, there has been a lot of growth in the sector, and the Information Technology & Electronics Department is the department driving this growth.

Almost 80% overall growth in IT business: The State now has a presence of about 894 IT companies, up from nearly 500 in 2010-11, showing a rise of almost 80 per cent in the IT business.

Many of the leading IT software companies are operating and expanding their facilities in the State at the moment.

The vision: The vision of the State Government, as described in its ICT Policy 2012, is to become one of the leading States in India in the IT and ITeS, and ESDM sectors and to enable Bangla to transform into a knowledge-driven welfare society.

67 per cent growth in employment: From the financial year (FY) 2010-11 figure of 90,000, the IT sector today employs more than 1,50,000 IT professionals – a growth of about 67 per cent. The projected figure for employment for FY 2018-19 is at least 1.8 lakh, of which almost 50,000 will be covered through the IT parks developed by the State Government.

Almost 150 per cent growth in export: The total export by the IT industry of the State was Rs 21,000 crore during FY 2017-18, compared to Rs 8,500 crore during 2010-11, showing a growth of about 150 per cent in seven years.

CII lauds Mamata Banerjee for ‘industry-driven’ development model

The Confederation of Indian Industry on Wednesday lauded West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee for her “industry-driven development model”, which led to “Rs 1,500 crore investment proposals” at the two-day Darjeeling Business Summit here.

The Confederation of Indian Industry on Wednesday lauded West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee for her “industry-driven development model”, which led to “Rs 1,500 crore investment proposals” at the two-day Darjeeling Business Summit.

For the people living in the hills, the summit presages the beginning of an era of development, peace and prosperity, said Chairman, CII Eastern Region, in a statement.

“We congratulate Chief Minister Mamata Banerjee for her industry-driven development model. The CII is extremely happy with the investment proposals worth Rs 1,500 crore, announced at the Darjeeling Business Summit,” he said.

He also said that CII would work closely with the state government to make sure the proposals get implemented at the earliest. The CII, which partnered the state government and the GTA to organise the business summit, has already prepared an action plan for development in the hills, the CM said earlier in the day, adding the final plan will be submitted later.


শিল্প-কেন্দ্রিক উন্নয়ন মডেলের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা সিআইআইয়ের

মুখ্যমন্ত্রীর শিল্প-কেন্দ্রিক উন্নয়ন মডেলের জন্য তাকে সাধুবাদ দিল বণিকমহল। এই প্রথমপাহাড়ে অনুষ্ঠিত হল হিল বিজনেস সামিট। আর তাতেই প্রাপ্তি ২০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগের প্রস্তাব। এই সাফল্যের কৃতিত্বও মুখ্যমন্ত্রী দিল সিআইআই।

পাহাড়বাসীর জন্য উন্নয়নের নতুন দিশা খুলে দিল এই বাণিজ্য সম্মেলন। শান্তি ও উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে, মত তাদের।

সিআইআই ইস্টার্ন জোনের চেয়ারম্যান বলেন, “আমরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিনন্দন জানাই তাঁর শিল্প-কেন্দ্রিক উন্নয়ন মডেলের জন্য। এই সম্মেলনে২০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ বার্তা এসেছে। সিআইআই খুব খুশী।”

তিনি আরও বলেন, সিআইআই রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় কাজ করবে যাতে এই বিনিয়োগ প্রস্তাবগুলি খুব শীঘ্রই বাস্তবায়ন হয়।

এই সম্মেলনের আয়োজন করার জন্য রাজ্য সরকার ও জিটিএকে সাহায্য করার পাশাপাশি পাহাড়ের উন্নয়নের জন্য একটি অ্যাকশন প্ল্যানও তৈরী করেছে সিআইআই।


Poland up for scholarships to Bengal youth

Poland has proposed to offer scholarships to youth from Bengal, who wish to acquire knowledge of mining engineering in their country.

Poland is known for its expertise in the mining and coal sector and feels that the knowledge gained by the Bengal youth in their country can be utilised in the state.

“Technical knowledge of Poland in certain areas of the power sector can be beneficial for Bengal. We have sought details from Poland on how they want to proceed in this regard,” state Power minister Sobhandeb Chattopadhyay said on the sidelines of the Business to Government (B2G) meeting at the Bengal Global Business Summit on Tuesday.

The minister, along with principal Power secretary Sunil Gupta and some senior officials of the department, held B2G meetings with as many as eight countries, including Poland, on how the state can partner with them in the power and renewable energy sector.

কয়লা শিল্পে নতুন প্রযুক্তি নিয়ে আসতে চায় পোল্যান্ড, বাণিজ্য সম্মেলনে যোগ দিয়ে জানালেন মন্ত্রী


মঙ্গলবার বাংলা বিশ্ব বাণিজ্য সম্মেলনে উপস্থিত হয়েছিলেন পোল্যান্ডের ডেপুটি মন্ত্রী মেরেক ম্যাগিএরোস্কি। তিনি সম্মেলনের শেষে বণিকসভা বিসিসিআইয়ের আয়োজিত একটি বৈঠকে সাংবাদিকদের সঙ্গে মুখোমুখি হন। তিনি বলেন, পোল্যান্ড মূলত তামা ও কয়লার গভীর খনন করে থাকে। এর জন্য তাঁদের কাছে রয়েছে বিশেষ খনন প্রযুক্তি। সেই অত্যধুনিক নিরাপদ প্রযুক্তিই তাঁরা ভাগ করতে চান বাংলার সঙ্গে।

পোল্যান্ডের তরফে জানানো হয়েছে, শক্তি, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, প্রতিরক্ষা এবং অন্যান্য উদ্ভাবনী মূলক শিল্প পোল্যান্ডকে আকৃষ্ট করেছে।
ডেপুটি মন্ত্রী বলেন, তাঁদের লক্ষ্য দ্রুত উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে প্রথমের সারিতে উঠে আসা ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপন করা। সেই সম্পর্ক শুধু বাণিজ্যের মধ্যেই আবদ্ধ থাকবে না। সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক দিকগুলিকেও সমান ভাবে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

খনন প্রযুক্তিতে আগ্রহী ছাত্রছাত্রীদের স্কলারশিপও দিতে ইচ্ছুক পোল্যান্ড।

Ease of doing business in Bengal

The Trinamool Congress Government has brought various measures to ensure ease in doing business in Bengal.

Among the foremost is the Silpa Sathi Scheme, to ensure single-window permission for settings up industries (of any size). In short, Silpa Sathi is Bengal’s call for business to ride the growth in industry, commerce and enterprises in the state across micro, small, medium and large sectors.

Some of the key reforms implemented:

· Streamlining of business processes
· Enactment of time-bound delivery of services under the Right to Public Services Act
· Enactment of single-window clearance system, through a single-window agency, for business through the Single Window Act; website of the agency –
· Transparency and ease of access to information
· Introduction of self-declaration and self-clarification
· Non-requirement of clearance or consent for industries under ‘white’ and ‘exempted’ categories
· Dissemination of online web-based information
· Introduction of e-services
· Online application for incentives
· Setting up of Industry Facilitation Centres (IFC) in every district
· Simplification of processes and procedures through decentralisation and reduced documentation
· Using GIS mapping system to precisely identify sites


বাংলায় শিল্প গড়ার সুবিধা

২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত সরকার অগুন্তি পদক্ষেপ নিয়েছে যাতে ৩৪ বছরের শিল্পের খরা কাটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে যে কেউ শিল্প গড়ে তুলতে বিশেষ সুবিধা পান।

নানা উদ্যোগের মধ্যে অন্যতম উল্লেখযোগ্য হল শিল্পসাথী প্রকল্প। শিল্প গড়তে ‘ সিঙ্গেল উইন্ডো সিস্টেম’ চালু করেছে রাজ্য – যার পোশাকি নাম শিল্প সাথী।

গত কয়েক বছরে কিছু সংস্কারমূলক পদক্ষেপঃ
· ব্যাবসা স্থাপনের প্রক্রিয়া স্ট্রিমলাইন করা।
· জনপরিষেবা আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে পরিষেবা প্রদান
· শিল্পসাথী প্রকল্প প্রনয়ন:
· তথ্যের সহজলভ্যতা ও স্বচ্ছতা
· সেলফ ডিক্লারেশন ও সেলফ ক্ল্যারিফিকেশন-এর শুরু
· অনলাইন তথ্যের প্রচার
· ই-সার্ভিসের প্রচলন
· ইনসেন্টিভের অনলাইন আবেদন
· প্রতি জেলায় ইন্ডাস্ট্রি ফেসিলিটেশন কেন্দ্র তৈরী
· ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ও নথি কমিয়ে যেকোনো কাজ সহজ করা
· জিআইএস ম্যাপিং ব্যবহার করা জমি বাছাই করার জন্য

Bengal means business – Economy surges ahead

Bengal is the fourth largest economy in India, and on many economic parameters, is ahead of the all-India average.

During 2016-17, before demonetisation, that is, for the period from April to September 2016, the growth rate of the State Index of Industrial Production (IIP) was (+)4.8 per cent as compared to (–)0.1 per cent for India.

And the growth rate of the State Index of Industrial Production (General) for the period from April 2016 to January 2017 was 6.97 per cent, when that for the period from April 2016 to even March 2017 was just 4.8 per cent.

As compared to 2010-11, the State Plan of Expenditure in 2016-17 is expected to be four times. Similarly, the Capital Expenditure in 2016-17 as compared to 2010-11 is expected to be seven times.

Under the Mahatma Gandhi National Rural Employment Guarantee Act (MGNREGA) Scheme, the State Government has achieved employment generation to the tune of 128 per cent of proportionate labour budget. Expenditure incurred by the State Government in the scheme of more than Rs 5,600 crore was the highest in the country.

The revenue of the state in 2015-16 as compared to 2010-11, has grown by 103 per cent. This increase is unprecedented in the country.

In the area of e-taxation and reforms, Bengal has achieved number one position in the country on the basis of comparative valuation of performance with other states.

In spite of the tsunami of demonetisation, Bengal was able to create employment opportunities for 13,27,000 people during financial year 2016-17.


এগিয়ে চলেছে বাংলার অর্থনীতি

বাংলা দেশের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি, এছাড়া আরও অনেক অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে দেশের গড়কে পেছনে ফেলে দিয়েছে এই রাজ্য।

২০১৬-১৭ অর্থবর্ষে সর্বনাশা নোটবাতিলের আগে, মানে এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত রাজ্যের স্টেট ইনডেক্স অফ ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাকশন (আইআইপি) ছিল (+)৪.৮ শতাংশ, যেখানে দেশের এই পরিসংখ্যান ছিল (-) ০.১ শতাংশ।

এপ্রিল ২০১৬ থেকে জানুয়ারি ২০১৭ পর্যন্ত স্টেট ইনডেক্স অফ ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাকশন (জেনারেল)-এর বৃদ্ধির হার ছিল ৬.৯৭ শতাংশ, এপ্রিল ২০১৬ থেকে মার্চ ২০১৭ তে যা হয় ৪.৮ শতাংশ।

স্টেট প্ল্যান এক্সপেন্ডিচার ২০১০-১১ সালের তুলনায় ২০১৬-১৭ সালে প্রায় চার গুন বেড়েছে। পাশাপাশি ক্যাপিটাল এক্সপেন্ডিচার ২০১০-১১ সালের তুলনায় ২০১৬-১৭ তে বেড়েছে প্রায় সাত গুন।

১০০ দিনের কাজের অন্তর্গত, রাজ্য সরকার ১২৮ শতাংশ কর্মসংস্থান করেছে। এই খাতে রাজ্য ব্যয় করেছে ৫৬০০ কোটি টাকা যা দেশে সর্বোচ্চ।
২০১০-১১ সালের তুলনায় ২০১৫-১৬ সালে রাজস্ব বেড়েছে ১০৩ শতাংশ। এই পরিমান রাজস্ব বৃদ্ধি দেশে অভূতপূর্ব।

ই-ট্যাক্সেশন ও সংস্কারের ক্ষেত্রে বাকি রাজ্যের তুলনায় এরাজ্য প্রথম স্থান অধিকার করেছে।

নোটবাতিলের কালো প্রভাব থাকা সত্বেও ২০১৬-১৭ সালে রাজ্য ১৩,২৭,০০০ টি কর্মসংস্থান তৈরীতে সক্ষম হয়েছে।


Bengal Global Business Summit: Looking back at the last three years

Over the past three years, Bengal Global Business Summit has emerged as one of the foremost business summits in India. Some of the top industrialists have participated in these summits, along with several international companies.

The summits have brought substantial investments too, something that was unimaginable during the Left Front rule. Chief Minister Mamata Banerjee’s vision of industrial growth and prosperity for Bengal is bearing fruit.

The first edition of this summit was organised on January 7 and 8, 2015. The summit received participation from 20 countries and regions including the UK, Japan, USA, Singapore, Australia, China, Malaysia, Taiwan, Israel, Spain, Belarus, Czech Republic, Korea, Luxembourg and the neighbouring countries of Bangladesh, Nepal and Bhutan. Captains of Indian industry and global entrepreneurs were invited to share their experiences and their future business plans for the state. Investment proposals worth Rs 2.4 lakh crore were received.

The second edition of the summit was held on January 8 and 9, 2016. It has plenary sessions addressed by dignitaries from India and abroad and national and international speakers who shared their thoughts and experiences. The summit also focused on B2B (business-to-business) and G2B (government-to-business) interactions. BGBS 2016 had the presence of industry leaders, senior ministers from India and abroad, heads of business, and government leaders from 26 countries including USA, UK, Italy, Spain, Germany, Japan, China, Korea, Bhutan, Bangladesh, etc. participated in the Summit. Living up to the tagline of ‘Bengal Surging Ahead’, BGBS 2016 concluded on a very high and optimistic note. Rs 2.50 lakh crore of business announcements, business document exchanges, expressions of interest and investment proposals were received at the summit.

The third edition of the summit, held on January 21 and 22, 2017, resulted in expressions of interest and investment proposals worth Rs 2.35 lakh crore. It was inaugurated by Pranab Mukherjee, the President of India, and plenary sessions were addressed by dignitaries and business leaders, from both India and abroad. There was participation by over 4,000 delegates from across India and 29 other countries. Japan, Poland, Italy & Germany were the partner countries.


ফিরে দেখা বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন ২০১৫-১৭

গত তিন বছরে দেশের অন্যতম সফল বাণিজ্য সম্মেলন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন। অনেক শীর্ষস্থানীয় শিল্পপতি ও আন্তর্জাতিক সংস্থা এই সম্মেলনে অংশ নিয়েছে। এসেছে বিপুল বিনিয়োগ। এই শিল্পমুখী পরিস্থিতি বাম আমলে ছিল কল্পনার অতীত। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় এই সুফল এসছে।

প্রথম বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন হয় ২০১৫ সালের ৭ ও ৮ জানুয়ারি। অংশ নেয় ২০টি দেশ: ব্রিটেন, জাপান, আমেরিকা, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, চিন, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান, ইসরায়েল, স্পেন, বেলারুস, চেক রিপাবলিক, কোরিয়া, লুক্সেম্বরগ এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশ, নেপাল ও ভূটান। ভারতের পাশাপাশি বিদেশের নামী শিল্পপতিরা উপস্থিত ছিলেন এই সম্মেলনে। ২.৪ লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগের প্রস্তাব আসে।

দ্বিতীয় বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৬ সালের ৮ ও ৯ জানুয়ারি। দেশ বিদেশের অতিথিরা তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এই সম্মেলনে। এই সম্মেলনে জোর দেওয়া হয়েছিল বিজনেস টু বিজনেস ও গভার্ন্মেন্ট টু বিজনেস আলোচনার ওপর। এই সম্মেলনে ২৬টি দেশ অংশ নেয়: আমেরিকা, ব্রিটেন, ইতালি, স্পেন, জার্মানি, জাপান, চিন, কোরিয়া, ভূটান, বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশ। সম্মেলনের ট্যাগ লাইন ছিল ‘বেঙ্গল সার্জিং অ্যাহেড’। এই সম্মেলনে ২.৫ লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগের প্রস্তাব আসে।

তৃতীয় বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৭ সালের ২১ ও ২২ জানুয়ারি। ২.৩৫ লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগের প্রস্তাব আসে। ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রনব মুখোপাদ্ধ্যায় উদ্বোধন করেন এই সম্মেলন। দেশ বিদেশের শিল্পপতিরা বক্তব্য রাখেন। ২৯ টি দেশ থেকে ৪০০০ এরও বেশী প্রতিনিধি অংশ নেন এই সম্মেলনে। জাপান, পোল্যান্ড, ইতালি ও জার্মানি ছিল সম্মেলনের পার্টনার দেশ।

Bengal no. 1 in terms of business-friendliness, according to joint World Bank-DIPP ranking

Just before the fourth Bengal Global Business Summit comes great news: the Business Reforms Action Plan 2017, published a few days back by the Central Government’s Department of Industrial Policy and Promotion (DIPP) has places Bengal as number one in the Implementation Scorecard.

This is a huge boost indeed in terms of the ranking too. From number 15 in the 2016 ranking to number one is no mean feat.

The implementation Scorecard refers to the implementation of major reforms by a state. For Bengal, for the 2017 ranking, the top five reforms implemented, which were considered for the ranking, are as follows:

  • Access to Information and Transparency Enablers
  • Single-Window Permission for Projects
  • Availability of Land
  • Construction Permit Enablers
  • Environmental Registration Enablers


These rankings are based on certain parameters decided by the World Bank, and the work done by the states according to these parameters is supervised by the World Bank and DIPP. The rankings are basically an inter-state version of the annual country-wise ‘Ease of Doing Business’ ranking published by the World Bank.

Since the parameters on which the Business Reforms Action Plan ranking is based, change constantly, the states have to constantly work hard to fulfil the conditions. Chief Minister Mamata Banerjee had constituted a committee of senior bureaucrats a few years back to see to it that all the work is being implemented properly.



সেরা বাণিজ্য-বন্ধু শিরোপা রাজ্যের, বড় প্রাপ্তি


আসন্ন শিল্প সম্মেলনের মুখে বড় প্রাপ্তি রাজ্যের। চলতি বছরে দেশের সেরা ‘বাণিজ্য-বন্ধু’ রাজ্য হিসাবে স্বীকৃতি পেল পশ্চিমবঙ্গ। প্রতি বছরই কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রকের অধীন ডিপার্টমেন্ট অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল পলিসি অ্যান্ড প্রোমোশন (ডিআইপিপি) বাণিজ্য বন্ধু হিসাবে রাজ্যগুলির র‍্যাঙ্কিং প্রকাশ করে। ‘বিজনেস রিফর্মস অ্যাকশন প্ল্যান’ নামে ওই র‍্যাঙ্কিং-এ ২০১৭ সালের তালিকা শুক্রবারই প্রকাশ হয়েছে। দ্বিতীয় হয়েছে ঝাড়খণ্ড এবং তৃতীয় স্থানে গুজরাত।

আগামী ১৬-১৭ জানুয়ারি রাজ্যে বসছে শিল্প সম্মেলনের আসর। ঠিক তার আগে এই তকমা মেলায় খুশি প্রশাসন।

প্রশাসনিক অধিকর্তারা জানাচ্ছেন, বিশ্ব ব্যাঙ্ক বিভিন্ন দেশের মধ্যে কারা বাণিজ্য বান্ধব, প্রতি বছর তার র‍্যাঙ্কিং প্রকাশ করে। বিশ্ব ব্যাঙ্কের তদারকি এবং বাছাই করা শর্তের ভিত্তিতেই এই র‍্যাঙ্কিং প্রকাশ করা হয়।

মুখ্যমন্ত্রী ‘ইজ অব ডুয়িং বিজনেস’ এর শর্ত পূরণের জন্য বরিষ্ঠ আমলাদের নিয়ে বিশেষ টিম তৈরি করে দিয়েছিলেন। মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে সেই কমিটি প্রতি মাসে বৈঠক করে রাজ্যের লগ্নি সহায়ক পরিবেশ তৈরির কাজে হাত দেয়।

এই কমিটির এক সদস্য জানাচ্ছেন, বিশ্ব ব্যাঙ্কের উপদেষ্টা এবং ডিআইপিপি প্রতি বছরই সংস্কারের শর্তাবলি বদলে দেয়। ফলে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে রাজ্যকেও আইন-কানুন বদলাতে হয়।

২০১৭ সালে বিজনেস রিফর্মস অ্যাকশন প্ল্যান শুরু হয় ৪০৫টি শর্তপূরণের চ্যালেঞ্জ নিয়ে। মূলত ১২টি ক্ষেত্রে সংস্কারের জন্য এই শর্তগুলি রাখা হয়েছিল। সেগুলির কয়েকটি হল, শ্রমিক আইন সংস্কার, এক জানালা পদ্ধতির ই-প্রয়োগ, শিল্পের জন্য পরিকাঠামো যুক্ত জমি, পরিবেশ ছাড়পত্র, পুর-পঞ্চায়েত-বিভাগীয় ছাড়পত্র, তথ্য পাওয়ার স্বচ্ছতা, নির্মাণের ছাড়পত্র ইত্যাদি।

রাজ্য মূলত পাঁচটি ক্ষেত্রে সেরা সংস্কার করায় প্রথম স্থান পেয়েছে। সেগুলি হল, লগ্নি সংক্রান্ত তথ্য সহজে ও স্বচ্ছতার সঙ্গে পাওয়া, এক জানলা পদ্ধতির ই-প্রয়োগ, শিল্পের উপযুক্ত জমি পাওয়া, সহজেই নির্মাণ ছাড়পত্র ও পরিবেশ ছাড়পত্র পাওয়া।


Ease of doing business – Bengal rose from rank 30 to rank 3: Mamata Banerjee at Horasis Asia meet

Bengal Chief Minister Mamata Banerjee today addressed a special international session at the 2017 edition of Horasis Asia Meeting, Asia’s foremost gathering of senior leaders from businesses and governments.

It is being co-hosted by the Bengal Government and the Indian Chamber of Commerce (ICC).

This is the first time that this prestigious business summit is being held in India. Horasis is a Zurich-based think tank. About 350 delegates from 65 countries, other than from India are participating in the event.

Highlights of the Chief Minister’s speech:

Bengal is progressing like never before. It is emerging as the industrial destination.

Six and half years ago, the 34-year old Left Front rule came to an end. During their rule, perception about Bengal was not good; but now it has changed.

Our work culture has changed. Earlier, the mandays lost was about 78 lakh. Now it is absolutely zero. There are no strikes in Bengal. We maintain best of relations with the industry, working class and the people at large.

In Bengal, we have our own infrastructural facilities. We have built flyovers, bridges, power stations. From social sector to health, education sector to youth, agriculture to industry sector – we are surging ahead.

You will be happy to know, in the parameter of ‘ease of doing business’, Bengal was earlier ranked 30. Three years ago, the rank improved to 15. Now, we are third in India. Out of 372 parameters, we have fulfilled 336 and in a few months we will fulfill the rest.

We are facing a legacy and it takes time to undo it. I believe, there is no substitute to hard work, dedication, devotion, sincerity, punctuality. We have the vision, the mission and we show it in our action.

We met the Chairman of Horasis in Munich and they had made a commitment to come to India. But why will you choose Bengal? Strategically, geographically, economically, politically, Bengal is safe and sound.

Bengal is a gateway to south-east Asia. From here you can expand your business to Bangladesh – our neighbouring country, who we love so much. From Bengal you can expand to the eight north-eastern States. You can reach Bhutan and Nepal also. They are just half-an-hour away via flight from Bengal. There is easy access to Thailand, Malaysia and Kuala Lumpur.

Bengal believes in unity and togetherness – people of all castes, creed, religions live here in peace. We believe there can never be any geographical boundary for art or culture.

Advantage of Bengal is our skill, our talented young generation. The new generation is our asset. I am proud of our young generation. In skill development, we are No. 1 for four years. In small scale industries, we are No. 1 in India. We have started e-services in every sphere.

Our industrial growth is not bad. We are trying. GDP growth rate of India for 2016-17 was 7.1%. The GSDP growth of Bengal was 9.1%. In the industry sector also, India’s growth rate was 5.6%, and that of Bengal was 7.2%.

Bengal has the potential. We have lent investable capital to the tune of Rs 1.82 lakh crore. When we came in our GDP was 4.5 lakh crores. It has doubled. Our revenue earnings has doubled now. We have created 81 lakh new employment in six years and more than 100 crore mandays.

Bengal has several advantages – a strategic location, geographical advantage, peaceful situation in the State. We have best of relations with bordering countries. In Bengal, we are all united. We do not believe in divisive politics.

We have the land bank. We do not capture land forcefully. We have land map and land use policy. We have a surplus power bank. We give all facilities and support to the industry.

We have recently hosted the Under-17 FIFA World Cup football. The quarter final, semi final and final matches were held in Kolkata. FIFA showered us with praises for the superb and excellent arrangement.

In Bengal, we are committed to social empowerment also. Ninety per cent people in the State receive direct benefits from the State. We take care of the poor and disadvantaged people. This year, our flagship ‘Kanyashree’ scheme for the empowerment of girls, received the first prize at UN Public Service Award.

We have set up 46 new multi super speciality hospitals within six years. We have set up Mother and Child Hubs. We give free cycles, books and scholarships to the students.

If you want to invest, enough scope is there in every sector – engineering, jute, textile, servicing, IT, mining, transportation, agricultural marketing, manufacturing. We have deep forests, deep sea, even the Hills. There is enough scope for tourism. If you invest in Bengal, you will definitely go for re-investment.

I will request all the delegates present here to come and join the Bengal Global Business Summit on 16-17 January 2018. More than 30 countries are coming to this summit. We have set up an international convention centre, an eco-tourism park. Even a Financial Hub has been set up.

We believe in sweet relations with the industry. Our captains of industry will tell you the advantages of doing business in Bengal. We can take concrete decisions for investments in Bengal at the Bengal Global Business Summit in January.

My earnest request to you is that do not forget Bengal. Make this State your ultimate destination.


শিল্প গড়ার সুবিধা – ৩০ থেকে ৩ নম্বরে উঠে এসেছে বাংলা: মুখ্যমন্ত্রী

শিল্পের বিষয়ে সুইজারল্যান্ডের আন্তর্জাতিক ‘থিঙ্ক ট্যাঙ্ক’, হোরাসিস ভারতে তাদের প্রথম এশিয়া সম্মেলন করছে। এই সম্মেলন শুরু হয় কাল। এই বৈঠক হচ্ছে কলকাতায়, যা নিঃসন্দেহে রাজ্যের শিল্পে লগ্নি সম্ভাবনার ক্ষেত্রে এক বিরাট উদ্দীপকের কাজ করবে। বিশেষ করে আর দেড় মাস পরেই যখন বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন।

সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে আজ একটি বিশেষ সেশনে মূল বক্তা ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এই সম্মেলনে ৬৫টি দেশের ৩৫০র বেশী কর্পোরেট লিডাররা যোগ দিচ্ছেন, যারা প্রতিষ্ঠাতা, মালিক, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, প্রেসিডেন্টের মত মর্যাদাসম্পন্ন।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের কিছু অংশ:

বাংলায় এখন পরিবর্তন এসেছে। শিল্পের গন্তব্য হয়ে উঠেছে বাংলা – এখানে রয়েছে শিল্পের জন্য উন্নততর পরিকাঠামো।

৩৪ বছরের বাম শাসনের পর বাংলায় পরিবর্তন এসেছে। বাম আমলে শিল্প নিয়ে দৃষ্টি ভঙ্গিতে গলদ ছিল, এখন তার পরিবর্তন হয়েছে।

আমাদের কর্মসংস্কৃতির পরিবর্তন হয়েছে। আগে ৭৮ লক্ষ শ্রম দিবস নষ্ট হয়েছে, এখন এই সংখ্যা শূন্য। এখন বাংলায় কোন বনধ হয়না। আমরা শিল্পপতি থেকে শ্রমিক – সব শ্রেণির মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলি।

বাংলায় আমাদের সবরকম পরিকাঠামো রয়েছে। আমরা ফ্লাইওভার, সেতু, পাওয়ার স্টেশন নির্মাণ করেছি। সামাজিক খাত থেকে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, শিল্প – সব ক্ষেত্রেই আমরা এগিয়ে চলেছি।

শিল্প গড়ার সুবিধার মাপকাঠিতে(ease of doing business) দেশের মধ্যে আগে বাংলার স্থান ছিল ৩০ নম্বরে। তিন বছর আগেও বাংলার স্থান ছিল ১৫ নম্বরে। আপনারা জেনে খুশি হবেন, এখন দেশের মধ্যে বাংলার স্থান তৃতীয়। ৩৭২টি প্যারামিটারের মধ্যে আমরা ৩৩৬টি পূরণ করেছি, কয়েক মাসের মধ্যেই আমরা বাকিগুলোও পূরণ করব।

আমি বিশ্বাস করি কঠোর পরিশ্রম, ডেডিকেশন, নিষ্ঠা, আন্তরিকতার কোন বিকল্প হয় না। আমাদের ভিশন ও মিশন আমরা আমাদের কাজের মাধ্যমে দেখাই।

আমরা মিউনিখে হোরেসিসের সভাপতির সাথে সাক্ষাত করেছিলাম এবং তারা ভারতে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কেন আপনারা বাংলাকে বেছে নেবেন? কারণ, কৌশলগতভাবে, ভৌগোলিকভাবে, অর্থনৈতিকভাবে, রাজনৈতিকভাবে বাংলা সেফ অ্যান্ড সাউণ্ড।

বাংলার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার গেটওয়ে। এখান থেকে বাংলাদেশে ব্যবসা প্রসারিত করতে পারবেন। বাংলা থেকে উত্তর পূর্বের ৮ টি রাজ্যে ব্যবসা প্রসারিত করতে পারবেন। এমনকি নেপাল ও ভুটানেও ফ্লাইটের মাধ্যমে মাত্র আধ ঘণ্টায় পৌঁছে যাওয়া যায়। বাংলা থেকে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া এবং কুয়ালালামপুরে সহজেই পৌঁছে যেতে পারবেন।

বাংলা একতা ও ঐক্যবদ্ধতায় বিশ্বাস করে – সকল সম্প্রদায়ের মানুষ এখানে শান্তিতে বাস করে। আমরা বিশ্বাস করি শিল্প বা সংস্কৃতির কোনও ভৌগোলিক সীমানা নেই।

দক্ষতা বিকাশে এক নম্বরে বাংলা। বাংলায় অনেক মেধা আছে। তরুণ প্রজন্ম আমাদের সম্পদ, ওদের জন্য আমি গর্বিত। গত ৪ বছরে দক্ষতা বিকাশে বাংলা ১ নম্বরে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে বাংলা ১ নম্বরে। আমরা প্রতিটি ক্ষেত্রে ই-পরিষেবা চালু করেছি।

আমাদের ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ খারাপ নয়। আমরা চেষ্টা করছি। ২০১৬-১৭ তে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ৭.১% আর বাংলার জিএসডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ৯.১%। শিল্পের ক্ষেত্রেও, ভারতের বৃদ্ধির হার ছিল ৫.৬% এবং বাংলার বৃদ্ধির হার ছিল ৭.২%।

বাংলায় প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা ১.৮২ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগযোগ্য মূলধন ঋণ দিয়েছি। আমরা যখন ক্ষমতায় আসি, রাজ্যের জিডিপি ছিল ৪.৫ লক্ষ কোটি টাকা, এখন তা দ্বিগুন হয়েছে। আমাদের রাজস্ব আয় দ্বিগুন বেড়েছে। আমরা ৬ বছরে ৮১ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করেছি, ১০০ কোটির বেশী শ্রমদিবস তৈরি করেছি।

বিনিয়োগের জন্য বাংলার অনেক সুবিধা আছে – অবস্থানগত এবং ভৌগলিক সুবিধা, শিল্পবান্ধব ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ, পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক। আমরা বিভাজনের রাজনীতিতে বিশ্বাসী না।

আমাদের ল্যান্ড ব্যাঙ্ক আছে। আমরা বলপূর্বক জমি অধিগ্রহণ করি না। আমাদের ল্যান্ড ম্যাপ ও সুনির্দিষ্ট জমি নীতি আছে। আমাদের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যাঙ্ক আছে। আমরা পরিকাঠামোগত সবরকম সাহায্য করতে প্রস্তুত।

কিছুদিন আগেই ফিফার অনূর্ধ্ব ১৭ ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হল কলকাতায়। কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমি ফাইনাল ও ফাইনাল ম্যাচ কলকাতায় হয়। ফিফা কর্তৃপক্ষ আমাদের আয়োজনের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

শিল্পের পাশাপাশি বাংলায় আমরা সামাজিক ক্ষেত্রেও নজর দিই। রাজ্যের ৯০ শতাংশ মানুষ বিভিন্ন প্রকল্পের সরাসরি সুবিধা পান। গরীব ও পিছিয়ে পড়া মানুষদের উন্নয়নের প্রতি আমরা দায়বদ্ধ। মেয়েদের উন্নয়নের জন্য আমাদের চালু করা কন্যাশ্রী প্রকল্প এবছর জন পরিষেবার জন্য রাষ্ট্রসংঘের প্রথম পুরস্কার পেয়েছে।

গত ৬ বছরে ৪৬টি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল গড়েছি আমরা। মাদার ও চাইল্ড হাব তৈরী করেছি। আমরা বিনামূল্যে সাইকেল, বই দিই ছাত্রছাত্রীদের। বিভিন্ন স্কলারশিপের সুবিধাও পায় তারা।

এখানে উপস্থিত সকল অতিথিকে আগামী ১৬-১৭ই জানুয়ারী ২০১৮য় অনুষ্ঠিত হতে চলা বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে আসার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। ৩০টিরও বেশি দেশ থেকে অতিথিরা আসবেন। আমরা একটি আন্তর্জাতিক মানের কনভেনশন সেন্টার গড়েছি। একটি ইকো-ট্যুরিজম পার্ক তৈরী হয়েছে এখানে। একটি ফিনান্সিয়াল হাবও তৈরী করা হয়েছে।

বাংলায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগের সম্ভাবনা বিপুল। কারিগরি, পাট, বস্ত্র, পরিষেবা, তথ্যপ্রযুক্তি, খনি, পরিবহন, কৃষি বিপণন – সব ক্ষেত্রেই অনেক সম্ভাবনা। আমাদের জঙ্গল, সমুদ্র, পাহাড় – সব আছে। পর্যটন ক্ষেত্রেও বিশাল সুযোগ। একবার বাংলায় বিনিয়োগ করলে, নিজেরাই পুনরায় বিনিয়োগ করবেন।

আমরা শিল্পপতিদের সাথে সুসম্পর্ক রেখে চলি। এখানে উপস্থিত আমার ‘ক্যাপ্টেন্স অফ ইনডাস্ট্রি’রাই আপনাদের বলবেন তাদের বাংলায় ব্যবসা করার অভিজ্ঞতা। আগামী বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে আসুন, সেখানেই বিনিয়োগ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

আপনাদের প্রতি আমার আবেদন, বাংলাকে ভুলবেন না। বাংলায় আসুন, শিল্প গড়ুন। বাংলাই হোক বিনিয়োগের গন্তব্য।


Chinese envoy meets Bengal CM to explore business possibilities

Chinese Ambassador to India Luo Zhaohu on Thursday extended an invitation to West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee to visit his country for exploring business possibilities in manufacturing and other key sectors of the two countries.

The Ambassador, heading a five-member delegation including Chinese Consul-Genral in Kolkata Ma Zhanwu, called on Banerjee at the state secretariat Nabanna.

“Ambassador of the People’s Republic of China to India and the Consul-General of China in Kolkata had a meeting with me at the state secretariat today (Thursday).

“He extended an invitation to us to visit China to explore Bengal-China business possibilities in manufacturing and other key sectors,” Banerjee said in a Facebook post.

Zhaohu and Banerjee had elaborate discussions about the business possibilities in many areas.


মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে দেখা করলেন চীনের রাষ্ট্রদূত

বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করলেন চীনের রাষ্ট্রদূত লিও জং হুই। পাঁচ সদস্যের এক চীনা প্রতিনিধি দল এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। এ রাজ্যে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী চীন।

মুখ্যমন্ত্রী তাঁর ফেসবুক পেজে লেখেন, “আজ (বৃহস্পতিবার) নবান্নে চীনের রাষ্ট্রদূত লিও জং হুই আমার সঙ্গে দেখা করেন। বাংলা-চীনের বাণিজ্য সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার জন্য উনি আমায় চীন সফরে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানান”।

বিভিন্ন জায়গায় বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে এদিন বিস্তারিত আলোচনা হয় তাদের মধ্যে।